কুমিল্লায় ধর্ষণে অভিযুক্ত ফজর গ্রেপ্তার, ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে আটক ৪

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, ২৯ জুন ২০২৫ | আপডেট: ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, ৩০ জুন ২০২৫

কুমিল্লার মুরাদনগরের আলোচিত ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ফজর আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া এ ঘটনার ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে আরও চারজনকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (২৯ জুন) ভোরে ঢাকার সায়েদাবাদ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খান।

আহত ফজরকে আইন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়ার পর আদালতে উপস্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে পাশবিক নির্যাতনের ঘটনার ভিডিওধারণ ও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অনিক, সুমন, রমজান ও বাবু নামের চারজনকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে আলাদা মামলা হবে। গ্রেপ্তার পাঁচজনই মুরাদনগরের পাঁচকিত্তা এলাকার বাসিন্দা।

ভুক্তভোগীর বিবস্ত্র ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে সমালোচনা চলছে।

জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে মুরাদনগরে একটি গ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফজর আলী (পিতা- শহিদ মিয়া, গ্রাম- বাহেরচর (পূর্ব পাড়া), থানা- মুরাদনগর, জেলা- কুমিল্লা) নামে এক ব্যক্তি আটক ও পিটুনির শিকার হয়। পরে ফজর সেখান থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে কিছু ব্যক্তি ভুক্তভোগীর ভিডিও ধারণ করে সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়। পরে মুরাদনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ‘আইনানুগ ব্যবস্থা’ গ্রহণ করে।

ফজর আলীকে আসামি করে শুক্রবার মামলা করেছেন এক হিন্দু নারী। বাদীর মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ওই নারী বাবার বাড়ি বেড়াতে এসেছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে ওই নারীর মা-বাবা বাড়ির বাইরে যান। তখন ফজর আলী বাড়িতে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন। ওই নারী চিৎকার করলে স্থানীয়রা গিয়ে ফজর আলীকে মারধর করে।

স্থানীয়দের কেউ কেউ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়।