লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলি নিহিত-১ বাংলাদেশি

এ,এল,কে খান জিবু ,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ১১:৩৮ অপরাহ্ন, ২৯ জুন ২০২১

জেলার পাটগ্রাম উপজেলার জগতবেড় ইউনিয়নের পূর্ব জগতবেড় সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ছোঁড়া গুলিতে বাংলাদেশি যুবক রিফাত হোসেন (৩২) নিহত হয়েছেন। সীমান্ত ও বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (২৯ জুন) ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে ওই ইউনিয়নের মুন্সিরহাট গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে রিফাত হোসেনসহ ৮-১০ জনের গরু পারাপাকারী একটি দল শংলী নদী পার হয়ে সীমান্তের ৮৬২ নম্বর মেইন পিলার ও ১ নম্বর সাব পিলারের নিকট দিয়ে ভারতীয় গরু ব্যবসায়ীদের সহায়তায় গরু আনতে যায়। 

এ সময় ভারতের কোচবিহার জেলার ১৪০ বিএসএফ রাণীনগর ব্যাটালিয়নের চোয়াঙ্গারখাতা ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। এতে ঘটনাস্থলে রিফাত হোসেন গলায় গুলি বিদ্ধ হয়ে মারা যায় ভোরে।পরে লাশ ভারতের মাথাভাঙ্গা থানার ভগরামপুর গ্রামের সীমান্তে পড়ে থাকা লাশ আজ সকাল আনুমানিক ১০ টার দিকে লাশ ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায় বিএসএফ।

জগতবেড় ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাবিউল হোসেন জানান, নিহত রিফাত হোসেনের ছবি দেখে তার বাবা লাশ শনাক্ত করেন।

৬১ ব্যাটালিয়নের শমসের নগর বিজিবি কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার বিল্লাল হোসেন বাংলাদেশি যুবক নিহতের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, চোঙ্গারখাতা বিএসএফ ক্যাম্পের কমান্ডার একটি চিঠি দিয়েছে। আজ বিকেল ৫ টার দিকে সীমান্তে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।  বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ৬১ (বিজিবি) রংপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মীর হাসান শাহরিয়ার মাহমুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন  বিএসএফের সাথে বৈঠক করে বিস্তারিত জানানো হবে।

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনাসহ ১৩ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি শুরু

| প্রকাশিত: ৫:১২ অপরাহ্ন, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে জেআইসি সেল বা আয়নাঘরে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ সাবেক-বর্তমান ১৩ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি শুরু হয়েছে।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ শুনানি শুরু হয়।

অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এ মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন তিন সেনা কর্মকর্তা। এদিন সকালে ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তায় তাদের হাজির করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হলেন- ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।

শেখ হাসিনাসহ পলাতক অন্য আসামিরা হলেন- শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) লে. জেনারেল (অব) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব) সাইফুল আবেদিন, লে. জেনারেল (অব) মো. সাইফুল আলম, সাবেক ডিজি লে. জেনারেল তাবরেজ শামস চৌধুরী, সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব) হামিদুল হক, মেজর জেনারেল তৌহিদুল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবির আহাম্মদ ও লে. কর্নেল (অব) মখসুরুল হক।

এর আগে, ২৩ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়। একইসঙ্গে পলাতকদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দেন ট্রাইব্যুনাল। স্বেচ্ছায় লড়তে চাইলে শেখ হাসিনার আইনজীবী হন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেডআই খান পান্না। তবে শারীরিক অসুস্থতা দেখিয়ে ৩ ডিসেম্বর তা প্রত্যাহার করলে মো. আমির হোসেনকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

গত ২২ অক্টোবর সেনা হেফাজতে থাকা এ মামলার তিন সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে পলাতক আসামিদের হাজিরের জন্য সাতদিনের মধ্যে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

গত ৮ অক্টোবর এ মামলায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। পরে অভিযোগ আমলে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত

পরবর্তী খবর

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে দলগতভাবে জড়িত আওয়ামী লীগ, মূল সমন্বয়কারী তাপস: কমিশন

| প্রকাশিত: ৩:৪৭ অপরাহ্ন, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫


ঢাকা, ৩০ নভেম্বর ২০২৫: বিডিআর বিদ্রোহের নামে সংঘটিত বর্বরতম হত্যাযজ্ঞের বিষয় তদন্তের জন্য গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন আজ রোববার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান ও অন্যান্য সদস্যরা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেন।


কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন: মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার (অব.), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুর রহমান বীর প্রতীক (অব.), মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ সচিব (অব.), ড. এম. আকবর আলী অতিরিক্ত আইজিপি (অব.), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক মো. শাহনেওয়াজ খান চন্দন।


এসময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতি দীর্ঘদিন ধরে অন্ধকারে ছিলো। আপনারা সত্য উদ্‌ঘাটনে যে ভূমিকা রেখেছেন জাতি তা স্মরণে রাখবে। জাতির পক্ষ থেকে আপনাদের প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”


তিনি বলেন, ইতিহাসের এই ভয়াবহতম ঘটনা নিয়ে জাতির অনেক প্রশ্ন ছিলো, এই কাজের মধ্য দিয়ে সেসব প্রশ্নের অবসান ঘটবে।


তিনি বলেন, এই প্রতিবেদনে শিক্ষণীয় বহু বিষয় এসেছে। জাতির জন্য মূল্যবান সম্পদ হয়ে থাকবে এটি।


কমিশন প্রধান ফজলুর রহমান বলেন, তদন্তকাজ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ত্রুটিমুক্ত করার স্বার্থে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখা হয়েছে।


তিনি বলেন, আমরা যখন কাজ শুরু করি তখন ১৬ বছর আগের এই ঘটনার বহু আলামত ধ্বংস হয়ে গেছে। 

এই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেকে বিদেশে চলে গেছেন। 


“আমরা দুটো প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছি। সাক্ষীদের ডাকলাম, কারো কারো ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বক্তব্য শুনেছি আমরা। যতক্ষণ তিনি বলতে চেয়েছেন। যারা তদন্তে জড়িত ছিল তাদের সঙ্গে কথা করেছি। তাদের তদন্তের রিপোর্ট কালেক্ট করেছি, অন্যান্য এলিমেন্ট কালেক্ট করেছি।”


তিনি বলেন, এই তদন্তের মাধ্যমে বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে জনমনে থাকা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছে, উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা করা হয়েছে কার কী ভূমিকা ছিল। কেন সেনাবাহিনী দাঁড়িয়ে থাকল অ্যাকশন নিল না। 


তিনি বলেন, তদন্তে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বহিঃশক্তির সরাসরি সম্পৃক্ততা ও তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সরাসরি জড়িত থাকার শক্তিশালী প্রমাণ মিলেছে।


এসময় কমিশনের ফাইন্ডিংস সম্পর্কে জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার বলেন, এই ঘটনা কিছু বাহ্যিক ও প্রকৃত কারণ বের করেছে কমিশন।


তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত এবং এর পেছনে প্রধান সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেছিল তৎকালীন সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস।


তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের রক্ষা করতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ সরাসরি ভূমিকা রেখেছে। তারা ২০-২৫ জনের একটি মিছিল নিয়ে পিলখানায় ঢুকেছে এবং বের হবার সময় সেই মিছিলে দুই শতাধিক মানুষ ছিলো।


তিনি বলেন, পুরো ঘটনাটি সংঘটিত করার ক্ষেত্রে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গ্রিন সিগন্যাল’ ছিলো। 


তিনি এই ঘটনার দায় নিরূপণের ক্ষেত্রে বলেন, দায় তৎকালীন সরকার প্রধান থেকে শুরু করে সেনাপ্রধানেরও। এই ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে সমাধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুলিশ ও র‍্যাব এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোরও রয়েছে চরম ব্যর্থতা।


তিনি বলেন, ওই ঘটনার সময় কিছু প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং কয়েকজন সাংবাদিকের ভূমিকা ছিলো অপেশাদার।


তিনি বলেন, ওই হত্যাকাণ্ডের সময় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় (তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন) যেসব বিডিআর সদস্যদের সঙ্গে শেখ হাসিনা বৈঠক করেছে, তাদের সঠিক নাম পরিচয় ও তথ্য সংরক্ষণ করা হয়নি। 


কমিশন তাদের প্রতিবেদনে বেশকিছু সুপারিশ করে, যাতে করে ভবিষ্যতে বাহিনীগুলোতে এই ধরনের ঘটনা এড়ানো যায় এবং এই ঘটনার ভিকটিমরা ন‍্যায় বিচার পায়।


বৈঠকে অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আব্দুল হাফিজ ও স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি।

পরবর্তী খবর

হাসিনা-কামালের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

| প্রকাশিত: ৬:২৪ অপরাহ্ন, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক স্বৈরশাসক খুনি শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। আজ বুধবার ৪৫৩ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ এ রায় প্রকাশ করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রায় প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে মামলার আসামিদের আপিল করার সুযোগ রয়েছে।

আসামি থেকে রাজসাক্ষী বনে যাওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের আইনজীবী যায়েদ বিন আমজাদ রায়ের কপি হাতে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ মামলায় গত ১৭ নভেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আসামিদের বিরুদ্ধে এ রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন—বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির অপরাধ প্রমাণিত। দুটি অভিযোগে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একটি অভিযোগে আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অ্যাপ্রুভার (রাজসাক্ষী) হওয়ায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে এবং শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান। এর মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরের শাসনের অবসান ঘটে।

পরবর্তী খবর

মানবতাবিরোধী অপরাধ ,১৩ সেনা কর্মকর্তা ট্রাইব্যুনালে, নিরাপত্তা জোরদার

| প্রকাশিত: ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি মামলায় অভিযুক্ত ১৩ সেনা কর্মকর্তাকে আজ রোববার (২৩ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ আনা হচ্ছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় অতিরিক্ত সেনা ও বিজিবি মোতায়েন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

সকাল ১০টার দিকে কড়া নিরাপত্তায় প্রিজনভ্যানে করে তাদের ট্রাইব্যুনালে আনে পুলিশ। এরপর প্রিজনভ্যান থেকে নামিয়ে একে একে সেনা কর্মকর্তাদের হাজতখানায় নেওয়া হয়।

রোববার (২৩ নভেম্বর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১-এ শুনানির জন্য দিন ধার্য আছে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এর আগে, এসব মামলা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা আরেকটি মামলাসহ মোট তিন মামলায় ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৮ অক্টোবর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। একইদিন প্রসিকিউশন ফরমাল চার্জ দাখিল করে।

পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর হেফাজতে থাকা ১৫ কর্মকর্তাকে ২২ অক্টোবর সকালে সাধারণ পোশাকে বিশেষ প্রিজন ভ্যানে করে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে তাদের ঢাকা সেনানিবাসের ঘোষিত সাব-জেলে নেওয়া হয়।

গুম-নির্যাতনের দুই মামলার পলাতক আসামিদের হাজির হওয়ার জন্য বাংলা ও ইংরেজি দুই দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশও দেয় ট্রাইব্যুনাল। বিজ্ঞপ্তি ইতোমধ্যেই প্রকাশ হয়েছে।

এর আগে, পৃথক দুই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচ মহাপরিচালকসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল-১।

পরবর্তী খবর

পুরান ঢাকায় এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা

| প্রকাশিত: ৩:২০ অপরাহ্ন, ১০ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীর পুরান ঢাকার সূত্রাপুরে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে তারিক সাঈদ মামুন (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি সেখানে পড়ে ছিলেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা গেছেন বলে জানা যায়।

আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ বলছে, দুর্বৃত্তরা খুব কাছ থেকে ওই ব্যক্তিকে গুলি করেছে।

ওই ব্যক্তির কাছ থেকে পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানিয়েছে ওই ব্যক্তির নাম তারিক সাইফ মামুন। তাঁর বাড়ি লক্ষ্মীপুরে।

কোতোয়ালি থানায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াসিন বলেন, গুলির শব্দ শুনতে পেয়ে ন্যাশনাল হাসপাতালের সামনে এসে দেখি অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে আছেন। খুব কাছ থেকে তাঁকে গুলি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি বলেন, দুজন ব্যক্তি ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালের প্রবেশমুখে এসে ওই ব্যক্তিকে পেছন থেকে গুলি করেন। বেশ কয়েকটি গুলি করার পর ওই ব্যক্তি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর তাঁরা মোটরসাইকেলযোগে পালিয়ে যান।

ঢাকা মেডিকেলের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, ওই ব্যক্তির লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

পরবর্তী খবর

গাঁজা বিক্রি করতে নিষেধ করায় খুন হন সাম্য: ডিবি

| প্রকাশিত: ৩:৪৬ অপরাহ্ন, ০৮ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রদল নেতা এস এম শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেছে মামলার তদন্তসংস্থা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাঁজা বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ারকে হত্যা করা হয়েছে।’

শনিবার (৮ নভেম্বর) সকালে ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. আখতার মোর্শেদ অভিযোগপত্র দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করে এই তথ্য জানান তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মামলার তদন্তসংস্থা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) আদালতে অভিযোগপত্রটি দাখিল করে।

পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ বলেন, ‘এ মামলার অভিযোগপত্রে ৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আর ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।’

অভিযোগপত্রে তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর আখতার মোর্শেদ উল্লেখ করেন, সাম্য ও তার বন্ধুরা প্রায়ই উদ্যানে সময় কাটাতেন এবং মাদক বিক্রি বন্ধে স্থানীয়দের সচেতন করতেন। এতে মাদক বিক্রেতাদের সঙ্গে তাদের শত্রুতা তৈরি হয়। ১৩ মে রাতে সেই শত্রুতার জের ধরে সাম্যকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।

অভিযোগপত্রে তালিকাভুক্ত আসামিরা হলেন মেহেদী হাসান, মো. রাব্বি ওরফে কবুতর রাব্বি, মো. রিপন ওরফে আকাশ, নাহিদ হাসান পাপেল, মো. হৃদয় ইসলাম, মো. হারুন অর রশিদ সোহাগ ওরফে লম্বু সোহাগ ও মো. রবিন।

এদিকে তালিকাভুক্ত আসামিদের প্রসঙ্গে ডিবি জানায়, তারা সবাই মাদককারবারি।

এছাড়া অব্যাহতির সুপারিশ পাওয়া আসামিরা হলেন তামিম হাওলাদার, সম্রাট মল্লিক, পলাশ সরদার ও সুজন সরকার।

উল্লেখ্য, গত ১৩ মে দিবাগত রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত হন শাহরিয়ার। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ছিলেন তিনি।

এ ঘটনায় পরদিন অর্থাৎ ১৪ মে সকালে নিহত সাম্যের বড় ভাই শরীফুল ইসলাম শাহবাগ থানায় ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তী খবর

জেনেভা ক্যাম্পে দুই পক্ষের সংঘর্ষ: ককটেল বিস্ফোরণে তরুণ নিহত

| প্রকাশিত: ৩:২৬ অপরাহ্ন, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও ককটেল বিস্ফোরণে জাহিদ হোসেন (২০) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ভোর পৌনে ৪টার দিকে জেনেভা ক্যাম্পে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটলে জাহিদ হোসেন গুরুতর আহত হন।

নিহত জাহিদ মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের মৃত ইমরানের সন্তান। তিনি গ্রাফিক্স ডিজাইনার ছিলেন।

পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহিদ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত জাহিদের বন্ধু আফতাব হোসেন জানান, ভোর পৌনে ৪টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরার সময় তিনি হঠাৎ দুই পক্ষের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে যান। এ সময় একটি ককটেল বিস্ফোরণে জাহিদ গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ মর্গে রাখা আছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।

পরবর্তী খবর

মানবতাবিরোধী অপরাধ: শেখ হাসিনার মামলার রায় ১৩ নভেম্বর

| প্রকাশিত: ৩:২৬ অপরাহ্ন, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১২টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল আগামী ১৩ নভেম্বর এই মামলার রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন


আজ বিচারের শেষ দিনে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এবং চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

অপরদিকে, পলাতক আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

পরবর্তী খবর

খুলনায় স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, স্বামী আটক

| প্রকাশিত: ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

পারিবারিক কলহ ও মনোমালিন্যের জেরে খুলনায় ডলি বেগম (৪৫) নামে এক নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন তার স্বামী মো. নাজমুল হাসান মোল্লা (৫০)। স্থানীয়রা ঘাতক

স্বামীকে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে মহানগরীর লবণচরার সবুজপল্লীর মুসলিমার ভাড়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নাজমুল হাসান মোল্লা স্থানীয় রাজ্জাক মোল্লার ছেলে।

পুলিশ জানায়, দাম্পত্য কলহের জেরে নাজমুল হাসান মোল্লা তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে ডলি বেগমকে ধারালো ছুরি দিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন। প্রতিবেশীরা ডলি বেগমকে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

লবনচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানোয়ার হোসাইন মাসুম বলেন, নাজমুল হাসান ছুরি দিয়ে স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি জখম করে হত্যা করেন। তার মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ঘাতককে স্থানীয়রা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী মামলার যুক্তিতর্ক শেষ আজ

| প্রকাশিত: ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সর্বশেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করতে যাচ্ছে প্রসিকিউশন। আসামিপক্ষের যুক্তিখণ্ডন শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মামলাটি রায়ের জন্য দিন ধার্য করতে পারেন। এ পর্যন্ত দেওয়া সাক্ষ্য-প্রমাণ আসামিদের অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

গতকাল বুধবার (২২ অক্টোবর) এই মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন। পরে যুক্তিখণ্ডন করে প্রসিকিউশন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ এই মামলার সর্বশেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবে প্রসিকিউশন।

ট্রাইব্যুনালে আজ বক্তব্য তুলে ধরবেন চিফ প্রসিকিউটর। এছাড়া, এটর্নি জেনারেলও বক্তব্য রাখবেন।

এর আগে, শেখ হাসিনার মামলায় জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার, আহত, চিকিৎসকসহ ৫৪ জন সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্যে উঠে আসে– জুলাই গণহত্যা, নৃশংসতা, আওয়ামী লীগের আমলে গুম-খুনসহ নির্যাতনের নানা বিষয়।

এই মামলায় রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন জুলাই আগস্টের গণহত্যাকালীন পুলিশের আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি তুলে ধরেন গণহত্যার পেছনের ঘটনাও। উঠে আসে নির্দেশদাতা ও বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকাদের নাম।

প্রসিকিউশন বলছে, এখন পর্যন্ত যেসব সাক্ষ্য, প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে, তা দ্বারা পৃথিবীর যেকোনো আদালতে আসামিদের অপরাধ প্রমাণে যথেষ্ট।