লিভার ক্যান্সার আক্রান্ত লিটন কুমার দাস বাঁচতে চায়!

আল কাদরি কিবরিয়া সবুজ, (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ১১:১৭ অপরাহ্ন, ০২ জুলাই ২০২১

গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের পালান পাড়া গ্রামের শ্রী নিপেন চন্দ্র দাসের পুত্র লিটন কুমার দাসের লিভার ক্যান্সার ধরা পরে।চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেলে নেয়া হয়।বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পর তার শরীরে লিভার ক্যান্সার হয়েছে বলে জানা যায়। দীর্ঘদিন চিকিৎসা করে সর্বশান্ত হয়ে যায় পরিবারটি। এমতাবস্থায় তার পরিবারের পক্ষে আর চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। এমনিতেই অভাবের সংসার, ঠিক মত সংসার চলেনা নিপেন চন্দ্র দাসের তার উপর আবার সন্তানের চিকিৎসা করা অসম্ভব।

লিটন কুমার দাস বাঁচতে চায়। সে এখন বাড়িতে মৃত্যুর প্রহর গুনছে।তার উন্নত চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার দরকার। এমন অবস্থায় তার পরিবার সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন। তারা চিকিৎসার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গাইবান্ধা-৩ পলাশবাড়ী-সাদুল্যাপুর) আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি, জনপ্রতিনিধি সহ সমাজের বিত্তবান-দানশীল, সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা কামনা করেছেন লিটন কুমার দাস। 

যদি কোনো সহৃদয়বান ব্যক্তি তার চিকিৎসার জন্য সাহায্যে এগিয়ে আসতো তাহলে তার চিকিৎসা হয়তো ভাল হত। তার কাছে সাহায্য পাঠানোর জন্য এই নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ করেছেন পরিবারের পক্ষ থেকে। মোবাইল নাম্বারঃ ০১৭৪০-২৯৮১৭৭ (বিকাশ পার্সোনাল)। আসুন আমরা সবাই মিলে লিটন কুমার দাসের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই।

পরবর্তী খবর

দৈনিক আজকালের কণ্ঠ’ বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আলোকবর্তিকা:- প্রফেসর ড. আসিফ

| প্রকাশিত: ১০:৫৫ অপরাহ্ন, ১৯ এপ্রিল ২০২৬


নিজস্ব প্রতিবেদক | 

সত্যের জয়গান আর বস্তুনিষ্ঠতার অঙ্গীকার নিয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হলো ‘দৈনিক আজকালের কণ্ঠ’ পত্রিকার ৫ম বর্ষপূর্তি। এইদিন  সকালে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন  শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. আসিফ মিজান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রফেসর ড. আসিফ মিজান পত্রিকাটির অদম্য যাত্রার প্রশংসা করে বলেন, "একটি সংবাদপত্রের প্রাণ হলো তার সত্যনিষ্ঠা। সুদূর সোমালিয়ার মোগাদিসু থেকে এই মাটির টানে এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতি মমত্ববোধ থেকেই মূলত আমি আজ আপনাদের এই উৎসবে শামিল হয়েছি।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করা অত্যন্ত কঠিন চ্যালেঞ্জ হলেও ‘দৈনিক আজকালের কণ্ঠ’ তা সফলভাবে করে দেখিয়েছে। এই অভাবনীয় সাফল্যের নেপথ্য কারিগর হিসেবে তিনি পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক জনাব মোঃ মিজানুর রহমান (মিজান)-এর দূরদর্শী নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, "মিজান সাহেবের অদম্য সাহস এবং সত্যের পথে আপসহীন ভূমিকা আজ এই পত্রিকাকে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে পরিণত করেছে।"

অনুষ্ঠানে প্রফেসর আসিফ আশা প্রকাশ করেন যে, শিক্ষার প্রসারের মতো সংবাদমাধ্যমও জাতির সঠিক পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে যাবে। দক্ষ সংবাদকর্মীদের হাত ধরে এই পত্রিকা কেবল জাতীয় নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশিদের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবে বলে তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্পাদক ও প্রকাশক জনাব মোঃ মিজানুর রহমান (মিজান) সহ দেশের বরেণ্য সাংবাদিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক শুভানুধ্যায়ী উপস্থিত ছিলেন। কেক কাটা এবং বেলুন উড়ানোর মাধ্যমে উৎসবের শুভ সূচনা করা হয়।


উল্লেখ্য যে, বিদেশে প্রথম বাংলাদেশি ভাইসচ্যান্সেলর, দারুসসালাম ইউনিভার্সিটি, সোমালিয়া এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা কর্তৃক "হিউম্যান রাইটস চ্যাম্পিয়ন ২০২৬" পদকপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. আসিফ মিজান একজন সুশাসন ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ।


সংবাদপত্রসহ সকল মিডিয়ার অবাধ স্বাধীনতা নিশ্চিত করায়  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার; বিশেষ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান প্রফেসর ড. আসিফ মিজান।

পরবর্তী খবর

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

| প্রকাশিত: ৬:০৮ অপরাহ্ন, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশু এবং হামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার হাম বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮০৪ শিশু। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ১৬৫ শিশুর। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই সর্বোচ্চ ১৪৮টি শিশু রয়েছে।

এসময় সারা দেশে ১ হাজার ১৯৭টি শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা যায়। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮০৪টি শিশু। এর মধ্যে ৫৬৩টি শিশুই ঢাকা বিভাগের।

এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ৬৪৫টি শিশু গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিভাগের ৩০০ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা গেছে মোট ২৩ হাজার ৬০৬টি শিশুর মধ্যে। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৫ হাজার ৩২৬টি শিশু।

তাদের মধ্যে ৩ হাজার ৪৪৩ জনের হাম শনাক্ত হয়। আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়া রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ৩৯৬।

পরবর্তী খবর

‘মন্ত্রী সাহেব একটু কম প্রশংসা কইরেন’

| প্রকাশিত: ৪:৫৬ অপরাহ্ন, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বক্তব্য দেওয়ার সময় বারবার প্রধানমন্ত্রীর নানা কাজের প্রশংসা করায় তারেক রহমান বলে ওঠেন- মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম কইরেন। এ সময় মিলনায়তনজুড়ে থাকা সবাই করতালি দেন। সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রশংসা করি নাই যতটুকু আপনি বলতেছেন সামান্য বলেছি।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় এমন ঘটনা ঘটে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, দেশের মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হলে সবাইকে পরিবর্তনের অংশ হতে হবে। মানবসেবাকে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন ,সরকারপ্রধান ‘জিরো টলারেন্স’-নীতি ঘোষণা করেছেন, যার মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতসহ সব ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিরলস জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।

সংসদে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণ নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করেন। তার এই নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টার ফলেই প্রধানমন্ত্রী এযাবৎকালের শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক সংগঠক। তিনি বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০০ জন মানুষের ভেতরে ওনার কর্ম ওনাকে জায়গা করে দিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে গ্রাম পর্যায়ের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে আগ্রহী।

তাদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাদের কথা আমি শুনবো, তাদের মতামত গুরুত্ব দেব এবং তাদের জন্য কাজ করব। বিনিময়ে তারা দেশের মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখবেন, প্রধানমন্ত্রীর এই প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত লোকজনদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।
পরবর্তী খবর

বিদেশে প্রথম বাংলাদেশি ভিসি ড. আসিফ মিজানকে সংবর্ধনা

| প্রকাশিত: ৩:৪৪ অপরাহ্ন, ১৫ এপ্রিল ২০২৬



নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা


রাজধানীর মতিঝিলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হলো ‘বৈশাখী উৎসব-১৪৩৩ ও বাউল সংগীত অনুষ্ঠান’। বরিশাল বিভাগ সমিতি, ঢাকা আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি গতকাল ১লা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) শেকড়ের টানে আসা মানুষের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। 


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোমালিয়ার দারুসসালাম ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর এবং আন্তর্জাতিক ‘হিউম্যান রাইটস চ্যাম্পিয়ন ২০২৬’ পদকে ভূষিত প্রফেসর ড. আসিফ মিজান।


বিদেশের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি ভিসি হওয়ার গৌরব অর্জন করায় এবং মানবাধিকার রক্ষায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ড. আসিফ মিজানকে এই অনুষ্ঠানে বিশেষ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।


অনুষ্ঠানের শুরুতে বরিশাল বিভাগ সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির দুলু এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুবেল হাওলাদারসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ড. মিজানকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন।


সংবর্ধনার প্রতিক্রিয়ায় ড. আসিফ মিজান বলেন, “শেকড়ের টানে আপন মানুষের মাঝে এমন অসাধারণ আয়োজনে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি অভিভূত। শুদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় বরিশাল বিভাগ সমিতির এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। আশা করি, তাদের এই অগ্রযাত্রা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করা ড. আসিফ মিজান দীর্ঘ ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও সোমালিয়ার বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যাপনা করছেন। তিনি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সম্প্রতি মানবাধিকার রক্ষায় তার অসামান্য অবদানের জন্য তাকে ‘হিউম্যান রাইটস চ্যাম্পিয়ন ২০২৬’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এছাড়াও তিনি রোটারি ক্লাব অব ঢাকা স্কলারসের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম-সম্পাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত।


সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিল ঐতিহ্যবাহী বাউল সংগীতের আসর। বাউল সুরের মূর্ছনা এবং গুণীজনদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।


অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে 

উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ জিয়াউর রহমান নবু, রুহুল আমিন হাওলাদার এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।


আয়োজকরা জানান, বরিশালের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে রাজধানীর বুকে ছড়িয়ে দিতেই প্রতি বছর এই উৎসবের আয়োজন করা হয়।

পরবর্তী খবর

ড. আসিফ মিজান ‘হিউম্যান রাইটস চ্যাম্পিয়ন’ মনোনীত

| প্রকাশিত: ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, ১৩ এপ্রিল ২০২৬



নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১২ এপ্রিল ২০২৬


আন্তর্জাতিক পথশিশু দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার রক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘হিউম্যান রাইটস চ্যাম্পিয়ন ২০২৬’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন বিদেশের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান।  রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন আয়োজিত "ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬" অনুষ্ঠানে তাকে এই বিশেষ পদক ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব  হাবিব উন নবী খান সোহেল। সংগঠনের সভাপতি মহি উদ্দিন আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ড. মিজানের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ওমর সানী ও সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। 


উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সোমালিয়ার মোগাদিশুর দারুসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পদে যোগ দিয়ে ইতিহাস গড়েন ড. মিজান। এর আগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন কানাডিয়ান নাগরিক বিদেশের মাটিতে ভিসি হলেও, সরাসরি বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী হিসেবে তিনিই প্রথম এই শীর্ষ পদে আসীন হন। সুশাসন ও মানবাধিকারে পিএইচডিধারী এই শিক্ষাবিদ দীর্ঘকাল ধরে রোটারি ক্লাব, মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ এবং এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।


সম্মাননা গ্রহণকালে ড. আসিফ মিজান বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। শিক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষায় আমার এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।” অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আইনজীবী, ব্যবসায়ী এবং বিপুল সংখ্যক পথশিশু উপস্থিত ছিল।

পরবর্তী খবর

সংকট থেকে সম্ভাবনায়: তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন দিগন্ত

| প্রকাশিত: ৪:৩৩ অপরাহ্ন, ১২ এপ্রিল ২০২৬


বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় দেশ, যার ইতিহাস যেমন সংগ্রামের, তেমনি এগিয়ে যাওয়ারও। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশটি নানা সংকটের মুখোমুখি হয়েছে—রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক চাপ, বৈশ্বিক মন্দা, প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বহু চ্যালেঞ্জ। কিন্তু প্রতিটি সংকটই নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। এই প্রেক্ষাপটে দূরদর্শী ও বাস্তবমুখী নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা একটি জাতিকে সংকট থেকে সম্ভাবনার পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

বর্তমান সময়ে তারেক রহমান-এর নেতৃত্বকে ঘিরে এমন এক নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, যেখানে জনগণ বিশ্বাস করে যে সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে বাংলাদেশ আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাতে সক্ষম। তার নেতৃত্বের মূল বৈশিষ্ট্য হলো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, বাস্তবসম্মত নীতি এবং জনগণের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক খাত বর্তমানে একাধিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন—মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব, বৈদেশিক রিজার্ভের চাপ ইত্যাদি। তবে সঠিক অর্থনৈতিক সংস্কার, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন কৌশল গ্রহণের মাধ্যমে এই সংকটগুলো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। তারেক রহমান-এর সম্ভাব্য নেতৃত্বে এসব খাতে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আসতে পারে, যা অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে।

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান শর্ত। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিভাজন ও দ্বন্দ্ব বাংলাদেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে। একটি সহনশীল, গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। এই ক্ষেত্রে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও সংলাপমুখী নেতৃত্ব অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে।

তরুণ প্রজন্ম বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের দক্ষতা, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং প্রযুক্তি জ্ঞানকে কাজে লাগাতে পারলে দেশ দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্টার্টআপ সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একটি প্রগতিশীল নেতৃত্ব তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে এবং তাদেরকে জাতির উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তিতে পরিণত করতে পারে।

এছাড়া, অবকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটাল রূপান্তর এবং বৈদেশিক সম্পর্ক জোরদার করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। বৈশ্বিক পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে প্রয়োজন কৌশলগত পরিকল্পনা এবং সাহসী সিদ্ধান্ত গ্রহণ।

সবশেষে বলা যায়, সংকট কোনো দেশের জন্য চূড়ান্ত নয়; বরং এটি একটি সুযোগ, যা সঠিক নেতৃত্বে সম্ভাবনায় রূপ নিতে পারে। তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে যে আলোচনা ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তা একটি নতুন দিগন্তের ইঙ্গিত দেয়। যদি সঠিক পরিকল্পনা, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়, তবে বাংলাদেশ নিঃসন্দেহে সংকট পেরিয়ে সম্ভাবনার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে।


শাহিনুর রহমান উজ্জ্বল 

সাংবাদিক ও লেখক 

shahinurrahman42069@gmail.com

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশকে পাল্টে দেবেন স্মার্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

| প্রকাশিত: ১:১০ অপরাহ্ন, ১১ এপ্রিল ২০২৬


বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে, তবে এই অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করতে প্রয়োজন দূরদর্শী নেতৃত্ব। কল্পিত এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একজন স্মার্ট রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেশের রূপান্তরের দায়িত্ব নিয়েছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন এক দিগন্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

তারেক রহমানের নেতৃত্বের মূল শক্তি হলো প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন। তিনি “স্মার্ট বাংলাদেশ” গড়ার লক্ষ্যে ডিজিটাল অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছেন। ই-গভর্ন্যান্স চালু করে সরকারি সেবাগুলোকে সহজ, দ্রুত এবং স্বচ্ছ করা হচ্ছে। ফলে জনগণের ভোগান্তি কমছে এবং প্রশাসনে জবাবদিহিতা বাড়ছে।

অর্থনীতির ক্ষেত্রেও তার পরিকল্পনা অত্যন্ত বাস্তবসম্মত। তিনি দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন নীতি গ্রহণ করেছেন। এর ফলে কর্মসংস্থান বাড়ছে এবং তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে তিনি তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছেন।

শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নেও তার গুরুত্ব অপরিসীম। আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা চালু করে তিনি দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে কাজ করছেন। এতে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সক্ষম হবে।

আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তারেক রহমান একজন দক্ষ কূটনীতিক হিসেবে কাজ করছেন। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে তিনি বাণিজ্য ও সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছেন। এতে বাংলাদেশের বৈশ্বিক অবস্থান আরও শক্তিশালী হচ্ছে।

সবশেষে বলা যায়, কল্পিত এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একজন স্মার্ট, দূরদর্শী ও আধুনিক রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্রে রূপান্তর করার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। তার নেতৃত্বে দেশ এক নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাবে—এটাই জনগণের প্রত্যাশা।


শাহিনুর রহমান উজ্জ্বল 

লেখক,সাংবাদিক 

পরবর্তী খবর

আনন্দ বা মঙ্গল নয়, নববর্ষে হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’

| প্রকাশিত: ৩:৫৮ অপরাহ্ন, ০৫ এপ্রিল ২০২৬

আগামী পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা নিয়ে চলমান বিতর্ক ও বিভাজন এড়াতে এর নতুন নাম ঘোষণা করেছে সরকার। সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী সচিবালয়ে এক সভায় জানান, এ বছর থেকে এই বর্ণাঢ্য আয়োজনটি ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে। উৎসবের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এ তথ্য জানান তিনি।

এর আগে তিনি সচিবালয়ে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে এক সভা করেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপনের লক্ষ্যে শোভাযাত্রার নাম আনন্দ কিংবা মঙ্গল নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। এই বিতর্কের কোনো মানে হয় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো বিভাজন চাই না। বৈচিত্র্যের মাধ্যমে আমরা ঐক্য চাই। এ অবস্থায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবারের পয়লা বৈশাখে শোভাযাত্রা আনন্দ কিংবা মঙ্গল নামে নয়, বৈশাখী শোভাযাত্রা নামে হবে।

এখন থেকে প্রতিবছর এই নামই থাকবে।’

পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হলেও ইউনেস্কোর স্বীকৃতি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

পরবর্তী খবর

ফ্যাক্ট চেকিং ছাড়া সংবাদ প্রকাশ করা যাবে না: তথ্যমন্ত্রী

| প্রকাশিত: ১১:১৭ অপরাহ্ন, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যাক্ট চেকিং ছাড়া অনুমাননির্ভর কোনো সংবাদ প্রকাশ করা যাবে না।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ইউটিউবসহ অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নানা ধরনের সংবাদ ও তথ্য পরিবেশন করা হচ্ছে, যা অনেক সময় বিভ্রান্তি তৈরি করে। সঠিক তথ্য তুলে ধরতে সংবাদ প্রকাশের আগে ফ্যাক্ট চেকিং করা জরুরি এবং অনুমাননির্ভর সংবাদ প্রকাশ কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য নয়।

সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ করার জন্য প্রতিটি জেলায় একটি প্রেসক্লাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তথ্যমন্ত্রী।

এর আগে সন্ধ্যায় তথ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুল স্বাধীনতা চত্বরে আট দিনব্যাপী ‘পাবনা বইমেলা’ উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সব অংশীদারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করা হয়েছে। এ ছাড়াও ফ্যাসিবাদের আমলে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর নির্যাতনের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।’

পরবর্তী খবর

১৭ এপ্রিল মুক্তি পাচ্ছে ‘আতরবিবিলেন’

| প্রকাশিত: ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
আগামী ১৭ এপ্রিল সারাদেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে টাইমস মিডিয়ার ব্যানারে নির্মিত নতুন চলচ্চিত্র ‘আতরবিবিলেন’। মিজানুর রহমান লাবু পরিচালিত এই সিনেমাটিকে ঘিরে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর প্রচারণা। মুক্তির ঘোষণা দিতে সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে ছবিটির অফিসিয়াল ট্রেইলার ও পোস্টার, যা দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল বাড়িয়েছে।

টাইমস মিডিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে ট্রেইলার প্রকাশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ছবিটির মুক্তির তারিখ জানানো হয়। নির্মাতা নিজেই গল্প, সংলাপ ও চিত্রনাট্য রচনা করেছেন। কেন্দ্রীয় চরিত্র আতরবিবির ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ফারজানা সুমি। তার বিপরীতে দেখা যাবে দুই বাংলার পরিচিত মুখ মুস্তফা প্রকাশকে।

ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন রাশেদ মামুন অপু, আশীষ খন্দকার, এলিনা শাম্মী, সানজিদা মিলা, জয়রাজ, পারভেজ সুমন, ফরহাদ লিমন, কাজী উজ্জ্বল, সকাল ও সীমান্তসহ একঝাঁক শিল্পী, যারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে গল্পকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।

সিনেমাটি নিয়ে নির্মাতা মিজানুর রহমান লাবু বলেন, ছবিটি তার জন্য বিশেষ এক অনুভূতির। দীর্ঘ সময় ও শ্রম দিয়ে নির্মিত এই কাজটি দর্শকদের ভালো লাগবে বলেই তিনি আশাবাদী। তিনি সবাইকে প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে সিনেমাটি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

‘আতরবিবিলেন’-এর গল্পে উঠে এসেছে এক প্রান্তিক নারীর জীবনসংগ্রাম। আতরবিবি নামের সেই নারী সাধারণ জীবনের স্বপ্ন দেখলেও বাস্তবতার কঠিন মুখোমুখি হয়ে বারবার প্রতারিত হয় সমাজের ভদ্রবেশী স্বার্থান্বেষী মানুষের কাছে। প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে তার লড়াই এবং টিকে থাকার গল্পই মূলত চলচ্চিত্রটির উপজীব্য, যা সমাজের প্রান্তিক নারীদের বাস্তব চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেছে।