শেখ হাসিনার ৫, শেখ রেহানার ৭, টিউলিপের ২ বছরের সাজা

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ৩:০৭ অপরাহ্ন, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১:৫৪ পূর্বাহ্ন, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানীর পূর্বাচলে রাজউকের ৩০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার আরেক মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানাকে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ-৪-এর বিচারক রবিউল আলম রায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই ‍অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর গত ডিসেম্বরে তাদের বিরুদ্ধে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা করে ছয়টি প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। মোট ৬০ কাঠার প্লট।


এ বছরের ১২ জানুয়ারি প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগে পুতুলের বিরুদ্ধে প্রথম মামলা করে দুদক। পরদিন শেখ রেহানা ও তার ছেলেমেয়ের বিরুদ্ধে মামলা করে সংস্থাটি।

শেখ রেহানার পরিবারের বিরুদ্ধে করা তিন মামলায় শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা, তার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিউক, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও আরেক মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীকে আসামি করেছে দুদক।

পরে শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলার আসামি করা হয় শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকেও। ছয় মামলাতেই আসামি হিসেবে রয়েছেন শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্য ছাড়াও আরও ১৬ জনকে এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে। এরই মধ্যে তিন মামলায় শেখ হাসিনাকে ২১ বছরের কারাদণ্ড এবং একটি করে মামলায় সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।