পদোন্নতি পেয়ে এসপি হলেন ৬৩ জন

ওরাকল আইটি | প্রকাশিত: ৬:০৫ পূর্বাহ্ন, ১০ জুন ২০২১

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থেকে পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সুপার হয়েছেন ৬৩ কর্মকর্তা।

রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে তাদের পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন হয়।

পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তারা হলেন- ঢাকা রেঞ্জে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নুরুল আলম, ঢাকা মহানগর পুলিশে কর্মরত মোমতাজুল এহসান আহম্মদ হুমায়ুন, পুলিশ সদরদপ্তরে কর্মরত মোহাম্মদ হানিফ, মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, লক্ষ্মীপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রিয়াজুল কবির, ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজাহান মিয়া, বাংলাদেশ শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  মো. ফারুক হোসেন, বরিশাল মহানগর পুলিশে কর্মরত কাজী ছোয়াইব, রংপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার উত্তম প্রসাদ পাঠক, গাজীপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম, পুলিশ সদরদপ্তরে মো. সাইফুল ইসলাম সানতু, আবুল হাসনাত খান, হবিগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, পুলিশ সদরদপ্তরের এম নাজেম আহমেদ, মৌলভীবাজার জেলার পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আরিফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আ ফ ম নিজাম উদ্দিন, যশোর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  মোহাম্মদ সালাউদ্দিন শিকদার, খুলনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  জিএম আবুল কালাম আজাদ, পুলিশের বিশেষ শাখায় কর্মরত মোহাম্মদ মোতাজ্জের হোসেন, র‌্যাবে কর্মরত এসএম ফজলুল হক, মাদারীপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল হান্নান, ডিএমপিতে কর্মরত মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া, খুলনা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার কানাই লাল সরকার, এপিবিএন কর্মরত মো. আসলাম শাহাজাদা, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার এএএম হুমায়ূন কবীর, কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিম-উল-আহসান, ডিএমপির মো. জসীম উদ্দিন, নীলফামারী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান ও পুলিশ সদরদপ্তরের  মো. মাহবুব উজ জামান।

এছাড়াও পুলিশ সুপার হয়েছেন খুলনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক, পুলিশ সদরদপ্তরে কর্মরত কাজী এহসানুল কবীর, নরসিংদী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ, নওগাঁ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল আক্তার, রাজশাহী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  মাহমুদুল হাসান, ঠাকুরগাঁও জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ কামাল হোসেন, সিআইডির অতিরিক্ত ‍পুলিশ সুপার বেগম শিরীন  সুলতানা, ডিএমপির এসএম নাজমুল হক, যশোর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, ঝালকাঠী জেলার অতিরিক্ত ‍পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ, রাজশাহী জেলার অতিরিক্ত ‍পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মতিউর রহমান সিদ্দিকী, ডিএমপির আর এম ফয়জুর রহমান, সিলেট জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহাবুবুল আলম, পুলিশ সদরদপ্তরের মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার, ডিএমপির আবুল কাশেম মো. বাকী বিল্লাহ, পুলিশ সদরদপ্তরের এমএন মোর্শেদ, সিলেট জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম, ডিএমপির আবু তোরাব মো. শামছুর রহমান, পুলিশ সদরদপ্তরের  মোহাম্মদ সাফিউল সারোয়ার, কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত ‍পুলিশ সুপার  শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  মো. আলমগীর হোসেন, পুলিশ সদরদপ্তরের  মো. মাসুদ আলম, আল আসাদ  মো. মাহফুজুল ইসলাম, টাঙ্গাইল জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  মো. শফিকুল ইসলাম, ডিএমপির সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, বেগম মাহফুজা লিজা, পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোছা. শামিমা আক্তার, কিশোরগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাহিয়াত আহমেদ চৌধুরী, পুলিশ সদরদপ্তরের বেগম মাসুরা বেগম, সিআইডির বেগম মুক্ত ধর, ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  বেগম জয়িতা শিল্পী, পিবিআই এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  মোসা. নাজলী সেলিনা ফেরদৌসী ও এসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  বেগম মাকসুদা আকতার খানম।

পরবর্তী খবর

৬ মাসের মধ্যে সাড়ে ১০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াইফাই: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

| প্রকাশিত: ৩:৫৭ অপরাহ্ন, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

আগামী ৬ মাসের মধ্যে দেশের সাড়ে ১০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি চাহিদা পূরণে পর্যায়ক্রমে সকল উপজেলায় স্কুল ফিডিং/মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী নতুন প্রজন্মকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার উপযোগী করতে প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সমমানের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হবে। ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে ১৫০০টি প্রতিষ্ঠানে (মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়) ফ্রি ওয়াই-ফাই সংযোগ এবং প্রতিটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের জন্য অনন্য ডিজিটাল পরিচয় বা ‘এডু-আইডি’ প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”

নির্বাচনি ইশতেহারে মাধ্যমিক পর্যায়ে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে বলেও জানান তারেক রহমান।

তিনি বলেন, “পর্যায়ক্রমে দেশের সকল উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এবং সকল জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ আধুনিকায়নের পাশাপাশি আগামী ১৮০ দিনের (৬ মাস) মধ্যে দেশের ২৩৩৬টি কারিগরি ও ৮২৩২টি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ফ্রি ওয়াইফাই’ চালু করা হবে।”

মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে আধুনিক স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ প্রদান এবং কারিগরি কোর্স অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

আইসিটিভিত্তিক প্রশিক্ষণ উদ্যোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আইসিটি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল আগামী ৬ মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, মোবাইল অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট ও ডিজাইন (ফ্লাটার ব্যবহার করে), পাইথন প্রোগ্রামিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও জানিয়েছেন, চলতি অর্থবছরেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২ লক্ষ শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ করা হবে। তিনি বলেছেন, “বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার শিক্ষাকে জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করে এবং একটি গুণগত, জীবনমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।”


নির্বাচনি ইশতেহারে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা ব্যক্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “সে আলোকে শিক্ষাখাতে ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “ইশতেহারে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। সে লক্ষ্যে চলতি অর্থবছরেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২ লক্ষ শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ করা হবে। সকল উপজেলায় পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।”



পরবর্তী খবর

ফ্যাক্ট চেকিং ছাড়া সংবাদ প্রকাশ করা যাবে না: তথ্যমন্ত্রী

| প্রকাশিত: ১১:১৭ অপরাহ্ন, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যাক্ট চেকিং ছাড়া অনুমাননির্ভর কোনো সংবাদ প্রকাশ করা যাবে না।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ইউটিউবসহ অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নানা ধরনের সংবাদ ও তথ্য পরিবেশন করা হচ্ছে, যা অনেক সময় বিভ্রান্তি তৈরি করে। সঠিক তথ্য তুলে ধরতে সংবাদ প্রকাশের আগে ফ্যাক্ট চেকিং করা জরুরি এবং অনুমাননির্ভর সংবাদ প্রকাশ কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য নয়।

সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ করার জন্য প্রতিটি জেলায় একটি প্রেসক্লাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তথ্যমন্ত্রী।

এর আগে সন্ধ্যায় তথ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুল স্বাধীনতা চত্বরে আট দিনব্যাপী ‘পাবনা বইমেলা’ উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সব অংশীদারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করা হয়েছে। এ ছাড়াও ফ্যাসিবাদের আমলে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর নির্যাতনের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।’

পরবর্তী খবর

আমিরাতে গুজব ছড়ানোর দায়ে বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৩৫

| প্রকাশিত: ২:১২ অপরাহ্ন, ১৬ মার্চ ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও ভুয়া ভিডিও প্রচারের অভিযোগে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ৩৫ জন নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

রোববার (১৫ মার্চ) দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল হামাদ সাইফ আল শামসির নির্দেশে আবুধাবিসহ বিভিন্ন শহর থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতদের মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান ও নেপালের নাগরিক রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা।

দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধসংক্রান্ত ভুয়া ভিডিও ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কড়া নজরদারি চালানোর সময় এসব কনটেন্ট শনাক্ত করা হয়। তদন্তে দেখা গেছে, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে তারা এ ধরনের তথ্য প্রচার করছিলেন।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে বাংলাদেশিদের পাশাপাশি ভারত, পাকিস্তান ও নেপালের নাগরিকও রয়েছেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তদন্ত ও ইলেকট্রনিক নজরদারিতে দেখা গেছে অভিযুক্তরা তিনটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন ধরনের অপরাধে জড়িত ছিলেন।

প্রথম গ্রুপের সদস্যরা আমিরাতের আকাশসীমা দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র যাওয়া বা তা প্রতিহত করার বাস্তব ভিডিও শেয়ার করেন। এসব ভিডিওর সঙ্গে এমন মন্তব্য যুক্ত করা হয় যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ও উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।

পরবর্তী খবর

ঢাকা প্রেসক্লাবের ইফতার, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

| প্রকাশিত: ১১:১১ পূর্বাহ্ন, ১৬ মার্চ ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে রাজধানীর মিরপুরে ফ্ল্যাশ টিভির অডিটোরিয়ামে ঢাকা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল। স্বাগত বক্তব্যে তিনি বলেন, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা রক্ষায় সকল সাংবাদিককে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চলচ্চিত্র পরিচালক ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা কাজী হায়াৎ। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে একটি নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখবে।

প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সম্পাদক খান সেলিম রহমান। তিনি বলেন, সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার মাধ্যমে গণমাধ্যমকে আরও শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ঐক্য মহাজোটের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব ও ফেলাস টিভির চেয়ারম্যান হাজী জহিরুল আমিন। তিনি বলেন, গণমাধ্যমকে সত্যিকার অর্থে জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক একুশে বাণী পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদক মো. আশরাফ সরকার, দৈনিক খবরের বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদক মো. জাকির হোসেন মোল্লা, মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুন্নবী ফরাজী মুক্তার, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মাহবুব উদ্দিন, সহ-সভাপতি ড. মাইনুল ইসলাম পলাশ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ভুইয়া কামরুল হাসান সোহাগ।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন আলোকিত প্রতিদিন পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন, ঢাকা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এ. মান্নান, দক্ষিণাঞ্চল সাংবাদিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া, দুর্নীতি প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান তাইজুল ইসলাম হিরু, মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি মো. আলতাব হোসেন, জিয়া সাইবার ফোর্সের মো. দেলোয়ার হোসেন মীর, জেলার আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সংবাদ সংস্থা বাসর-এর চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আল মামুন, ড. এ. জেড. মাইনুল ইসলাম, এশিয়ান টেলিভিশনের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার সোহেল রানা, ঢাকা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ চিশতী, আনিসুজ্জামান খোকন, ঢাকা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক কে এম মোহাম্মদ হোসেন রিজভী, চেইন পে-এর চেয়ারম্যান খায়রুল বাসার লাবু, মারুফ হাসান, শাখাওয়াত হোসেন, সহায়তার হাত ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাগর মাহমুদ নিরব এবং জাসাসের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার হেপী।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ভূমিহীন ও গৃহহীন হাউজিং লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আজহার আলী, মো. মোশাররফ হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম রাজু, মো. হেকমত আলী, মো. সুমন, মো. রাকিব ফকির, মোফাজ্জল হোসেন রাজু, মো. সাইদুল ইসলাম, সাংবাদিক আতাউর রহমানসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতা করেন ইসলামী ঐক্য মহাজোটের সদস্য সচিব হাজী আমিন এবং ফ্ল্যাশ টিভি চ্যানেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও TTUET Capital-এর অর্থ পরিচালক আনিস উদ্দিন সেন্টু। সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। এ সময় সংগঠনের সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং প্রচার সম্পাদক আনিস মাহমুদ লিমনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে উপস্থিত অতিথিদের সম্মানে ইফতার পরিবেশন করা হয়। 



পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন এমডি বাছির জামাল

| প্রকাশিত: ৯:২৮ পূর্বাহ্ন, ১১ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল বাছির (বাছির জামাল)।

মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখার উপসচিব মো. গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৪-এর ধারা ১০(২) অনুযায়ী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সাথে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী ১ (এক) বছর মেয়াদে তাকে এই পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।

এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ নিয়োগের আগে মোহাম্মদ আবদুল বাছির দৈনিক ‘আমার দেশ’ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি ছিলেন। এর আগে তিনি দৈনিক মানবজমিন, বাংলাদেশ প্রতিদিন, মানবকন্ঠ ও প্রতিদিনের বাংলাদেশসহ বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিকে কাজ করেছেন।

তিনি বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সিনিয়র সহকারী মহাসচিব এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)-এর সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন।

শিক্ষা জীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। বাছির জামালের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলায়।

পরবর্তী খবর

একুশে পদকে ভূষিত সাংবাদিক শফিক রেহমান

| প্রকাশিত: ৩:১০ অপরাহ্ন, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

​সাংবাদিকতায় নতুন যুগের সূচনার স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের ‘একুশে পদকে’ ভূষিত হয়েছেন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সম্পাদক শফিক রেহমান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে একুশে পদক বিতরণের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শফিক রেহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

১৯৫০ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে স্পোর্টস রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা জীবন শুরু করেন শফিক রেহমান। পরে তিনি লন্ডনে বিবিসির বিভিন্ন বিভাগে প্রায় ৩৫ বছর কাজ করেন। ১৯৭১ সালের জুন মাসে তিনি লন্ডনে চলে যান এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের পক্ষে কাজ শুরু করেন।


​শফিক রেহমান ১৯৮৪ সালে সাপ্তাহিক ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন, যা তৎকালীন স্বৈরশাসক জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলে দুবার নিষিদ্ধ হয়েছিল। ২০০৬ সালে তিনি সাপ্তাহিক যায়যায়দিনকে একটি জাতীয় দৈনিকে পরিণত করেন।

বাংলাদেশে সাংবাদিকতায় এক নতুন ধারার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত শফিক রেহমান ১৯৯৩ সালে দেশে ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে ‘ভালোবাসা দিবস’ হিসেবে পালনের সূচনা করেন


পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হলেন আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ

| প্রকাশিত: ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নিয়োগ পেয়েছেন আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ। সচিব পদমর্যাদায় তাকে চুক্তিভিত্তিক এ নিয়োগ দিয়ে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহকে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে সরকারের সচিব পদমর্যাদায় ও বেতনে (৭৮ হাজার টাকা নির্ধারিত) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব পদে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল বা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো।


এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে ২০ বছর পর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান এবং মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যরা শপথ নেন। এরপর রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

পরবর্তী খবর

জাতীয় প্রেস ক্লাবের বাথরুম থেকে সাংবাদিক আলী মামুদের মরদেহ উদ্ধার

| প্রকাশিত: ২:৫৮ অপরাহ্ন, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের একটি বাথরুম থেকে ‘দৈনিক দিনকালে’র জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আলী মামুদের (৭০) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন বলে জানা গেছে।

আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রেস ক্লাবের বাথরুমের দরজা ভেঙে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সাংবাদিক আলী মামুদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যেতে পারেন। ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

সাংবাদিক আলী মামুদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে প্রয়াত সাংবাদিক আলী মামুদের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন তারা।

পরবর্তী খবর

নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান---রয়টার্স সাক্ষাৎকার

| প্রকাশিত: ৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক শক্তিতে সরকার গঠনের বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেছেন, নির্বাচনের পর সরকার গঠনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সমঝোতার কোনো সম্ভাবনা নেই। বরং বিএনপি প্রয়োজনীয় আসন জিতে ক্ষমতায় আসবে বলে তিনি আশাবাদী।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) নিজের কার্যালয়ে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, পররাষ্ট্রনীতি এবং তরুণ ভোটারদের নিয়ে দলের ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় জামায়াতে ইসলামীর নাম সামনে আসলেও দলটির সঙ্গে সরকার গঠনের প্রশ্নে তারেক রহমান ভিন্ন সুরে কথা বলেন। তিনি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের সঙ্গে একসঙ্গে সরকার গঠন হলে তখন বিরোধীদল হিসেবে কারা থাকবে—সে বিষয়টি স্পষ্ট নয়। তাঁর ভাষায়, জামায়াত যদি বিরোধীদলে থাকে, তাহলে তারা দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে—এমনটাই প্রত্যাশা।

এবারের নির্বাচনে জামায়াতকে বিএনপির অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে। একসময় নিষিদ্ধ থাকা দলটি বর্তমানে আবার সক্রিয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে মাঠে নেমেছে। অতীতে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার পরিচালনা করলেও এবারের বাস্তবতা ভিন্ন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান। এরই মধ্যে জামায়াত একটি ‘ঐক্য সরকার’ গঠনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ এখন একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ঢাকার একটি আদালত শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার রায় দিয়েছে।

নির্বাচনী প্রস্তুতির বিষয়ে তারেক রহমান জানান, সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২৯২টিতে প্রার্থী দিয়েছে। বাকি আসনগুলোতে দলের মিত্ররা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। নির্দিষ্ট আসনসংখ্যা উল্লেখ না করলেও তাঁর দাবি, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পাওয়ার বিষয়ে দলটি আশাবাদী।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপেও বিএনপির জয়ের পূর্বাভাস দেখা গেছে। তবে একই সঙ্গে জামায়াত নেতৃত্বাধীন একটি জোটের শক্ত অবস্থানের কথাও উঠে এসেছে। এই জোটে ‘জেনজি’ প্রজন্মের একটি অংশ যুক্ত হয়েছে, যারা তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলন থেকে উঠে এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ কোনো একটি দেশের দিকে ঝুঁকে পড়বে—এমন ধারণা সঠিক নয়। তাঁর মতে, প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে সক্ষম এমন অংশীদারই বাংলাদেশের প্রয়োজন। তিনি বলেন, সরকারে গেলে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ব্যবসা সম্প্রসারণ ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করাই হবে অগ্রাধিকার। সে ক্ষেত্রে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই বন্ধুত্ব গড়ে তোলা হবে।

শেখ হাসিনার সন্তানদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, রাজনীতি করার অধিকার সবারই রয়েছে। জনগণ যদি কাউকে গ্রহণ করে এবং স্বাগত জানায়, তাহলে দেশে ফিরে রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার পথ উন্মুক্ত থাকবে।

পরবর্তী খবর

সামাজিক মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে ইসির জরুরি নির্দেশ

| প্রকাশিত: ৯:২৫ অপরাহ্ন, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি সকল রিটার্নিং অফিসারকে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে তিনি এ তথ্য জানান ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক।

রিটার্নিং অফিসারকে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৬-তে উল্লেখ রয়েছে— ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা পরিচালনা করতে পারবে। তবে সে ক্ষেত্রে— (ক) প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বা দল বা প্রার্থী সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডিসহ অন্যান্য শনাক্তকরণ তথ্যাদি উক্তরূপে প্রচার-প্রচারণা শুরুর পূর্বে রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করবেন।

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এ নির্বাচনী ব্যয়সীমা সম্পর্কে বিধি ২২-এর (২)-এ আরো উল্লেখ রয়েছে যে, ‘কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাহাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচন বিষয়ক কোনো কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন প্রদান, বুস্টিং ও স্পন্সরশিপসহ সব প্রচার-প্রচারণার ব্যয়ের শিরোনামে সামগ্রিক নির্বাচনী ব্যয়সহ নির্বাচন কমিশন বরাবর দাখিল করবেন।’

এ ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার প্রচারণায় যে ব্যয় হবে তা নির্বাচনী ব্যয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে রিটার্নিং অফিসারকে দাখিল করার বিধান রয়েছে।

এমতাবস্থায় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালায় উল্লিখিত বিষয়সমূহ যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো। একইসাথে রিটার্নিং অফিসারগণকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীগণ কোন কোন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছে, সে-সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে জনসংযোগ শাখায় প্রেরণ করার জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।