মানিকছড়িতে ত্রিপুরা প্রতিপক্ষের হামলায় আহত আব্দুল হালিমের মৃত্যু

আব্দুল্লাহ আল মামুন, পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ১২:৪৫ অপরাহ্ন, ১৫ জুলাই ২০২১

খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার সাপমারা নোনাবিলে নিজ জমিতে চাষাবাদ করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের ৩আহত ব্যক্তির মধ্যে আবদুল হালিম(৫০) চমেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কৃষক আবদুল হালিম তার দুই ছেলে রাকিবুল ইসলাম ও রিফাত ইসলামকে নিয়ে বুধবার(১৪ই জুলাই) সকালে হালচাষের জমির পাড় পরিস্কার করতে গেলে পাশ্ববর্তী টিলায় বসবাসরত পূর্ণ কুমার ত্রিপুরা ও তার ছেলে বিমল কুমার ত্রিপুরার হামলার শিকার হয়। এসময়, আবদুল হালিম(৫০), ছেলে রাকিবুল ইসলাম(২৫), রিফাত ইসলাম(২২) গুরুত্বর আহত হয়।

খবর পেয়ে প্রতিবেশিরা তাদের উদ্ধার করে মানিকছড়ি হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক ডাঃ মহিউদ্দিন আহত তিন জনের মধ্যে দুইজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় আবদুল হালিম ও ছেলে রাকিবুল ইসলামকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এদিকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টায় চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আবদুল হালিম মৃত্যু বরণ।

মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোঃ শাহনূর আলম জানান, জমির পাড় নিয়ে পুরানো বিরোধে সংঘটিত ঘটনার চিকিৎসাধীন আবদুল হালিম মারা গেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনদের পক্ষ থেকে মামলা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পরবর্তী খবর

খালাস পেলেন নাসির-তামিমা, মামলা খারিজ

| প্রকাশিত: ৩:২৫ অপরাহ্ন, ১০ জুন ২০২৬

আইনগতভাবে বিচ্ছেদের আগেই নতুন করে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জশিতা ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। ব্যভিচারের অভিযোগ এনে তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হোসেন ২০২১ সালে এ মামলা করেছিলেন। এরপর থেকে চার বছরের বেশি সময় ধরে চলছিলো আলোচিত এই মামলা।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালে রাকিবের সঙ্গে তামিমার বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে। কিন্তু বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান থাকা অবস্থায় ২০২০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে বিয়ে করেন।


২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে নাসির ও তামিমার বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে এলে বিষয়টি জানতে পারেন রাকিব। পরে তিনি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের সেপ্টেম্বরে নাসির, তামিমা ও তামিমার মা সুমি আক্তারকে আসামি করে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।

২০২২ সালে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে নাসির ও তামিমার বিচার শুরু হয়। তবে তামিমার মা সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে অভিযোগ গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ এবং অব্যাহতির বিরুদ্ধে বাদীপক্ষ পৃথক আবেদন করলেও ২০২৩ সালে আদালত উভয় আবেদনই খারিজ করে দেন। এর মধ্য দিয়ে মামলার বিচার কার্যক্রমের আইনি বাধা দূর হয়।

মামলায় মোট ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। চলতি বছরের মার্চে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে নাসির ও তামিমা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। পরে আদালতে সাফাই সাক্ষ্য দিয়ে তামিমা বলেন, আগের স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটিয়ে বৈধভাবেই তিনি নাসির হোসেনকে বিয়ে করেছেন।

নাসিরের বিরুদ্ধে দুটি এবং তামিমার বিরুদ্ধে তিনটি ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার পরিচালিত হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে নাসিরের সর্বোচ্চ সাত বছর এবং তামিমার সর্বোচ্চ ২১ বছরের কারাদণ্ড হতে পারত। তবে বিচার শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুজনকেই খালাস দেন।

পরবর্তী খবর

সুপ্রিম কোর্টের আলাদা সচিবালয় গঠনের রায় স্থগিত

| প্রকাশিত: ২:৫৩ অপরাহ্ন, ০৯ জুন ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টের জন্য তিন মাসের মধ্যে আলাদা স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে এই রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানির জন্য আগামী ১৬ জুন দিন নির্ধারণ করেছে আদালত। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত থাকবে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এদিন সকালে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল শুনানি শুরু হয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

এর আগে গত ২১ মে হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছিলো রাষ্ট্রপক্ষ। গত সাত এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত ১৮৫ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করা হয়।

গত বছরের দুই সেপ্টেম্বর বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দিয়েছিলেন। রায়ে অধস্তন আদালতের দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) ও শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত থাকা সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বিধানটি বাতিল করে হাইকোর্ট। ফলে অধস্তন আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত হয়। একই সঙ্গে অধস্তন আদালতের জন্য ২০১৭ সালে করা শৃঙ্খলাবিধিও বাতিল ঘোষণা করেন আদালত।

২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ ও ২০১৭ সালের জুডিশিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং বিচার বিভাগীয় আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের সাতজন আইনজীবী একটি রিট দায়ের করেন। এরপর একই বছরের ২৭ অক্টোবর হাইকোর্ট এ বিষয়ে রুল জারি করেছিলেন।

পরবর্তী খবর

ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

| প্রকাশিত: ৩:৩৬ অপরাহ্ন, ০৮ জুন ২০২৬

হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় ব্যর্থতা ও মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের আবেদন খারিজ হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে শুনানি শেষে মামলা খারিজ করে দেন সিএমএম আদালতের বিচারক।

এরআগে, এদিন সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে মামলার আবেদন করেন কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল।

মামলার আবেদনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছাড়াও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম, সাবেক স্বাস্থ্য সচিব সাইদুর রহমান, ড. ইউনূসের তৎকালীন বিশেষ সহকারী ডা. সায়েদুর রহমান এবং সাবেক স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবু জাফরকে আসামি করা হয়।

মামলার আবেদনে অভিযোগ করা হয়, হামের টিকা সংকট ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার কারণে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

মামলার বাদী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, অন্তর্বতী সরকারের কাজের অবহেলার কারণ এবং টিকা আমদানিতে জটিলতার কারণে বিদেশি ভ্যাকসিন আমদানি বন্ধ করে দিয়ে পরবর্তীতে টেন্ডারের মাধ্যমে প্রক্রিয়ায় গিয়ে বন্ধ করে দেয়। যার কারণে এই রোগ সারাদেশে ছড়িয়ে যায়। 

তিনি বলেন, এ ঘটনায় যারা দোষী তাদের শাস্তি চাচ্ছি। ভবিষ্যতে কোনো সরকার যেন কোমলমতি শিশুদের প্রতি অবহেলা করতে না পারে সেটাই চাচ্ছি। 

গত ২০ মে হামের টিকা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ইউনিসেফ। সেখানে সংস্থাটির প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স জানান, টিকা সংকটের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে ১০ বার সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ এবং এ বিষয়ে ৫টি চিঠিও দেওয়া হয়েছিল। তবে সেসময় ব্যবস্থা নেননি স্বাস্থ্য উপদেষ্টা।

পরবর্তী খবর

এবার ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য বন্ধে হাইকোর্টে জয়া আহসান

| প্রকাশিত: ৪:৩৭ অপরাহ্ন, ০৭ জুন ২০২৬
হাতির ওপর নির্যাতন বন্ধে রিটের পর সম্প্রতি ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য বন্ধে হাইকোর্টের দারস্থ হয়েছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। তার এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঘোড়ার মাংস খাওয়া যাবে কি না এবং এ বিষয়ে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ কেন নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। 

একইসঙ্গে ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্যিক ব্যবহার ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন তৈরির নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) জয়া আহসানের রিট আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন হাইকোর্ট।

গত ১১ মে রিটটি দায়ের করেছিলেন জয়া আহসান। রিটে অসুস্থ প্রাণী মানুষের খাদ্য হিসেবে প্রতারণামূলকভাবে বাজারজাত করার অভিযোগে উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়।পূর্ববর্তী অনুরোধের পরও কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ায় পিটিশনকারীরা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। 

আবেদনে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো পূর্ববর্তী অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শুরু এবং গাজীপুরে উন্মোচিত অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্যের বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ ও সময়সীমাবদ্ধ তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিলের নির্দেশনাও চাওয়া হয়। 

পিটিশনকারীরা আরও অনুরোধ করেছেন, এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় নির্দেশিকা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, বাজেয়াপ্ত ও অসুস্থ ঘোড়ার নিলাম অবিলম্বে বন্ধ এবং উদ্ধারকৃত প্রাণীর পরিচর্যা ও পুনর্বাসনের জন্য যথাযথ সুবিধা বা অভয়ারণ্য—বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হোক। 

পিটিশনকারীদের ভাষ্য, তাৎক্ষণিক বিচারিক হস্তক্ষেপ ছাড়া এই অবৈধ কার্যক্রম জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে থাকতে পারে এবং প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা অব্যাহত থাকতে পারে। 

এর আগে, বন্দি হাতির সার্কাস, হাতির পিঠে ভ্রমণ, বিয়েবাড়িতে শোভাবর্ধন, বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের র‌্যালিতে বিজ্ঞাপনের মতো বা বিনোদন কাজে হাতি ব্যবহার করা এবং এই ব্যবহারের জন্য হাতিকে বাধ্য করতে নির্যাতনের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ বন্ধ করতে ২০২৪ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিলেন অভিনেত্রী জয়া আহসান এবং প্রাণী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন পিপল ফর অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (পিএডব্লিউ)।
পরবর্তী খবর

‘রামিসা হত্যা মামলার রায় উচ্চ আদালতেও বহাল থাকবে’, প্রত্যাশা আইনমন্ত্রীর

| প্রকাশিত: ৪:৩৬ অপরাহ্ন, ০৭ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ঘোষিত রায় উচ্চ আদালতেও বহাল থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

রবিবার (৭ জুন) রায় ঘোষণার পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মামলার নথি হাইকোর্টে পৌঁছালে দ্রুত শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এদিন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন, প্রধান আসামি সোহেল রানা সব অপরাধ স্বীকার করেছে এবং ঘটনার আগে শিশুটিকে ধর্ষণ করে হত্যা করে। অন্য আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার সোহেলকে ঘটনার পর পালাতে সহায়তার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়। 

বিচারক আরও বলেন, আসামিদের অপরাধ সংশোধনযোগ্য নয় এবং যথাযথ শাস্তি না দিলে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হবে।

এ রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করে দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন রামিসার বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা।

উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে পুলিশ তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দাখিল করে এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

মাত্র পাঁচ কর্মদিবসে সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষ করে দ্রুত রায় ঘোষণা করে আদালত, যা নজিরবিহীন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা
পরবর্তী খবর

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার ফাঁসির রায়

| প্রকাশিত: ১২:৪৪ অপরাহ্ন, ০৭ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের ফাঁসির রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।

রবিবার (৭ জুন) আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন। 

এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক। 

এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
পরবর্তী খবর

রামিসা হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

| প্রকাশিত: ৩:৫৩ অপরাহ্ন, ০৪ জুন ২০২৬

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় ৮ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়েছে। শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সালেকীন আগামী ৭ জুন এই মামলার রায় ঘোষণার দিন–তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

দুপুর পৌনে ১২টার দিকে শুনানি শুরু হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে রাষ্ট্রপক্ষে নিয়োজিত আইনজীবী বিশেষ পিপি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেন।

তিনি ট্রাইব্যুনালকে বলেন, মামলায় ১৬ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষীদের সাক্ষ্য, মামলার বিভিন্ন আলামত, ফরেনসিক রিপোর্ট তদন্ত প্রতিবেদন সবকিছু পর্যালোচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এমন একটি নৃশংস বীভৎস ও স্পর্শকাতর ঘটনায় আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

অন্যদিকে আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী মুসা কলিমুল্লাহ ন্যায়বিচার দাবি করেন। এর আগে, গতকাল বুধবার আত্মপক্ষ সমর্থনে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। সোহেল রানা ক্ষমাও চান। পরে ট্রাইব্যুনাল যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ধার্য করেন।



আলোচিত এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয় গত মঙ্গলবার । রাষ্ট্রপক্ষে ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। সাক্ষীরা হলেন— রামিসার বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা, মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, চতুর্থ তলার বাসিন্দা মনির হোসেন, প্রতিবেশী জাকিরুল ইসলাম রাজু, দ্বিতীয় তলার বাসিন্দা শেখ আবু সামা, ফুপা মনিরুজ্জামান শাহীন, কনস্টেবল রোমা আক্তার, কনস্টেবল শরীফ মিয়া, এসআই ইকবাল হোসেন, চিকিৎসক নাসাদ জাবিন, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ, এসআই রাশেদুল ইসলাম ও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. অহিদুজ্জামান।

এর আগে গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর সোহেল রানা পালিয়ে যান। বাসা থেকে তার স্ত্রীকে তখনই আটক করা হয়। পরে ওই দিনই সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২০ মে শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। ওই দিন বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দেন আসামি সোহেল রানা। জবানবন্দিতে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি।

তদন্ত শেষে ২৪ মে দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। দ্রুত বিচার শেষ করার উদ্দেশ্যে সেদিনই মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত করা হয়। এরপর ঈদের ছুটি শেষে সোমবার প্রথম কার্যদিবসে দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক। এরপর মঙ্গলবার এক দিনেই সাক্ষ্য দেন ১৬ জন সাক্ষী।

পরবর্তী খবর

ডলারকে ধরেন স্যার, সেও তো দোষী— আত্মপক্ষ শুনানিতে সোহেল

| প্রকাশিত: ১:৫৩ অপরাহ্ন, ০৩ জুন ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা আজ আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে বিচারকের প্রশ্নের জবাবে মাফ চেয়ে ন্যায়বিচার চেয়েছেন। আদালতে তিনি বলেছেন, ‘ডলারকে ধরেন স্যার, সেও তো দোষী।’ সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারও নিজেকে ‘নির্দোষ’ দাবি করে ন্যায়বিচার চেয়েছেন।

এর আগে সোমবার (১ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের শুনানির দিনও সোহেল দাবি করেছিলেন— তিনি শুধু রামিসাকে ‘দুই টুকরো’ করেছেন। ধর্ষণ এবং হত্যা করেছে ডলার নামের মিরপুরের এক ব্যক্তি; ডলারের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে তিনি এ কাজ করেছেন। তবে পুলিশ বলছে, কৌশলে নজর আরেক দিকে সরাতেই সোহেল এসব কথা বলছেন।

আজ বুধবার ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে সোহেল ও স্বপ্নর আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি হয়। বিচারক তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়ে শোনান। তখন তারা ন্যায়বিচার চান।


আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানির জন্য দুই আসামিকে সকালেই কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। বেলা ১১ টা ১০ মিনিটের দিকে বিচারক এজলাসে উঠেন। এরপর ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় বিচারক আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এবং ১৬ জনের সাক্ষ্য পড়ে শোনান।

বিচারক এরপর জানতে চান, ‘আসামিরা দোষী না নির্দোষ।’ উত্তরে স্বপ্না নিজেকে ‘নির্দোষ’ দাবি করেন। তবে সোহেল রানা মাফ চেয়ে বলেন, ‘স্যার, আমি নির্দোষ। খালাস চাই। আমাকে মাফ করে দেন। আমার সাথে ডলার ছিল, সেটা কেউ দেখে নাই। তাকে ধরেন স্যার। সেও তো দোষী।’

আজ শুনানিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী, বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু ও আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ উপস্থিত ছিলেন। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আদালত আগামীকাল বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেছেন বলে জানান সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ।


এর আগে গতকাল মঙ্গলবার এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য শোনে আদালত। সাক্ষীরা হলেন— রামিসার বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা, মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, চতুর্থ তলার বাসিন্দা মনির হোসেন, প্রতিবেশী জাকিরুল ইসলাম রাজু, দ্বিতীয় তলার বাসিন্দা শেখ আবু সামা, ফুপা মনিরুজ্জামান শাহীন, কনস্টেবল রোমা আক্তার, কনস্টেবল শরীফ মিয়া, এসআই ইকবাল হোসেন, চিকিৎসক নাসাদ জাবিন, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ, এসআই রাশেদুল ইসলাম ও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. অহিদুজ্জামান।

এর আগে গত ১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর একটি ভবনের তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ সেই ঘটনা সারা দেশে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দেয়। ঘটনার পর মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা ওই ফ্ল্যাটের টয়লেটের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে ওই বাসা থেকে তার স্ত্রীকে তখনই আটক করা হয়।

পরে ওই দিনই সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার পরদিন শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। ২০ মে বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দেন আসামি সোহেল রানা। জবানবন্দিতে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি।


পরবর্তী খবর

পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামির বক্তব্য প্রচারে আদালতের নিষেধাজ্ঞা

| প্রকাশিত: ৫:০১ অপরাহ্ন, ০২ জুন ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আদালতের বাইরে পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামিদের প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়া এবং সেই বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার না করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২ জুন) রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ আদেশ দেন। মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবী আজিজুর রহমান আদালতে এ আবেদন করেন।


শুনানিতে তিনি বলেন, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী পুলিশ হেফাজতে থাকা কোনো আসামি বিচারকের সামনে ছাড়া অন্য কোথাও বক্তব্য দিতে পারেন না। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতেরও স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, পুলিশি হেফাজতে থাকা কিংবা দণ্ডিত কোনো আসামির বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে প্রচার করা দেশের সর্বোচ্চ আদালত ও রাষ্ট্রীয় সংস্থার বিধান অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা অক্ষুণ্ন রাখা, জনমনে প্রভাব সৃষ্টির সুযোগ বন্ধ করা এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট নির্দেশনাগুলো কার্যকরভাবে অনুসরণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন এই আইনজীবী। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে পুলিশ হেফাজতে থাকা কোনো আসামি যাতে প্রকাশ্যে কারও সঙ্গে কথা বলতে না পারেন, সে বিষয়ে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিতে আদালতের কাছে আবেদন জানান তিনি। পরে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

পরবর্তী খবর

রামিসা হত্যা: অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ, আদালতে আসামি সোহেল-স্বপ্না

| প্রকাশিত: ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, ০১ জুন ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে সাত বছরের শিশু রামিসা হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। আজ সোমবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে প্রিজন ভ্যানে তাদের আদালতে আনা হয়।

সোহেল রানাকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্নাকে নারী হাজতখানায় রাখা হয়েছে। আজ আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের শুনানি হবে।


মহানগর দায়রা জজ আদালতের ইনচার্জ রিপন মোল্লা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আসামিদের হাজতখানায় নেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা পেলেই আদালতে তোলা হবে।

এর আগে গত ১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর একটি ভবনের তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা ওই ফ্ল্যাটের টয়লেটের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে ওই বাসা থেকে তার স্ত্রীকে তখনই আটক করা হয়।


পরে ওই দিনই সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার পরদিন শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। ২০ মে বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দেন আসামি সোহেল রানা। জবানবন্দিতে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি।