বসন্তের ছোঁয়ায় প্রাণোচ্ছল প্রকৃতি

newsdesk | প্রকাশিত: ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত। আজ ১লা ফাল্গুন মানে আজ থেকে শুরু ঋতু বসন্ত। আর বসন্ত মানেই পূর্ণতা, বসন্ত মানেই নতুন প্রাণের কলরব। পাতা ঝরা দিন মনে করিয়ে দিচ্ছে, বসন্ত এসে গেছে। এসেছে বাঙালির ঋতুরাজ। রূপ লাবণ্যে জেগে উঠেছে প্রকৃতি, রঙিন চারপাশ।

প্রকৃতির বুকে বসন্তের আগমনে ঋতুর পালাবদলের সুর ধরা দিয়েছে, আর বাঙালির হৃদয়ে জেগেছে উৎসবের উচ্ছ্বাস। মাধবী ও বোগেনভিলিয়ার বাহারি শোভা, কোকিলের কুহু ধ্বনি আর দখিনা বাতাসে দোল খাওয়া কৃষ্ণচূড়া জানান দিচ্ছে বসন্তের আনুষ্ঠানিক আগমন।

বসন্ত মানেই প্রাণের স্পন্দন, রঙের ছটা, আর উৎসবের আনন্দ। গ্রাম হোক কিংবা শহর, বসন্ত বরণে বাঙালি যেন মেতে ওঠে নিজস্ব ঐতিহ্যের সৌন্দর্যে। ঐতিহ্যবাহী বাসন্তী শাড়ি ও পাঞ্জাবির পাশাপাশি এখন আধুনিক ফ্যাশনের ছোঁয়ায় বসন্ত উৎসবে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। তরুণ-তরুণীদের পোশাকে লাল, হলুদ আর বাসন্তী রঙের প্রাধান্য ফুটিয়ে তোলে ঋতুর রঙিন আবেদন।

শুধু ফ্যাশন নয়, বসন্তের সঙ্গে মিশে আছে বাঙালির প্রাণের বইমেলাও। একুশে বইমেলা ও বসন্ত যেন সমান্তরালে বাঙালির আবেগকে গভীর কাব্যিকতায় ছুঁয়ে যায়। নগরজীবনের ব্যস্ততার মাঝেও বসন্তের রঙে রাঙিয়ে নিতে চায় সবাই নিজেদের। ঢাকার পাশাপাশি মফস্বল শহরগুলোর আকাশেও বসন্তের রঙ ছড়িয়ে পড়ছে উৎসবের আমেজে।

বসন্ত এসেছে, প্রকৃতিতে এনেছে প্রাণের জাগরণ, হৃদয়ে তুলেছে নতুন আবেগের ঢেউ। তাই প্রাণ খুলে বরণ করে নেওয়া হোক ঋতুরাজ বসন্তকে!

পরবর্তী খবর

ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আব্দুস সাত্তার টেন্ডার বানিজ্যের হোতা...

| প্রকাশিত: ১:১৭ অপরাহ্ন, ২০ এপ্রিল ২০২৬



জয়নাল আবেদীন যশোরীঃ


ফ্যাসিবাদ হাসিনা সরকারের পতন হলেও সচিবালয়ের ইডেন গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে  ব্যাপক টেন্ডার বানিজ্যের অভিযোগ। তিনি এক মাস রির্জাভে থাকার পর ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২ এ প্রাইজ পোষ্টিং বাগিয়ে নেন । তবে গণপূর্ত বিভাগ-২ এ বসার পর প্রধান প্রকৌশলীর প্রজ্ঞাপন অমান্য করে,এপিপির কাজ এলটিএম পদ্ধতির পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান করেন তিনি। তবে সে তার পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিয়ে মোটা অংকের কমিশন বানিজ্য করছেন বলে অভিযোগ আছে । এপিপির শতকরা ৯০% ওটিএম পদ্ধতিতে আহবান করেছেন, যা প্রতিবেদকের কাছে সকল দরপত্র আইডি সংরক্ষিত আছে। এই আব্দুস সাত্তার  ২০২২-২৩ ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে এপিপির কাজ এলটিএম পদ্ধতির পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান করেন। যার  ৮০% ভাগ ফ্যাসিবাদ সরকারের আওয়ামী সন্ত্রাসীদের প্রতিষ্ঠিত করতে ও ছাত্র হত্যায় অর্থ যোগান দিতে। কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আব্দুস সাত্তার ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র খেলায় মেতে ছিলেন। শুধু মাত্র ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের  দরপত্র আই ডি গুলি  Id.no.997257 Id.no.995451 Id.no.995450 Id.no.994903 Id.no.995449 Id.no.995447 Id.no.995448 Id.no.995452 Id.no.995453 Id.no.995446 Id.no.995442 Id.no.995443 Id.no.995444 Id.no.995445 Id.no.996439 Id.no.995440 Id.no.995441 Id.no.995455 Id.no.995456 Id.no.994899 Id.no.994900 Id.no.994901 Id.no.994902 ১৩ জুন ২০২৪  তারিখে ওপনিং  হওয়ার পর ১৪ দিনের মধ্যে কাজ সমাপ্ত দেখিয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ না করে কোটি টাকা লোপাট করছেন। দরপত্র আই ডি Id.no.994215 ১২ জুন দরপত্র ওপেনিং দেখিয়ে দুইটি ফ্যাসিবাদ সরকারের মন্ত্রী মোকতাদির চৌধুরীর এপিএস এর রুমে কাজের মেরামত দেখিয়ে  বিল উত্তোলন করে টাকা দেন তাকে।শুধু এপি এস কে খুশি রাখার জন্য  ফ্যাসিস্ট দোসর নির্বাহী প্রকৌশলী সাত্তার মেরামত কাজের অবস্থা করে।  যা সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রমান পাওয়া যায় যে কোন কাজ হয়নি। দরপত্র আই ডি Id.no.994218 Id.no.994214 Id.no.993487  Id.no. 992595 Id.no.992600 Id.no.992594 Id.no.992593 Id.no.992592 Id.no.992601 Id.no.992602 Id.no.992603 Id.no.992596 Id.no.992597 Id.no.992598 Id.no.992599 ৯ ও ১০ জুন ২০২৪ খ্রিঃ তারিখ ওপনিং হওয়ার পর ১৪ দিনের মধ্যে কাজ সমাপ্ত দেখিয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ না করে কোটি টাকা লোপাট করছেন। এটা শুধু মাত্র জুন ২০২৪ সের ওটিএম পদ্ধতিতে। দরপত্র আহবান করার ৩৪ টি আইডি   তে অর্থ লোপাট করার চিত্র এইভাবে বাকি ১১ মাস একই চিত্র।  ইডেন গণপূর্ত বিভাগের দুর্নীতির মহাউৎসব চলে তার মাধ্যমে।  ইডেন গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী থাকাকালীন মোঃ আব্দুস সাত্তার ২০২৩ সালে মে ও জুন মাসে ৫০ টি ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান করে। এবং তার  পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ দিয়ে টাকা ভাগাভাগি করেন তিনি। এবার  মজার বিষয় হলো ইডেন গণপূর্ত বিভাগের কাজ সচিবালয় হওয়ায় বিশেষ সুবিধা নিয়েছেন তিনি।  তাদের দেওয়া  কমিশন দিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আব্দুস সাত্তার নিজেই ঠিকাদারী করেন।  ছাত্র জীবন থেকেই তিনি ছাত্রলীগ করতেন। গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সহ ১৬ জন কর্মকর্তার নামে ছাত্র জনতা গনহত্যা মামলায় আসামী করা হলেও।তবে  সুকৌশলে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২ ও সাবেক ইডেন গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আব্দুস সাত্তার এর নাম বাদ পরে যায়। কিন্তু ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে ইডেন গণপূর্ত বিভাগে থাকাকালীন সাত্তার  একটি কাজও আওয়ামী পন্থি ঠিকাদার ছাড়া অন্য কোন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান পায়নি। যা ইডেন গণপূর্ত বিভাগের নথিপত্র যাচাই করলে প্রমান পাওয়া যাবে।


এই সব অনিয়ম দূর্নীতির বিষয় জানতে নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তার এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই। 


তবে খুদে বার্তা পাঠালেও তিনি তা

 রেসপন্স করেন নাই  যার কারণে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

পরবর্তী খবর

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা

| প্রকাশিত: ১২:৫১ অপরাহ্ন, ২০ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে দুই দিনব্যাপী সাক্ষাৎকার গ্রহণ শেষে ৩৬ জনের মনোনয়ন নিশ্চিত করেছে বিএনপি। সোমবার (২০ এপ্রিল) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ তথ্য জানিয়েছেন।

রিজভী জানান, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দিতে জাতীয় কমিটির সদস্যরা দুই দিনব্যাপী সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন। সাক্ষাৎকার শেষে মনোনয়ন বোর্ড ৩৬ জনকে মনোনীত করেছে।

মনোনয়নপ্রাপ্তরা হলেন, সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

এর আগে গেল শুক্র ও শনিবার রাজধানীর গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেয় বিএনপি। এই মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
 
দলীয় সূত্রে জানা যায়, মোট এক হাজার ২৫টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হলেও জমা দেন প্রায় ৯০০ জন।

পরবর্তী খবর

তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকট: লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও মিলছে না জ্বালানি,ভোগান্তিতে জনজীবন

| প্রকাশিত: ১২:৪৯ অপরাহ্ন, ২০ এপ্রিল ২০২৬


আওরঙ্গজেব কামালঃ জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ সংকট এই দুই সমস্যার চাপে পড়ে দেশের সাধারণ মানুষ। যেন যৌন জীবন আজ চরম ভোগান্তির মুখে। একদিকে বাড়তি দামে তেল কিনতে হচ্ছে, অন্যদিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ তেল পাচ্ছেন না ভোক্তারা। এতে করে শুধু যানবাহন চালকরাই নয়, সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী সবাই পড়েছেন বহুমাত্রিক সংকটে। জমিনে দেখা যায়,ফিলিং স্টেশনের সামনে প্রতিদিনই দীর্ঘ হচ্ছে যানবাহনের সারি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও জ্বালানি তেল না পাওয়ার অভিযোগ অনেকের। অথচ সরকার বলছে, ইতিহাসের সব থেকে বেশি পরিশোধিত জ্বালানির মজুত এই মুহূর্তে বাংলাদেশের হাতে রয়েছে।বাংলাদেশে কী পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে? আর তা দিয়ে কতদিন চলবে? মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরির পর থেকে ঘুরে ফিরেই আসছে এসব প্রশ্ন। রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দেখা যাচ্ছে, ভোর থেকেই পেট্রোল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন। মোটরসাইকেল চালক, সিএনজি অটোরিকশা, প্রাইভেটকার এমনকি পণ্যবাহী যানবাহনের চালকরাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন। অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না, আবার কোথাও কোথাও সরবরাহ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে লাইনে দাঁড়িয়েও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। এতে মানুষের সময়, শ্রম ও অর্থ—সবকিছুরই অপচয় ঘটছে। এই পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাজার ব্যবস্থায়। পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বাড়ছে। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে গেছে। অনেক পরিবহন চালক জানিয়েছেন, তেলের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হওয়ায় তারা নিয়মিত ট্রিপ দিতে পারছেন না, ফলে আয় কমে যাচ্ছে। ভোক্তাদের অভিযোগ, দাম বাড়ানোর আগে যদি সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক রাখা না যায়, তাহলে সাধারণ মানুষ দ্বিগুণ ক্ষতির শিকার হয়। অনেকেই বলছেন,“অতিরিক্ত দাম দিয়ে তেল কিনব, সেটাও যদি না পাই, তাহলে আমাদের যাওয়ার জায়গা কোথায়?” সরকারের ভূমিকা নিয়ে এ সময় নানা প্রশ্ন উঠছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি খাত একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল খাত, যেখানে


পরিকল্পনা, মজুদ ব্যবস্থাপনা এবং সরবরাহ চেইন শক্তিশালী না হলে এ ধরনের সংকট তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। তারা মনে করেন, বাজার তদারকি জোরদার করা, নিয়মিত মনিটরিং, এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। সরকারি মহল থেকে অবশ্য বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওঠানামা, ডলার সংকট, আমদানি প্রক্রিয়ার বিলম্বসহ বিভিন্ন কারণে সাময়িকভাবে এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত উদ্যোগ

নেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এদিকে পেট্রোল পাম্প মালিকদের ভূমিকাও আলোচনায় এসেছে। অনেক ভোক্তার অভিযোগ, কিছু পাম্পে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি

করে সীমিত পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, যাতে পরবর্তীতে বেশি দামে বিক্রি করা যায়। বক্তাদের অভিযোগ তারা বাজারে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা লিটার দরে অকটেন বিক্রি করছে। ইতিমধ্যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনেক জায়গায় অভিযান চালিয়ে অনেক মজুদ তেল আটক করেছে এবং জরিমানা করেছে তাদেরকে। যদিও পাম্প মালিকদের একাংশ বলছেন, তারা সরবরাহকারী সংস্থা থেকে যে পরিমাণ তেল পাচ্ছেন, সেটিই নির্ধারিত নিয়মে বিক্রি করছেন। তাদের মতে, মূল সমস্যাটি সরবরাহ ব্যবস্থায়, পাম্প পর্যায়ে নয়। সিন্ডিকেটের বিষয়টিও বারবার সামনে আসছে। ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্টরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছেন, জ্বালানি খাতে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট রয়েছে, যারা বাজার

নিয়ন্ত্রণ করে। এই সিন্ডিকেট কখনও সরবরাহ কমিয়ে, কখনও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি

এই সিন্ডিকেট ভেঙে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে এ ধরনের সমস্যা ভবিষ্যতেও বারবার ফিরে আসবে। অন্যদিকে সাধারণ ক্রেতাদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। অনেক সময় আতঙ্কে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের প্রবণতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। তাই প্রয়োজন সচেতনতা, যাতে কেউ অপ্রয়োজনীয় মজুদ না করেন এবং সবার জন্য সমানভাবে সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংকট মোকাবেলায় তিনটি স্তরে কার্যকর পদক্ষেপ

প্রয়োজন। প্রথমত, সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি ও নীতিগত সিদ্ধান্ত; দ্বিতীয়ত, পাম্প মালিকদের স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল আচরণ; এবং তৃতীয়ত,

ভোক্তাদের সচেতন ও সংযত ব্যবহার। এই তিনটি দিক একসঙ্গে কাজ করলেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। সর্বোপরি, জ্বালানি খাতের এই অস্থিরতা

দীর্ঘস্থায়ী হলে তা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া ভোগ তারা মনে করছেন ন্যায় সকল পাম্পে যথা নিয়মে তেল সরবরাহ করা হোক। তাহলে হয়তো এ সমস্যা থাকবে না।

তাই দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে জ্বালানি তেলের মজুদ রয়েছে প্রায় ১৪–৩১ দিনের, এবং সরবরাহ স্বাভাবিকভাবে চালু রয়েছে।

লেখক ও গবেষকঃ

আওরঙ্গজেব কামাল

সভাপতি

ঢাকা প্রেস ক্লাব ও আন্তর্জাতিক প্রেস ক্লাব

পরবর্তী খবর

সারাদেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

| প্রকাশিত: ১২:৪৫ অপরাহ্ন, ২০ এপ্রিল ২০২৬
আজ থেকে সারা দেশে শুরু হচ্ছে হামের গণটিকা কার্যক্রম। সারা দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। 

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে জিন্দাপার্কে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।জানা গেছে, এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া বাকি দিনগুলোতে সকাল ৮টা থেকে সব স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে এই টিকা দেওয়া হবে। ১৮ জেলার ৩০ উপজেলা ও ৪ সিটি করপোরেশনসহ সব এলাকা মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে এই কার্যক্রমের আওতায় টিকা দেওয়া হবে।

এর আগে, গত ৫ এপ্রিল প্রথম ধাপে শুরু হওয়া কর্মসূচি আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত এবং ১২ এপ্রিল শুরু হওয়া কর্মসূচি ১২ মে পর্যন্ত চলবে। দেশব্যাপী এই বিশেষ ক্যাম্পেইন সিটি করপোরেশন এলাকায় ২০ মে পর্যন্ত এবং দেশের অন্যান্য স্থানে ১২ মে পর্যন্ত চলবে।

এদিকে, যেসব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদের এই সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর টিকা দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
পরবর্তী খবর

বগুড়া জজ আদালতে ই-বেইল বন্ড সেবার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

| প্রকাশিত: ১২:৩৯ অপরাহ্ন, ২০ এপ্রিল ২০২৬

বগুড়ায় সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জজ আদালতে ই-বেইল বন্ড সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।

সোমবার (২০ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে বগুড়া সার্কিট হাউস থেকে পায়ে হেঁটে কোর্ট চত্বরে পৌঁছান তিনি। পরে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে এ সেবার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সময় তিনি বগুড়া জেলা অ্যাডভোকেটস বার সমিতির নবনির্মিত ভবনের নামফলক উন্মোচন করেন। এর আগে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সড়কপথে ঢাকার বাসভবন থেকে রওনা হয়ে বগুড়া শহরের সার্কিট হাউজে পৌঁছান তিনি। 

ই-বেইল বন্ড সেবার উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বগুড়া সিটি করপোরেশনের ফলক উন্মোচন এবং সিটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম ঘোষণা করবেন বলে জানা গেছে।

দিনের দ্বিতীয়ার্ধে তিনি গাবতলী উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে খাল খনন কার্যক্রম, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নিজ পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শন করবেন এবং বিকেলে পুনরায় শহরে ফিরে আসবেন। বিকেল ৪টায় জেলা বিএনপির আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে বগুড়া শহরসহ আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রবেশমুখে নেতাকর্মীরা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে ভিড় করছেন এবং তাকে একনজর দেখতে অপেক্ষা করছেন।

পরবর্তী খবর

দৈনিক আজকালের কণ্ঠ’ বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আলোকবর্তিকা:- প্রফেসর ড. আসিফ

| প্রকাশিত: ১০:৫৫ অপরাহ্ন, ১৯ এপ্রিল ২০২৬


নিজস্ব প্রতিবেদক | 

সত্যের জয়গান আর বস্তুনিষ্ঠতার অঙ্গীকার নিয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হলো ‘দৈনিক আজকালের কণ্ঠ’ পত্রিকার ৫ম বর্ষপূর্তি। এইদিন  সকালে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন  শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. আসিফ মিজান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রফেসর ড. আসিফ মিজান পত্রিকাটির অদম্য যাত্রার প্রশংসা করে বলেন, "একটি সংবাদপত্রের প্রাণ হলো তার সত্যনিষ্ঠা। সুদূর সোমালিয়ার মোগাদিসু থেকে এই মাটির টানে এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতি মমত্ববোধ থেকেই মূলত আমি আজ আপনাদের এই উৎসবে শামিল হয়েছি।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করা অত্যন্ত কঠিন চ্যালেঞ্জ হলেও ‘দৈনিক আজকালের কণ্ঠ’ তা সফলভাবে করে দেখিয়েছে। এই অভাবনীয় সাফল্যের নেপথ্য কারিগর হিসেবে তিনি পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক জনাব মোঃ মিজানুর রহমান (মিজান)-এর দূরদর্শী নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, "মিজান সাহেবের অদম্য সাহস এবং সত্যের পথে আপসহীন ভূমিকা আজ এই পত্রিকাকে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে পরিণত করেছে।"

অনুষ্ঠানে প্রফেসর আসিফ আশা প্রকাশ করেন যে, শিক্ষার প্রসারের মতো সংবাদমাধ্যমও জাতির সঠিক পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে যাবে। দক্ষ সংবাদকর্মীদের হাত ধরে এই পত্রিকা কেবল জাতীয় নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশিদের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবে বলে তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্পাদক ও প্রকাশক জনাব মোঃ মিজানুর রহমান (মিজান) সহ দেশের বরেণ্য সাংবাদিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক শুভানুধ্যায়ী উপস্থিত ছিলেন। কেক কাটা এবং বেলুন উড়ানোর মাধ্যমে উৎসবের শুভ সূচনা করা হয়।


উল্লেখ্য যে, বিদেশে প্রথম বাংলাদেশি ভাইসচ্যান্সেলর, দারুসসালাম ইউনিভার্সিটি, সোমালিয়া এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা কর্তৃক "হিউম্যান রাইটস চ্যাম্পিয়ন ২০২৬" পদকপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. আসিফ মিজান একজন সুশাসন ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ।


সংবাদপত্রসহ সকল মিডিয়ার অবাধ স্বাধীনতা নিশ্চিত করায়  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার; বিশেষ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান প্রফেসর ড. আসিফ মিজান।

পরবর্তী খবর

অতীতে ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দিতে পারবে: নাহিদ ইসলাম

| প্রকাশিত: ৬:১০ অপরাহ্ন, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, কোনো নেতাকর্মীর অতীত রাজনৈতিক পরিচয় দলের কাছে মুখ্য নয়; বরং এনসিপির আদর্শই প্রধান বিবেচ্য।

রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের নেতাদের যোগদান উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, অতীতে কেউ ছাত্রদল, ছাত্রশিবির বা ছাত্রলীগ—যেখানেই থাকুক না কেন, এনসিপিতে যোগ দেওয়ার পর তাকে দলের নেতা-কর্মী হিসেবেই কাজ করতে হবে এবং দলের আদর্শ ধারণ করতে হবে।

তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ফ্যাসিবাদ, গণহত্যা, চাঁদাবাজি বা দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি এনসিপিতে স্থান পাবেন


তিনি আরও বলেন, যারা বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে বিশ্বাসী এবং ‘দায় ও দরদের রাজনীতি’ প্রতিষ্ঠা করতে চান, তাদের নিয়েই দল এগিয়ে যেতে চায়। একই সঙ্গে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’-এর চেতনা ধারণ করে আগামীর পথচলার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, নতুন যোগদানকারীরা এতদিন ভিন্ন প্ল্যাটফর্মে থাকলেও মূলত একই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছিলেন। এখন তারা আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয়েছেন। দেশের তরুণসহ সব শ্রেণির মানুষকে এনসিপিতে যোগ দিয়ে দলকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়া তিনি বলেন, দেশে নতুন করে কোনো স্বৈরতন্ত্র যাতে গড়ে না ওঠে, সে জন্য তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। জনগণের দেওয়া সংস্কারের পক্ষে রায় বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পরবর্তী খবর

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

| প্রকাশিত: ৬:০৮ অপরাহ্ন, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশু এবং হামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার হাম বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮০৪ শিশু। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ১৬৫ শিশুর। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই সর্বোচ্চ ১৪৮টি শিশু রয়েছে।

এসময় সারা দেশে ১ হাজার ১৯৭টি শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা যায়। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮০৪টি শিশু। এর মধ্যে ৫৬৩টি শিশুই ঢাকা বিভাগের।

এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ৬৪৫টি শিশু গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিভাগের ৩০০ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা গেছে মোট ২৩ হাজার ৬০৬টি শিশুর মধ্যে। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৫ হাজার ৩২৬টি শিশু।

তাদের মধ্যে ৩ হাজার ৪৪৩ জনের হাম শনাক্ত হয়। আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়া রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ৩৯৬।

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে পানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

| প্রকাশিত: ৬:০৬ অপরাহ্ন, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে পানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রোববার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী এই সভায় সভাপতিত্ব করেন। এতে পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পানি বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাতসহ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে এ্যানি সাংবাদিকদের বলেন, সামনে বর্ষা আসছে। বন্যা ও প্লাবন হতে পারে। এক্ষেত্রে আমাদের আগাম কি কি কাজ করা দরকার সে সব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনাগুলো তাঁকে অবহিত করেছি।

তিনি বলেন, খাল খনন কর্মসূচি অব্যাহত আছে। আগামী ২৭ এপ্রিল যশোর এবং ২ মে সিলেটে প্রধানমন্ত্রী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

এর আগে দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে সচিবালয় দফতরে আসেন প্রধানমন্ত্রী। এটি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের প্রথম সভা ছিল।

  1. Bss
পরবর্তী খবর

সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৪ হাজার ৪৫৭ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী

| প্রকাশিত: ২:২৮ অপরাহ্ন, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
পবিত্র হজ ২০২৬ পালনের জন্য আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১৮ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সৌদি আরব যাত্রা শুরু হয়েছে। হজের প্রথম দিনে সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনায় মোট ৪ হাজার ৪৫৭ জন হজযাত্রী নিরাপদে পবিত্র ভূমিতে পৌঁছেছেন। 

রবিবার (১৯ এপ্রিল) হজ পোর্টালের তথ্যমতে, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ হাজার ২৪৬ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ২১১ জন যাত্রী ইতিমধ্যে সেখানে অবস্থান করছেন।

হজের প্রথম দিনে যাত্রায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম ফ্লাইট বিজি ৩ হাজার ১ ফ্লাইটে  ৪১৬ জন হজযাত্রী জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এই যাত্রীদের স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলোয়ার হোসেন এবং জেদ্দার কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন। 

এছাড়াও মক্কা হজ অফিসের কাউন্সিলর কামরুল ইসলামসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমানবন্দর এলাকায় উপস্থিত থেকে হজযাত্রীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। 

একই দিনে সরকারি ব্যবস্থাপনার আরও দুটি ফ্লাইটে ৮০৩ জন হজযাত্রী মদিনার প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। সব মিলিয়ে প্রথম দিনেই মোট এগারোটি ফ্লাইটের মাধ্যমে হজযাত্রীদের সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ছয়টি ফ্লাইটে ২ হাজার ৪৭০ জন যাত্রীকে নিয়ে গেছে। সৌদি এয়ারলাইন্স চারটি ফ্লাইটে ১ হাজার ৫৫৭ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স একটি ফ্লাইটে ৪২৩ জন হজযাত্রী পরিবহন করেছে।

সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর হজযাত্রীদের সহায়তার জন্য আইটি হেল্পডেস্ক ইতিমধ্যে পুরোদমে কাজ শুরু করেছে। প্রথম দিনেই তারা প্রায় ২৭৫টি সেবা প্রদান করেছে যা হজযাত্রীদের প্রাথমিক পথচলা সহজতর করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো হজযাত্রীর বড় ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়নি । স্বাস্থ্যসেবার দিক থেকে কর্তৃপক্ষ পুরো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যাতে বয়োজ্যেষ্ঠ হজযাত্রীরা কোনো ধরনের ভোগান্তিতে না পড়েন।

চলতি বছর চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবার সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মোট  ৮৩ হাজার ৬৫ জন হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই হজযাত্রীদের সৌদি আরব যাওয়ার যাত্রা আগামী ২১ মে পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট আগামী ৩০মে শুরু হবে এবং তা ৩০জুন পর্যন্ত চলবে বলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।