রামগড়ে শ্বশুর বাড়ি থেকে জামাইয়ের গলাকাটা লাশ উদ্ধার
খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার ২নং পাতাছড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ নতুনপাড়া থেকে এক উপজাতী যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার(২৫ জুলাই) ভোর ৫টায় নিজ শ্বশুর বাড়ি থেকে মারমা যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত যুবকের নাম চাইথোয়াই অং মার্মা ওরপে মশা মারমা(৩৬) সে রামগড় উপজেলার ১নং ইউনিয়নের লালছড়ি গ্রামের বজেন্দ্র মারমার ছেলে।
জানা যায়, নিহত মশা মারমার প্রথম স্ত্রী গত একমাস পূর্বে পালিয়ে অন্যত্র বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে ২০জুলাই পাতাছড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ নতুনপাড়ার চপাইয়ে মারমা (২০) পিতা মৃত পেঞ্চাচিয় মারমাকে ২য় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করে। চাপাইয়ে মার্মা ২বছর পূর্বে মাটিরাঙা উপজেলার তবলছড়ির পাইচা থ্যওয়াই(৩৭)কে বিবাহ করেছিলো তাদের সংসারে ২বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
চপাইয়ে মার্মা ২য় বিবাহের পর থেকে সাবেক স্বামী পাইচা থ্যওয়াই ফোনে তার বর্তমান স্বামীকে ছেড়ে তার সঙ্গে চলে আসতে বলে এবং এ নিয়ে তাদের মাঝে মতবিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহতের ছোট ভাই সাজু মার্মা বলেন আমার ভাই চপাই মার্মাকে বিয়ে করেছে মাত্র এক সাপ্তাহ হলো, ভাই বিয়ে করার পর থেকে ওই মহিলার ডিভোর্স দেয়া স্বামী তাকে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। আজকের এ হত্যাকান্ডের সাথে পুর্বের স্বামীসহ ভাইয়ের বউ জড়িত থাকার বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।
রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ শামসুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছে। এব্যাপারে আইনি প্রক্রিয়াধীন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ও শ্যালককে আটক করা হয়েছে।
হাসপাতালে শিশুর মাকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৩ পরিচ্ছন্নতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
নাটোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক শিশুর মাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতে তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত রোববার (৭ জুন) সকালে হাসপাতালের ষষ্ঠ তলায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা হলেন অমিত (২৩), অনিল (২৩) ও প্রাঙ্গণ (২৪)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থ দুই বছর বয়সী কন্যাকে নিয়ে গত ৫ জুন নাটোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন ওই নারী। অভিযোগ অনুযায়ী, ৭ জুন সকালে শিশুর ওষুধ সংগ্রহের কথা বলে পরিচ্ছন্নতাকর্মী অমিত তাঁকে হাসপাতালের ষষ্ঠ তলায় নিয়ে যান। সেখানে অনিল ও প্রাঙ্গণের সহযোগিতায় অমিত তাঁকে ধর্ষণ করেন। এ সময় অপর দুজন মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ওই সময় শিশুটি ওয়ার্ডে একা থাকায় কান্নাকাটি শুরু করলে নার্সরা তার মাকে খুঁজতে শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহজনক গতিবিধি দেখা যায়। পরে আনসার সদস্যরা ষষ্ঠ তলায় গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করেন।
হাসপাতালের আনসার সদস্য মো. সালাউদ্দিন জানান, বিষয়টি জানার পর তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের হাসপাতালে কর্তৃপক্ষের কাছে নিয়ে আসেন। প্রাথমিকভাবে অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে পরিস্থিতির মুখে তারা ঘটনার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য দেয় বলে দাবি করেন তিনি।
আনসার প্লাটুন কমান্ডার মো. মোন্নাফ হোসেন বলেন, ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তদের বক্তব্য মোবাইল ফোনে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেন, তাকে ধর্ষণের পাশাপাশি ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি কাউকে জানালে ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা না নিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।
তবে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক মো. আরশেদ আলী দাবি করেছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, হাসপাতালের ভেতরে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং গ্রহণযোগ্য নয়।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনসুর রহমান জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর স্বামীর লিখিত অভিযোগ মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
জেলার পুলিশ সুপার মো. শরীফুল হক বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সালিশে বসে ছুরিকাঘাত, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নিহত
রাজধানীর মৌচাক এলাকায় ছুরিকাঘাতে বিল্লাল হোসেন তালুকদার (৫৭) নামে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। ভাগনেকে মারধরের ঘটনায় সেখানে এক সালিশি বৈঠকে উপস্থিতি হয়েছিলেন তিনি। সেখানেই ঘটে ছুরিকাঘাতের ঘটনা।
সোমবার (৮ জুন) রাত ৮টার দিকে মৌচাকের আনারকলি মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ছুরিকাঘাতের পর বিল্লালকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত ৯টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত বিল্লাল হোসেন তালুকদার স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক। তার বাড়ি মালিবাগের বাগানবাড়ি এলাকায়। সেখানে বালু ও সিমেন্টের ব্যবসা করতেন তিনি। তার বাবা মৃত ইউনুছ তালুকদার।
বিল্লালের ভাগনে মো. মোবারক হোসেন আকাশ জানান, আনারকলি মার্কেটের সামনে সন্ধ্যায় তাকে কয়েকজন মারধর করেন। মারধরে শিকার হয়ে তিনি মামা বিল্লাল হোসেনকে ডেকে নেন। যুবদলের রমনা থানার আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবু ও সাধারণ সম্পাদক লুৎফরের উপস্থিতিতে সেখানে সন্ধ্যার মারধর নিয়ে সালিশ বৈঠক হয়।
আকাশ আরও জানান, বৈঠকের মধ্যেই বিল্লাল এবং বাবু-লুৎফরের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বাবুর অনুসারীরা বিল্লালকে বুকে ছুরিকাঘাত করেন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, ছুরিকাঘাতে আহত অবস্থায় একজনকে ঢামেক হাসপাতালে আনা হয়েছিল। চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন। তার বুকে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে।
ডলারকে ধরেন স্যার, সেও তো দোষী— আত্মপক্ষ শুনানিতে সোহেল
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা আজ আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে বিচারকের প্রশ্নের জবাবে মাফ চেয়ে ন্যায়বিচার চেয়েছেন। আদালতে তিনি বলেছেন, ‘ডলারকে ধরেন স্যার, সেও তো দোষী।’ সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারও নিজেকে ‘নির্দোষ’ দাবি করে ন্যায়বিচার চেয়েছেন।
এর আগে সোমবার (১ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের শুনানির দিনও সোহেল দাবি করেছিলেন— তিনি শুধু রামিসাকে ‘দুই টুকরো’ করেছেন। ধর্ষণ এবং হত্যা করেছে ডলার নামের মিরপুরের এক ব্যক্তি; ডলারের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে তিনি এ কাজ করেছেন। তবে পুলিশ বলছে, কৌশলে নজর আরেক দিকে সরাতেই সোহেল এসব কথা বলছেন।
আজ বুধবার ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে সোহেল ও স্বপ্নর আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি হয়। বিচারক তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়ে শোনান। তখন তারা ন্যায়বিচার চান।
আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানির জন্য দুই আসামিকে সকালেই কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। বেলা ১১ টা ১০ মিনিটের দিকে বিচারক এজলাসে উঠেন। এরপর ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় বিচারক আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এবং ১৬ জনের সাক্ষ্য পড়ে শোনান।
বিচারক এরপর জানতে চান, ‘আসামিরা দোষী না নির্দোষ।’ উত্তরে স্বপ্না নিজেকে ‘নির্দোষ’ দাবি করেন। তবে সোহেল রানা মাফ চেয়ে বলেন, ‘স্যার, আমি নির্দোষ। খালাস চাই। আমাকে মাফ করে দেন। আমার সাথে ডলার ছিল, সেটা কেউ দেখে নাই। তাকে ধরেন স্যার। সেও তো দোষী।’
আজ শুনানিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী, বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু ও আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ উপস্থিত ছিলেন। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আদালত আগামীকাল বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেছেন বলে জানান সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য শোনে আদালত। সাক্ষীরা হলেন— রামিসার বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা, মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, চতুর্থ তলার বাসিন্দা মনির হোসেন, প্রতিবেশী জাকিরুল ইসলাম রাজু, দ্বিতীয় তলার বাসিন্দা শেখ আবু সামা, ফুপা মনিরুজ্জামান শাহীন, কনস্টেবল রোমা আক্তার, কনস্টেবল শরীফ মিয়া, এসআই ইকবাল হোসেন, চিকিৎসক নাসাদ জাবিন, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ, এসআই রাশেদুল ইসলাম ও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. অহিদুজ্জামান।
এর আগে গত ১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর একটি ভবনের তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ সেই ঘটনা সারা দেশে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দেয়। ঘটনার পর মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা ওই ফ্ল্যাটের টয়লেটের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে ওই বাসা থেকে তার স্ত্রীকে তখনই আটক করা হয়।
পরে ওই দিনই সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার পরদিন শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। ২০ মে বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দেন আসামি সোহেল রানা। জবানবন্দিতে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে এনসিপি নেতা কারাগারে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আনোয়ার হোসেনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রোববার (৩১ মে) সাইবার সুরক্ষা আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় রায়পুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন স্থানীয় যুবদল নেতা রুহুল আমিন মিঝি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আনোয়ার হোসেন তার ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে নিয়ে আপত্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করেন। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে বাদীপক্ষের ওপর হামলা ও হত্যাচেষ্টার ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলায় এনসিপি নেতা আনোয়ার হোসেনসহ আটজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আনোয়ারের ভাই ইমন হোসেন, রুবেল হোসেন ও দিপুর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪ জনকে আসামি করা হয়।
অন্যদিকে এনসিপির জেলা কমিটির সিনিয়র সদস্য সচিব আলমগীর হোসাইন দাবি করেন, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে আনোয়ার হোসেনের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। তাকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, আনোয়ারসহ কয়েকজনের নামে থানায় মামলা হয়েছে। ওই মামলায় আনোয়ারকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
জেলা জজ আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) আব্দুল আহাদ শাকিল পাটওয়ারী বলেন, আনোয়ারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচারে সাইবার সুরক্ষা এবং বাদীসহ সাক্ষীদের মারধরে দণ্ডবিধিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতের বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
মানিকগঞ্জে ভাবি-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, আহত বড় ভাই
মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে হাতুড়ি-দা দিয়ে কুপিয়ে ভাবি ও ভাতিজাকে হত্যার পর বড় ভাইকেও গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে ইউসুফ নামে এক তরুণের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার রাতে ১০টার দিকে উপজেলায় বাঁচামারা ইউনিয়নের কাচারীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন দৌলতপুর থানার ওসি স্বপন কুমার সরকার।
নিহতরা হলেন— ওই এলাকার সালাম উল্লাহর স্ত্রী আমেনা আক্তার (২৯) ও তাদের দুই বছর বয়সী ছেলে আসলাম। সালাম উল্লাহ বাঁচামারা বাজারের ব্যবসায়ী আর ছোট ভাই ইউসুফ (৪০) ঢাকায় থাকেন। ঘটনার পর থেকে সালাম ইউসুফ আলী পলাতক।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, ঈদ উপলক্ষ্যে বাড়িতে আসার পর থেকেই বড় ভাই সালামের সঙ্গে ইউসুফের পারিবারিক বিরোধ চলছিল। শনিবার রাতে দোকান থেকে সালাম বাড়ি ফিরলেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেন ইউসুফ। পরে তিনি পালিয়ে যান।
পুলিশ আরও জানায়, রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইউসুফকে বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে অত্যন্ত তড়িঘড়ি করে চলে যেতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় সালামকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। কিন্তু এর আগেই ঘরে হত্যা করা হয়েছিল আমেনা ও তার দুই বছরের শিশুকে।
ওসি স্বপন কুমার সরকার বলেন, সালামকে উদ্ধারের সময় ঘরে মা-ছেলের মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। ঘটনাস্থলে রক্তাক্ত দা ও হাতুড়ি পড়ে থাকতেও দেখেন তারা। ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
ওসি আরও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনার পর থেকে ইউসুফ আলী পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।’
খুলনায় ভাড়া বাসা থেকে ২ শিশুর মরদেহ উদ্ধার
খুলনায় একটি ভাড়াটিয়া বাসা থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন দারুল আমান মহল্লার একটি বাসা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বলছে, আলামত সংগ্রহ ও হত্যাকারীদের চিহ্নিত করতে সিআইডির ক্রাইম সিনের টিম কল করা হয়েছে।
নিহতরা হলো শামিম (১৩) ও মুসতাকিন (৪)।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেন, নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন হাজী তমিজউদ্দিন সড়কস্থ দারুল আমান মহল্লায় শরিফুল ইসলামের বাড়ির ভাড়াটিয়া ফাতেমার প্রথম পক্ষের সন্তান শামীম (১৩) ও মুস্তাকিম (৪)-এর লাশ উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া দুই শিশুর বাবার নাম মাসুম বেপারী হলেও তাদের মা ফাতেমা বর্তমানে রফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে বিয়ে করে সন্তান দুটি নিয়ে তার সঙ্গেই থাকছেন।
কেএমপি কমিশনার আরো বলেন, চার বছর আগে ফাতেমা বেগমের প্রথম স্বামী লবণচরা থানাধীন কৃষ্ণনগর এলাকার মাসুম বেপারীকে ডিভোর্স দিয়ে রফিকুল ইসলামকে বিয়ে করেন। ফাতেমার বর্তমান স্বামীর সঙ্গেই শামীম ও মুস্তাকিম থাকতো।
জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে হামলা, গোলাগুলি
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে গভীর রাতে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় র্যাব সদস্যরা পালটা গুলি করলে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে গোলাগুলি হয়।
রোববার (২৪ মে) রাত ২টার দিকে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে এ হামলা চালানো হয়।
র্যাব-৭-এর কমান্ডিং কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, সন্ত্রাসী ইয়াসিন গ্রুপ রাত ১টার দিকে জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে নন-লিথাল অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পরে যৌথ বাহিনী এলাকায় প্রবেশ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
র্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে যৌথ বাহিনী গোটা এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে। ঘটনাস্থল ঘিরে রেখে তল্লাশি চলছে। এখন পর্যন্ত হতাহত কিংবা কাউকে আটকের তথ্য নেই বলে জানান তিনি।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত জঙ্গল সলিমপুর। দুর্গম এই পাহাড়ি এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানা হিসেবে পরিচিত। এ এলাকায় সরকারি খাসজমিতে গড়ে তোলা হয়েছে অবৈধ বসতি। পাশাপাশি পাহাড় কেটে নির্মাণ করা হয়েছে অসংখ্য ঘরবাড়ি, দোকান ও মার্কেট।
ভূমি অফিসের তথ্য, প্রায় তিন হাজার ১০০ একর আয়তনের এ এলাকায় দীর্ঘ চার দশক ধরে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আধিপত্য রয়েছে। সরকার জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ প্রশিক্ষণ একাডেমি, কারাগারসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু এলাকাটি দখলমুক্ত করতে না পারায় কোনো উদ্যোগই বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।
এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি একই এলাকায় সন্ত্রাসীদের হামলায় র্যাবের উপসহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন নিহত হন। একই ঘটনায় আরও তিন র্যাব সদস্য ও একজন সোর্স আহত হন। এ ঘটনায় র্যাবের পক্ষে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা করা হলেও মূল আসামিরা রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।
এ ঘটনার পর যৌথ বাহিনীর অভিযানে সন্ত্রাসীরা জঙ্গল সলিমপুরের নিয়ন্ত্রণ হারায়। পরে খানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করেছে।
ফরেনসিকে রামিসাকে ধর্ষণের প্রমাণ, সোহেল ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রস্তুত
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ।
রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান বলেন, গতকাল ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দু’জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৭ বছর বয়সি শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফরেনসিক রিপোর্ট সম্পন্ন হয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্টে মৃত্যুর আগে রামিসাকে ধর্ষণেরও প্রমাণ মিলেছে। রোববার ফরেনসিক রিপোর্ট পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।
ফরেনসিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার দিন শিশু রামিসাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। এরপর ধর্ষণ শেষে প্রথমে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে তার দেহ থেকে মাথা ও হাত বিচ্ছিন্ন করা হয়।
এদিকে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শনিবার (২৩ মে) তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে ডিএনএ রিপোর্ট হস্তান্তর করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা ডিএনএ রিপোর্ট হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনায় আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। শনিবার আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।
গত বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। একই দিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত গ্রেপ্তার সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সাত দিনের মধ্যে শেষ হবে রামিসা হত্যার বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিচার আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যেই শেষ হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
রোববার (২৪ মে) রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে রামিসা হত্যা মামলার অগ্রগতি তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, রামিসার ঘটনায় চার্জশিট আজই। বিশেষ এই আদালতে ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বিচার কাজ সম্পন্ন করা হবে। যদিও আদালতের বিষয় এটি। আশা করছি আদালত সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করবেন।
তিনি বলেন, সরকার হিসেবে আমরা করতে পারি যে তার আইনানুগ ব্যবস্থা এবং বিচারের ব্যবস্থাটা নিশ্চিত করা। আমরা সবচাইতে মনোযোগ এখানেই দিয়েছি যে দ্রুততম সময়ে যাতে অভিযুক্ত বা অপরাধীরা গ্রেপ্তার হয়। সেই জায়গায় এই তিন মাসে প্রত্যেকটি ঘটনায় আমরা সফল হয়েছি, ইনশাআল্লাহ। আর আল্লাহর রহমতে ভবিষ্যতেও আমরা এই জাতীয় যে কোনো ঘৃণ্য অপরাধের, ঘৃণ্য অপরাধের অভিযুক্ত বা অপরাধীদের কোনোভাবেই ছাড় দেবো না।
এটি একটি বিশেষ আদালতে বিচারাধীন হবে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচার শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার মাত্র সাত ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ওই জবানবন্দিতে তার স্ত্রীর সংশ্লিষ্টতার তথ্যও উঠে এসেছে। পরে তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি জানান, তদন্তের অংশ হিসেবে দ্রুত ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। সাধারণত এ ধরনের পরীক্ষার ফল পেতে কয়েকদিন সময় লাগলেও তিন দিনের মধ্যেই প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। এর পাশাপাশি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনও হাতে এসেছে। সব তথ্য-প্রমাণ একত্র করে চার্জশিট প্রস্তুত করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আদালত এর মধ্যে ছুটিতে যাবে আপনারা অনেকে জানেন। কিন্তু এই বিশেষ আদালতের ছুটি চিফ জাস্টিস বাতিল করার চিন্তা করছেন; এখনো হয়েছে কি না আমি জানি না, এটা আইন মন্ত্রণালয় ডিল করছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা একজন স্পেশাল পিপি নিয়োগ করেছি শুধুমাত্র এই মামলাটা ডিল করার জন্য। সবকিছু বিবেচনায় আমরা আশা করছি যে আজকের মধ্যে তো চার্জশিট দেওয়া হবেই এবং খুব সম্ভবত পাঁচ থেকে সাত দিনের ভিতরে এই বিচার কার্য সমাপ্ত হবে।
রামিসা হত্যাকাণ্ড: যে তথ্য মিলেছে ফরেনসিক রিপোর্টে
সর্বশেষ - খুন
- ১ শেখ হাসিনাসহ ১৩ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি শুরু
- ২ বিডিআর হত্যাকাণ্ডে দলগতভাবে জড়িত আওয়ামী লীগ, মূল সমন্বয়কারী তাপস: কমিশন
- ৩ হাসিনা-কামালের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
- ৪ মানবতাবিরোধী অপরাধ ,১৩ সেনা কর্মকর্তা ট্রাইব্যুনালে, নিরাপত্তা জোরদার
- ৫ পুরান ঢাকায় এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা