মহালছড়ি-সিন্দুকছড়ি সড়কে জীপ(চাঁদের) গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আহত-১২
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মহালছড়ি-সিন্দুকছড়ি সড়কের পংখিমূড়ায় চাঁদের গাড়ী(জীপ) পাহাড়ের উপর থেকে ঢালুতে নামার সময়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে পড়ে অন্তত ১৫জন মারমা নৃ জনগোষ্ঠীর যাত্রী আহত হয়।
বৃহস্পতিবার(১৮ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে এ দূর্ঘটনা ঘটে। জানা যায়, আহত ক্ষুদ্র নৃ-জাতিগোষ্ঠী মারমা সম্প্রদায় মহালছড়ি উপজেলার সিংগিনালা গ্রামের একটি বৌদ্ধ বিহার থেকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষে নিজ বাড়ি মানিকছড়ি উপজেলার তবলা পাড়া গ্রামে ফিরছিল। এসময় দূর্ঘটনায় গুরুতর আহতদের মধ্যে অংক্রই মগিনি(২৫),স্বামীঃ মংছিনু মারমা, গ্রামঃ তবলা পাড়া, থানাঃ মানিকছড়ি, জেলাঃ খাগড়াছড়ির বাম হাতের কব্জি কর্তন ও সমস্ত মুখে আঘাত প্রাপ্ত,
আচিং মারমা(১৮)পিতাঃ লাম্বাইয়া মারমা, উলাউ মারমা(২০) পিতাঃ উচাপ্রু মারমাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
এছাড়া, থ অং মারমা(৩০) পিতাঃ মংশে মারমা, মংছিনু মারমা (৩৫) পিতাঃ থৈলারি মারমা, পাইচিনু মারমা(১২), পিতঃ পিলাপ্র মারমা, সাচিং মারমা(১২),পিতাঃ মংশে মারমা, উচামং মারমা(১৮) পিতাঃ চাই মারমা, অংছা মারমা (২০)পিতাঃ মংচাই মারমা, চাইথৈ মারমা (১৮)পিতাঃ মংশেপ্র মারমা, প্র মারমা(১৫) পিতাঃ উলাউ মারমা, পাইচিং মারমা(১৫) পিতাঃ ফুলাপ্র মারমা আহত হয়েছেন।
গুরত্বর আহত ১২জনকে উদ্ধার করে মানিকছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪জনকে ও ০১ জনকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
আহত সবাই মানিকছড়ি উপজেলার তবলাপাড়ার বাসিন্দা বলে জানা যায়।
হবিগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অর্ধশতাধিক
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রাসেল মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত উপজেলার কাকাইলছেও ইউনিয়নের কুমেদপুর এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আহত ব্যক্তিরা আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুমেদপুর এলাকার টেনু মিয়ার ছেলে হান্নান মিয়া ও আনন্দপুর গ্রামের সরকারহাটী এলাকার বাসিন্দা মৃত একরাম হোসেন সওদাগরের ছেলে আল কোরান সওদাগরের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কাকাইলছেও বাজারে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন এবং বেশ কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষ ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত রাসেল মিয়াকে স্বজনেরা উদ্ধার করে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রাসেল মিয়া কাকাইলছেও ইউনিয়নের কুমেদপুর এলাকার ছুরত মিয়ার ছেলে।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন রাব্বি মিয়া (১৮), ছাব্বির (২১), ইন্তাজ আলী (১৬), সেলিম (২৫), বাবলু (৩৫), জিয়াউর রহমান (৫০), তকদির (২৮), আলতু মিয়া (১৮), রায়হান (২৮), আশরাফ উদ্দিন (২৪), মাসুম (২৬), জীবন (২৮) ও আমেনা খাতুনসহ (২৫) আরও অনেকে।
আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক অভিজিৎ পাল জানান, হাসপাতালে আনার পর রাসেল মিয়াকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকবর হোসেন বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
৬ দিনের মাথায় কোটালীপাড়ায় জামায়াতের হিন্দু শাখার ৯ নেতার পদত্যাগ
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নে ‘জামায়াতে ইসলামীর হিন্দু শাখা’র সভাপতিসহ ৯ নেতা পদত্যাগ করেছেন। এক সংবাদ সম্মেলনে ‘পারিবারিক ও সামাজিক কারণ’ দেখিয়ে কমিটি গঠনের এক সপ্তাহ পূরণ না হতেই তারা সরে দাঁড়ান কমিটি থেকে।
পদত্যাগ করা নেতারা হলেন— সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে হিন্দু শাখার সভাপতি মনোজ মল্লিক, সহসভাপতি বিমল বালা, উপদেষ্টা নারায়ণ হালদার এবং সদস্য দুলাল মল্লিক, সবুজ মল্লিক, সুভাষ মধু, প্রকাশ সরকার, প্রদীপ ঢালী ও শিশির মল্লিক।
গত ১ ডিসেম্বর কোটালীপাড়া উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের পীড়ারবাড়ী পূর্বপাড় মৎস্য আড়তে ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে ২১ সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়। ৬ দিনের মাথায় শনিবার (৬ ডিসেম্বর) কমিটির ৯ সদস্য পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন।
সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের পিড়ারবাড়ি বাজারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিপ্লব মল্লিক বলেন, ‘শনিবার থেকে আমরা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর হিন্দু শাখার কোটালীপাড়া উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি, সহসভাপতি, উপদেষ্টা ও সদস্যসহ ৯ জন পারিবারিক ও সামাজিক কারণে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর হিন্দু শাখার পদ ও সব কার্যক্রম থেকে পদত্যাগ করলাম।’
এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ফরিদ উদ্দিন মাসউদ গণমাধ্যমকে বলেন, কিছুদিন আগে কমিটি হয়েছিল। তারা পদত্যাগ করেছেন কি না, তা আমার জানা নেই।
এদিকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পথ থেকে মো. এহিয়া শেখও পদত্যাগ করেছেন। শনিবার রাতে গোপালগঞ্জ লঞ্চঘাটের একটি বাসায় সংবাদ সম্মেলন করে তিনি বলেন, ‘আজ থেকে আওয়ামী লীগের কোনো পদে বা কোনো কার্যক্রমে আমার সম্পৃক্ততা থাকবে না।’
পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে শীত, তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.৫
দেশের সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে শীতের প্রকোপ বাড়তে শুরু করেছে। আজ রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, বিশেষ করে বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও দরিদ্র মানুষ। এর আগে, শনিবার এখানে একই সময় তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ১০ ডিগ্রি দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা মৃদু শৈত্যপ্রবাহের ঘরে নেমেছে। কারণ হিসেবে বলেন, তাপমাত্রার পারদ ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে থাকলে সেটিকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। ডিসেম্বরেই তাপমাত্রা আরো কমে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে বলে জানান তিনি।
জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, এই শীতে জেলা প্রশাসনের বড় কাজ হলো শীতার্তদের পাশে দাঁড়ানো। জেলা প্রশাসন এই কাজটি নিয়মিত করে যাচ্ছে। এবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে এ জেলায় ৩০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। ৮ হাজার ৬৪০টি কম্বল কিনে পাঁচ উপজেলার ৪৩ ইউনিয়নের বিতরণ করা হয়েছে। আরো ৬৫ হাজার কম্বলের চাহিদাপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে সবুজ (২৫) নামে বাংলাদেশি এক যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) ভোরে সীমান্তের ৮৬৪ ও ৮৬৫ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি ভারতের অভ্যন্তরে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত সবুজ উপজেলার জগতবেড় ইউনিয়নের পঁচাভান্ডার এলাকার শেরাজুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সবুজসহ কয়েকজন যুবক সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতের দিকে প্রবেশ করলে ১৬৯ বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই সবুজ মারা যান। পরে বিএসএফ তার মরদেহ ভারতের ভেতরে নিয়ে যায়।
৬১ বিজিবির শমসেরনগর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার কামাল উদ্দিন জানিয়েছেন, আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৩০ থেকে ১১টার মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে নিহত যুবকের বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হবে।
৮ কুকুর ছানা হত্যা, অভিযুক্ত নিশি রহমান গ্রেপ্তার
পাবনার ঈশ্বরদীতে আটটি কুকুর ছানাকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি নিশি রহমানকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করলে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ঈশ্বরদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুন নূর মামলা ও গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার নিশি রহমান ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়নের স্ত্রী।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ঈশ্বরদী সার্কেল) প্রণব কুমার জানান, মামলার পর রাত দেড়টার দিকে অভিযান চালিয়ে ঈশ্বরদী পৌর সদরে রহিমপুর গার্লস স্কুলের পাশে জনৈক বিদ্যুতের বাসার চার তলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন বলেন, ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত সমালোচিত হয়েছে। যে কারণে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার মহোদয় ফোন করেছিলেন।
তিনি বলেছেন, এ ঘটনা অমানবিক। এ ঘটনা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। তাই প্রাণী হত্যায় জড়িতদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, কুকুর ছানা হত্যার ঘটনায় ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়নকে গেজেটেড কোয়ার্টার ছাড়তে লিখিত নির্দেশ দেওয়ায় তারা বাসা খালি করে অন্যত্র চলে গেছেন।
নয়নের স্ত্রী নিশি রহমান মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, বাচ্চাগুলো আমাদের বাসার সিঁড়ির পাশে থাকতো এবং খুব ডিস্টার্ব করত। তাই আমি বাজারের ব্যাগে ভরে পুকুরের পাশে একটি সজিনার গাছের গোড়ায় রেখে আসি। কীভাবে পুকুরে পড়ে মারা গেছে তা জানি না। আমি নিজে ছানাগুলোকে পুকুরে ফেলিনি।
প্রসঙ্গত, ঈশ্বরদী উপজেলা পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়ন ও তার স্ত্রী আটটি জীবন্ত কুকুর ছানাকে বস্তায় ভরে রোববার রাতের কোনো এক সময় উপজেলা পরিষদের পুকুরে ফেলে দেন। একদিন পর সোমবার সকালে ছানাগুলোর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত ছানাগুলো দেখে মা কুকুরটি প্রচণ্ড আর্তনাদ করতে করতে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মীরা কুকুরটিকে চিকিৎসা প্রদান করেন। মঙ্গলবার সারাদিন ছানাগুলোর খোঁজে মা কুকুরটিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়সহ পুরো উপজেলা চত্বর এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি" বাতিলের দাবিতে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের নাগরিক সভা অনুষ্ঠিত
"পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি" বাতিলের দাবিতে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের নাগরিক সভা অনুষ্ঠিত
রিপোর্ট : তাজউদ্দীন আহমদ
"পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি" নামক অবৈধ কালো চুক্তি বাতিল করে সম্প্রীতি চুক্তি করার দাবিতে আজ ০২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাব সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর উদ্যোগে নাগরিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিচারপতি আব্দুস সালাম মামুন এর সভাপতিত্বে সঞ্চালনা করবেন সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা। এসময় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আমান আযমি।
এসময় প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মাছুম (সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), আশরাফ আলী আকন ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য, অধ্যাপক ড আৰু মূসা মোঃ আরিফ বিল্লাহ (ভিজিটিং প্রফেসর, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এইচ আর এম রোকন উদ্দিন, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল নাসিমুল গণী, কর্নেল হাসিনুর রহমান, লেঃ কর্নেল খন্দকার ফরিদুল আকবর, এস এম জহিরুল ইসলাম, শামীম রেজা, খানে আসাদ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, আইনজীবী ও পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী বাসিন্দাদের নেতৃবৃন্দ।
এসময় বক্তাগণ বলেন, ১৯৯৭ সালের আকজের এই দিনে পার্বত্য চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিতর্কিত অধ্যায়ের সূচনা হয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জনসংহতি সমিতির (pcjss) এর সঙ্গে একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেন। বাংলাদেশের সংবিধান, সার্বভৌমত্ব, দেশের অখণ্ডতা এবং রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক কাঠামোর ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলা এই চুক্তিটি সেসময় রাজনৈতিকভাবে “শান্তি প্রতিষ্ঠার সাফল্য" হিসেবে প্রচার পেলেও বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। চুক্তিটি শুরু থেকেই অসম, বৈষম্যমূলক এবং রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামোর পরিপন্থী বলে বহু বিশেষজ্ঞ, সামরিক কর্মকর্তা এবং নীতিনির্ধারক গণের বিশ্লেষণে উঠে আসে। ১৯৯৮ সালে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শান্তি চুক্তিকে কালো চুক্তি আখ্যায়িত করে জামাত, বিএনপিসহ সাত দলের সমন্বয়ে লংমার্চে করে ছিলেন। চুক্তির মোট ৭২টি ধারার বহুাংশই সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক, বিশেষ করে ভূমি ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক কর্তৃত্ব, নিরাপত্তা
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী জনতার সুদৃঢ় ঐক্য চাই
শাহসুফি ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আব্দুল হান্নান আল হাদি, চেয়ারম্যান, ইসলমিক বুদ্ধিজীবী ফ্রন্ট
আমাদের স্থল সীমান্তের ২৯৭৯কিঃমিঃ ব্যাপি ভারত বেষ্টিত, মাত্র কয়েকশত কিঃমিঃ বার্মা সীমান্ত। ভারতের আয়তন প্রায় ৩২,৮৭,২৬৩ বর্গ কিঃমিঃ, পৃথিবীর সপ্তম দেশ। পক্ষান্তরে বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৬,৬১০ কিঃ মিঃ। ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ। আমাদের থেকে প্রায় ২২ গুণ বড়। জনসংখ্যায় ভারত ১৪৬ কোটি আর বাংলাদেশ হলো ১৭ কোটি ৩৫ লক্ষ ৬২ হাজার ৩৬৪ প্ৰায় ১৮ কোটি। লোকসংখ্যায় ভারত আমাদের থেকে প্রায় ৮ গুণ বেশি। বিশ্বে আমরা ৮ম বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ। ভারতের সাথে আমরা যতই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আশা করি ভারত আমাদেরকে তত বন্ধু ভাবে না। ভাবে আমরা ছোট ভাই, ভারত আমাদের বড় দাদা। একটি কর্তৃত্ব সুলভ সম্পর্ক ভারত আমাদের উপর বজায় রাখতে চায়। বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রি ড. মোমেন খান বলেছিলেন “ভারতের সাথে আমাদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক”। কিন্তু দুইটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে আমরা সমান । আমাদের সাথে সম মর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের চলা উচিত। কিন্তু ভারতের সুদূর প্রসারি দৃষ্টি হচ্ছে ভারত ভবিষ্যতে আমাদের দেশ দখল করে নিবে হায়দ্রাবাদের মত। প্রশ্ন হলো এখন কেন নেয় না। কারন ভারত আমাদের গ্রাস করার পটভূমি তৈরির কাজ শেষ করে নি। পটভূমি হলো ভারত আমাদের অর্থনীতি পঙ্গু করতে চায়, আমাদের রাজনীতিবীদদের ক্রয় করে তাবেদার বানাতে চায়। যেন আমাদের জনগণ প্রতিবাদ করতে না পারে। আমাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করে জাতীয় একতা নষ্ট করার এবং পরষ্পর হানাহানিতে লিপ্ত করার কাজ ভারত করে যাচ্ছে। যাতে আমরা নিজেদের ব্যক্তি স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। স্বাধীনতা রক্ষার দিকে আমাদের নজর না থাকে। যেমনি ভারত কাশমীরের স্বায়ত্ব শাসন বিনষ্ট করে কাশমীরকে আজ পূর্ণ করায়ত্ব করে ফেলেছে। এখন কাশমীরে তেমন কোনো আন্দোলন নেই। প্রায় প্রতি ১০জন কাশমীরীর বিপরীতে একজন ভারতীয় সশস্ত্র সৈন্য কাশমিরকে ঘিরে রেখেছে ফলে যুদ্ধেরও ও নড়াচড়ারও সুযোগ নেই কাশ্মির বাসীদের। তেমনি ভারত ভৌগলিক আগ্রাসনের পটভূমি এখন তৈরী করছে। আমাদের দূর্বল পয়েন্ট হলো ফেনী নদী। ভারত পার্বত্য চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটিতে নৃগোষ্ঠিদের অর্থ ও অস্ত্রদিয়ে সেখানে তাদের মুক্তিযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ভারতের ১৩ লক্ষ সৈন্যের একটি অংশ তারা মনিপুর ও মিজরামে মোতায়েন করেছে। যাতে যেকোন মুহূর্তে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যে তারা বাংলাদেশের ঢুকে যেতে পারে।
ভারত তাদের দুর্বল পয়েন্ট চিকেন নেক বা শিলিগুড়ি করিডরের দুই পাশে দুইটি সৈন্য ঘাঁটি স্থাপন করছে। এবং বিমান ঘাঁটিও স্থাপনের উদ্যেগ নিয়েছে। তারা এখান দিয়েও তাদের তল্পিবাহক রাজনৈতিক দলের সাহায্যে বাংলাদেশে আগ্রাসন চালাতে পারে। এখন আমাদের দেশের বাহিরে ভারতের রাজনৈতিক বন্ধু তাদের দেশেই অবস্থান করছে। দেশের অভ্যন্তরে আরেকটি দলকে তাদের বি টিম বানাতে পারে। তাহলে বুঝুন আগ্রাসন কত সহজ হয়। ভারত তক্কে তক্কে আছে।
সেনাবাহিনীই পারে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে: ড. ইফতেখারুজ্জামান
আদিবাসী বা পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার মূল চাবিকাঠি সেনাবাহিনীর হাতে। পার্বত্য অঞ্চল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্তৃত্বাধীন। তারাই (সেনাবাহিনী) পারে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে বলে জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে ধানমন্ডির মাইডাস ভবনে টিআইবির নিজ কার্যালয়ে ‘সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমরা দেখতে চাই, সেনাবাহিনী চেষ্টা করে দেখাক যে, পার্বত্য অঞ্চলে তারা শান্তি প্রতিষ্ঠা করবে। যে বিভাজন ও শাসন চলমান রয়েছে, সেটা থেকে সরে এসে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সত্যিকারের অঙ্গীকার এবং ফ্যাক্ট বা ঘটনাভিত্তিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে যদি তারা উদ্যোগ গ্রহণ করে তাহলে সেনাবাহিনীর দ্বারা সম্ভব।
তিনি বলেন, এখন যে প্রচারণা দেখছেন, সম্প্রতি এক বা একাধিকবার বলেছি, সরকারকে সুনির্দিষ্টভাবে ও লিখিতভাবে অবহিত করেছি যে, এখন হচ্ছে সময় তাদের (সেনাবাহিনী) আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের পরীক্ষা করা, পরীক্ষা দেওয়া। সারা বিশ্বে ১৬৯টা দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার কার্যক্রমে অত্যন্ত গৌরবের সাথে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভূমিকা রেখেছে। এটার জন্য আমিসহ পুরো দেশের জনগণ গর্বিত। এই মুহূর্তে অন্তত ১০টা দেশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শান্তি প্রতিষ্ঠায় কর্মরত আছে এবং উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছে।
তাহলে এখন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মূলত তাদের কর্তৃত্বাধীন একটা অঞ্চলে (বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল) কেন শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্ষম হবে না– এমন প্রশ্ন তুলে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সেই প্রশ্নের জবাব সেনাবাহিনীকেই দেওয়া উচিত। নিজেদের জন্য, তাদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা, ক্রেডিবিলিটি, মর্যাদা ও সম্মানকে আরও উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার একটা সুযোগ।
তিনি বলেন, আমি মনে করি, সরকারের সহায়তায় নয়, সেনাবাহিনী নিজেদের উদ্যোগেই পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, যদি সেনাবাহিনীর সে সদিচ্ছা থাকে তাহলে পার্বত্য শান্তিচুক্তির প্রতিটি ধারা বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে আমি মনে করি। কিন্তু অন্য কোনো শক্তি বা অন্য কোনো অতীত সরকার সেটি পারেনি। সর্বশেষ ক্ষমতাধর ও ইতিহাসে সবচেয়ে কর্তৃত্ববাদী সরকার গত ১৫ বছর ছিল বাংলাদেশের ক্ষমতায়, তারাও পারেনি। তাদের দ্বারা সেটা সম্ভবও ছিল না।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রথম ভাষণে আদিবাসী শব্দটা ব্যবহার করেছিলেন। এরপর নতুন করে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়টি আসে। কিন্তু সেটি আর হয়নি। যদিও সেটা দৃষ্টান্ত মাত্র। যদিও এখন পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার এখতিয়ার বা কর্তৃত্ব নাই। সেই এখতিয়ার বা সক্ষমতা আসবে যদি সেনাবাহিনী সেই চেষ্টাটা করে।
সেনাবাহিনীর প্রতি আস্থা রেখে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সে সক্ষমতা আছে। তারা চাইলে সত্যিকার অর্থে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে দেশ-বিদেশে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন গবেষণা ফেলো রাজিয়া সুলতানা। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির উপদেষ্টা ও নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের, পরিচালক (রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি) মুহাম্মদ বদিউজ্জামান, পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) তৌহিদুল ইসলাম।
শীতে কাঁপছে কুড়িগ্রাম, ১২ ডিগ্রিতে নামল তাপমাত্রা
উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা কুড়িগ্রামে শীতের তীব্রতা ক্রমশ বাড়ছে। হিমেল হাওয়ার দাপটের সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে জনজীবন অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) জেলার তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
রাজারহাট আবহাওয়া কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, আজ সকাল ৬টায় ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এখন প্রতিদিনই কুয়াশা পড়ছে। সামনে কুয়াশা ও ঠাণ্ডা আরও বাড়বে।
এদিকে,ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকায় দিনের বেলায়ও সড়কপথে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, ঠান্ডা দিন দিন বাড়ছে। বাতাস ও ঘন কুয়াশার তাদের খুব কষ্ট হচ্ছে। নিন্ম আয়ের লোকজন শীতের কারণে কাজে বের হতে পারছেনা। এছাড়া, তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছে অতিদরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষেরা। সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কনকনে হিমেল হাওয়ার প্রবাহ আরও বেড়ে যাওয়ায় তাদের কষ্ট বহুগুণ বেড়ে যায়।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল মতিন বলেন, ৯টি উপজেলাতে ৬ লাখ করে মোট ৫৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কম্বল ক্রয় করা হচ্ছে। তা তালিকা করে শীতার্ত মানুষের মাঝে বিতরণ করা হবে।
জুলুমের শিকার সংখ্যালঘুদের পাশে থাকার আশ্বাস সারজিসের
পঞ্চগড়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, "যারা সংখ্যালঘু বা সংখ্যায় কম, তারা যদি অন্য কোনো ব্যক্তি, নেতা বা রাজনৈতিক দলের দ্বারা বিন্দুমাত্র হুমকি, হয়রানি কিংবা জুলুমের শিকার হন, তবে আপনারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আমরা আপনাদের পাশে থাকব।"
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় কমিটি প্রকাশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে সারজিস আলম এ সময় বলেন, "আমরা কারো সঙ্গে বিবাদে জড়াবো না। তবে কেউ যদি উস্কানি দেয় বা সংঘাতের সৃষ্টি করতে আসে, আমরা তাদের ছাড়ও দেবো না।"
আলোচনা শেষে বোদা উপজেলার দশটি ইউনিয়নের এবং একটি পৌরসভার কমিটির নাম ঘোষণা করেন সারজিস।
এর আগে, অনুষ্ঠানের শুরুতেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। এ সময় পঞ্চগড় জেলা পাঁচ উপজেলার এনসিপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
টঙ্গীতে জোড় ইজতেমায় আরও দুই মুসল্লির মৃত্যু
গাজীপুরের টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ শুরা-নেজামের শুরায়ী নেজাম অধীনে চলমান পাঁচ দিনব্যাপী 'জোড় ইজতেমা'র তৃতীয় দিনে আরও দুই মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
তারা হলেন- সিলেট সদর উপজেলার ভার্থখোলা এলাকার আব্দুল জহিরের ছেলে আবুল আসাদ বাদল (৬২) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কোট্টাপাড়া এলাকায় নাজির উদ্দিনের ছেলে মঈন উদ্দিন (১০০)।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে আবুল আসাদ বাদলের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দেখা দিলে তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রোববার (৩০ নভেম্বর) ভোর পৌনে ৫ টার দিকে টঙ্গী জোড় ইজতেমা মাঠেই স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেন মঈন উদ্দিন।
তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ী নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, এ নিয়ে টঙ্গীতে পাঁচ দিনের জোড় ইজতেমায় এ পর্যন্ত ৫ মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
সর্বশেষ - দুর্ঘটনা
- ১ বিস্ফোরণে আগারগাঁওয়ে একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ
- ২ কড়াইল বস্তিতে আগুনের ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টার উদ্বেগ ও সমবেদনা
- ৩ কড়াইল অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিতের আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার
- ৪ ভূমিকম্পে যেসব ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জানাল ফায়ার সার্ভিস
- ৫ লিবিয়ার উপকূলে অভিবাসী নৌকাডুবি, ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু