ঘোড়াঘাটে পৌর সেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আজ ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে ১৯৯৪ সালের এই দিনে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
করোনা মহামারী ও চলমান লকডাউনের কারণে স্বেচ্ছাসেবক লীগ তাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে কর্মসূচী হাতে নিয়েছে।
কর্মসূচির অংশ হিসাবে দিনাজপুর ঘোড়াঘাট পৌর আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগ - আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে। সকাল ৯ টায় উপজেলা চত্তরে সামনে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এবং বিকেল সাড়ে ৫ টায় পৌর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি দুলাল আহমেদ এর সভাপতিত্বে সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ইউনুছ আলী মন্ডল এবং বিশেষ অতিথি সাঃসম্পাদক আসাদুজ্জামান ভূট্ট।
অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাঃসম্পাদক শাহিন আক্তার, পৌর সেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি শামীম আকতার, সাঃসম্পাদক আসাদুজ্জামান শিমুল সহ আরও অনেক।অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দ্বায়িত্বে ছিলেন পৌর সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রাকিবুল হাসান রুবেল।
পরে কেক কাটার মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফিতার কামনা সহ বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রাধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত ও দোয়ার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
সব এমপির নির্বাচনি এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ১৭৫ বাংলাদেশি শহীদ হয়েছেন : প্রধানমন্ত্রী
বুধবার সকালে (১০ জুন) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত অবস্থায় ২০২৫ সালে সুদানে শাহাদাতবরণকারী ছয় সেনাসদস্যের স্ত্রীর হাতে বিশেষ সম্মাননা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। ওই হামলাসহ সম্প্রতি চলমান মিশনগুলোতে আহত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের হাতেও সম্মাননা তুলে দেন তিনি।
এছাড়া বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নেওয়া সদস্যদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাবাহিনীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ১৯৮৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৭৫ জন শান্তিরক্ষী শহীদ হয়েছেন। অনেকে আহত হয়েছেন। আমি আল্লাহর দরবারে তাদের মাগফিরাত কামনা করছি। হতাহতদের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি জানাই গভীর সহানুভূতি এবং সমবেদনা।
তিনি বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ বছর যারা শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন, আজকের এই বিশেষ দিনে তাদের পরিবারকে সম্মাননা জানিয়ে আমি আমার বিশ্বাস থেকে একটি কথা বলতে চাই, শুধু বাংলাদেশের জন্য নয় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাবাহিনীর সদস্য হিসেবে শহীদদের এই আত্মদান, যুদ্ধবিরোধী শান্তিকামী মানুষের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের এই আত্মত্যাগ প্রমাণ করে, শুধু মাতৃভূমির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বই নয় জাতিসংঘের পতাকাতলে শান্তিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে যেকোনো মূল্যে শান্তি রক্ষায় বদ্ধ পরিকর।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমি যতদূর জানতে পেরেছি, এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশের ২ লাখেরও বেশি শান্তিরক্ষী বিশ্বের ৪৩টি দেশের প্রায় ৬৩টি শান্তিরক্ষা মিশনে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানেও প্রায় ৫ হাজার ৮৬০ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ১০টি শান্তিরক্ষা মিশনে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। হাইতিতে নতুন একটি মিশনে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাবাহিনীতে পুরুষের পাশাপাশি বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশের প্রায় ১১ শতাংশ নারী সদস্য সাহসের সঙ্গে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমি বিশ্বাস করি, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষাবাহিনীতে নারী সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অবশ্যই এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
আগামী দিনগুলোতেও নারী সদস্যদের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকবে বলে আশা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষা মিশনে, আপনাদের নিষ্ঠা, কর্তব্যবোধ এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের কারণেই বিশ্বমঞ্চে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সুনাম ও অবস্থান সুদৃঢ়ভাবে ধরে রাখতে সক্ষম হচ্ছে। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় এটি আপনাদের সাহস এবং গভীর দায়িত্ববোধের প্রতিফলন বলেই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। বিশ্ব শান্তি রক্ষায় আমাদের এই গৌরবের ইতিহাস একদিনে রচিত হয়নি। প্রায় চার দশক ধরে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী একটি আস্থা ও নির্ভরতার নাম।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষাবাহিনীর সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনীর ভূমিকা সুখ্যাতি পেয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি আরও বলেন, তবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে, দেশে সশস্ত্রবাহিনীর কিংবা সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ে কিছু অপ তৎপরতা কখনো কখনো জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির কারণ হয়েছে। দেশে বিদেশে সশস্ত্রবাহিনীর ইমেজ বিনষ্ট করতে নানারকম তৎপরতাও বিদ্যমান ছিল। সমস্ত ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে ৭৫ এর সাত নভেম্বর স্বাধীনতার ঘোষকের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ঐক্যবদ্ধভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল।
তারেক রহমান বলেন, এরপরও বিভিন্ন সময়ে নানারকম ঘটনায় সশস্ত্রবাহিনীর ঐক্য বিনষ্টের তৎপরতা চললেও ২০০৯ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে সশস্ত্রবাহিনীর উপর সর্বগ্রাসী আঘাতটি এসেছিল। সেই আঘাতটির ফলে বাংলাদেশে কি ঘটেছিল সেটি আমাদের সবার জানা। সুতরাং, ইউনিফর্মধারী বাহিনীর জন্য প্রধান বার্তাটি হলো, ‘প্রফেশনালিজম, ইউনিটি, ডিসিপ্লিন এবং চেইন অব কমান্ড’ ছাড়া সম্মান এবং মর্যাদার সঙ্গে টিকে থাকা কঠিন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধুই অতীত চর্চা নয় বরং অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতিটি রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সামনে স্বমহিমায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। যারা সশস্ত্রবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করছেন অথবা সরকারে কিংবা জনপ্রশাসনে রয়েছেন, আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। এই দেশটা আমাদের সবার। আমরা দেশে কিংবা বিদেশে যেখানে যেই দায়িত্ব পালন করছি সেই দায়িত্বটি যথাযথভাবে পালন করাই হোক আজকের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার।
বর্তমান বিশ্ব এক জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ এবং প্রযুক্তির দ্রুত বিবর্তনের ফলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের চ্যালেঞ্জগুলো এখন অনেক বেশি বহুমুখী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রথাগত যুদ্ধের পাশাপাশি এখন সাইবার যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার, মিডিয়া অপপ্রচার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট, নিরাপত্তা সংকট বিশ্বশান্তির নতুন অন্তরায়। তাই আমাদের ভবিষ্যৎ মিশনগুলো হতে হবে আরও আধুনিক, দূরদর্শী এবং প্রযুক্তিনির্ভর । এমন পরিস্থিতিতে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন কিংবা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দায়িত্ব পালনের জন্য সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর মর্ডানাইজেশনের লক্ষ্যে সরকার পর্যায়ক্রমিকভাবে উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে বৃটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত
আজ ১০ জুন (বুধবার) সকাল ১১:৩০ টায় জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি’র সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত মান্যবর ব্রিটিশ হাইকমিশনার মিস সারাহ কুক এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের হেড অব পলিটিক্যাল মি. টিমোথি ডাকেট এবং সেকেন্ড সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) মিস কেট ওয়ার্ড।
সৌজন্য সাক্ষাৎটি অত্যন্ত আন্তরিক, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় বাজেট, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা, বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের সম্পর্কের বিভিন্ন দিকসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়।
বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করা, বাংলাদেশের উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের ভূমিকার প্রশংসা, জামায়াতের ছায়া সরকার ও ছায়া বাজেটের প্রশংসা এবং অভিবাসন প্রক্রিয়া নিয়েও বৈঠকে আলোচনা করা হয়।
উভয় দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ পারস্পরিক সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও গতিশীল হবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে আমীরে জামায়াতের সঙ্গে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান, এমপি এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা টিমের সদস্য জনাব আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সাক্ষাৎ
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে নির্বাচন-পরবর্তী দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় বাজেট, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও সুশাসনসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
এছাড়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বিকাশ, সুশাসন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয়পক্ষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা টিমের সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর এরিক গিলান এবং রাজনৈতিক কর্মকর্তা হারমানোশি বার্নার্ড।
স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কেউ ব্যক্তিগতভাবে দাঁড়ালে বাধা নেই: তথ্য উপদেষ্টা
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কেউ যদি দলীয় পরিচয় ছাড়া, এককভাবে বা ব্যক্তি হিসেবে অংশ নিতে চান, তবে তাতে সরকার কোনো বাধা দেবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে সরকার দল হিসেবে আওয়ামী লীগের সব ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাখার পক্ষে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) এক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণের সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ব্যক্তি হিসেবে একজন যদি নির্বাচনে অংশ নিতে চান, সেটা নিয়ে কোনো সঙ্কট হবে না। কারণ সেটা দলীয় পরিচয় হবে না।
তবে দলীয় ব্যানারে যেকোনো তৎপরতার বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে। এই সরকার চায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাক। এর মাঝে কোনো কিছু (দলীয় কার্যক্রম) হলে তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নজরে আনতে হবে।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ বা ‘পুশইন’ নিয়ে তৈরি হওয়া আলোচনার বিষয়েও কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা। ভারতের নয়াদিল্লিতে চলমান চার দিনব্যাপী বিজিবি-বিএসএফ বৈঠকের পটভূমিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে চাপে রাখতে ভারত পুশইন করছে না। এটি মূলত সেই দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির প্রভাব। তবে পাঁচ আগস্ট পরবর্তী পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে দুই দেশই এখন সম্পর্ক উন্নয়ন করতে চায়।
দেশের অর্থনীতি প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সম্প্রতি দাম বাড়ানোর পরেও বৈশ্বিক বাজারের তুলনায় দেশে জ্বালানি তেলের দাম এখনও কম রয়েছে। এ সময় বিগত আমলের তুলনা টেনে তিনি দাবি করেন, বিএনপির সময় কখনও শেয়ারবাজারে অস্থিরতা বা সমস্যা ছিলো না, যা আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেখা গেছে।
দুই দশক পর কক্সবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন তিনি। আবার রবিবার রাতে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেবেন।
চারদলীয় জোট আমলে দলের হয়ে কক্সবাজার যাওয়ার প্রায় দুই দশক পর আবার কক্সবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক তৎপরতা ও প্রাণচাঞ্চল্য শুরু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে আয়োজিত জনসভার মাঠ এবং নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান, কক্সবাজারে খালখনন উদ্বোধনসহ সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন মন্ত্রী, সচিব ও জেলা প্রশাসন।
শুক্রবার (৫ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চকরিয়ায় পৌঁছে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান ও পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে চকরিয়া পৌরসভার বাস টার্মিনাল মাঠ, চকরিয়া উপজেলা এবং মাতামুহুরী উপজেলার নতুন প্রশাসনিক ভবন নির্মাণে বিবেচিত এলাকাগুলো ঘুরে দেখেন। জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়ে পাতলিখাল খনন স্থান পরিদর্শন করে গেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
জেলা বিএনপি ও প্রশাসনের সূত্রমতে, ১৩ জুন রাত ৮টার বিমানে কক্সবাজারের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী। রাতে কক্সবাজার সার্কিট হাউজে অবস্থানের পর ১৪ জুন সারাদিনের টাইট প্রোগ্রাম রাখা হয়েছে। এদিন বেলা ১১টায় কক্সবাজার সদরের পিএমখালীতে ৪৮ বছর আগে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খনন করা পাতলিখাল পুনঃখনন উদ্বোধন এবং সংক্ষিপ্ত পথসভা করবেন তিনি।
দুপুর ১২টায় যাবেন ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক। সেখানে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা এবং পার্ক ঘুরে দেখবেন। এরপর যাবেন জুলাই-২৪ আন্দোলনে কক্সবাজারের প্রথম শহীদ ওয়াসিমের কবর জেয়ারতে। জেয়ারত শেষে মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং পরে পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর জোহরের নামাজ-ভোজ ও বিশ্রাম শেষে বিকেল ৪টায় যাবেন চকরিয়ায় বিএনপি জনসভায়।
চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। জনসভা শেষে সন্ধ্যায় কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ ও সৈকত পরিদর্শন করবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কক্সবাজারের সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়ে রাত ৯টার বিমানে ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর চকরিয়া-পেকুয়া সফর ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে তার সঙ্গে থাকবেন চকরিয়া-পেকুয়া (কক্সবাজার-১) আসনের সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, কক্সবাজার-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল প্রমুখ।জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ইউছুপ বদরী বলেন, ‘প্রায় দুই দশক আগে চারদলীয় জোট আমলে কক্সবাজার এসেছিলেন তারেক রহমান। কিন্তু এখন আসছেন প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান হয়ে। এজন্য আমাদের উচ্ছ্বাসটা একটু বেশি।’
সালিশে বসে ছুরিকাঘাত, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নিহত
রাজধানীর মৌচাক এলাকায় ছুরিকাঘাতে বিল্লাল হোসেন তালুকদার (৫৭) নামে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। ভাগনেকে মারধরের ঘটনায় সেখানে এক সালিশি বৈঠকে উপস্থিতি হয়েছিলেন তিনি। সেখানেই ঘটে ছুরিকাঘাতের ঘটনা।
সোমবার (৮ জুন) রাত ৮টার দিকে মৌচাকের আনারকলি মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ছুরিকাঘাতের পর বিল্লালকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত ৯টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত বিল্লাল হোসেন তালুকদার স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক। তার বাড়ি মালিবাগের বাগানবাড়ি এলাকায়। সেখানে বালু ও সিমেন্টের ব্যবসা করতেন তিনি। তার বাবা মৃত ইউনুছ তালুকদার।
বিল্লালের ভাগনে মো. মোবারক হোসেন আকাশ জানান, আনারকলি মার্কেটের সামনে সন্ধ্যায় তাকে কয়েকজন মারধর করেন। মারধরে শিকার হয়ে তিনি মামা বিল্লাল হোসেনকে ডেকে নেন। যুবদলের রমনা থানার আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবু ও সাধারণ সম্পাদক লুৎফরের উপস্থিতিতে সেখানে সন্ধ্যার মারধর নিয়ে সালিশ বৈঠক হয়।
আকাশ আরও জানান, বৈঠকের মধ্যেই বিল্লাল এবং বাবু-লুৎফরের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বাবুর অনুসারীরা বিল্লালকে বুকে ছুরিকাঘাত করেন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, ছুরিকাঘাতে আহত অবস্থায় একজনকে ঢামেক হাসপাতালে আনা হয়েছিল। চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন। তার বুকে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে।
দেশে প্রায় সব ধরনের অপরাধ কমেছে, দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দেশে অপরাধ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং প্রায় সব ধরনের অপরাধ কমেছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর গত তিন মাসের অপরাধসংক্রান্ত তথ্য ২০২৫ সালের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করে এ চিত্র পাওয়া গেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতি মাসে ডাকাতি, হত্যা, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধের পরিসংখ্যান প্রস্তুত করা হয়। এসব তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত বছরের তুলনায় চলতি সময়ে প্রায় সব শ্রেণির অপরাধই কমেছে। তবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি কোনো নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান উপস্থাপন করেননি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট তথ্য তার কাছে না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত সংখ্যা জানানো সম্ভব হয়নি।
পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পুলিশের কার্যক্রমের মূল্যায়ন করবে জনগণ। তবে সরকারের দৃষ্টিতে পুলিশকে আরও জনবান্ধব বাহিনীতে রূপান্তরের প্রচেষ্টা ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নৈতিক সক্ষমতা আরও বাড়াতে হবে, যাতে তারা জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে পারেন। একই সঙ্গে তাদের ভালো কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সরকার ‘পুরস্কার ও শাস্তি’ নীতিতে বিশ্বাস করে। ভালো কাজের জন্য পুরস্কার এবং দায়িত্বে অবহেলা বা অনিয়মের জন্য শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনের আগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার তদন্তে ভূমিকা রাখা নয়জন পুলিশ সদস্য, রাজবাড়ীর ফেরিঘাটে সম্ভাব্য বড় দুর্ঘটনা প্রতিরোধে দায়িত্ব পালনকারী তিনজন এবং একটি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তারে ভূমিকা রাখা দুজন পুলিশ সদস্য পুরস্কৃত হন। পুরস্কারপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে নগদ ১০ হাজার টাকা, সনদপত্র এবং বিশেষ ক্ষেত্রে আইজিপি ব্যাজ প্রদান করা হয়।
বাজেট অধিবেশনে তোফয়েল-মোশাররফসহ ১৬ মন্ত্রী-এমপির মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব
প্রয়াত রাজনীতিক, সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা বিশিষ্টজনদের স্মরণে শোকপ্রস্তাব গ্রহণের মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এসময় সাবেক দুই মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ ও ইন্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে স্মরণ করা হয়।
রোববার (৭ জুন) বিকেলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
অধিবেশনের শুরুতেই উত্থাপিত শোক প্রস্তাবে উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এবং সাবেক মন্ত্রী মোশাররফ হোসেনের অবদানের কথা স্মরণ করা হয়। প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হওয়ার পর তাঁদেরসহ অন্যান্য প্রয়াত ব্যক্তিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
শোক প্রস্তাবে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করা একাধিক সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনীতিকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন এ কে এম রহমত উল্লাহ, দবিরুল ইসলাম, এবিএম আনোয়ারুল হক, মোসলেম উদ্দিন, শফিক আহমেদ, আবদুল মতিন, মিজানুর রহমান সিনহা, এম এ মান্নান, দেওয়ান শামসুল আবেদীন, জিএম ফজলুল হক, সৈয়দ মো. কায়সার, আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক, গোলাম সারোয়ার মিলন ও মো. সামসুদ্দোহা।
রাজনৈতিক অঙ্গনের বাইরে শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, গণমাধ্যম ও সমাজসেবায় অবদান রাখা ব্যক্তিদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানায় জাতীয় সংসদ। এ তালিকায় রয়েছেন জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ, কবি হেলাল হাফিজ, ছায়ানটের সভাপতি সন্জীদা খাতুন, সংগীতশিল্পী মুস্তাফা জামান আব্বাসী, লেখক বদরুদ্দীন উমর, নজরুলসংগীতশিল্পী ডালিয়া নওশীন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান এবং সাংবাদিক গাজী রুহুল আমিন।
এ ছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুস, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল বারী বাবু, সংঘরাজ ড. জ্ঞানীশ্রী মহাস্থবির এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মা বেগম জেবুন্নেছার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়। অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী অধ্যাপক দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে পৃথকভাবে শোক জানানো হয়।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট নিয়ে আলোচনা এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই অধিবেশন আগামী কয়েক সপ্তাহ গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন ও আর্থিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকবে।
এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী