গভীর রাতে শীতার্ত অসহায় মানুষের পাশে সাপাহার থানার ওসি

মনিরুল ইসলাম, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ১০:৩৪ অপরাহ্ন, ১৬ জানুয়ারী ২০২২

নওগাঁর সাপাহারে গভীর রাতে বাজারে নিজ দায়িত্বে নিয়োজিত নৈশ প্রহরী ও অসহায় ছিন্নমুল শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ালো সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেকুর রহমান সরকার।

শনিবার দিবাগত মধ্যে রাতে সদরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করেন। ওই রাতে তিনি সদরের জিরোপয়েন্ট, বাসস্ট্যান্ড, হাসপাতাল মোড় সহ বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয় নেওয়া শীতার্ত ছিন্নমূল মানুষ ও বাজারে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত নৈশ প্রহরীদের মাঝে নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় অর্ধশত কম্বল বিতরণ করেন। প্রচন্ড শীতের মাঝে ছিন্নমুল অসহায় লোকজন কম্বল পেয়ে তারা ভীষণ খুশি।

ওসি তারেকুর রহমান সরকার বলেন, শীতের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগ-ব্যাধি তাই মানবিক কারনে নিজস্ব প্রচেষ্টায় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে ওই অর্ধশত শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল গুলো দিতে পেরেছি প্রচন্ড শীতের মধ্যে রাতের বেলা দায়িত্ব রত নিরাপত্তা প্রহরী ও ছিন্নমুল মানুষ শীতে অনেক কষ্ট করেন। তাদের কষ্ট কিছুটা লাঘব করার জন্যই আমি রাতের বেলা বের হয়েছিলাম।

শীতবস্ত্র কম্বল বিতরনের সময় সাপাহার থানা পুলিশের এস আই, এ এস আই গণ,পুলিশ সদস্যগণ সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন

পরবর্তী খবর

৩ তরুণকে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা: বাদীর 'চোখ তুলে নেওয়া'র হুমকি

| প্রকাশিত: ৫:০৩ অপরাহ্ন, ১৫ জুন ২০২৬

পটুয়াখালী সদর উপজেলায় তিন তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদী ও তার পরিবারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মামলা প্রত্যাহার না করলে বাদীর (ভুক্তভোগী এক তরুণের বাবা) 'হাত-পা ভেঙে দেওয়া এবং চোখ তুলে নেওয়া'র হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মামলার বাদী আব্দুর রব মোল্লা বলেন, এজাহারভুক্ত আসামি মনির গাইন, সুমন মোল্লা ও মুসা নিয়মিত তার স্বজনদের ফোন করে মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছেন। এতে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

ঘটনাটি ঘটে গত ৩ জুন পটুয়াখালী সদর উপজেলার বোতলবুনিয়া গ্রামে। ব্যাটারি চুরির অভিযোগ তুলে বায়জীদ মোল্লা, মিরাজ মৃধা ও আসলাম নামে তিন তরুণকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে একটি পরিত্যক্ত বাগানে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। পরে ঘটনাটি প্রকাশ না করার জন্যও হুমকি দেওয়া হয়।


এ ঘটনায় নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ১ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে বায়জীদকে লাঠি ও শক্ত বস্তু দিয়ে মারধরের দৃশ্য দেখা যায়। একপর্যায়ে তিনি বাঁচার জন্য দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলেও তাকে ধরে এনে আবার গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয়। একইভাবে নির্যাতনের শিকার হন মিরাজ ও আসলামও।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর গত ১০ জুন বায়জীদের বাবা আব্দুর রব মোল্লা পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে ১২ জুন অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে পুলিশ। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

ভুক্তভোগী বায়জীদের দাবি, ঘটনার আগে নূর মোহাম্মদ নামে এক ব্যক্তি তার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন। টাকা না পেয়ে তিনি ক্ষুব্ধ হন এবং পরে শ্বশুরবাড়ি থেকে তুলে এনে তাকে নির্যাতন করা হয়। আহত অবস্থায় তাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।


মামলার বাদীর (বায়জীদের বাবা) অভিযোগ, কয়েকজন আসামি পলাতক থাকলেও অন্যরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মনির গাইন ও সুমন মোল্লার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেগুলো বন্ধ পাওয়া যায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমল বড়াল বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। হুমকির বিষয়ে নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বাদী নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ করলে সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি মামলার তদন্তের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরবর্তী খবর

আনোয়ারায় মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রতিবেশী গ্রেপ্তার

| প্রকাশিত: ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, ১৫ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের আনোয়ারার পরৈকোড়া ইউনিয়নে এনি বড়ুয়া ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়াকে হত্যা মামলায় এক প্রতিবেশীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার প্রতিবেশীর নাম তেজ বড়ুয়া (৩২)। তিনি পরৈকোড়া ইউনিয়নের চেনামতি এলাকার বেশান্ত বড়ুয়ার ছেলে।

গতকাল রোববার (১৪ জুন) দিবাগত রাত ১২টার দিকে তাকে পার্শ্ববর্তী পটিয়া উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মা-মেয়েকে খুনের ঘটনায় হওয়া মামলার প্রধান আসামি তিনি।


তেজ বড়ুয়াকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি ও শিল্পাঞ্চল) মো. রাসেল নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আনোয়ারা থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে তেজ বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে গত শনিবার রাতে নিজ বাড়ি থেকে এনি বড়ুয়া ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়ার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার হয়। তাদের কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। একই সময়ে এনি বড়ুয়ার পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুসন্তানকেও কুপিয়ে জখম করা হয়।


নিহত এনির পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শনিবার দিবাগত রাত ১২টার সময় প্রতিবেশীরা এনি বড়ুয়ার ঘরে চিৎকার শুনে এগিয়ে যান। ওই সময় ঘরের দরজায় এনি বড়ুয়া রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করছিলেন। একই সময়ে ঘরের ভেতরে প্রিয়ন্তী বড়ুয়ার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে ছিল। লোকজন এনিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিতে চাইলে তিনি কথা বলতে বলতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

এ ঘটনায় রাতে আনোয়ারা থানায় মামলা করেন এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া। মামলায় তেজ বড়ুয়াকে প্রধান আসামি করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় দু-তিনজনকে আসামি করা হয়। সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘প্রধান আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় বিচারের পথ সুগম হলো।’ তিনি নিজের স্ত্রী ও মেয়ে হত্যাকাণ্ডের কঠিন শাস্তি দাবি করেন।


পরবর্তী খবর

খুলনায় মসজিদে সন্ত্রাসীদের গুলি, দুই মুসল্লি গুলিবিদ্ধ

| প্রকাশিত: ২:৪৯ অপরাহ্ন, ১৪ জুন ২০২৬
খুলনায় মসজিদে সন্ত্রাসীদের গুলিতে দুই মুসল্লি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রবিবার (১৪ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মহানগরীর দৌলতপুর থানাধীন পশ্চিম কাশিপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র জামে মসজিদে ফজরের নামাজ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধরা হলেন- মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি লোকমান হাকিম (৪৫) এবং আলম মন্ডল (৫৫)। লোকমান হাকিম উত্তর কাশিপুর এলাকার মৃত জব্বার শেখের ছেলে। আলম মন্ডল একই এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফজরের নামাজ আদায়ের সময় কয়েকজন সন্ত্রাসী মসজিদে প্রবেশ করে লোকমান হাকিমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

এ সময় পাশে থাকা মুসল্লি আলম মন্ডলও গুলিবিদ্ধ হন। গুলিতে লোকমানের মাথায় আঘাত লাগে এবং তিনি গুরুতর আহত হন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। আলম মন্ডলের মাথা, গলার বাম পাশ এবং ডান হাতের বাহুতে গুলি লাগে বলে জানা গেছে। তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে সে আশংকামুক্ত বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সহকারী কমিশনার মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে। হামলার কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

এদিকে, মসজিদের ভেতরে নামাজরত অবস্থায় এমন হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও মুসল্লিদের মাঝে চরম আতঙ্ক ও তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। 
পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে নিজ বাড়ি থেকে মা-মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

| প্রকাশিত: ২:৪৭ অপরাহ্ন, ১৪ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় নিজ বাড়ি থেকে মা ও মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে পরিবারের ৫ বছর বয়সী এক শিশু।

শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চেনামতি বড়ুয়াপাড়া এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন- ওই এলাকার সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) এবং তাদের মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। আহত শিশুটি তাদের ছেলে পিয়াস বড়ুয়া (৫)। সুজন বড়ুয়া চট্টগ্রাম নগরের খাতুনগঞ্জ এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত।

স্থানীয় বাসিন্দা সুরভী বড়ুয়া জানান, চিৎকার শুনে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজার কাছে এনি বড়ুয়া ও তার ছেলেকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় ঘরের ভেতরে প্রিয়ন্তী বড়ুয়াকেও রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। দ্রুত তাদের হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলে এনি বড়ুয়ার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া বলেন, ঘটনার সময় তিনি চট্টগ্রাম শহরে কর্মস্থলে ছিলেন। রাতে বড় ভাইয়ের ফোন পেয়ে বাড়িতে এসে স্ত্রী ও মেয়েকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

তিনি দাবি করেন, প্রতিবেশী লিমন বড়ুয়া তেজপ্রিয়র সঙ্গে তার আর্থিক লেনদেন ছিল। ওই লেনদেন-সংক্রান্ত কাগজপত্রের খোঁজে লিমন তার বাড়িতে এসে এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারেন বলে তার সন্দেহ। এছাড়া মৃত্যুর আগে তার স্ত্রী লিমন বড়ুয়ার নাম উল্লেখ করেছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পরবর্তী খবর

যতক্ষণ প্রাণ থাকবে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাব : প্রধানমন্ত্রী

| প্রকাশিত: ৪:৪৫ অপরাহ্ন, ১৩ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জনগণের সমর্থনই আমাদের শক্তি। তাই যতক্ষণ আমাদের প্রাণ থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত এই দেশ এবং এই দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাব।

তিনি আজ সকালে পিএমখালি ইউনিয়নের পাতলী খাল পুনঃখননের কাজ শুরুর পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এ কথা বলেন। 

বিএনপি জনগণের জন্য রাজনীতি করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,  'বিএনপির সকল ক্ষমতার উৎস হচ্ছে জনগণ। আর বিএনপি সরকার দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চায়।’ 

তিনি বলেন, খবরের কাগজগুলোতে দেখলাম, এবারের বাজেটের পরে এখন পর্যন্ত কোন জিনিসের দাম বাড়েনি। কারণ চাল, ডাল, তেল, নুনসহ সকল প্রয়োজনীয় জিনিসের ওপর যে ট্যাক্স ছিল বর্তমান সরকার এই দুইদিন আগের বাজেটে ৬০টি পণ্যের ওপর থেকে তা তুলে নিয়েছে। যেন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম না বাড়ে। এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য একটাই, দেশের মানুষ যাতে ভালো থাকতে পারে।'

দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে বিরোধী দল প্রস্তাবিত বাজেটের বিরোধিতা করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বিরোধী দল বলছে যে এই গণবিরোধী বাজেট তারা মানে না।'


উপস্থিত জনগণের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, 'আপনাদের কাছে আমি প্রশ্ন রেখে যেতে চাই, যেই বাজেটে ট্যাক্স কমানো হয় সেই বাজেটও বিরোধী দল মানে না। যেই বাজেটে মদের দাম বাড়ানো হয়, যেই বাজেটে সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়, সেই বাজেটও বিরোধী দলের পছন্দ নয়। তাহলে এবার বিরোধী দলের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছেন?

তারেক রহমান বলেন, ‘তাদের (বিরোধী দল) লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো নয়। তাদের উদ্দেশ্য একটাই,  সেটা হচ্ছে দেশের মধ্যে অস্থিতিশীতা ও অশান্তি তৈরি করা, মানুষকে বিভ্রান্ত করা।’

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেট উপস্থাপন করেন।

এদিকে বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত জনগণের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন,  এখানে  কেনো এসেছি বলেন তো? পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করতে। আজ থেকে প্রায় ৫০ বছর আগে এই খাল খনন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। এই খাল খননের ফলে ৪০ হাজার মানুষের উপকার হবে। উপকৃত হবে সাড়ে ৮ হাজার কৃষক। এ কারণে আমারা আগামী পাঁচ বছরে ২৩ হাজার খাল খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। কিন্তু কৃষির সাথে সাথে আমাদেরকে শিল্প-বাণিজ্যেও গুরুত্ব দিতে হবে। শিল্প- বাণিজ্যের উন্নতি ঘটলে আমাদের সন্তানদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। চাকরি বাকরি, ব্যবসা বাণিজ্য করতে পারবে। এ কারণে  যে সকল দ্রব্য দেশে উৎপাদিত হয় অথচ একই জিনিস যেগুলো বিদেশ থেকে আসে সেগুলোর ওপর আমরা ট্যাক্স বাড়িয়েছি। যাতে করে দেশে উৎপাদিত দ্রব্যটি যারা উৎপাদন করে, সেই শিল্প কারখানাটি সাপোর্ট পায়, তার ব্যবস্থা আমরা এই বাজেটের মধ্যে রেখেছি। এটিও বিরোধী দলের পছন্দ নয়।’

তিনি বলেন, 'আমি বলতে চাই, এদেশের মালিক আপনারা। দেশের মালিক কোন রাজনৈতিক দল নয়, দেশের মালিক কোন পরিবার নয়, দেশের মালিক হচ্ছে বাংলাদেশের ২০ কোটি জনগণ।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন,  ‘দেশ আমাদের সকলের। এই দেশই আমাদের প্রথম ঠিকানা, এই দেশই আমাদের শেষ ঠিকানা। সেজন্যই আমরা বলি এই দেশকে গড়লে আমরাই ভালো থাকবো,আমাদের সন্তানরাই শান্তিতে থাকতে পারবে।’

তিনি বলেন, 'এই দেশকে যদি আমরা গড়তে না পারি তাহলে আমাদের সন্তানরা দুঃখ কষ্টে থাকবে। কেউ কি চায় নিজের সন্তান কষ্টে থাকুক? কেউ আমরা চাই না। সেজন্যই আমরা একটি কথাই বলি, করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।'

কক্সবাজার সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মাবুদের সভাপতিত্বে এই সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, স্থ্নাীয় নেতা হারুনুর রশীদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এর আগে সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে এই খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী মুষল বৃষ্টির মধ্যেই ফ্লাইট থেকে নেমে সড়ক পথে পিএমখালীতে আসেন। বৃষ্টি উপেক্ষা করেই নিজের হাতে কোদাল দিয়ে পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রী খালের পাড়ে একটি খেজুর গাছের চারা রোপণ করেন।


পরবর্তী খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন --------ডিসি আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী

| প্রকাশিত: ৪:৪১ অপরাহ্ন, ১৩ জুন ২০২৬



 মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি 


বাংলাদেশ ৬৪ জেলায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজায়নের প্রত্যয় নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) দুপুর ১ টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের যৌথ উদ্যোগে এই বিশাল বৃক্ষরোপণ যজ্ঞের সূচনা ঘটে। ​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী। উক্ত অনুষ্ঠানে  সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাকিব হাসান তরফদার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপসচিব) ও পৌরসভার প্রশাসক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ,  অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাহীন সুলতানা  চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন ডাঃ এ কে এম শাহাব উদ্দীন,    চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক ড. মোঃ ইয়াছিন আলী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আনিসুর রহমান,   সদর উপজেলা নির্বাহী  অফিসার মারুফ আফজাল রাজন, সামাজিক বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক  নায়েমা আক্তার, হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) রুবিনা আনিস,     অনুজ চন্দ সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অনুজ চন্দ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আবু সাঈদ,  জেলা কর্মসংস্থান ও জেলা জনশক্তি সহকারী পরিচালক আখলাক উদ জ্জামান,   পরিসংখ্যান ব্যুরো উপ-পরিচালক রাজীব কুমার কর্মকার ও জেলা ফুড অফিস  সাব ইন্সপেক্টর  মোঃ শহিদুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম,  হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোঃ আবুল কালাম আজাদ  প্রমুখ । ​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর এই মহাপরিকল্পনা জেলার পরিবেশগত উন্নয়নে এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে। এই কর্মসূচি সফল করতে তারা সর্বস্তরের জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।  সামাজিক বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক  নায়েমা আক্তার জানান, এই বছর এক লক্ষ চরাগাছ রোপন করা হবে এর মধ্যে প্রতিটি ইউনিয়নে ২০০ টি করে চারাগাছ রোপণ, পৌরসভায় ১৫০০ টি চারা গাছ রোপন ও প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫০ টি চারা রোপণ, এছাড়াও  সরকারি রাস্তার পাশে সরকারি জায়গায় অন্যান্য চারাগাছ রোপন করা হবে। অনুষ্ঠানে হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশাল কর্মসূচির সূচনা করা হয়।

পরবর্তী খবর

কুষ্টিয়া সীমান্তে ১২ জনকে পুশইন চেষ্টা: পতাকা বৈঠকেও মেলেনি সমাধান

| প্রকাশিত: ৩:৫৬ অপরাহ্ন, ১৩ জুন ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে ‘পুশ-ইন চেষ্টার শিকার ১২ জন নারী-শিশুসহ ব্যক্তি টানা এক রাত শূন্যরেখায় কাটিয়েছেন। ঘটনার প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকেও তাদের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১০টার দিকে ১৪৮ নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষা বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ভারতের রানীনগর বিএসএফ ক্যাম্পের কমান্ডার এসি সুনীল কুমার এবং ৪৭ বিজিবির সহকারী পরিচালক নুরুল হুদা নেতৃত্ব দেন।

বিজিবি সূত্র জানায়, শূন্যরেখায় অবস্থানরত ১২ জন প্রকৃতপক্ষে ভারতীয় নাগরিক কি না, তা যাচাই-বাছাই শেষে সিদ্ধান্ত জানাবে বলে বিএসএফ জানিয়েছে। এর আগ পর্যন্ত তাদের সীমান্তের শূন্যরেখাতেই অবস্থান করতে হবে।


বিজিবির কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, দুই বাহিনীর মধ্যে প্রায় ৩০ মিনিট পতাকা বৈঠক হয়েছে। তবে ওই ব্যক্তিদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে বিএসএফ কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি।

তিনি বলেন, দৌলতপুরের প্রাগপুর ইউনিয়নের চরবিলগাথুয়া সীমান্তে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সীমান্ত দিয়ে কোনো ধরনের পুশ ইন মেনে নেওয়া হবে না। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও এ বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে আছেন।

বিজিবি জানায়, শুক্রবার ভোরে বিএসএফ নারী ও শিশুসহ ১২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা বাধা দেয়। পরে তাদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেরত পাঠানো হয়। এরপর থেকেই তারা দুই দেশের মাঝামাঝি শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।

প্রসঙ্গত, নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ৫৭তম বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনে ‘পুশ ইন’ বন্ধে বাংলাদেশের আহ্বানের পর বিএসএফ বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছিল। সেই আশ্বাসের মধ্যেই নতুন করে এ ঘটনা ঘটল।

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

| প্রকাশিত: ১২:১১ অপরাহ্ন, ১৩ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ শনিবার সকাল ৯টা ৫৩ মিনিটে কক্সবাজার বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছেন। এর আগে তিনি সকাল ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান রয়েছেন। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দিন, পাট ও  বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম ও কক্সবাজারের  জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সড়ক পথে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি পিএমখালী ইউনিয়নে পাতলী খাল পুন:খনন কর্মসূচির অনুষ্ঠানস্থলে যান। খাল পুনঃখননের পর তিনি সেখানে একটি সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন।

প্রধানমন্ত্রীর দিনের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে - ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন, মাছুমঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, পেকুয়া উপজেলায় ২০২৪ সালের জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ মো. ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ।

এছাড়া নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং বিকেলে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন তিনি।

পরে প্রধানমন্ত্রী মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্রসৈকত পরিদর্শন করবেন। সন্ধ্যায় লং বিচ হোটেলে এক সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন।

বৃক্ষরোপণ ও খাল পুনঃখননসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে রাতে বিমানে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।

দেড় দশকের বেশি সময় লন্ডনে অবস্থানের পর গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। এ বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তাঁর প্রথম কক্সবাজার সফর।

পরবর্তী খবর

কুষ্টিয়া সীমান্তে ১২ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি

| প্রকাশিত: ১:৪৯ অপরাহ্ন, ১২ জুন ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে ১২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশ ইন) চেষ্টা প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় সীমান্তবাসী।

শুক্রবার (১২ জুন) ভোরে প্রাগপুর সীমান্তের ১৪৮/৩-এস সীমান্ত পিলার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ১২ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায়।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে ১২ জন অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা তা প্রতিহত করে। পুশ ইনের চেষ্টাকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন পুরুষ, চারজন নারী এবং চারজন শিশু রয়েছে। বর্তমানে তারা ভারতীয় সীমান্তের কাঁটাতারের বাইরের অংশে অবস্থান করছে।

প্রাগপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান মুকুল বলেন, ভোরের দিকে ভারত থেকে ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করা হয়। স্থানীয় জনগণ ও বিজিবি যৌথভাবে তাদের প্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করেছে।

প্রাগপুর বিওপির দায়িত্বপ্রাপ্ত সুবেদার আসাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, ১২ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা করা হয়েছিল, তবে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। যাতে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এ কাজে স্থানীয় সীমান্তবাসীও সহযোগিতা করছে।

পরবর্তী খবর

টেকনাফে র‍্যাবের অভিযানে ৫ লাখ পিস ইয়াবাসহ দুই মিয়ানমার নাগরিক আটক

| প্রকাশিত: ৬:৫০ অপরাহ্ন, ১১ জুন ২০২৬



বিশেষ প্রতিনিধি: কামরুল ইসলাম, টেকনাফ (কক্সবাজার)


কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৫) এর বিশেষ অভিযানে ৫ লাখ পিস ইয়াবাসহ দুই মিয়ানমার নাগরিককে আটক করা হয়েছে।


র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাবরাং খালের দক্ষিণ পাশে মন্ডলপাড়া এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সীমান্ত অতিক্রম করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টাকালে দুই মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তবে অভিযানের সময় তাদের সহযোগী আরও ৪ থেকে ৫ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।


আটক ব্যক্তিরা হলেন মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের বাসিন্দা মো. সাজেদ (৩২) ও এনামুল হাসান (৩৩)। তাদের কাছ থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।


র‍্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটক দুই ব্যক্তি একটি আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে সীমান্তপথে বাংলাদেশে পাচার করে আসছিলেন।


র‍্যাব-১৫ জানায়, উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।


সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে র‍্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।