চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় পাইপলাইনে তেল সরবরাহ শুরু
পাইপলাইনে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় তেল সরবরাহের ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত, সময় সাশ্রয় ও তেল চুরি এবং সিস্টেম লসের হাত থেকে বাঁচবে এ খাতটি। এতে বছরে আর্থিক সাশ্রয় হবে ২৩৬ কোটি টাকা।
শনিবার (১৬ আগস্ট) সকালে এই পাইপলাইনে তেল সরবরাহ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
যদিও এর আগে গত জুনের মাঝামাঝি সময় থেকে ওই পাইপলাইনে তেল সরবরাহ শুরু করেছিল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
বিপিসি সূত্রে জানা যায়, পাইপলাইনে জ্বালানি সরবরাহে এ খাতে বার্ষিক অর্থ সাশ্রয়ের পরিমাণ ২৩৬ কোটি টাকা। আগে ঢাকায় তেল সরবরাহ করা হতো লরি দিয়ে। এতে তেল চুরি ও সিস্টেস লসের অজুহাত দেওয়া হতো হরহামেশাই। পথে নানা দুর্ঘটনা ও সময়ক্ষেপনের শঙ্কা থাকতো।
বর্তমানে পাইপলাইনে সরবরাহের ফলে জ্বালানি সরবরাহে নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানান কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পের কাজ শুরুর প্রায় ছয় বছর পর পাম্পিংয়ের মাধ্যমে তেল সরবরাহ শুরু হয়। এ পাইপলাইনে চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারি থেকে ঢাকার নারায়ণগঞ্জের ডিপোতে সরবরাহ হবে ঘণ্টায় ৩০০ মেট্টিক টন তেল। পর্যায়ক্রমে পদ্মা, মেঘনা, যমুনাকে এই পাইপলাইনে তেল সরবরাহ করবে বিপিসি।
ঢাকায় পাইপলাইনে তেল সরবরাহের মাধ্যমে তেল চুরিসহ সিস্টেম লস থেকে মুক্তি মিলবে বলে আশা করেছেন বিপিসির কর্মকর্তারা।
বিপিসি মহাব্যবস্থাপক মনি লাল দাশ (বাণিজ্য ও অপারেশন) খবরের কাগজকে বলেন, পাইপলাইনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় জ্বালানি তেল পাম্পিংয়ের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। আগে তেল চুরি, সিস্টেম লসসহ নানা অজুহাত শুনতাম। এখন সেগুলো থেকে মুক্ত থাকবে এ খাতটি। এতে সরকারের প্রতিবছর সাশ্রয় হবে ২৩৬ কোটি টাকা।
জানা গেছে, সরকারের গৃহীত প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থেকে ফেনী, কুমিল্লা, চাঁদপুর এবং মুন্সীগঞ্জ হয়ে নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন ও ফতুল্লা পর্যন্ত ২৫০ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ পাইপলাইন স্থাপনের কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। দফায় দফায় সময় ও ব্যয় বেড়ে প্রায় ছয় বছরে গত ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শেষ হয় এ প্রকল্পের কাজ। নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এবার ছয় হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয় গত জুন মাসে।
কর্মকর্তারা জানান, নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন ও ফতুল্লা পর্যন্ত ২৫০ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ পাইপলাইন প্রায় ২৭ হাজার মেট্রিক টন তেল জমা থাকে। পাইপলাইন তৈরি হওয়ার পর ওই পরিমাণ তেল পাইপলাইনে প্রবেশ করিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে সরবরাহ শুরু হলো।
২০১৮ সালে ২ হাজার ৮৬১ কোটি ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে ২৫০ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ পাইপলাইন স্থাপনের কাজ শুরু হয়। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জমি অধিগ্রহণসহ নানা জটিলতা এবং করোনাকালে কাজ বন্ধ থাকে। পরে কোভিডের জন্য কাজ বন্ধ রাখতে হয়। ফলে কাজের আশানুরূপ গতি পায়নি প্রকল্পটি। এতে প্রকল্পের ব্যয় অনেক বেড়ে যায়। গত ডিসেম্বরে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়। বর্তমানে ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, বিশ্বের নানা দেশ থেকে আমদানি করা জ্বালানি তেল চট্টগ্রামে খালাস করা হয়। অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির পর পরিশোধন করা হয় একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারিতে। এছাড়া আমদানি করা পরিশোধিত জ্বালানি তেলের একটি অংশ প্রাথমিক অবস্থায় মজুত রাখা হয় চট্টগ্রামের বিভিন্ন ডিপোতে। সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে লরিতে (ভাউসার) সরবরাহ করা হতো জ্বালানি তেল। ফলে জ্বালানি তেল পরিবহনে অপচয় কমানো আর সময় বাঁচাতে ২০১৮ সালে শুরু হয় ঢাকা-চট্টগ্রাম পাইপলাইন প্রকল্পের কাজ।
সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে বছরে প্রায় ৭০ লাখ টন জ্বালানি তেল প্রয়োজন হয়। বর্তমানে এই তেলের ৪০ ভাগই ব্যবহৃত হয় ঢাকা ও আশেপাশের এলাকায়। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সড়ক, নৌ ও রেলপথে এই তেল পরিবহন করা হয়। পরিবহনের সময় লুটপাটের অভিযোগ ওঠে। নৌপথে জ্বালানি তেল পরিবহনের সময় তেল চুরি করে সাগরের পানি মিশিয়ে দেওয়ার অভিযোগ বহু পুরানো। সড়ক ও রেলপথেও ঘাটে ঘাটে তেল চুরির উৎসবের সচিত্র বহু সংবাদ বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। সিস্টেম লসের নামে এসব চুরি ও লুটের ঘটনা সামাল দেওয়া হলেও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন কোটি কোটি টাকার ক্ষতির কবলে পড়ে। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় জ্বালানি তেল সরবরাহের পাইপলাইন দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা খাতে বড় ধরনের সক্ষমতা বেড়েছে বলে দাবি বিপিসির।
শনিবার সকালে পতেঙ্গা গুপ্তখাল এলাকায় পদ্মা অয়েল কোম্পানির ডেসপাস টার্মিনালে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় তেল সরবরাহ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ মেজর জেনারেল মু. হাসান-উজ-জামান।
সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসান।
বক্তব্য দেন বিপিসির পরিচালক ড. একেএম আজাদুর রহমান
অতীতে ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দিতে পারবে: নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, কোনো নেতাকর্মীর অতীত রাজনৈতিক পরিচয় দলের কাছে মুখ্য নয়; বরং এনসিপির আদর্শই প্রধান বিবেচ্য।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের নেতাদের যোগদান উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, অতীতে কেউ ছাত্রদল, ছাত্রশিবির বা ছাত্রলীগ—যেখানেই থাকুক না কেন, এনসিপিতে যোগ দেওয়ার পর তাকে দলের নেতা-কর্মী হিসেবেই কাজ করতে হবে এবং দলের আদর্শ ধারণ করতে হবে।
তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ফ্যাসিবাদ, গণহত্যা, চাঁদাবাজি বা দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি এনসিপিতে স্থান পাবেন
তিনি আরও বলেন, যারা বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে বিশ্বাসী এবং ‘দায় ও দরদের রাজনীতি’ প্রতিষ্ঠা করতে চান, তাদের নিয়েই দল এগিয়ে যেতে চায়। একই সঙ্গে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’-এর চেতনা ধারণ করে আগামীর পথচলার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, নতুন যোগদানকারীরা এতদিন ভিন্ন প্ল্যাটফর্মে থাকলেও মূলত একই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছিলেন। এখন তারা আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয়েছেন। দেশের তরুণসহ সব শ্রেণির মানুষকে এনসিপিতে যোগ দিয়ে দলকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।
এছাড়া তিনি বলেন, দেশে নতুন করে কোনো স্বৈরতন্ত্র যাতে গড়ে না ওঠে, সে জন্য তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। জনগণের দেওয়া সংস্কারের পক্ষে রায় বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশু এবং হামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার হাম বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮০৪ শিশু। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ১৬৫ শিশুর। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই সর্বোচ্চ ১৪৮টি শিশু রয়েছে।
এসময় সারা দেশে ১ হাজার ১৯৭টি শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা যায়। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮০৪টি শিশু। এর মধ্যে ৫৬৩টি শিশুই ঢাকা বিভাগের।
এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ৬৪৫টি শিশু গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিভাগের ৩০০ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা গেছে মোট ২৩ হাজার ৬০৬টি শিশুর মধ্যে। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৫ হাজার ৩২৬টি শিশু।
তাদের মধ্যে ৩ হাজার ৪৪৩ জনের হাম শনাক্ত হয়। আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়া রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ৩৯৬।
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে পানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে পানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রোববার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ কথা জানিয়েছেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী এই সভায় সভাপতিত্ব করেন। এতে পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পানি বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাতসহ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে এ্যানি সাংবাদিকদের বলেন, সামনে বর্ষা আসছে। বন্যা ও প্লাবন হতে পারে। এক্ষেত্রে আমাদের আগাম কি কি কাজ করা দরকার সে সব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনাগুলো তাঁকে অবহিত করেছি।
তিনি বলেন, খাল খনন কর্মসূচি অব্যাহত আছে। আগামী ২৭ এপ্রিল যশোর এবং ২ মে সিলেটে প্রধানমন্ত্রী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।
এর আগে দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে সচিবালয় দফতরে আসেন প্রধানমন্ত্রী। এটি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের প্রথম সভা ছিল।
সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৪ হাজার ৪৫৭ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী
সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন কর্মকর্তা
সিআরবিতে নতুন স্থাপনা নয়, সাফ জানিয়ে দিলেন মেয়র ও আন্দোলনকারীরা
চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্র সিআরবি’র প্রাণপ্রকৃতি ধ্বংস করে কোনো হাসপাতাল বা নতুন স্থাপনা নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন। স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করা হলে তা শক্ত হাতে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে ‘সিআরবি রক্ষা মঞ্চ’।
আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে নগরীর জামালখানে জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় মেয়র এই অবস্থান ব্যক্ত করেন। একই সময়ে সিআরবি এলাকায় হাসপাতাল নির্মাণ উদ্যোগের প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে 'সিআরবি রক্ষা মঞ্চ'।
মেয়র জানান, তিনি এ বিষয়ে রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং মন্ত্রীও সিআরবি রক্ষা করে বিকল্প উপায়ে পুরনো হাসপাতালটি আধুনিকীকরণের বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন।
সিআরবি প্রসঙ্গে নিজের অবস্থানের কথা জানিয়ে মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, “আমি গতকাল মাননীয় রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে কথা বলেছি। ওনাকে স্পষ্ট জানিয়েছি—শতবর্ষী গাছ কেটে সিআরবিতে কোনো হাসপাতাল বা নতুন স্থাপনা করতে দেওয়া হবে না; কারণ চট্টগ্রামবাসী তা কখনোই মেনে নেবে না। মন্ত্রী মহোদয়ও আমার এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।”
মেয়র আরও বলেন, “বর্তমানে সিআরবিতে যে পুরনো রেলওয়ে হাসপাতালটি রয়েছে, সেটি সংস্কার বা নতুনভাবে গড়ে তোলার বিষয়ে মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন। ওই হাসপাতালের জরাজীর্ণ অবকাঠামো ভেঙে কীভাবে একটি আধুনিক ও সুন্দর হাসপাতাল করা যায়, সেটি এখন সময়ের দাবি; কারণ বর্তমান হাসপাতালটিতে তেমন কোনো রোগী আসে না। আমরা সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল করার প্রস্তাব দিয়েছি। তবে সব হবে পুরনো ভবনের জায়গাতেই, নতুন কোনো জায়গায় নয়।”
মেয়র বলেন, ‘এখানে আমরা ডেন্টাল কলেজের কথা বলেছি ইতিমধ্যে। একটা পূর্ণাঙ্গ মেডিক্যাল হসপিটাল এবং কলেজের কথা বলেছি। কাজেই ওই জায়গায় আমরা হয়তো–বা আশা করতে পারি, পুরোনো বিল্ডিংয়ে, কিন্তু নতুন কোনো স্থাপনা সেখানে হবে না।’
হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ প্রতিহতের ঘোষণা রক্ষা মঞ্চের
সিআরবিতে হাসপাতাল বা কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করা হলে তা শক্ত হাতে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে ‘সিআরবি রক্ষা মঞ্চ’।
রোববার সকালে সিআরবি এলাকায় আয়োজিত সমাবেশে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা বলেন, যে কোনো মূল্যে চট্টগ্রামের শ্বাস নেওয়ার এই উন্মুক্ত স্থানটি রক্ষা করা হবে। বক্তারা অভিযোগ করেন, এক বছরের বেশি সময় আন্দোলনের পর যে প্রকল্প বাতিল হয়েছিল, তা পুনরায় চালুর চেষ্টার পেছনে বিশেষ মহলের অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে।
সিআরবি রক্ষা মঞ্চ আয়োজিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, চট্টগ্রামের সিআরবি এ শহরের ফুসফুস। এই সিআরবি প্রাণ-প্রকৃতির আঁধার। শুধু উন্মুক্ত পরিসর নয়, একই সঙ্গে এখানে বিপুল পরিমাণ ঔষধি গাছ রয়েছে। তাই এখানে হাসপাতালের মতো কোনো ধরনের বাণিজ্যিক স্থাপনা করা যাবে না। বুকের রক্ত দিয়ে হলেও তা প্রতিহত করা হবে।
সমাবেশে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ইমরান বিন ইউনুস বলেন, সিআরবি নিয়ে এই অঞ্চলের মানুষের অনেক স্মৃতি রয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, শহরের সুন্দর সুন্দর জায়গাগুলো নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে। এখন তাদের চোখ পড়েছে সিআরবিতে। একটা নির্বাচিত সরকার কীভাবে টাকার ফাঁদে পড়ল? সিআরবি চট্টগ্রামের শ্বাস নেওয়ার জায়গা, ঐতিহ্যের জায়গা। এখানে কোনো হাসপাতাল হবে না, এটাই চূড়ান্ত। এ নিয়ে যুক্তিতর্কও চলবে না।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষ এক বছরের বেশি সময় আন্দোলন করে এখানে হাসপাতাল নির্মাণের প্রকল্প রুখে দিয়েছিলেন। কিন্তু পুরোনো শকুন আবার সিআরবিকে গিলে খেতে চায়। তবে তা আবার প্রতিহত করা হবে।
রেলওয়ে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক এম আর মঞ্জু বলেন, ‘অনেক দিন আগে থেকে এখানে হাসপাতাল করার পাঁয়তারা চলছে। কিন্তু আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় সে হাসপাতাল নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু এখন যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা আমরাও জানতাম না। কারা এ উদ্যোগ নিয়েছে, তা খুঁজে বের করতে হবে। এ নিয়ে রেলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। আমরা রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। মন্ত্রীকে জানিয়ে দিয়েছি, এখানে হাসপাতালের নামে কোনো কিছু করা যাবে না।’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম নগর কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী আরিফ মঈনুদ্দিন বলেন, ‘চট্টগ্রাম নগরের ফুসফুস সিআরবিকে কেউ দখলের চেষ্টা করলে সে হাত ভেঙে দেওয়া হবে। আশা করি, দখলদারদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে, তারা সিআরবিতে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ থেকে সরে আসবে।’
সিআরবি রক্ষা মঞ্চের আহ্বায়ক চিকিৎসক মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন নারী নেত্রী আসমা আক্তার, দীপা মজুমদার, পরিবেশকর্মী মনিরা পারভীন, রাজনীতিবিদ চিরঞ্জন চিরু, জাহেদুল আলম, ছাত্রনেতা শওকত ওসমান, প্রকাশক সাহাব উদ্দিন হাসান প্রমুখ।
বিশ্ববাজারে দ্বিগুণ হলেও দেশে তেলের দাম বাড়ল সামান্য: জ্বালানিমন্ত্রী
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য দ্বিগুণ হওয়া সত্ত্বেও সরকার জনগণের কথা বিবেচনা করে দেশে দাম অত্যন্ত সীমিত পরিসরে বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানিতে সরকারের ওপর বিশাল অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হলেও ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণ হওয়ার পরেও সরকার জনগণের কষ্টের কথা বিবেচনা করে দেশে তেলের দাম খুব সামান্য বাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানিতে এরইমধ্যে সরকারের দুই বিলিয়ন ডলার বাড়তি খরচ হয়েছে।
ইকবাল হাসান বলেন, ‘যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের যা দাম ছিল, বর্তমান বাজারে তা প্রায় দ্বিগুণ। এই বিপুল দাম বৃদ্ধির ফলে সরকারের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে। তবুও আমরা জনগণের স্বস্তির কথা চিন্তা করে সেই অনুপাতে দাম বাড়াইনি।’
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, সরকার ভর্তুকি দিয়ে হলেও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। জনগণের ভোগান্তি কমাতে এবং অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই সরকার এই বাড়তি ব্যয়ের বোঝা নিজে বহন করছে এবং অত্যন্ত সীমিত পরিসরে দাম সমন্বয় করেছে।
ঢাকায় শেষ হলো ‘আন্তর্জাতিক ফাইট নাইটের আসর’
রাজধানীতে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ‘আন্তর্জাতিক ফাইট নাইট’। তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (টিবিজি) পৃষ্ঠপোষকতায় শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির জুলকান ইনডোর অ্যারেনায় দেশি-বিদেশি ২৪ জন ফাইটারের লড়াইয়ে মুখরিত ছিল গ্যালারি। মুইয়েথাই, মিক্সড মার্শাল আর্ট ও বক্সিংয়ের ১২টি বাউটে বাংলাদেশসহ থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও সিঙ্গাপুরের প্রতিযোগীরা অংশ নেন, যেখানে লড়াকু পারফরম্যান্স দেখিয়ে দর্শকদের মাতান লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
দেশ-বিদেশের ফাইটিং স্টারদের ফাইট দেখতে দর্শকদের গুঞ্জরণে মুখরিত হয়ে ছিল জুলকান ইনডোর অ্যারেনা। এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (টিবিজি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান।
বিশেষ এই প্রতিযোগিতাটি দর্শক গ্যালারিতে থেকে উপভোগ করেন সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান ও ভাইস চেয়ারম্যান ইয়াশা সোবহান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এমিল আহমেদ সোবহান।
তিন ডিসিপ্লিনের এই ফাইটে মুখোমুখি লড়েছেন বাংলাদেশ , থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও সিঙ্গাপুরের প্রতিযোগীরা। ফাইট কার্ডে ছিল বেশ কয়েকটি আকর্ষণীয় ম্যাচআপ। ১২ বাউটের এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন দেশ-বিদেশের ২৪ জন প্রতিযোগী।
এর মধ্যে বাউট ১ এ অংশ নেয় বাংলাদেশের ইয়াহসান হাসিন এবং আজিজুল সরকার। প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ বেল্ট ছিনিয়ে নেন বাংলাদেশের ইয়াহসান হাসিন।
বাউট ২ এ বাংলাদেশের আজিদ বেবি লড়েছেন সিঙ্গাপুরের নিক চুয়া এর বিপক্ষে। প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ বেল্ট ছিনিয়ে নেন নিক চুয়া ।
বাউট ৩ এ বাংলাদেশের আব্দুল হামিদ নূরের বিপরীতে লড়েছেন সিঙ্গাপুরের শন রাফায়েল স্যানি। প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ বেল্ট ছিনিয়ে নেন শন রাফায়েল স্যানি।
বাউট ৪ এ বাংলাদেশের ইমন তঞ্চঙ্গ্যা লড়েছেন ফিলিপাইনের রকি ব্যাকটলের বিপক্ষে। প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ বেল্ট ছিনিয়ে নেন ইমন তঞ্চঙ্গ্যা।
বাউট ৫ এ বাংলাদেশের হোসাইন আহমেদ লড়েছেন থাইল্যান্ডের উইরাওয়াত সাপনলার বিপক্ষে। প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ বেল্ট ছিনিয়ে নেন হোসাইন আহমেদ।
বাউট ৬ এ ফিলিপাইনের মার্ক জোসেফ অ্যাব্রিলো লড়েছেন থাইল্যান্ডের নাট্টাওয়াত কাওখানচুমের বিপক্ষে। প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ বেল্ট ছিনিয়ে নেন
নাট্টাওয়াত কাওখানচুমের।
বাউট ৭ এ বাংলাদেশের ইসার কবির লড়েছেন স্বদেশী রোনাল্ড হালদারের বিপক্ষে। প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ বেল্ট ছিনিয়ে নেন ইসার কবির।
বাউট ৮ এ বাংলাদেশের গাজ্জালী বেনজাদিদ জিদান লড়েছেন স্বদেশী কাজী জারিফ এর বিপক্ষে। প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ বেল্ট ছিনিয়ে নেন গাজ্জালী বেনজাদিদ জিদান।
বাউট ৯ এ বাংলাদেশের মাসাদুল রেজা অমিও লড়েছেন বাংলাদেশের কালেব চাক এর বিপক্ষে। প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ বেল্ট ছিনিয়ে নেন মাসাদুল রেজা অমিও।
বাউট ১০ এ বাংলাদেশের মনজুর আলমের প্রতিপক্ষ ছিল ফিলিপাইনের জন ইজেকিয়েল পাগালাঙ্গান। প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ বেল্ট ছিনিয়ে নেন মনজুর আলম।
বাউট ১১ এ নারীদের বক্সিংয়ে বাংলাদেশের সানজিদা জান্নাত লড়েছেন থাইল্যান্ডের পর্নপিমন পংপেও এর বিপক্ষে। প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ বেল্ট ছিনিয়ে নেন সানজিদা জান্নাত।
বাউট ১২ এ বাংলাদেশের মোহাম্মদ রাশেদ লড়েছেন থাইল্যান্ডের সিংথং সর সিঙইউ এর বিপক্ষে। প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ বেল্ট ছিনিয়ে নেন মোহাম্মদ রাশেদ।
এই মেগা ইভেন্টটির আয়োজনে ছিল তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপ (টিবিজি)। তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করতে তারা এই প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছেন ।
ক্রীড়াবিদ ও আয়োজকরা মনে করছেন, এই ধরনের ইভেন্ট দেশের কমব্যাট স্পোর্টসকে জনপ্রিয় করার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই ধরনের আয়োজন দেশের তরুণ ফাইটারদের জন্য আন্তর্জাতিক মঞ্চ তৈরি এবং বিশ্বমানের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে বাতিঘর হয়ে উঠবে।
তেলের দাম বৃদ্ধি ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’: জামায়াত আমির
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম নিম্নমুখী হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সিদ্ধান্তকে ‘দুঃখজনক’ ও সাধারণ মানুষের জন্য ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ বলে অভিহিত করেন।
ডা. শফিকুর রহমান তার পোস্টে লিখেন, বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষ এমনিতেই জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে। জনজীবনে যখন নাভিশ্বাস ওঠার দশা, ঠিক সেই মুহূর্তে দর সমন্বয়ের অজুহাতে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি মানুষের সংকটকে আরও চরম পর্যায়ে নিয়ে যাবে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যেখানে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমছে, সেখানে দেশের বাজারে এই মূল্য বৃদ্ধি কোনোভাবেই যৌক্তিক হতে পারে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে পরিবহন ভাড়া থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের দাম আরও বাড়বে, যা সাধারণ মানুষের কষ্টকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
সোমবার বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী