স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্তি আগামী সপ্তাহে

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, ১৪ অগাস্ট ২০২৫ | আপডেট: ৪:৩৫ অপরাহ্ন, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম জানিয়েছেন যে, স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসাগুলো আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এমপিওভুক্ত হবে। যেসব মাদ্রাসা ২০০৬ সালের আগে স্বীকৃতি পেয়েও এমপিও পায়নি, সেগুলোকে এবার অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, নতুন করে বেসরকারি মাদ্রাসার এমপিওভুক্তিও প্রক্রিয়াধীন আছে।

বুধবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ে এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব) নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ তথ্য জানান।

অবসরোত্তর ছুটিতে যাওয়ার দুইদিন আগে সচিব মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

সচিব বলেন, “বেসরকারি মাদ্রাসার জন্য জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা উপদেষ্টা মহোদয়ের কাছে পাঠানো হয়েছে। এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে যাবে, সেখান থেকে অনুমোদন এলে আমরা নতুনভাবে এমপিওভুক্তি শুরু করব। বিশেষ করে যে প্রতিষ্ঠানগুলো ২০০৬ সালের আগে স্বীকৃতি পেয়েছে, কিন্তু আগের সরকার বৈষম্যমূলকভাবে এমপিও দেয়নি, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আশা করছি, চলতি অর্থবছর থেকেই এটি শুরু হবে।”

স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রসঙ্গে সচিব বলেন, “আমি আসার পর থেকেই এমপিওভুক্তির জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলাম। মনে হয় সাইন করতে পারলাম না। এমপিওর সারসংক্ষেপ প্রধান উপদেষ্টার কাছে আছে। উনি মালয়েশিয়ায় না গেলে হয়তো এ কয়েকদিনে হয়ে যেত। কাল যদি হয় ভালো, না হলে আগামী সপ্তাহে হয়ে যাবে বলে আশা করছি।”

তিনি আরও বলেন, “২০২২ সালের পর থেকে নতুন কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়নি।”

তিনি জানান, স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসার ভবনের জন্য একটি প্রকল্প সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশন এতে সম্মতি দিয়েছে।

আরেকটি প্রকল্পের উল্লেখ করে সচিব বলেন, “আমরা দুই হাজার মাদ্রাসায় ভবন নির্মাণ করব। ২০০৬ সালের পরে বা এখন পর্যন্ত যেসব মাদ্রাসা ভবন পায়নি, সেগুলোর সংখ্যা ৬,৩৮৯টি। এর মধ্যে একেবারেই ভবন পায়নি ৩,০২২টি, আর ২০০৬ সালের আগে ভবন পেলেও গত সরকারের আমলে কিছু পায়নি এমন ৩,৩৫৯টি মাদ্রাসা রয়েছে।”

মতবিনিময় সভায় ইরাব সভাপতি ফারুক হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক সোলাইমান সালমানসহ সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।