কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন পুত্র বধু উমা কাজী

সংগৃহীত | প্রকাশিত: ১১:২০ অপরাহ্ন, ২৮ জুন ২০২১
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে সেবিকার যত্নে, মায়ের স্নেহে আগলে রেখেছিলেন যিনি, তিনি উমা কাজী। এই ব্রাহ্মণ-কন্যাটি ছিলেন কবির পুত্র কাজী সব্যসাচীর স্ত্রী, বিদ্রোহী কবি নজরুলের পুত্রবধূ।
“যেখানেতে দেখি যাহা;
মা-এর মতন আহা।
একটি কথায় এত সুধা মেশা নাই,
মায়ের মতন এত
আদর সোহাগ সে তো
আর কোনোখানে কেহ পাইবে, ভাই !”

কাজী নজরুল ইসলাম নিজের "মা"বাদেও আর একজন নারীর মধ্যে নিজের মাকে খোঁজে পেয়েছিলেন ! যে নারী সন্তানের মতো নির্বাক ও প্রায় স্মৃতিশক্তিহীন কবি নজরুলকে মায়ের ভালোবাসায় আবদ্ধ রেখেছিলেন। আর স্নেহ-মায়া, ভালোবাসায় দিয়ে, যে সমস্ত রকম ভেদাভেদ দূর করা যায়, তার উদাহরণ উমা কাজী এই মানুষটি!
কাজী নজরুল-এর বড় ছেলে কাজী সব্যসাচীর স্ত্রী, অর্থাৎ নজরুলের পুত্রবধূ।

আসলে, তিনি ছিলেন উমা মুখোপাধ্যায়। হিন্দু ও ব্রাহ্মণ পরিবারের কন্যা হয়েও মুসলিম পরিবারের পুত্রবধূ হয়েছিলেন ! সেই অনেক বছর আগে। উমার বাবা ছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং মা বাদলা মুখোপাধ্যায়। তার জন্ম বর্ধমানের কাটোয়া অঞ্চলে।
লেখাপড়া শেষ করে কলকাতার ‘লেডি ডাফরিন মেডিকেল হাসপাতাল’ থেকে ট্রেনিং নিয়ে নার্স হয়েছিলেন উমা মুখোপাধ্যায়। থাকতেন সেখানকার নার্সিং হোস্টেলেই। ছোটকাল, থেকেই সেবিকা হতে চাইতেন তিনি। সেখানকারই এক হেড নার্স ঊষা দিদি, উমাকে এক নতুন পথের দিশা দেখান। উমাকে তিনি নিয়ে যান অসুস্থ বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের বাড়ীতে। কবির সেবা করার জন্য প্রয়োজন ছিল এক নার্সের। নির্বাক কবি তখন কলকাতার মানিকতলায় থাকতেন। নানা অসুস্থতায় জর্জরিত হলেও, দুই বাংলাতেই সমান্তরারালে তখন কবিকে নিয়ে কোনো অংশে উন্মাদনা কম নয়!
এমনই সময়ে কবির মাথার কাছে গিয়ে বসলেন তরুণী উমা।

নজরুলের স্ত্রী প্রমীলা দেবী বলেছিলেন, “তুমি কি পারবে 'মা' কবির সেবা করতে ? ঐ যে দ্যাখো, উঁনি খবরের কাগজ ছিঁড়ছেন। উঁনি এখন শিশুর মতো।” এ প্রশ্নের উত্তরে উমা বলেছিলেন, “আমরা তো কলকাতার হাসপাতালে শিশু বিভাগেই ডিউটি করেছি। কবি যদি শিশুর মতো হন, তবে নিশ্চয়ই পারবো।”
সেবা ও স্নেহের পথ পরিক্রমায় উমাই হয়ে উঠলেন কবি নজরুলের প্রিয় মানুষ। তাঁকে স্নান করানো, খাওয়ানো, দেখ-ভাল করা, গল্প শোনানো। উমার হাতের স্পর্শ যেন কবির কাছে মায়ের আঁচলের মতো হয়ে ওঠে। কিন্তু এরই মধ্যে উমার সেবার মনোবৃত্তি দেখে, মিষ্টি ব্যবহার দেখে কবির বড় ছেলে কাজী সব্যসাচী,উমার প্রেমে পড়ে গেলেন । উমাও সব্যসাচীকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবেসে ফেললেন।

বিয়ে হল ব্রাহ্মণের মেয়ের সঙ্গে মুসলিম ছেলের। সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রেখে, উমা মুসলিম পরিবারকে আপন করে নিলেন। মুসলিম ধর্মান্তরে উমা মুখোপাধ্যায় হয়ে গেলেন, উমা কাজী। কবি ও কবিপত্নী প্রমীলা নজরুলও এমন এক মেয়েকে ঘরের বৌমা হিসেবে পেয়ে খুশি হলেন। উমা মুসলিম পদবী গ্রহণ করলেও, তাঁর নামে থেকে গেল দুর্গা'র চিহ্ন।
শাশুড়ি প্রমীলাদেবী উমা বৌমাকে নিজের মেয়ের মতোই ভালোবাসতেন। এদিকে কবি নিজেও বৌমা অন্তঃপ্রাণ। বৌমা চন্দন সাবান দিয়ে গোসল করিয়ে না দিলে স্নান করবেন না নজরুল, দাঁড়ি বৌমাই কেটে দেবে, খাইয়ে দেবে বৌমা। আদরের বৌমার কাছে শিশুর মতো আবদার বায়না করতেন কবি। এমনকি পরিধেয় জামাকাপড়ে নীল বোতলের আতর-সুগন্ধিও বৌমাকেই লাগিয়ে দিতে হবে।

উমা একদিকে নিজের নতুন সংসার সামলাচ্ছেন আর অন্যদিকে কবিকেও সামলাচ্ছেন। ধীরে ধীরে এল সব্যসাচী-উমার ঘরে তিন সন্তান, মিষ্টি কাজী, খিলখিল কাজী এবং বাবুল কাজী। তিন নাতি-নাতনি দাদা নজরুলের কাছেই থাকত বেশি সময়। কবিও তো শিশুর মতোই। সন্তানদের সঙ্গেই কবিকেও আসন পেতে বসিয়ে ভাত খাইয়ে দিতেন উমা কাজী।

পরবর্তীতে, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে সুস্থ করতে দুটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়, যে বোর্ডের সদস্যদের কবির সমস্যাগুলি বুঝিয়ে দিতে যেতেন, উমা নিজেই । কিভাবে কবির স্মৃতিশক্তি ফেরানো যাবে, কথা বলানো যাবে, এ সব ভাল করে শুনে সেবার ধরণও বুঝে নিতেন উমা। পাশাপাশি স্বামীর খেয়াল রাখা থেকে ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা, সবটাই দেখতেন উমা কাজী।

এরি মধ্যে কবিপত্নী প্রমীলা দেবী অসুস্থ হয়ে পড়লেন। শাশুড়ির সব দেখভালের দায়িত্বও নিলেন উমা কাজীই। কবির আগেই চলে গেলেন কবিপত্নী। দীর্ঘ ৩৮ বছরের সংসার জীবনের পর, ১৯৬২ সালের ৩০শে জুন মাত্র ৫২ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন প্রমীলা কাজী। তাঁকে কলকাতা থেকে চুরুলিয়া নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হাজী পাহালোয়ানের দরগার পাশে কবিপত্নীকে সমাহিত করা হয়।
১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর উদ্যোগে স্বপরিবারে কবিকে বাংলাদেশে আনা হয়। ধানমন্ডির ২৮ নম্বর রোডে (বর্তমান নজরুল ইনস্টিটিউট সংলগ্ন) কবি ভবনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁরা বসবাস শুরু করেন। কাজী সব্যসাচী কর্মসূত্রে কলকাতায় থেকে গেলেও উমা কাজী কবিকে দেখার জন্য ছেলেমেয়েদের নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। ধানমণ্ডির বাড়িতে নজরুল নাতি-নাতনি নিয়ে খেলা করতেন, বাগানে ঘুরে বেড়াতেন।

কবির জন্মদিন পালন হতো বেশ বড় করে। অতিথিরা আসতেন, কবিকে সবাই মালা পরাতেন । কবি সেইসব মালা পরে খিলখিল করে হাসতেন। হারমোনিয়াম দেখিয়ে সবাইকে বলতেন গান করতে। নাতি-নাতনিরাও নজরুল সঙ্গীত গাইতেন। নির্বাক কবিই কখনও হেসে উঠতেন আবার কখনও নির্বাক হয়ে অঝোর ধারায় কেঁদে যেতেন। একটার পর একটা নিজের সৃষ্টি শুনে। সব যন্ত্রণা যেন গানে গানে ঝরে পড়ত কবির চোখের জলে।

জীবনের শেষ দিকে বিছানাতে স্থায়ী ঠিকানা হলো কবির। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতেন উমা। তিনি যে সেবিকা থেকে ততদিনে তিনি যে কবির 'মা' হয়ে গিয়েছিলেন ! তাই, তো এত কিছুর মধ্যেও এতটুকু ফাঁক-ফোঁকর পড়েনি! ছেলে-মেয়েদেরকে বড় করার বা শাশুড়ির অবর্তমানে সমগ্র সংসার সামলানোর বা কাজী সব্যসাচীর যোগ্য সহধর্মিণী হয়ে উঠার।
২৯ আগস্ট ১৯৭৬ ইং বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল প্রয়াত হন। চির বিদায়ের শেষ সজ্জায় কবিকে সাজিয়েও দিয়েছেন উমা কাজী। তিন বছর পরে ১৯৭৯ সালের ২ মার্চ কলকাতায় মারা যান আবৃত্তিকার স্বামী কাজী সব্যসাচী। অকালেই চলে যান অসুখে। ফলে আরও কঠিন দায়িত্ব এসে পড়ে উমার কাঁধের উপর। তখন ম্লান হয়ে আসছে কাজী পরিবারের যশ-খ্যাতি। একা হাতে বিখ্যাত কবি পরিবারকে কঠিন লড়াইয়ের মাধ্যমে পুনরুদ্ধার করেন উমা। তিনি না থাকলে কাজী পরিবার আজ খ্যাতি আর পরিচিতির জায়গাটা হয়তো ধরেই রাখত পারতো না। বিখ্যাত পরিবারে বিখ্যাত সদস্যদের পেছনে কাণ্ডারীর মতো শক্তির উৎস হয়ে উঠেছিলেন এই উমা মুখোপাধ্যায় তথা উমা কাজী।

উমা নিজেই যখন দাদী-নানী হলেন, তখন তিনিও কবির মতই তাঁর নাতি-নাতনিদের গল্প বলতেন। কাজী নজরুল, প্রমীলাদেবী, কাজী সব্যসাচী সকলের কথা তিনি বলতেন নাতি-নাতনিদের। তারাও কাজী নজরুলকে ছুঁতে পারত উমার গল্পে। উমা জানতেন, উত্তরাধিকারী নবীন প্রজন্মকে কবির কাজে আগ্রহী করলে কবির কাজ বেঁচে থাকবে, আরও এগুবে তাঁর সৃষ্টি। উমা যেন সারাজীবন কবির সেবিকা ও সাধিকা হয়ে রইলেন। এইভাবেই ৮০টি বসন্ত পেরিয়ে প্রয়াত হলেন উমা কাজী। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতার পাশাপাশি হৃদযন্ত্রের সমস্যা নিয়ে আর শেষ দিকে স্মৃতিভ্রংশতায় ভুগছিলেন, কবির মতোই। ১৫ জানুয়ারি ২০২০ইং সালে ঢাকার বনানীতে 'কবি ভবন'-এ প্রয়াত হন ভালোবাসার মনুষ্যত্ব ও সেবার ধর্ম সারাজীবন ধরে পালন করা মানুষ উমা কাজী। বনানীতেই তাঁকে সমাহিত করা হয়।
কাজী বংশের এই শ্রেষ্ঠ "মা"কে বর্ণনা করা যায় নজরুলের কবিতা দিয়েই !

“হেরিলে মায়ের মুখ
দূরে যায় সব দুখ,
মায়ের কোলেতে শুয়ে জুড়ায় পরাণ,
মায়ের শীতল কোলে
সকল যাতনা ভোলে
কত না সোহাগে মাতা বুকটি ভরান।
কত করি উৎপাত
আবদার দিন-রাত,
সব স'ন হাসি মুখে, ওরে সে যে মা!
আমাদের মুখ চেয়ে
নিজে র’ন নাহি খেয়ে,
শত দোষী তবু মা তো ত্যাজে না।”
পরবর্তী খবর

বিস্ফোরণে আগারগাঁওয়ে একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ

| প্রকাশিত: ৭:০৯ অপরাহ্ন, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের একটি বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় নারী শিশুসহ একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

দগ্ধরা হলেন— মো. জলিল মিয়া (৫০), আনেজা বেগম (৪০), আসিফ মিয়া (১৯), সাকিব মিয়া (১৬), মনিরা (১৭), ও ইভা (৬)।

তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা মেয়ে জামাই আফরান মিয়া জানান, আমার শ্বশুর জলিল মিয়া আগারগাঁওয়ের পাকা মার্কেট ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বাম পাশের একটি বাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। আজ ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আকস্মিক গ্যাসের লাইন বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তারা ছয়জন দগ্ধ হন।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, সকালে নারী ও শিশুসহ ছয়জনকে দগ্ধ অবস্থায় ঢামেকের বার্ন ইউনিটে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে তাদের চিকিৎসা চলছে।

পরবর্তী খবর

কড়াইল বস্তিতে আগুনের ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টার উদ্বেগ ও সমবেদনা

| প্রকাশিত: ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, ২৬ নভেম্বর ২০২৫



ঢাকা, ২৫ নভেম্বর ২০২৫: রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বিপুলসংখ্যক ঘর পুড়ে বহু পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। 


তিনি এ ঘটনায় আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “কড়াইল বস্তির অগ্নিকাণ্ডে যেসব পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছেন, তাদের দুঃখ-কষ্ট আমাদের সকলের বেদনার। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করবে”


তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান করে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

পরবর্তী খবর

কড়াইল অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিতের আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার

| প্রকাশিত: ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বিপুলসংখ্যক ঘর-বাড়ি পুড়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

এ ঘটনায় অসংখ্য পরিবারের নিঃস্ব হয়ে যাওয়াকে ‘সকলের জন্য বেদনাদায়ক’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এক বিবৃতিতে প্রধান উপদেষ্টা আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

তিনি বলেন, ‘কড়াইল বস্তির অগ্নিকাণ্ডে যেসব পরিবার গৃহহীন হয়েছেন, তাদের দুঃখ-কষ্ট আমাদের সকলের জন্য বেদনার। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করবে।’

তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান করে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

  1. Bss
পরবর্তী খবর

ভূমিকম্পে যেসব ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জানাল ফায়ার সার্ভিস

| প্রকাশিত: ৩:০০ অপরাহ্ন, ২১ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকাসহ সারা দেশেই অনুভূত হয়েছে ভূমিকম্প। এরই মধ্যে ভূমিকম্পে একটি ভবনের রেলিং ভেঙে পড়ে তিনজন ও দেয়াল ধসে এক শিশুর মৃত্যুর খবর মিলেছে। সারা দেশে ভবন হেলে পড়া, দেয়াল ধসে পড়া, ভবনের দেয়ালে ফাটলের মতো আরও নানা খবর মিলেছে।

এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিসও বেশকিছু কল পেয়েছে ভূমিকম্পের পরে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ক্ষয়ক্ষতির তুলনায় আতঙ্কই বেশি কাজ করেছে বলে উঠে এসেছে।

শুক্রবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টা প্রেস উইং ফায়ার সার্ভিস থেকে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য গণমাধ্যমে পাঠিয়েছে। এ দিন সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত করে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নরসিংদীর মাধবদীতে উৎপত্তি হওয়া ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৭।


প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের পর ঢাকার আরমানিটোলার কসাইটুলীতে একটি আট তলা ভবন ধসে পড়ার খবর পেয়ে সেখানে যায় সদরঘাট ও সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট। সেখানে দেখা যায়, ভবনের কোনো ক্ষতি হয়নি। পলেস্তারার কিছু আলগা অংশ ও কিছু ইট খসে পড়েছিল। ফায়ার সার্ভিস কাউকে হতাহত পায়নি।

খিলগাঁওয়ে নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে পাশের দোতলা একটি ভবনে ইট ছুটে পড়লে একজন আহত হন। ফায়ার সার্ভিস গিয়ে জানতে পারে, স্থানীয়রা আগেই তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেছে।

ঢাকার সূত্রাপুরের স্বামীবাগে আট তলা একটি ভবন হেলে অন্য একটি ভবনের ওপর পড়ার খবর পাওয়া গেছে। সূত্রাপুর ফায়ার স্টেশন ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ করছে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে একটি ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। স্যাটেলাইট ফায়ার স্টেশন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কোনো ক্ষয়ক্ষতি পায়নি।

সাত তলা একটি ভবন হেলে পড়ার খবর পাওয়া গেছে কলাবাগানের আবেদখালী রোডেও। মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট সেখানে গিয়ে কাজ করেছে। ফায়ার সার্ভিস বলছে, সেখানে কেউ হতাহত হননি। ভবনটিও ঠিক আছে। লোকজন আতঙ্কিত হয়ে ফোন করেছিলেন ফায়ার সার্ভিসকে।

এদিকে বারিধারা এফ ব্লকের ৫ নম্বর সড়কে ও মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় একটি বাড়িতে আগুনের তথ্য পেয়েছে ফায়ার সার্ভিস। দুই স্থানেই ফায়ার সার্ভিসের দুটি করে ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করছে। ভূমিকম্পের জন্য আগুন লেগেছে কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকেও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সবাইকে শান্ত থাকতে বলা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গুজবে কান না দিয়ে সরকার সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। জনগণের নিরাপত্তায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।





পরবর্তী খবর

লিবিয়ার উপকূলে অভিবাসী নৌকাডুবি, ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু

| প্রকাশিত: ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার উপকূলে ইউরোপে পাড়ি জমানোর চেষ্টাকারী অভিবাসীদের বহনকারী দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় চারজন বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।

উত্তর-পশ্চিম লিবিয়ার আল-খোমস উপকূলে বৃহস্পতিবার রাতে প্রায় ১০০ জনকে বহনকারী দুটি নৌকা উল্টে যাওয়ার খবর পায় লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট।

রোববার (১৬ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, উত্তর-পশ্চিম লিবিয়ার আল-খোমস উপকূলে প্রায় ১০০ জনকে বহনকারী দুটি অভিবাসী নৌকাডুবির ঘটনায় কমপক্ষে চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট।

সংস্থাটি জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে আল-খোমসের তীরের কাছে উল্টে যাওয়া দুটি নৌকার খবর তারা পায়। প্রথম নৌকাটিতে ছিলেন বাংলাদেশের ২৬ নাগরিক। তাদের মধ্যে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আর দ্বিতীয় নৌকাটিতে ছিলেন মোট ৬৯ জন। এর মধ্যে দুজন মিসরীয় এবং বাকি ৬৭ জন সুদানি নাগরিক। তাদের মধ্যে আটজন শিশু।

পরবর্তী খবর

পার্ক করে রাখা স্কুলবাসে আগুন, দগ্ধ হলেন ঘুমন্ত চালক

| প্রকাশিত: ৪:২১ অপরাহ্ন, ১৪ নভেম্বর ২০২৫

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় সড়কের পাশে পার্ক করে করে রাখা একটি স্কুলবাসে কে বা কারা আগুন দিয়েছে। এ সময় বাসের ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা চালক দগ্ধ হয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে শিবালয় উপজেলার ফলসাটিয়া এলাকায় এ ঘটনায় ঘটে। দ্য হলি চাইল্ড স্কুল ও কলেজের স্কুলবাসটি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে রাখা ছিল।

পুলিশ জানায়, অন্যান্য দিনের মতো স্কুলবাসটি মহাসড়কের পাশে পার্কিং করে রাখা ছিল। চালক মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বাড়াইভিকরা গ্রামের বাসিন্দা তাবেজ খান (৪৫) ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন। দিবাগত রাত দেড়টার দিকে দুর্বৃত্তরা বাসটিতে আগুন দেন।


শিবালয় থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন চক্রবর্তী বলেন, মুহূর্তেই আগুন পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় বাসে ঘুমিয়ে থাকা চালক দগ্ধ হন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। চালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

দগ্ধ তাবেজ খানকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে প্রথমে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় পাঠানো হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় এক পরিবারের পাঁচজন নিহত

| প্রকাশিত: ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, ০৫ নভেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়ায় চট্টগ্রামমুখী যাত্রীবাহী মারছা বাস ও কক্সবাজারমুখী একটি মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও দুজন।

বুধবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী হাঁসের দিঘি সেনাক্যাম্পের দক্ষিণে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সেনাবাহিনী ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চকরিয়ার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।

মালুমঘাট হাইওয়ে থানার ওসি মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে মিনিবাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, নিহত ২

| প্রকাশিত: ৩:৫৪ অপরাহ্ন, ০১ নভেম্বর ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফে মিনিবাস ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এসময় বাস উল্টে আহত হয়েছেন অন্তত ২০জন।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) রাতে টেকনাফ-কক্সবাজার হাইওয়ের হ্নীলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- হ্নীলা ইউনিয়নের ওয়াব্রাং এলাকার নাগুমিয়ার ছেলে মোটরসাইকেল চালক জাকির হোসাইন জেকি এবং লেদা লামারপাড়ার নাজুর ছেলে মিনিবাসের হেলপার নুরুল ইসলাম মুন্না।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মিনিবাসটি টেকনাফ থেকে কক্সবাজারের দিকে যাচ্ছিল। পথে মোটরসাইকেলের সামনে হঠাৎ একটি টমটম এসে পড়লে মোটরসাইকেল চালক সেটি এড়াতে ডান দিকে মোড় নেওয়ার চেষ্টা করেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই বিপরীত দিক থেকে আসা মিনিবাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সজোরে ধাক্কা লাগে। সংঘর্ষের ফলে মিনিবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই জেকি ও মুন্না নিহত হন।

নয়াপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ নুরুল আবচার বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনের লাশ উদ্ধার করেছে। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এব্যাপারে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

পরবর্তী খবর

মেট্রোরেলে দুর্ঘটনা: নিহতের পরিবারকে ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রুল

| প্রকাশিত: ৪:১৪ অপরাহ্ন, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে নিহত হওয়া ব্যক্তির পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে মেট্রোরেলে সার্বিক নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে ৩০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন ও অ্যাডভোকেট তানভীর আহমেদ।

এর আগে মেট্রোরেল ও সব ফ্লাইওভারের বিয়ারিং প্যাডের গুণগত মান নির্ণয়ে কমিটি গঠনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।

রিটে মেট্টোরেল ও সব ফ্লাইওভারে ব্যবহার করা বিয়ারিং প্যাডের গুণগত মান ঠিক আছে কিনা, তা যাচাই করতে একটি কমিটি গঠন করতে বলা হয়। এছাড়া মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে নিহত হওয়া ব্যক্তির পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে আরেকটি রিট করা হয়।

রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে আবুল কালাম নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। ২৬ অক্টোবর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ঈশরপাটি গ্রামে

পরবর্তী খবর

মেট্রোরেলের পিলার থেকে ভারী বস্তু পড়ে প্রাণ গেল পথচারীর

| প্রকাশিত: ৪:৫১ অপরাহ্ন, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় মেট্রো লাইনের বিয়ারিং প্যাড (ভারী বস্তু) খুলে পড়ে ঘটনাস্থলেই এক পথচারীর প্রাণহানি ঘটেছে।

রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ফার্মগেটে স্টেশনের কাছে বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নিহত পথচারীর নাম আবুল কালাম। তার বাড়ি শরীয়তপুরে।

এ ঘটনায় দুজন টং দোকানদারও আহত হয়েছেন। তাদের দোকানের সামনের অংশে বস্তুটি পড়েছিল।

এই ভারী বস্তুটি দেখতে স্ল্যাবের মতো। এটি মেট্রো লাইনের বিয়ারিং প্যাড বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বস্তুটি ওপর থেকে পড়েছে। তবে কোথা থেকে পড়েছে, তা কেউ দেখতে পাননি। ওই পথে মেট্রো লাইন ছাড়া ওপর থেকে পড়ার মতো আর কোনো স্থাপনা ছিল না।

একজন দোকানদার জানান, নিহত পথচারী হেঁটে যাচ্ছিলেন; এ সময় ওপর থেকে ওই ভারী বস্তুটি পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনা প্রসঙ্গে উপস্থিত মোস্তাফিজুর রহমান রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘কৃষিবিদ মিলনায়তনে আমাদের একটি অনুষ্ঠান চলছিল। সোয়া ১২টার দিকে বিকট শব্দে পুরো ভবন কেঁপে ওঠে। ভেবেছিলাম হয়তো টায়ার ফেটেছে। পরে বেরিয়ে দেখি ঘটনাস্থলে একজন পড়ে আছেন। ভারী বস্তুটি তার মাথার ওপর পড়েছে। কেউ কেউ বলছেন, ভারি বস্তটি প্রথমে একটি গাড়ির ওপর পড়ে তারপর পথচারীর মাথায় পড়েছে। কিন্তু আমি কোনো গাড়ি দেখতে পাই নি।’