রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ জনের মৃত্যু

মোহাম্মদ আলী, রাজশাহী ব্যুরো | প্রকাশিত: ৪:৩৩ অপরাহ্ন, ০৩ জুলাই ২০২১

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ইউনিটে গেলো ২৪ ঘণ্টায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (০২ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে শনিবার (০৩ জুলাই ) সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ের মধ্যে তারা মারা যান।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, মৃত ১৩ জনের মধ্যে ৫ জন করোনা পজিটিভ ছিলেন। আর ৮ জন ভর্তি ছিলেন করোনার উপসর্গ নিয়ে। মৃতদের মধ্যে রাজশাহীর ৭ জন , ১ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জের, নাটোরের ৩ জন, নওগাঁর ১ জন ও পাবনার ১ জন করে। হাসপাতালটিতে গত দুদিনে ৫১ জনের মৃত্যু হলো।

জুন মাসে এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ৩৫৪ জন। গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়ে ৬১ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে ৪৭৮ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন। করোনা বিশেষায়িত শয্যা সংখ্যা ৪০৫টি।

পরবর্তী খবর

দেশের আইটি শক্তির বার্তা দিচ্ছে আইডিবি মেলা: শিক্ষার্থীর হাতে কম্পিউটার সময়ের দাবি

| প্রকাশিত: ৪:০২ অপরাহ্ন, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইডিবি ভবনে গতকাল সোমবার (৮ ডিসেম্বর) শুরু হয়েছে দেশের বৃহত্তম প্রযুক্তিপণ্যের প্রদর্শনী ‘সিটি আইটি মেগা ফেয়ার-২০২৫’। ছয় দিনব্যাপী এ মেলা চলবে আগামী ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বিশ্বের নামকরা ব্র্যান্ডের আধুনিক কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মনিটর, প্রিন্টারসহ সর্বশেষ প্রযুক্তিপণ্যের সমাহারে জমে উঠেছে এবারের আয়োজন।

মেলার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি, স্মার্ট টেকনোলজিস বিডি লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং আইডিবির বিসিএস কম্পিউটার সিটির উপদেষ্টা মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের জন্য কম্পিউটার কতটা জরুরি, আইডিবি মেলা তা স্পষ্ট করে তুলে ধরছে। নতুন শিক্ষার্থী ও তরুণর প্রজন্মের হাতে অন্য কিছু না দিয়ে কম্পিউটার তুলে দেওয়া কতটুকু জরুরি সেই বার্তা দিচ্ছে আইডিবি মেলা। সরকারি পলিসি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কিছু ব্যবসা এমন আছে সেটা আইনে বাধা দেওয়া আছে- আবার ওপেনলি করা যাচ্ছে। আমরা সরকারকে বলেছি-যে কোনো ব্যবসাকে হয় শতভাগ বৈধ করুন, অথবা গুড গভর্নেন্সের আওতায় আনুন।

সিটি আইটি মেগা ফেয়ারে পৃষ্ঠপোষক হিসাবে আছে আসুস, এপসন, এইচপি, এলডিনিও, লেনোভো, এম এস আই এবং টিপি-লিংক। মেলায় অংশগ্রহণ করা স্টলগুলোর মধ্যে থাকছে চুউই ল্যাপটপ, প্যান্টাম, ডেল, ওয়ালটন কম্পিউটার, ডিপকুল, এসার, বি-ট্র্যাক, টি এন্ড ভি, কিউডি, রাপু, ভেনশন এর মতো ব্রান্ড। মেলার চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষক গিগাবাইট।




পরবর্তী খবর

অজি কিশোর-কিশোরীদের ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম বন্ধ শুরু করেছে মেটা

| প্রকাশিত: ৩:১১ অপরাহ্ন, ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫

ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও থ্রেডস থেকে অস্ট্রেলিয়ার ১৬ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সরিয়ে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু করেছে মেটা। দেশটিতে প্রথমবারের মতো অপ্রাপ্তবয়স্কদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার নতুন আইন কার্যকর হওয়ার আগেই এ পদক্ষেপ নিয়েছে মার্কিন এই প্রযুক্তি জায়ান্ট।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়া আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে টিকটক ও ইউটিউবসহ প্রধান অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোকে অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারীদের ব্লক করার নির্দেশ দিয়েছে। এ আইন মানতে ব্যর্থ হলে কোম্পানিগুলোকে চার কোটি ৯৫ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার (তিন কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার বা প্রায় ৪০০ কোটি টাকা) জরিমানা দিতে হবে।

গত মাসে মেটা জানিয়েছিল, ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী যেসব ব্যবহারকারী ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে সক্রিয়, তাদের ৪ ডিসেম্বর থেকে অ্যাকাউন্ট বন্ধের নোটিশ পাঠানো হবে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ফেসবুকের প্রায় দেড় লাখ ও ইনস্টাগ্রামের প্রায় সাড়ে তিন লাখ অ্যাকাউন্ট এ প্রক্রিয়ার আওতায় পড়বে। থ্রেডস ব্যবহার করতে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন হওয়ায় সেটিও প্রভাবিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার বিবিসিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে মেটার একজন মুখপাত্র বলেন, “আইন মেনে চলা একটি দীর্ঘমেয়াদি ও বহুস্তরীয় প্রক্রিয়া হবে।” তিনি আরও জানান, যদিও মেটা আইন মানতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবু আরও ‘কার্যকর, মানসম্মত ও গোপনীয়তা-সুরক্ষিত পদ্ধতি’ প্রয়োজন।


মেটার প্রস্তাব, অ্যাপ ডাউনলোড করার সময় বয়স যাচাইয়ের দায়িত্ব অ্যাপ স্টোরগুলোর হওয়া উচিত এবং ১৬ বছরের নিচে হলে অভিভাবকের অনুমতি নিতে হবে। এতে কিশোর-কিশোরীদের বিভিন্ন অ্যাপে বারবার বয়স যাচাই করতে হবে না।

গত মাসে মেটা জানায়, যেসব ব্যবহারকারীকে ১৬ বছরের নিচে হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে, তারা অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার আগে নিজেদের পোস্ট, ছবি, ভিডিও ও বার্তা ডাউনলোড করে রাখতে পারবে। যদি কেউ মনে করে তাকে ভুলভাবে অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাহলে ‘ভিডিও সেলফি’ জমা দিয়ে বয়স যাচাইয়ের আবেদন করতে পারবে। চাইলে ড্রাইভিং লাইসেন্স বা সরকারি পরিচয়পত্রও দেওয়া যাবে।

মেটার তিন প্ল্যাটফর্ম ছাড়াও ইউটিউব, এক্স, টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট, রেডিট, কিক ও টুইচও অস্ট্রেলিয়া সরকারের নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে।

অস্ট্রেলীয় সরকারের দাবি, শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতেই এ আইন। তবে সমালোচকেরা বলছেন, এতে অনেক কিশোর–কিশোরী সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে এবং আরও নিয়ন্ত্রণহীন প্ল্যাটফর্মে ঝুঁকে যেতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী আনিকা ওয়েলস বুধবার বলেন, নিষেধাজ্ঞার প্রথম কয়েক দিন কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও লক্ষ্য হচ্ছে ‘জেনারেশন আলফা’ বা ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের রক্ষা করা। তার ভাষায়, “একটি আইনই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এমন অ্যালগরিদমিক ফাঁদ থেকে বাঁচাতে পারে, যেগুলোকে প্রযুক্তির উদ্ভাবকেরাই আচরণগত কোকেন বলে তুলনা করেন।”

আনিকা আরও বলেন, শিশুরা স্মার্টফোন পাওয়ার মুহূর্ত থেকেই যেন ‘ডোপামিননির্ভর’ এক ধারাবাহিকতার মধ্যে পড়ে যায়।


প্রথমে নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি পেয়েছিল ইউটিউব। পরে তারাও এর অন্তর্ভুক্ত হয়। তবে এ আইনের সমালোচনা করে ইউটিউব বলেছে, শিশুদের অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করলে প্ল্যাটফর্মটি ‘বরং কম নিরাপদ’ হয়ে উঠবে।

বছরের শুরুর দিকে অস্ট্রেলীয় সরকারের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সী অস্ট্রেলীয় শিশুদের ৯৬ শতাংশই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে। তাদের সাতজনের মধ্যে ছয়জনই নারীবিদ্বেষী ও সহিংস কনটেন্টসহ খাদ্যাভ্যাসজনিত রোগ বা আত্মহত্যা-প্ররোচনামূলক কনটেন্টের মতো ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর মুখোমুখি হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার এ কঠোর পদক্ষেপ কার্যকর হয় কি না, তা নিয়ে বিশ্ব জুড়ে সামাজিক মাধ্যমের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলোর ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। তারা মনে করছে, অস্ট্রেলিয়া সরকারের এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে অন্য আরও দেশ তাদের অনুসরণ করতে পারে।

এদিকে মালয়েশিয়াও আগামী বছর থেকে ১৬ বছরের কমবয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছে। নিউজিল্যান্ডও একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা আনতে চলেছে।

পরবর্তী খবর

বিএফইউজের দ্বি- বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত

| প্রকাশিত: ৫:২৬ অপরাহ্ন, ২৮ নভেম্বর ২০২৫



নিজস্ব সংবাদদাতা 

তাজউদ্দিন আহমেদ

পেশাজীবী সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন- বিএফইউজের দ্বি- বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরোয়ার।সঞ্চালনা: কাদের গণি চৌধুরী মহাসচিব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে।


কাউন্সিলে অধিবেশনে রাজধানীসহ সারাদেশের সাংবাদিক সমাজের প্রতিনিধি কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তী খবর

মধ্যস্বত্বভোগীদের দাপটে কমছে না ইন্টারনেটের দাম

| প্রকাশিত: ৩:২৪ অপরাহ্ন, ২২ নভেম্বর ২০২৫

অতিমাত্রায় দালাল ও কমিশনখোরদের নেটওয়ার্কের (মধ্যস্বত্বভোগী) দাপট পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারায় ইন্টারনেটের দাম প্রত্যাশা অনুযায়ী কমানো যাচ্ছে না। শনিবার সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি বিভাগের এক বার্তায় এ কথা বলা হয় ৷

ইন্টারনেট পরিষেবা বিস্তৃতিতে সরকারকে এখন বড় চ্যালেঞ্জের মুখেও পড়তে হচ্ছে বলে জানায় এ মন্ত্রণালয়।

সরকার দাবি করেছে, পুরানো লাইসেন্স নীতি অ্যাকসেস টু ইন্টারনেট, এক্সেস টু ডিভাইস এবং এক্সেস টু ফাইবার- এই তিনের কোনোটাই নিশ্চিত করতে পারেনি। তাই বাংলাদেশের ঘরে ঘরে, ব্যবসা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ফাইবার পৌঁছেনি, মোবাইল টাওয়ারে ফাইবার (২২ শতাংশ মাত্র) সেভাবে পৌঁছেনি। যেহেতু ফাইবার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ হয়নি, তাই ডেটা ব্যবহারের ভলিউম ভারতের তুলনায় পার ক্যাপিটা হিসেবে ৫০ ভাগের এক ভাগেই রয়ে গেছে।

এক দিকে ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে (আইজিডব্লিউ) এবং ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জের আবেদন শেষ হয়ে গেছে। অর্থাৎ, নতুন কোনো কোম্পানি এই লাইসেন্স পেতে পারবে না এবং এই লাইসেন্সে ব্যবহৃত সুইচ ও অন্যান্য যন্ত্রপাতির বয়সও শেষের দিকে। যন্ত্রপাতিগুলো পুরনো হয়ে গেছে৷ তাই এগুলো খুব তাড়াতাড়ি প্রতিস্থাপন করবে আইসিটি বিভাগ।

সরকারের বার্তায় বলা হয়, পুরানো লাইসেন্স পলিসিতে টেলিযোগাযোগ এখনও কানেকশনে থেকে গেছে। এই ইন্ডাস্ট্রিকে কানেকশন থেকে ডিজিটাল সার্ভিস বেইজে রূপান্তর করতে হবে। এখনো টেলিকমের প্রোডাক্ট মোবাইল ফোনের বান্ডেল এবং আইএসপির প্যাকেজনির্ভর। কিন্তু এখানে এডটেক, হেলথটেক, এগ্রিটেক, ফিনটেক, লজিস্টিক্স টেকসহ অপরাপর স্টার্টআপভিত্তিক ডিজিটাল সেবা পণ্য আসেনি।

নিরাপদ ইন্টারনেট কেন নিশ্চিত করা যায়নি তার ব্যাখ্যাও আছে এই বার্তায়। এতে বলা হয়, আইএসপি কিংবা মোবাইল ইন্টারনেট, এনটিটিএন কিংবা আইআইজি কোথাও কোয়ালিটি অফ সার্ভিস (QoS) ভিত্তিক ইন্টারনেটসেবা এবং ডিজিটালসেবার সূচনা হয়নি। বাংলাদেশে এখনও নিরাপদ ইন্টারনেটের ধারণা আসেনি। অধিকাংশ আইএসপি এবং মোবাইল ফোন অপারেটরের ইন্টারনেটসেবা অনিরাপদ। এখানে কোনো নিরাপত্তা সরঞ্জাম বা সফটওয়্যার- যেমন হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি মডিউল, প্যাম, ফায়ারওয়াল- কিছুই নেই। তাই ইন্টারনেট ব্যবসা এগিয়েছে অনিরাপদভাবে।

সরকার বলছে, ডিজিটাল ইকোনোমি উন্নয়নের জন্য ২৬ ধরনের জটিল লাইসেন্স বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সবকিছুর জন্য একক লাইসেন্স দেওয়া হয়নি, কারণ দেশীয় বাস্তবতা এবং মনোপলি বিষয়গুলো মাথায় রাখা হয়েছে। তবুও নতুন টেলিকম লাইসেন্সের চার স্তর খাতের প্রতিযোগিতা বাড়াবে এবং প্রতিটি স্তরের কোম্পানির কাজের সুযোগ আরও বেড়ে যাবে।

পরবর্তী খবর

দেশের সব মোবাইল বিক্রির দোকান বন্ধের ঘোষণা

| প্রকাশিত: ৬:০৬ অপরাহ্ন, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

সারা দেশে মোবাইল ফোন বিক্রির দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংগঠনটির নেতারা জানান, সুমাশটেকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং মোবাইল ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি আবু সাঈদ পিয়াসকে ‘গোয়েন্দা পুলিশ তুলে নেওয়ার’ প্রতিবাদে দেশজুড়ে দোকান বন্ধ থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা সতর্ক করে বলেন, আজকের মধ্যে পিয়াসকে মুক্তি না দিলে আমরা সারা দেশে কঠোর আন্দোলনে নামব। প্রয়োজনে দেশ অচল করে দেব।

মঙ্গলবার গভীর রাতে মিরপুর-১ এলাকার বাসা থেকে পিয়াসকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ সময় তার মোবাইল ফোনটিও জব্দ করা হয় বলে জানান স্ত্রী সুমাইয়া চৌধুরী।

তিনি বলেন, রাত ৩টার দিকে ডিবির পরিচয়ে কয়েকজন বাসায় আসে এবং কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াই পিয়াসকে তুলে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী মহলে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পরবর্তী খবর

ফেসবুকে বিকৃত ছবি, ঢাবি শিক্ষক মোনামীর মামলা

| প্রকাশিত: ৩:৪৪ অপরাহ্ন, ০৩ নভেম্বর ২০২৫

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিকৃত ছবির পাশাপাশি ‘অশালীন’ মন্তব্য ও ‘মানহানিকর’ কনটেন্ট ছড়ানোর অভিযোগে মামলা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর শেহরীন আনিম ভূঁইয়া মোনামী।

মামলায় সাংবাদিক মুজতবা খন্দকার, লেখক মহিউদ্দিন মোহাম্মদ এবং নিরব হোসাইন ও আশফাক হোসাইন ইভানের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছেন ভুক্তভোগী ঢাবি শিক্ষক মোনামী।

সোমবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালিদ মুনসুর বলেন, ঢাবি শিক্ষক মোনামী আমাদের থানায় মামলা করেছেন। তার অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সাংবাদিক ও অ্যাকটিভিস্ট মুজতবা খন্দকার তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মোনামীর ছবি অশালীনভাবে এডিট করে পোস্ট করেন। সেখানে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইনি, পোশাকের স্বাধীনতায় পরেছে বিকিনি’। অন্যদিকে লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট মহিউদ্দিন মোহাম্মদ তার ব্যক্তিগত আইডিতে একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে মোনামীকে ‘যৌন-কল্পনার রসদ’ আখ্যা দিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন।

এজাহার অনুযায়ী, ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী নিরব হোসাইন ডেইলি ক্যাম্পাসের একটি পোস্টের কমেন্টে ঢাবি শিক্ষক মোনামীকে নিয়ে ‘অশালীন’ মন্তব্য করেন। এ ছাড়া আশফাক হোসাইন ইভান নিজের ফেসবুক আইডি থেকে মোনামীর এডিট করা অশালীন ছবি পোস্ট করেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, এই চারজন ছাড়াও অজ্ঞাত আরও অনেক ব্যক্তি ফেসবুকে মোনামীর ছবি বারবার এডিট করে অশালীনভাবে পোস্ট করছে এবং তাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছে। এতে তার ব্যক্তিগত ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এসব ফেসবুক পোস্ট ও কমেন্টের আইডি ও স্ক্রিনশট এজাহারে সংযুক্ত করা হয়েছে।

মোনামী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমার ছবি বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপমানজনক মন্তব্য করা হচ্ছে। এতে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার পর মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

পরবর্তী খবর

আইফোন ১৭’র দাপটে ৪ ট্রিলিয়ন ক্লাবে অ্যাপল

| প্রকাশিত: ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

আবারও ইতিহাস গড়েছে অ্যাপল। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি এখন চার ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্যে পৌঁছেছে। এমন কীর্তি এর আগে কেবল এনভিডিয়া ও মাইক্রোসফটের ছিল। অ্যাপলের এ সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা আইফোন ১৭-এর।

ব্লুমবার্গ ও সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, বছরের শুরুতে অ্যাপল নানা চাপে পড়ে শেয়ারবাজার বড় ধস দেখেছিল। আমদানি শুল্ক, দেশীয় উৎপাদনের বাধ্যবাধকতা আর এআই প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়া— সব মিলিয়ে কোম্পানির বাজারমূল্য এক দিনে কমে গিয়েছিল ৩১০ বিলিয়ন ডলার।

এরপর সেপ্টেম্বরের শেষে বাজারে আসে আইফোন ১৭। সেখানেই শুরু হয় অ্যাপলের ঘুরে দাঁড়ানো। নতুন প্রজন্মের নিউরাল ইঞ্জিন, উন্নত এআই ক্যামেরা, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি আর স্যাটেলাইট ভয়েস কল ফিচারের কারণে ফোনটি বিশ্বব্যাপী বিক্রির নতুন রেকর্ড গড়ে। বিশেষ করে চীনে— যেখানে অ্যাপল গত কয়েক বছর ধরে প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে বাজার হারাচ্ছিল— সেখানে বিক্রিতে আসে নাটকীয় উত্থান।


ফলে মঙ্গলবার মাত্র ০.১ শতাংশ শেয়ারমূল্য বাড়তেই অ্যাপল ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করে। এটি শুধু একটি সংখ্যা নয়— বরং ইঙ্গিত দেয় যে এআই যুগের প্রতিযোগিতার মাঝেও হার্ডওয়্যারের ওপর অ্যাপলের প্রভাব এখনো অটুট।

ওয়েডবুশ সিকিউরিটিজের বিশ্লেষক ড্যান আইভস বলেন, ‘টিম কুক ও তার দল অবশেষে এমন একটি প্রোডাক্ট উপহার দিয়েছেন, যা এআই ঝড়ের মধ্যেও অ্যাপলকে আবার নেতৃত্বে ফিরিয়েছে।’

২০১৮ সালে এক ট্রিলিয়ন, ২০২০ সালে দুই ট্রিলিয়ন ও ২০২২ সালে তিন ট্রিলিয়ন— ধারাবাহিকভাবে নতুন উচ্চতা ছুঁয়েছে অ্যাপল। ২০২৫ সালে এসে চার ট্রিলিয়নে পৌঁছানো সেই যাত্রারই আরেক অধ্যায়। বর্তমানে কোম্পানির বাজারমূল্য যুক্তরাষ্ট্রের মোট জিডিপির প্রায় ১২ শতাংশের সমান।

পরবর্তী খবর

তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাত

| প্রকাশিত: ৯:০৭ অপরাহ্ন, ২০ অক্টোবর ২০২৫

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলমের সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ।

আজ (সোমবার) বিকেলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে এই সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে কোন ধরনের অনিশ্চয়তা নেই।

বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমের ওপর কোন ধরনের চাপ নেই। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে ফোন করে কোন গণমাধ্যমের ওপর হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করছে।

সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ দু’দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেন। 

এ সময় জার্মানির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়।

সাক্ষাতে জার্মান দূতাবাসের রাজনৈতিক ও প্রেস অফিসার শারনিলা নুজহাত কবির উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তী খবর

সাংবাদিকদের ভোটকক্ষে প্রবেশে কোনো বাধা থাকবে না : সিইসি

| প্রকাশিত: ৪:০৫ অপরাহ্ন, ১২ অক্টোবর ২০২৫

ভোটকেন্দ্রের ভেতরে সাংবাদিকদের প্রবেশে কোনো বাধা থাকবে না জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘রাতের অন্ধকারে ভোট চাই না। আমাদের লক্ষ্য শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা।’

সাংবাদিকদের সহযোগিতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সিইসি বলেন, কেন্দ্রে ভিড় না থাকলে সাংবাদিকরা ১০ মিনিট অবস্থান করতে পারবেন, প্রয়োজনে সময় আরও বাড়ানো হবে।

রোববার (১২ অক্টোবর) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি নির্বাচনের পরিবেশ ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট—সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাই। তারা যেন স্বাধীনভাবে নির্বাচন কাভার করতে পারেন, আমরা সর্বাত্মক সহায়তা করব। সঠিক তথ্য প্রকাশে আমরা উৎসাহিত করব, তবে মিথ্যা প্রচার বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো প্রতিহত করতে হবে।’

ফ্যাক্ট চেকিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, ‘ভুল তথ্য সাধারণ মানুষের ক্ষতি করে। তাই সংবাদ প্রচারের আগে যাচাই অত্যন্ত জরুরি। কিছু গণমাধ্যম ও ইউটিউব চ্যানেল ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে, যা প্রশংসনীয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘নারী-পুরুষ ভোটাররা যেন নিজের পছন্দমতো ভোট দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা ও প্রিসাইডিং অফিসাররা দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন এবং সাংবাদিকদের সহযোগিতা করবেন।’

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। আর রোহিঙ্গা ভোটার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন হবে নতুন ভোটার তালিকার ভিত্তিতে, যা জনগণের স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোটাধিকার নিশ্চিত করবে।’

শেষে সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, ‘যারা নেতৃত্বে রয়েছেন, তারা দেশের জন্য সুন্দর একটি নির্বাচন নিশ্চিত করতে নিজেদের জীবন ঝুঁকিতে রেখেছেন। তাই সবার উচিত দায়িত্বশীলভাবে তথ্য যাচাই ও প্রচার করা। সুষ্ঠু নির্বাচনে সাংবাদিকরা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী।’

পরবর্তী খবর

সুষ্ঠু নির্বাচন চাইলে সাংবাদিকদের সাহায্য নিতেই হবে ইসিকে'

| প্রকাশিত: ৫:৪০ অপরাহ্ন, ১১ অক্টোবর ২০২৫

আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করতে চাইলে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অবশ্যই সাংবাদিকদের সহযোগিতা নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।

শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে গণমাধ্যমের জন্য প্রণীত বিধিমালার বিভিন্ন দিক নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ব্রিগেডিয়ার (অব.) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘সরকারের বক্তব্য নয়, এটি আমার ব্যক্তিগত মতামত সাংবাদিকদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাছ থেকে অনুমতি নেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা দরকার।’

তিনি আরও বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। সাংবাদিকরা মাঠপর্যায়ে ভোটের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরলে তাতে কমিশন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই সরকারও চায় একটি অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে। তবে সেটা বাস্তবে করতে হলে সাংবাদিকদের হাত ধরতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।’

সাবেক নির্বাচন কমিশনার হিসেবে অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘২০০৮ সালের পর অনেক ভোটারই ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি। অনেক তরুণ জানেনই না ভোট দিতে হয় কীভাবে। মেজরিটি ভোটারদের বাদ দিয়ে দেশ পরিচালনা করা হয়েছে এর দায় শুধু আওয়ামী লীগের নয়, বরং পুরো জাতির।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন চাইলে নির্বাচন কমিশনের উচিত সাংবাদিকদের সঙ্গে বসা এবং তাদের মতামত নেওয়া। ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষের পার্থক্য সবাইকে পরিষ্কারভাবে বুঝতে হবে।,

সভায় উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা বলেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ না থাকলে কোনো নির্বাচনকেই সুষ্ঠু বলা সম্ভব নয়। তারা নির্বাচন কমিশনের কাছে মাঠপর্যায়ে সংবাদ সংগ্রহে পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।