করোনায় আক্রান্ত বিপিএমসিএ সভাপতি এমএ মুবিন

এসএম/এসএস | প্রকাশিত: ৬:০৫ পূর্বাহ্ন, ১০ জুন ২০২১
পরবর্তী খবর

আপাতত লন্ডন নেওয়া হচ্ছে না খালেদা জিয়াকে

| প্রকাশিত: ৪:৫৩ অপরাহ্ন, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে কাতারের ব্যবস্থা করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি আসছে না। ফলে আপাতত লন্ডন যাচ্ছেন না খালেদা জিয়া। এ ছাড়া তার সিটিস্ক্যানসহ কয়েকটি পরীক্ষার রিপোর্ট ভালো আসায় তাকে দেশে রেখেই সুস্থ করা এবং বিদেশে না নেওয়ার চিন্তা তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার অনুমতি নিয়েছিল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি। কিন্তু তারা আজ সেই অনুমতি প্রত্যাহারের আবেদন করেছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, জার্মানভিত্তিক এফএআই এভিয়েশন গ্রুপ স্থানীয় সমন্বয়কারী সংস্থার মাধ্যমে পূর্বের স্লট অনুমোদন প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে।

তিনি বলেন, ‘বাতিলের অনুরোধটি আমরা প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাব।’

এর আগে, রবিবার (৭ ডিসেম্বর) রাতে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক খবরের কাগজকে বলেন, ‘আগের চেয়ে ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) সুস্থ আছেন। আমরা চেষ্টা করছি দেশেই সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিতে। আমাদের বিশ্বাস তিনি দেশের চিকিৎসাতেই সেরে উঠবেন। এর আগে উনার অবস্থা আরও বেশি ক্রিটিক্যাল ছিল। তখনো সেরে উঠেছিলেন। দোয়া রাখেন, লন্ডন নেওয়ার প্রয়োজন না-ও হতে পারে। আজ (রবিবার) সিটিস্ক্যান, ইসিজিসহ কয়েকটি টেস্ট করা হয়েছে। সেগুলোর রেজাল্টও ভালো এসেছে।’


খালেদা জিয়াকে আর কতদিন সিসিইউতে রাখা হবে- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটি নির্ভর করছে ম্যাডামের শারীরিক অবস্থার ওপর। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। উনার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান শয্যাপাশে থেকে চিকিৎসার বিষয়গুলো সমন্বয় করছেন। তিনি বেশ কয়েকদিন দেশেই থাকবেন।’

খালেদা জিয়া কথা বলতে পারছেন কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে এই চিকিৎসক বলেন, ‘কিছুটা বলার চেষ্টা করছেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। উনার ছোট ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী, দুই পুত্রবধূ সর্বক্ষণ পাশে আছেন। তাদের সঙ্গে মাঝেমধ্যে কথা বলার চেষ্টা করছেন।’

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়ার জন‍্য শুক্রবার সব মসজিদে দোয়ার আহ্বান সরকারের

| প্রকাশিত: ৪:২১ অপরাহ্ন, ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, সাবেক রাষ্ট্রপতির স্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনা করে আগামী শুক্রবার বাদ জুমা দেশের সকল মসজিদে দোয়ার আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

পাশাপাশি মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়ে সংশ্লিষ্ট ধর্মের রীতি ও আচার অনুযায়ী প্রার্থনারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য দোয়া ও প্রার্থনার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৩ নভেম্বর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন আছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) থেকে তাকে হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ)-তে স্থানান্তর করা হয়েছে। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে তাকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে।

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়া হবে মধ্যরাতে

| প্রকাশিত: ৩:০৭ অপরাহ্ন, ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫

উন্নত চিকিৎসার জন্য আগামীকাল শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা করতে পারেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এ উদ্দেশ্যে কাতার সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুরোধে রয়্যাল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠানোর সম্মতি দিয়েছে দেশটি। বৃহস্পতিবার বিএনপি সূত্রে এ খবর জানা গেছে।

এর আগে সকালে কাতার জানায়, তারা খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠাতে প্রস্তুত। গত ২৯ নভেম্বর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাদের কাছে অ্যাম্বুলেন্স পাঠানোর অনুরোধ করেন। তখনই কাতার ইতিবাচক সাড়া দিলেও আজ তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে।

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা মূল্যায়নে যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রিচার্ড বিল ঢাকায় এসে এভারকেয়ার হাসপাতালে অবস্থান করছেন। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের সর্বশেষ পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট পর্যালোচনা করেছেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, রিচার্ড বিলের নেতৃত্বে যুক্তরাজ্য থেকে চার সদস্যের মেডিকেল দল বুধবার ঢাকায় পৌঁছায়। তারা এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রমে যুক্ত হয়ে স্থানীয় চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

বুধবার সন্ধ্যায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে খালেদা জিয়ার খোঁজখবর নেন। তিনি প্রায় আধা ঘণ্টা হাসপাতালে অবস্থান করেন এবং পরিবারের সদস্য ও দলের নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।

৮০ বছর বয়সী বেগম খালেদা জিয়া হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনিজনিত দীর্ঘমেয়াদি জটিলতায় ভুগছেন। শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে ২৩ নভেম্বর রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দেশি–বিদেশি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে এভারকেয়ারে প্রধান উপদেষ্টা

| প্রকাশিত: ৯:১৩ অপরাহ্ন, ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫



ঢাকা, ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫: আজ সন্ধ্যা সাতটার পর তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, সাবেক রাষ্ট্রপতির স্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যান প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।


হাসপাতালে পৌঁছালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ. জে. এম. জাহিদ হোসেন, অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলের স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান এবং ছোট ভাই শামীম এসকান্দার প্রধান উপদেষ্টাকে রিসিভ করেন।


প্রধান উপদেষ্টা প্রায় আধা ঘণ্টা হাসপাতালে অবস্থান করেন। এ সময় তিনি বেগম জিয়ার পরিবার ও দলের নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান।


বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তাঁর চিকিৎসক দল প্রধান উপদেষ্টাকে ব্রিফ করেন। তারা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট সিনাই ও জনস হপকিন্স এবং যুক্তরাজ্যে ও চীনসহ বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধান ও সহায়তায় বেগম জিয়ার চিকিৎসা চলছে।


এ সময় সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা।


একই সঙ্গে তিনি দেশবাসীর কাছে বেগম খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় দোয়া ও প্রার্থনার আহ্বান জানান।


হাসপাতাল পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তী খবর

বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর দোয়া চাইলো জামায়াত

| প্রকাশিত: ৪:৩৯ অপরাহ্ন, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫



বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দ্রুত সুস্থতা ও আরোগ্য কামনা করে মহান আল্লাহর নিকট দেশবাসীকে দোয়া করার আবেদন জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর জনাব এটিএম আজহারুল ইসলাম আজ ০১ ডিসেম্বর এক বিবৃতি প্রদান করেছেন।


বিবৃতিতে তিনি বলেন, “অপরিসীম ত্যাগ, সাহস ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং রাষ্ট্রগঠনে সারাজীবন ভূমিকা রেখেছেন। দীর্ঘ ১৫ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর অনমনীয় অবস্থান ও আন্দোলন জাতির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।


তিনি আরও বলেন, মিথ্যা ও সাজানো মামলায় কারাবন্দি রেখে তাঁকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে-যা তাঁকে মৃত্যুঝুঁকির দিকে ঠেলে দিয়েছে। পর্যাপ্ত ও যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ায় তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমাবনতি হয়েছে।


নায়েবে আমীর বলেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি পাওয়ায় আমি এবং দেশের সকল মজলুম মানুষ মহান আল্লাহর দরবারে শোকরিয়া আদায় করেছি। ফ্যাসিবাদের পতনের পর গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের এই সন্ধিক্ষণে দেশবাসী প্রত্যাশা করে-তিনি জাতির পথপ্রদর্শকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন। এ সংকটময় মুহূর্তে আমরা সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে তাঁর দ্রুত রোগমুক্তি ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করি। আল্লাহ তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে হেফাজত করুন।


বিবৃতিতে জনাব এটিএম আজহারুল ইসলাম, বেগম খালেদা জিয়ার পরিবার-পরিজন ও দলের নেতাকর্মীদের প্রতি ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দেশবাসীর নিকট তাঁর দ্রুত আরোগ্যের জন্য মহান রবের দরবারে দোয়া করার অনুরোধ জানান।”

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা তথ্য দেবেন শুধুই ডা. জাহিদ

| প্রকাশিত: ৪:০৬ অপরাহ্ন, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য গণমাধ্যমে উপস্থাপন করবেন শুধুমাত্র দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রফেসর ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

আজ সোমবার বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে অযাচিত, যাচাইবিহীন ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করা থেকে সবারই বিরত থাকা উচিত। সঠিক ও নির্ভুল তথ্য নিশ্চিত করতে চিকিৎসা সংক্রান্ত সব আপডেট শুধুমাত্র ডা. জাহিদই গণমাধ্যমকে জানাবেন বলে এতে উল্লেখ করা হয়।

এ ছাড়া বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

পরবর্তী খবর

প্রস্তাবিত নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন” দাবীতে পরিবার কল্যাণ পরিদর্শকদের সংবাদ সম্মেলন

| প্রকাশিত: ৪:০২ অপরাহ্ন, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫


রিপোর্ট : তাজউদ্দীন আহমদ 

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য ও কর্মসূচী ঘোষনা 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের (MOLEW) স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের (MEFWD) অধীনে পরিবার পরিকল্পনা অধিদान (DGFP). রাজস্বখাতভুক্ত পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (FWV) পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক (FPI) ও পরিবার কল্যাণ সহকারী (FWA) পদধারীদের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবি নিয়োগ বিধি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন )

আমরা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মূল চালিকাশক্তি (রাজস্বখাতভুক্ত) পরিবার কলা পরিদর্শিকা (৫.৭১০ জন), পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক ১৮.৫০০ জন) ও পরিবার কল্যাণ সহকারী (২৩.৫০০ জন) পদধারীগণ জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে পরিবার পরিকল্পনা সেবা, শতভাগ দম্পতি নিবন্ধন ও নিয়মিত বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান, মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা, 247 ( সার্বক্ষণিক/সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘন্টা) সেবা প্রদান (গর্ভকালীন, নিরাপদ প্রসব, নবজাতক ও প্রসবোত্তর সেবা), কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা, পুষ্টি সেবা, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)-তে দায়িত্ব পালন, কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা দানসহ স্বাস্থ্য বিষয়ক অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সেবা প্রদান করে থাকি আমাদের কার্যক্রমে দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, মা ও শিশু মৃত্যু হ্রাস পেয়েছে যা দেশে ও বহিঃবিশ্বে প্রশংসা অর্জন করেছে। অতীব দৃঃখের বিষয় যে, আমাদের চাকুরী রাজস্বখাতভুক্ত কিন্তু নিয়োগবিধি নেই এবং পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকাদের বিদ্যমান নিয়োগবিধি সংশোধন হয়নি। বিধায় আমাদের বেতন গ্রেড উন্নীতকরণ, পদোন্নতিসহ চাকুরীগত অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। উল্লেখ্য যে, নিয়োগ বিধি প্রণয়ন/সংশোধনের ফাইল এ দীর্ঘসূত্রতায় অধিদপ্তর থেকে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় ও লয় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ হলেও কোয়েরীর নামে বছরের পর বছর মুবাক খাচ্ছে। এভাবে কোয়ের নামের জটিলতায় দীর্ঘ ২৬ বছর প্রস্তাবিত নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন হয়নি।

আমাদের দাবিঃ

দাবি নয় নিয়োগ বিধি আমাদের চাকুরীগত মৌলিক অধিকার। আমাদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে গত ২১/১১/২০২৫ খ্রি: তারিখে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার, ঢাকায় ০১ দিন শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করি এবং অন্তর্বর্তীকালীন  সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। ইতিঃপূর্বেও কর্তৃপক্ষের নিকট চাকুরীর শুরু থেকে দীর্ঘ প্রায় ২৬ বছর যাবৎ লিখিত আবেদন, মানববন্ধন, সাংবাদিক সম্মেলন, শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করলেও নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন হয়নি। অপরদিকে 30/11/200 তারিখের মধ্যে নিয়োগ বিধি বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতির আল্টিমেটাম দেওয়া হয় কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য তার কোন কার্যকরী অগ্রগতি হয়নি। সংগত কারণে নিয়োগ বিধি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে আজ ০১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সাংবাদিক সম্মেলন করতে বাধ্য হয়েছি ।

প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা!

নিয়োগ বিধি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য নিম্নোক্ত কর্মসূচি ঘোষণা করা হলো।

কর্মসূচিঃ

 মাসিক রিপোর্ট (MIS & eMis/অফলাইন ও অনলাইন) প্রদান বন্ধ ।

 ০১/১২/২০১৫ থেকে ১১/১২/২০২৫ তারিখ পর্যন্ত পূর্ণ কর্ম বিরতি এবং স্ব-স্ব উপজেলা অফিসে অবস্থান।

আসন্ন (০৬-১১ ডিসেম্বর ২০১৫) পরিবার পরিকল্পনা সেবা ও প্রচার সপ্তাহ বর্জন।

আমাদের ন্যাযা ও যৌক্তিক দাবি নিয়োগ বিধি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আর ও ধারাবাহিক কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

 আমাদের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবি ( নিয়োগ বিধি। 


পরবর্তী খবর

মায়ের স্পর্শ চাই, ফেরার সিদ্ধান্ত ‘একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়’: তারেক

| প্রকাশিত: ৫:১৪ অপরাহ্ন, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন জানিয়ে দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন তার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। খালেদা জিয়ার প্রতি আন্তরিকতা প্রদর্শনের জন্য সবাইকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।

মায়ের এমন সংকটাপন্ন অবস্থায় তার স্পর্শ পাওয়ার প্রবল আকাঙ্ক্ষা থাকলেও ‘রাজনৈতিক বাস্তবতা’র কারণে তিনি এককভাবে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না বলেও জানিয়েছেন তারেক রহমান। আশাবাদ জানিয়েছেন, সে বাস্তবতা শিগগিরই ‘প্রত্যাশিত পর্যায়ে’ পৌঁছাবে এবং তিনি দেশে ফিরবেন।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন তিনি।

এর আগে শুক্রবার দুপুর থেকেই জানা যায়, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানিয়ে খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর দোয়া প্রার্থনা করে বার্তা দেন। পরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসও এক বার্তায় খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।

তারেক রহমান লিখেছেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তার রোগমুক্তির জন্য দলমত নির্বিশেষে দেশের সব স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যহত রেখেছেন। প্রধান উপদেষ্টা তার রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসার সব সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা প্রসঙ্গে তার ছেলে লিখেছেন, দেশ-বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মতো তাদের উচ্চ মানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা প্রদান অব্যহত রেখেছেন। বন্ধুপ্রতিম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করা হয়েছে।

সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তারেক রহমান লিখেছেন, সর্বজনশ্রদ্ধেয় খালেদা জিয়ার প্রতি আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সঙ্গে তার আশু রোগমুক্তির জন্য সবার প্রতি দোয়া অব্যহত রাখার জন্য ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।

নিজের দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত এককভাবে নিতে পারছেন না জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্খা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।

এ প্রসঙ্গে তারেক আরও লিখেছেন, স্পর্শকাতর এ বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।

পরবর্তী খবর

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

| প্রকাশিত: ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, ২৯ নভেম্বর ২০২৫


ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২৫: সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।


তিনি নিয়মিতভাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় সব চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।


প্রধান উপদেষ্টা তিনবারের এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।


তিনি বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় যেন কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে। প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিতে সরকার প্রস্তুত।”


প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, “গণতান্ত্রিক উত্তরণের এই সময়ে বেগম খালেদা জিয়া জাতির জন্য ভীষণ রকম অনুপ্রেরণা। তাঁর সুস্বাস্থ্য দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”


তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা ও সমন্বয়ে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকার নির্দেশ প্রদান করেন।

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়ার অবস্থা ‘অত্যন্ত সংকটময়’, জানালেন মির্জা ফখরুল

| প্রকাশিত: ৫:১৩ অপরাহ্ন, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটময়।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বাদ জুম্মা নয়াপল্টনে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘গতকাল রাতেই ডাক্তাররা নিশ্চিত করেছেন যে, তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটময়।'

মর্জা ফখরুল বলেন, ‘গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়া বড় অবদান রেখেছেন। তিনি সারাজীবন গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন এবং এ কারণে কারাভোগ করেছেন, নির্যাতিত হয়েছেন।’

মহাসচিব আরও বলেন, ‘আমাদের দলের পক্ষ থেকে গণতন্ত্রের নেত্রী, গণতন্ত্রের মাতা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তির জন্য সারাদেশের জনগণের কাছে দোয়া চেয়েছিলাম এবং সারা দেশের মসজিদে মসজিদ দোয়া হচ্ছে। খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া চেয়েছি। আল্লাহ যেন তাকে সম্পূর্ণ সুস্থ করে দেন।’

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় বাদ জুমা রাজধানীর বায়তুল মোকাররমসহ সারা দেশের মসজিদে মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শুক্রবার দেশব্যাপী এই কর্মসূচির আয়োজন করে বিএনপি। বিএনপি মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঢাকাসহ দেশের সব মসজিদে জুমার নামাজ শেষে গণতন্ত্রের মা হিসেবে পরিচিত বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

এদিন বাদ জুমা নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

এ ছাড়া দেশের অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের নিজ নিজ উপাসনালয়ে মন্দির, চার্চ, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় স্থানে খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। তিনি মূলত, ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রে সংক্রমণের কারণে সোমবার রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। ৭৯ বছর বয়সী বিএনপি চেয়ারপারসন নানা রোগে আক্রান্ত।