‘এক চীন’ নীতিতে বাংলাদেশের সমর্থন, স্বাগত দূতাবাসের

newsdesk
newsdesk newsdesk
প্রকাশিত: ১২:৩২ অপরাহ্ন, ০২ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১০:১৪ অপরাহ্ন, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচন প্রত্যাশা এবং নির্বাচনকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে অভিহিত করে চীন সরকারের সাম্প্রতিক বিবৃতিকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি ‘এক চীন নীতিতেও সমর্থন দেওয়ার কথা বাংলাদেশ জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের এ অবস্থানের কথা তুলে ধরেছে। ঢাকার চীন দূতাবাস এক বার্তায় বাংলাদেশের এ অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছে।

চীনা দূতাবাসের বার্তায় বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি প্রেস বিবৃতি জারি করে বলেছে যে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে গভীরভাবে মূল্য দেয়, যা অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে আরও উচ্চতায় গিয়েছে। বাংলাদেশও এক চীন নীতির প্রতি দৃঢ়ভাবে আনুগত্য প্রকাশ করেছে।’

‘এক চীন’ নীতি অনুযায়ী বিশ্বে কেবল একটিই চীন আছে, যেখানে তাইওয়ানকেও চীনের ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই নীতিতে তাইওয়ানসহ সব ভূখণ্ডে চীন সরকারকেই সমগ্র চীনের আইনসম্মত একমাত্র প্রতিনিধিত্বকারী সরকার মনে করা হয়।

চীন এ অবস্থানে অনড় থাকলেও তাইওয়ান নিজেদের স্বাধীন বলে দাবি করে থাকে। তবে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং চীন ও তাইওয়ানের ‘পুনর্মিলন’ অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং বেইজিংয়ের দীর্ঘদিনের লক্ষ্যকে ‘অপ্রতিরোধ্য’ বলে অভিহিত করেছেন।

তাইওয়ানের চারপাশে চীনের সামরিক বাহিনী যুদ্ধ মহড়া শেষ করার একদিন পর নববর্ষের ভাষণে শি বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) তাইওয়ান প্রণালির উভয় পাশে চীনা জনগণের মধ্যে ‘রক্ত ও আত্মীয়তার বন্ধন’ তুলে ধরেন।