ঢাকায় বসছে সার্ক সাংবাদিক ফোরামের সম্মেলন: তথ্যমন্ত্রীর মিডিয়া সমন্বয়ক কাউসার হোসেনকে অভিনন্দন

Shahinur Rahman Uzzol
Shahinur Rahman Uzzol Shahinur Rahman Uzzol
প্রকাশিত: ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, ০১ মে ২০২৬ | আপডেট: ৩:৩৭ অপরাহ্ন, ০৩ মে ২০২৬



সভায় সোমালিয়ার দারু সালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আসিফ এস. মিজানের বিশেষ উপস্থিতি


নিজস্ব প্রতিবেদক:

(ঢাকা, ৩০ এপ্রিল) ঢাকায় এ বছরই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সার্ক সাংবাদিক ফোরামের (এসজেএফ) বর্ণাঢ্য সম্মেলন। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এসজেএফ-এর বাংলাদেশ শাখার নির্বাহী কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 


সংগঠনের সভাপতি নাসির আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় ফোরামের বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। একইসঙ্গে সভায় এসজেএফ-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক খন্দকার কাউসার হোসেনকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর মিডিয়া সমন্বয়ক হিসেবে সম্প্রতি নিযুক্ত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়। 


সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ খন্দকার কাউসার হোসেনের নতুন দায়িত্ব প্রাপ্তিকে তাঁর দীর্ঘদিনের পেশাগত উৎকর্ষতা এবং সাংবাদিকতায় নিবেদিত ভূমিকার এক অনন্য স্বীকৃতি হিসেবে বর্ণনা করেন। তাঁরা তাঁর নতুন কর্মক্ষেত্রের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করেন। 


অনুষ্ঠানটিতে সোমালিয়ার মোগাদিশুতে অবস্থিত দারু সালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাংলাদেশি উপাচার্য এবং প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. শেখ আসিফ এস. মিজান বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরো আয়োজনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলেন।


সভায় উপস্থিত সদস্যবৃন্দ ঢাকা সম্মেলনকে সফল করতে নানা পরিকল্পনা তুলে ধরেন। প্রস্তাবিত এই সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিক ও গণমাধ্যম পেশাজীবীরা অংশ নেবেন।


সম্মেলনের মূল লক্ষ্য ও প্রত্যাশাগুলো হলো:


পেশাগত ঐক্য: দক্ষিণ এশিয়ার সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করা।


সার্ক পুনরুজ্জীবন: স্থবির হয়ে থাকা আঞ্চলিক সহযোগিতা (সার্ক)-কে নতুন করে গতিশীল করা।


জনযোগাযোগ: এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সংযোগ বৃদ্ধি করা। 


নির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, এই সম্মেলনকে গণমাধ্যম, গণতন্ত্র এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়ে অর্থবহ আলোচনার একটি শক্তিশালী ও কার্যকর আন্তর্জাতিক মঞ্চ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। দক্ষিণ এশিয়ার সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য এবং সৌহার্দ্যের নতুন অঙ্গীকার গ্রহণের মধ্য দিয়ে সভাটি সমাপ্ত হয়।