চট্টগ্রাম বন্দরের ধর্মঘট স্থগিত

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ১১:২২ পূর্বাহ্ন, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১১:৩৩ অপরাহ্ন, ২৪ মে ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং পবিত্র রমজানে পণ্য খালাস ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে 'বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ' এই সিদ্ধান্ত জানায়।

মূলত বর্তমান সরকারের মেয়াদে নিউমুরিং টার্মিনাল (এনসিটি) কোনো বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা না দেওয়ার সরকারি আশ্বাসে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

ফলে সোমবার সকাল ৮টা থেকে সচল হয়েছে দেশের প্রধান এই সমুদ্র বন্দর, যা নির্বাচনকালীন পণ্য সরবরাহ ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে হয়েছে, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধর্মঘট কর্মসূচি স্থগিত থাকবে। তবে এ সময়ের মধ্যে বন্দর কর্মচারীদের গ্রেফতার, হয়রানিমূলক বদলি, সাময়িক বরখাস্তসহ পাঁচটি দাবি পূরণ না হলে ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে পুনরায় আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।


এর আগে বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা না দেওয়াসহ চার দফা দাবিতে রোববার সকাল থেকে ধর্মঘট শুরু করেছিলেন কর্মচারীরা। তবে বিকেলে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে দুবাইভিত্তিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে এই টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

সরকারের এমন আশ্বাসে আন্দোলনকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও কর্মচারীদের ওপর হওয়া বিভিন্ন শাস্তিমূলক পদক্ষেপের কারণে রোববার রাত ৯টা পর্যন্ত ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার অনড় অবস্থান ছিল সংগ্রাম পরিষদের। পরবর্তীতে শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে তারা কর্মসূচি স্থগিতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছান।

তবে বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে, আন্দোলনরত কর্মচারীদের গ্রেফতার, হয়রানিমূলক বদলি এবং সাময়িক বরখাস্তের মতো পাঁচটি প্রধান সমস্যার সমাধান না হলে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে পুনরায় আন্দোলন শুরু করা হবে।