বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ঝুলন্ত মসজিদ উদ্বোধন করল সৌদি
বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ঝুলন্ত মসজিদ উদ্বোধন করেছে সৌদি আরব। দেশটির মক্কা নগরীতে এ মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। গতকাল শনিবার এ মসজিদটি নামাজের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে গালফ নিউজ।
গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত কোনো ঝুলন্ত ‘প্রার্থনার স্থান’ হিসেবে গিনিজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে এ মসজিদের নাম লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
মসজিদটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ৫৮৪ ফুট উঁচুতে নির্মাণ করা হয়েছে। এখান থেকে কাবা শরীফ ও মক্কার অন্যান্য ধর্মীয় স্থাপনা দেখা যায়। কাবা শরীফের পাশে অবস্থিত জাবাল ওমর মক্কা হোটেলকে যুক্তকারী একটি ঝুলন্ত সেতুর ওপর এ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। স্থাপত্যবিদেরা বলছেন, এটি শুধু একটি স্থাপত্যর্কীর্তিই নয়, বরং আধুনিক প্রকৌশলের এক অনন্য নিদর্শন।
দুটি ভবনের মধ্যে সংযোগস্থাপনকারী এ সেতুটি মূলত স্টিলের তৈরি। এর ওজন ৬৫০ টন। নামাজের জন্য এখানে ৫৫০ স্কয়ার মিটার প্রসস্ত জায়গা রাখা হয়েছে। এখানে ৫২০জন মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন। মসজিদটির ভেতরে আরব ও ইসলামিক সংস্কৃতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
মক্কার কর্মমর্তারা বলেছেন, ফজরের নামাজের সময় এ মসজিদ থেকে ভোরের সূর্যদোয়ের সৌন্দর্যও উপভোগ করতে পারবেন না মুসল্লিরা। একইভাবে মাগরিবের নামাজের সময় সূর্যাস্তের সৌন্দর্যও উপভোগ করতে পারবেন।
জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট শেয়ারের অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট শেয়ার করার অভিযোগে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া কিশোরের নাম শেখ রসুল ওরফে রফিকুল (২৪)। তিনি উপজেলার গোপালপুর গ্রামের জাহিদ শেখের ছেলে। সোমবার রাতে উপজেলার বাঁধাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম মঙ্গলবার সকালে জানান, ঢাকার মিরপুরে রামিসা হত্যা মামলার ঘটনার দুদিন পর শেখ রসুল তার ফেসবুক আইডি থেকে জাইমা রহমানকে নিয়ে একটি আপত্তিকর পোস্ট শেয়ার করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
ওসি বলেন, এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, রফিকুলের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ও উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচারের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ
হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় ব্যর্থতা ও মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের আবেদন খারিজ হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) দুপুরে শুনানি শেষে মামলা খারিজ করে দেন সিএমএম আদালতের বিচারক।
এরআগে, এদিন সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে মামলার আবেদন করেন কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল।
মামলার আবেদনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছাড়াও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম, সাবেক স্বাস্থ্য সচিব সাইদুর রহমান, ড. ইউনূসের তৎকালীন বিশেষ সহকারী ডা. সায়েদুর রহমান এবং সাবেক স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবু জাফরকে আসামি করা হয়।
মামলার আবেদনে অভিযোগ করা হয়, হামের টিকা সংকট ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার কারণে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
মামলার বাদী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, অন্তর্বতী সরকারের কাজের অবহেলার কারণ এবং টিকা আমদানিতে জটিলতার কারণে বিদেশি ভ্যাকসিন আমদানি বন্ধ করে দিয়ে পরবর্তীতে টেন্ডারের মাধ্যমে প্রক্রিয়ায় গিয়ে বন্ধ করে দেয়। যার কারণে এই রোগ সারাদেশে ছড়িয়ে যায়।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় যারা দোষী তাদের শাস্তি চাচ্ছি। ভবিষ্যতে কোনো সরকার যেন কোমলমতি শিশুদের প্রতি অবহেলা করতে না পারে সেটাই চাচ্ছি।
গত ২০ মে হামের টিকা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ইউনিসেফ। সেখানে সংস্থাটির প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স জানান, টিকা সংকটের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে ১০ বার সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ এবং এ বিষয়ে ৫টি চিঠিও দেওয়া হয়েছিল। তবে সেসময় ব্যবস্থা নেননি স্বাস্থ্য উপদেষ্টা।
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার ফাঁসির রায়
মহাখালীতে বাস উল্টে চালকের সহকারী নিহত, আহত ২
রাজধানীর মহাখালী আমতলী এলাকায় যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেলে চালকের সহকারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত দুই যাত্রী।
শনিবার (৬ জুন) সকাল ৬টার দিকে ঢাকা-নেত্রকোণা রুটে চলাচলকারী ‘ভাটি বাংলা এক্সপ্রেস’-এর একটি বাস সড়ক বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রফিক (৩৫) ময়মনসিংহ সদর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি বাসটির চালকের সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুর্ঘটনায় আহত বাসযাত্রী রনি (২৫) ও ফিরোজ (৪০) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সকাল ৮টার দিকে চিকিৎসক রফিককে মৃত ঘোষণা করেন।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মী মোস্তফা কামাল জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখা যায় স্থানীয়রা তিনজন আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে সড়কের পাশে রেখেছেন। পরে তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাসটিতে আরও যাত্রী থাকলেও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই তারা সেখান থেকে চলে যান।
নিহতের স্বজনরা জানান, মাত্র তিন দিন আগে কাজে যোগ দিয়েছিলেন রফিক। শনিবারই তাঁর বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাতে হলো তাকে।
দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বৈঠক
দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও এর কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিশেষ বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৬ জুন) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সভাপতিত্বে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, বৈঠকে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষায় কর্মপর্যায়ভিত্তিক জলবায়ু বার্তা এবং বিশ্ব পরিবেশ দিবসের নানামুখী কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
রামিসা হত্যা মামলার রায় ৭ জুন
রাজধানীর পল্লবী এলাকায় ৮ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়েছে। শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সালেকীন আগামী ৭ জুন এই মামলার রায় ঘোষণার দিন–তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
দুপুর পৌনে ১২টার দিকে শুনানি শুরু হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে রাষ্ট্রপক্ষে নিয়োজিত আইনজীবী বিশেষ পিপি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেন।
তিনি ট্রাইব্যুনালকে বলেন, মামলায় ১৬ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষীদের সাক্ষ্য, মামলার বিভিন্ন আলামত, ফরেনসিক রিপোর্ট তদন্ত প্রতিবেদন সবকিছু পর্যালোচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এমন একটি নৃশংস বীভৎস ও স্পর্শকাতর ঘটনায় আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।
অন্যদিকে আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী মুসা কলিমুল্লাহ ন্যায়বিচার দাবি করেন। এর আগে, গতকাল বুধবার আত্মপক্ষ সমর্থনে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। সোহেল রানা ক্ষমাও চান। পরে ট্রাইব্যুনাল যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ধার্য করেন।
আলোচিত এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয় গত মঙ্গলবার । রাষ্ট্রপক্ষে ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। সাক্ষীরা হলেন— রামিসার বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা, মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, চতুর্থ তলার বাসিন্দা মনির হোসেন, প্রতিবেশী জাকিরুল ইসলাম রাজু, দ্বিতীয় তলার বাসিন্দা শেখ আবু সামা, ফুপা মনিরুজ্জামান শাহীন, কনস্টেবল রোমা আক্তার, কনস্টেবল শরীফ মিয়া, এসআই ইকবাল হোসেন, চিকিৎসক নাসাদ জাবিন, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ, এসআই রাশেদুল ইসলাম ও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. অহিদুজ্জামান।
এর আগে গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর সোহেল রানা পালিয়ে যান। বাসা থেকে তার স্ত্রীকে তখনই আটক করা হয়। পরে ওই দিনই সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২০ মে শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। ওই দিন বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দেন আসামি সোহেল রানা। জবানবন্দিতে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি।
তদন্ত শেষে ২৪ মে দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। দ্রুত বিচার শেষ করার উদ্দেশ্যে সেদিনই মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত করা হয়। এরপর ঈদের ছুটি শেষে সোমবার প্রথম কার্যদিবসে দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক। এরপর মঙ্গলবার এক দিনেই সাক্ষ্য দেন ১৬ জন সাক্ষী।
সীমান্তে বিএসএফের ১০ পুশইন রুখে দিল বিজিবি
বৃহস্পতিবার বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঝিনাইদহে বিজিবির মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ যাদবপুর সীমান্ত এলাকায় ৪-৫ জন ব্যক্তি বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি টহলদল তাৎক্ষণিকভাবে বাধা দেন।
বিজিবির খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ যশোরের গোগা ও রুদ্রপুর সীমান্ত এলাকায় কয়েকজন নারী-পুরুষকে পুশইনের উদ্দেশ্যে সীমান্তের নিকট অবস্থান করতে দেখা যায়। বিজিবির প্রতিরোধমূলক তৎপরতার ফলে বিএসএফ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ কয়া ও বাসুদেবপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের অভ্যন্তরে প্রায় ১০ জন ব্যক্তিকে একত্রিত করে পুশইনের প্রস্তুতির তথ্য পাওয়া যায়। পুশইন প্রতিরোধে বিজিবির তাৎক্ষণিক সতর্কতামূলক প্রস্তুতি গ্রহণ এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করার ফলে বিএসএফের পুশইন অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তের বিপরীতে ১৪৯ ও ৭১ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ ক্যাম্পের নিকটবর্তী ৩টি হোল্ডিং সেন্টারে এসআইআর তালিকা থেকে বাদ পড়া ৪ জন মুসলিম নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইনের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছে বলে গোয়েন্দা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সূত্রে জানা যায়। বিজিবি সেখানে কঠোর অবস্থান ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছে।
ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ হরিপুর সীমান্তের বিপরীতে ৮৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের কাকরমনি ক্যাম্পের টহলদল ২ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে নিজেদের হেফাজতে রেখেছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে বিএসএফের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত বিজিবির সঙ্গে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়নি।
পঞ্চগড়ের ব্যাটালিয়ন (১৮ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ রওশনপুর সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক ১ জন ব্যক্তিকে পুশইন করা হলে স্থানীয় জনগণ তাকে আটক করে বিজিবিকে অবহিত করে।
পরবর্তীতে বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত পাঠায়।
মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ সীমান্তের বিপরীতে ভারতের মালদা জেলার ইংলিশ বাজার থানার চন্দনপার্ক নামক স্থানে ভারতীয় পুলিশ কর্তৃক স্থাপিত একটি হোল্ডিং সেন্টারে আটক ২২ জনকে পুশইনের লক্ষ্যে বিএসএফের কাছে হস্তান্তরের তথ্য পাওয়া যায়। বিজিবি সেখানে কড়া নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।
সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ উৎমাছড়া সীমান্ত এলাকায় সন্দেহভাজন ২ ব্যক্তিকে স্থানীয় জনগণ আটক করে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের ভারতীয় নাগরিক হিসেবে শনাক্ত করার পর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভারতে পুশব্যাক করা হয়ে।
বিজিবি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়েছে, সীমান্ত দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বিদ্যমান আইন এবং দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার পরিপন্থী যেকোনো পুশইন প্রচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। সীমান্তে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের উত্থান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এক অনন্য কূটনৈতিক সাফল্য
জাতিসংঘ বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থা, যেখানে বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা, মানবাধিকার, টেকসই উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নানা বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সেই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী ড. খলিলুর রহমানের বিজয় নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য এক ঐতিহাসিক ও গৌরবময় অর্জন।
নির্বাচনে ড. খলিলুর রহমান ৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, যেখানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থী পেয়েছেন ৯১ ভোট। মাত্র আট ভোটের ব্যবধানে অর্জিত এই বিজয় সংখ্যাগত দিক থেকে যতই সীমিত মনে হোক না কেন, এর রাজনৈতিক, কূটনৈতিক এবং আন্তর্জাতিক গুরুত্ব অত্যন্ত গভীর ও সুদূরপ্রসারী। এটি প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের প্রতি আস্থা রাখে এবং বিশ্বপরিসরে দেশের কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালীভাবে দেখতে চায়।
এই বিজয় কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়; বরং এটি দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা, সুপরিকল্পিত কৌশল এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান গ্রহণযোগ্যতার ফল। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম, টেকসই উন্নয়ন, মানবিক সংকট মোকাবিলা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ইতিবাচক অবস্থান বিশ্বের বহু দেশের প্রশংসা অর্জন করেছে। ড. খলিলুর রহমানের বিজয় সেই ইতিবাচক ভাবমূর্তিরই প্রতিফলন।
এই সাফল্যের পেছনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত পররাষ্ট্র কূটনীতির কার্যকারিতা বিশেষভাবে আলোচনার দাবি রাখে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার যে সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে, এই বিজয় তার একটি গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব হুমায়ুন কবির। গত কয়েক মাস ধরে তিনি বিভিন্ন দেশ সফর, বিশ্বনেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ, কূটনৈতিক আলোচনা এবং সমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে নিরলস পরিশ্রম করেছেন। তাঁর দূরদর্শী পরিকল্পনা, দক্ষ কৌশল এবং অবিচল প্রচেষ্টা বাংলাদেশের প্রার্থীর পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একজন দক্ষ কূটনীতিক হিসেবে তিনি প্রমাণ করেছেন যে আন্তরিকতা, অধ্যবসায় এবং সঠিক কৌশল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় সাফল্য এনে দিতে পারে।
ড. খলিলুর রহমান নিজেও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একজন সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ কূটনৈতিক অভিজ্ঞতা, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীতে গভীর জ্ঞান এবং বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে তাঁর দক্ষতা তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য উপযুক্ত প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর নেতৃত্বে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ হবে বলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রত্যাশা।
এই বিজয় বাংলাদেশের জন্য শুধু একটি সম্মানজনক পদ লাভের ঘটনা নয়; বরং এটি বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের মর্যাদা, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং নেতৃত্বের সক্ষমতার স্বীকৃতি। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ যে উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে চলেছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যে দায়িত্বশীল রাষ্ট্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে, এই অর্জন তারই ধারাবাহিকতা।
বর্তমান বিশ্ব নানা সংকটের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক বৈষম্য, শরণার্থী সংকট এবং খাদ্য নিরাপত্তার মতো জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন এক সময়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে একজন বাংলাদেশির নির্বাচিত হওয়া বাংলাদেশের জন্য যেমন গর্বের, তেমনি উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্যও একটি আশাব্যঞ্জক বার্তা।
সবশেষে বলা যায়, ড. খলিলুর রহমানের এই বিজয় বাংলাদেশের কূটনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এটি দেশের জন্য গর্ব, জনগণের জন্য আনন্দ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। এই অর্জনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল কূটনীতিক, কর্মকর্তা, নীতিনির্ধারক এবং শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
বাংলাদেশ আজ শুধু একটি নির্বাচন জয় করেনি; বরং বিশ্বমঞ্চে নিজের মর্যাদা, সক্ষমতা ও নেতৃত্বের নতুন স্বীকৃতি অর্জন করেছে। সত্যিই, এটি গর্বিত বাংলাদেশের এক উজ্জ্বল কূটনৈতিক বিজয়।
শেখ মো শাহিনুর রহমান উজ্জ্বল
সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট
পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামির বক্তব্য প্রচারে আদালতের নিষেধাজ্ঞা
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আদালতের বাইরে পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামিদের প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়া এবং সেই বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার না করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ আদেশ দেন। মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবী আজিজুর রহমান আদালতে এ আবেদন করেন।
শুনানিতে তিনি বলেন, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী পুলিশ হেফাজতে থাকা কোনো আসামি বিচারকের সামনে ছাড়া অন্য কোথাও বক্তব্য দিতে পারেন না। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতেরও স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, পুলিশি হেফাজতে থাকা কিংবা দণ্ডিত কোনো আসামির বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে প্রচার করা দেশের সর্বোচ্চ আদালত ও রাষ্ট্রীয় সংস্থার বিধান অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা অক্ষুণ্ন রাখা, জনমনে প্রভাব সৃষ্টির সুযোগ বন্ধ করা এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট নির্দেশনাগুলো কার্যকরভাবে অনুসরণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন এই আইনজীবী। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে পুলিশ হেফাজতে থাকা কোনো আসামি যাতে প্রকাশ্যে কারও সঙ্গে কথা বলতে না পারেন, সে বিষয়ে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিতে আদালতের কাছে আবেদন জানান তিনি। পরে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু টেস্টে ৮০% ছাড়, চিকিৎসকের ফি না নেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় এবার মৌসুম শুরুর আগেই দেশজুড়ে ব্যাপক ও আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় নাগালের মধ্যে রাখতে বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ ফি (ভিজিট) সম্পূর্ণ মওকুফ করার নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে কোনো অবস্থাতেই যেন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে, এমন ওষুধ প্রয়োগ না করার বিষয়েও কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও গাইডলাইন বিষয়ক’ এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, প্যাথলজি ল্যাব, বেসরকারি হাসপাতাল ও সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনদের (স্টেকহোল্ডার) সঙ্গে নিয়ে ডেঙ্গু মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নির্ধারণে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় ডেঙ্গু রোগীদের শয্যা ও চিকিৎসা সংকটের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। সভা শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ডেঙ্গুর সময়ে চিকিৎসা সংকট এড়াতে দেশের সব বেসরকারি হাসপাতালে মোট বেডের ১০ শতাংশ ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে ফাঁকা রাখতে হবে। এছাড়া ডেঙ্গু পরীক্ষার খরচ সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে আনতে টেস্ট ফি-তে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিতে হবে। বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা কোনো কনসালটেন্সি বা পরামর্শ ফি নিতে পারবেন না। রোগীরা শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং খাবারের খরচ বহন করবেন।
চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা ও ওষুধের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রোগাক্রান্তদের ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়মের বাইরে অন্য কোনো ওষুধ প্রয়োগ করা যাবে না। আন্তর্জাতিকভাবে ডেঙ্গুর কোনো ভ্যাকসিন এখনো সার্বজনীন বা চূড়ান্ত স্বীকৃতি পায়নি। এই কারণে বাংলাদেশে এখনই কোনো ধরনের ডেঙ্গু ভ্যাকসিন কার্যক্রম চালু করার পরিকল্পনা সরকারের নেই।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক সময়ে হাম রোগের প্রাদুর্ভাব থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার এবার আগেভাগেই মশা নিধন এবং ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে নড়েচড়ে বসেছে। এই নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও চিকিৎসা ব্যয় দুটোই উল্লেখযোগ্য হারে কমবে।