নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যার পর মিষ্টি বিতরণ

Tajuddin Ahmed | প্রকাশিত: ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় মিজানুর রহমান ওরফে রনি (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর নিহতকে ডাকাত আখ্যা দিয়ে একদল যুবক বাজারে মিষ্টি বিতরণ করে। শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কালিরহাট বাজারসংলগ্ন কাজী বাড়ির সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মিজানুর রহমান কবিরহাট পৌরসভার জৈনদপুর এলাকার মো. শহীদের ছেলে।
তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি, দুটি চুরি, একটি অস্ত্র মামলা ও সরকারি কর্মচারীর ওপর হামলাসহ অন্তত ছয়টি মামলা রয়েছে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ৮টার দিকে কালিরহাট বাজারে ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির একটি নির্বাচনী বৈঠক চলছিল। এ সময় মিজান সেখানে উপস্থিত হয়ে নিজেকে দলের ত্যাগী কর্মী দাবি করেন এবং বৈঠকে উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তাকে ধাওয়া দিলে তিনি সেখান থেকে চলে যান। পরে কালিবাজারের উত্তরে কাজী বাড়ির সামনে তাকে আটক করে কয়েকজন ব্যক্তি লাঠি ও লোহার পাইপ দিয়ে তার মুখ ও মাথায় এলোপাতাড়ি পিটিয়ে থেঁতলে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে তার মরদেহ সড়কে ফেলে রাখা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রস্তুত করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা একটি লাঠি ও একটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়। নিহতের পকেট থেকে একটি খেলনা পিস্তল ও ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।


নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হারুনুর রশীদ হারুন বলেন, আমরা আমাদের অফিসে বসে নির্বাচনী কথাবার্তা বলছিলাম। সেখানে মিজান এলে কথা কাটাকাটি হয়।
পরে সে সেখান থেকে চলে যায়। পরে শুনি কে বা কাহারা তাকে হত্যা করে মরদেহ রাস্তার ফেলে যায়। মিষ্টি বিতরণের বিষয়টি আমার জানা নেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, মিজান এলাকায় ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত থাকায় তাকে মারার পর বাজারে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।  

কবিরহাট থানার ওসি মোঃ নিজাম উদ্দিন ভূঁঞা জানান, গণপিটুনিতে ডাকাত নিহত হওয়ার খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। ঘটনাস্থলে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। নিহতের পকেট থেকে একটি খেলনা পিস্তল ও ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

তিনি আরো বলেন, নিহতের পরিবার এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 
পরবর্তী খবর

এসএসসি পরীক্ষা: প্রশ্নফাঁস রোধে সাইবার মনিটরিং জোরদার হচ্ছে

| প্রকাশিত: ৩:৪৫ অপরাহ্ন, ২০ এপ্রিল ২০২৬

আসন্ন এসএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রশ্নফাঁস ও নকল প্রতিরোধে নজিরবিহীন কড়াকড়ি আরোপ করেছে সরকার। সাইবার অপরাধ ঠেকাতে জোরদার করা হয়েছে অনলাইন মনিটরিং, গঠন করা হয়েছে বিশেষ মনিটরিং সেল। পাশাপাশি জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) যুক্ত করে চালু করা হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, যাতে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

সোমবার (২০ এপ্রিল) চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রশ্নফাঁস ও অনিয়ম ঠেকাতে সাইবার অপরাধের দিকেও বিশেষ নজরদারি করা হচ্ছে। প্রশ্নপত্র থানা থেকে যারা গ্রহণ করেন, তাদের তালিকা সংগ্রহ করে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম ঘটলে তা দ্রুত শনাক্ত করা যায়। প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপও চালু করা হয়েছে, যেখানে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) যুক্ত আছেন।

প্রশ্নফাঁস প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও বিতরণব্যবস্থার অনেক কিছুই পূর্ববর্তী সরকারের সময় নির্ধারিত ছিল, বর্তমান সরকার মূলত পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছে। তবে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা সচল আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, পাবলিক পরীক্ষা আইন ১৯৮০ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং এতে ডিজিটাল অপরাধের বিষয়গুলো যুক্ত করা হয়েছে। সংশোধিত আইনটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি পরীক্ষার আওতা ও কাঠামোতেও কিছু পরিবর্তন আনার উদ্যোগ রয়েছে।

খাতা মূল্যায়নের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষকদের যথেষ্ট সময় দিয়ে খাতা দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মূল্যায়ন পদ্ধতি সঠিকভাবে অনুসরণ হচ্ছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে ‘মানবিক নম্বর’ দেওয়ার জন্য কোনো ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলে স্পষ্ট করেন তিনি।

কোচিং সেন্টার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, শ্রেণিকক্ষে যথাযথ পাঠদান না হলে শিক্ষার্থীরা কোচিংয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ে। তবে কোচিং সেন্টারগুলোর কোনো সরকারি নিবন্ধন বা তালিকা নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তিনি জানান, এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় যোগাযোগও করা হয়েছে।

পরবর্তী খবর

সারাদেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

| প্রকাশিত: ১২:৪৫ অপরাহ্ন, ২০ এপ্রিল ২০২৬
আজ থেকে সারা দেশে শুরু হচ্ছে হামের গণটিকা কার্যক্রম। সারা দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। 

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে জিন্দাপার্কে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।জানা গেছে, এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া বাকি দিনগুলোতে সকাল ৮টা থেকে সব স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে এই টিকা দেওয়া হবে। ১৮ জেলার ৩০ উপজেলা ও ৪ সিটি করপোরেশনসহ সব এলাকা মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে এই কার্যক্রমের আওতায় টিকা দেওয়া হবে।

এর আগে, গত ৫ এপ্রিল প্রথম ধাপে শুরু হওয়া কর্মসূচি আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত এবং ১২ এপ্রিল শুরু হওয়া কর্মসূচি ১২ মে পর্যন্ত চলবে। দেশব্যাপী এই বিশেষ ক্যাম্পেইন সিটি করপোরেশন এলাকায় ২০ মে পর্যন্ত এবং দেশের অন্যান্য স্থানে ১২ মে পর্যন্ত চলবে।

এদিকে, যেসব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদের এই সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর টিকা দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
পরবর্তী খবর

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

| প্রকাশিত: ৬:০৮ অপরাহ্ন, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশু এবং হামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার হাম বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮০৪ শিশু। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ১৬৫ শিশুর। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই সর্বোচ্চ ১৪৮টি শিশু রয়েছে।

এসময় সারা দেশে ১ হাজার ১৯৭টি শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা যায়। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮০৪টি শিশু। এর মধ্যে ৫৬৩টি শিশুই ঢাকা বিভাগের।

এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ৬৪৫টি শিশু গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিভাগের ৩০০ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা গেছে মোট ২৩ হাজার ৬০৬টি শিশুর মধ্যে। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৫ হাজার ৩২৬টি শিশু।

তাদের মধ্যে ৩ হাজার ৪৪৩ জনের হাম শনাক্ত হয়। আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়া রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ৩৯৬।

পরবর্তী খবর

সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৪ হাজার ৪৫৭ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী

| প্রকাশিত: ২:২৮ অপরাহ্ন, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
পবিত্র হজ ২০২৬ পালনের জন্য আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১৮ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সৌদি আরব যাত্রা শুরু হয়েছে। হজের প্রথম দিনে সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনায় মোট ৪ হাজার ৪৫৭ জন হজযাত্রী নিরাপদে পবিত্র ভূমিতে পৌঁছেছেন। 

রবিবার (১৯ এপ্রিল) হজ পোর্টালের তথ্যমতে, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ হাজার ২৪৬ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ২১১ জন যাত্রী ইতিমধ্যে সেখানে অবস্থান করছেন।

হজের প্রথম দিনে যাত্রায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম ফ্লাইট বিজি ৩ হাজার ১ ফ্লাইটে  ৪১৬ জন হজযাত্রী জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এই যাত্রীদের স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলোয়ার হোসেন এবং জেদ্দার কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন। 

এছাড়াও মক্কা হজ অফিসের কাউন্সিলর কামরুল ইসলামসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমানবন্দর এলাকায় উপস্থিত থেকে হজযাত্রীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। 

একই দিনে সরকারি ব্যবস্থাপনার আরও দুটি ফ্লাইটে ৮০৩ জন হজযাত্রী মদিনার প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। সব মিলিয়ে প্রথম দিনেই মোট এগারোটি ফ্লাইটের মাধ্যমে হজযাত্রীদের সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ছয়টি ফ্লাইটে ২ হাজার ৪৭০ জন যাত্রীকে নিয়ে গেছে। সৌদি এয়ারলাইন্স চারটি ফ্লাইটে ১ হাজার ৫৫৭ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স একটি ফ্লাইটে ৪২৩ জন হজযাত্রী পরিবহন করেছে।

সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর হজযাত্রীদের সহায়তার জন্য আইটি হেল্পডেস্ক ইতিমধ্যে পুরোদমে কাজ শুরু করেছে। প্রথম দিনেই তারা প্রায় ২৭৫টি সেবা প্রদান করেছে যা হজযাত্রীদের প্রাথমিক পথচলা সহজতর করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো হজযাত্রীর বড় ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়নি । স্বাস্থ্যসেবার দিক থেকে কর্তৃপক্ষ পুরো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যাতে বয়োজ্যেষ্ঠ হজযাত্রীরা কোনো ধরনের ভোগান্তিতে না পড়েন।

চলতি বছর চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবার সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মোট  ৮৩ হাজার ৬৫ জন হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই হজযাত্রীদের সৌদি আরব যাওয়ার যাত্রা আগামী ২১ মে পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট আগামী ৩০মে শুরু হবে এবং তা ৩০জুন পর্যন্ত চলবে বলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। 
পরবর্তী খবর

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

| প্রকাশিত: ৪:৫৪ অপরাহ্ন, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হবে।

শনিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম কামাল উদ্দিন।

তিনি বলেন, সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে আগামী ২ জুলাই থেকে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু করার।

এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথমবারের মতো দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসহ মোট ১১টি বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্র থাকলেও সাধারণ বোর্ডগুলোতে আলাদা আলাদা প্রশ্নে পরীক্ষা হতো।
পরবর্তী খবর

সময়মতো হামের টিকা না দিয়ে বিগত দুই সরকার ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

| প্রকাশিত: ৪:৫৩ অপরাহ্ন, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

বিগত দুই সরকারের সময় ঠিকমতো হামের টিকা না দেওয়া ক্ষমাহীন অপরাধ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সম্মেলনে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বিগত দুই সরকারের গাফিলতিতে হাম ছড়িয়ে পড়ে এবং বহু শিশুর মৃত্যু হয়। সময়মতো হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে দুই সরকারই। বর্তমান সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় হামের প্রাদুর্ভাব থেকে বহু শিশুর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।
 
তিনি বলেন, ‘এই সম্মেলন শুধু আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়, এটি স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি।’
 
তারেক রহমান বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা থাকবে। এ লক্ষ্যে ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দেন কিউর’ নীতিতে এগিয়ে যাবো আমরা।’
 
স্বাস্থ্যখাতে ক্রমান্বয়ে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা শক্তিশালী করা এবং নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেবে সরকার। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে পূর্ণাঙ্গ মাতৃত্ব ও শিশুস্বাস্থ্য সেবার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।’
 
স্বাস্থ্যকর্মীদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও জীবনমান উন্নয়নের অঙ্গীকার করে সরকার প্রধান বলেন, ‘এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। যার ৮০ শতাংশ নারী থাকবে।’
 
দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ই-হেলথ কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে ডিজিটাল স্বাস্থ্যতথ্য সংরক্ষণ ও সহজ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা যাবে।’
 
এ সময় স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার নেতৃত্ব, টিকাদান, মাতৃস্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধে কর্মকর্তাদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারেক রহমান। 

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যখাতে কাঠামোগত ও জনবল ঘাটতি দূর করার পরিকল্পনা রয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা জোরদার করা হবে।’
 
মানবিক, জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের স্বাস্থ্যসেবা যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস) মডেলে সাজানোর পরিকল্পনা রয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের চলাচলের জন্য গাড়ির তেল ও চালকের ব্যবস্থা করা হবে। তবে এজন্য আন্তর্জাতিক সমস্যা শেষ হওয়ার অপেক্ষায় আছে সরকার।’
 
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান সরকার প্রধান।
 
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। সম্মেলনে সারা দেশ থেকে আসা পাঁচ শতাধিক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অংশ নেন।

পরবর্তী খবর

৪১৯ যাত্রী নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট জেদ্দায় পৌঁছেছে

| প্রকাশিত: ১২:১৩ অপরাহ্ন, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

চলতি বছরের হজ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট সৌদি আরবে পৌঁছেছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত বিজি-৩০০১ ফ্লাইটটি সৌদি আরবের স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ২০ মিনিটে কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ অবতরণ করে।  ফ্লাইটটিতে মোট ৪১৯ জন হজযাত্রী ছিলেন।

জেদ্দা বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং তাদের হাতে রিফ্রেশমেন্ট কিট তুলে দেওয়া হয়।

হজযাত্রীদের অভ্যর্থনা জানান সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ দেলওয়ার হোসেন এবং কাউন্সিলর (হজ) মোঃ কামরুল ইসলাম।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেটের কনসাল জেনারেল মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, সহকারী মৌসুমি হজ অফিসার মোঃ রুহুল আমিন, জেদ্দা হজ টার্মিনালের হেড অব অপারেশন ইহাহিয়া রাদি এবং হাজিদের অভ্যর্থনায় নিয়োজিত সৌদি প্রতিষ্ঠান নুসুক মারহাবা-এর ম্যানেজার রায়েদ বাকশাউন।

এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ হজ ফ্লাইট-২০২৬ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো বাংলাদেশের ২০২৬ সালের হজযাত্রা কার্যক্রম।

পরবর্তী খবর

হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

| প্রকাশিত: ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

হজ ক্যাম্প ও হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম ফ্লাইটে হজ যাত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমে হজ ক্যাম্প উদ্বোধন করেন। সেখানে তিনি হাজীদের সঙ্গে কোলাকুলি করেন এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

‘‘পরে প্রধানমন্ত্রী হজের প্রথম ফ্লাইট, অর্থাৎ বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে উঠেন এবং হাজীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দোয়া করেন, যেন তারা নিরাপদে সৌদি আরবে পৌঁছান। এর মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হজ ক্যাম্প ও হজ ফ্লাইটের উদ্বোধন করলেন।”

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হজযাত্রীদের দেশ ও জাতির জন্য দোয়া করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।

“প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, হজের সময় যেসব সমস্যা হয়, তা নিরসনে সরকার কাজ করেছে। আগামীতে এই ব্যবস্থা আরো উন্নত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।”

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জ্বল হোসেন কায়কোবাদ, বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, সৌদি রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহ, ধর্ম সচিব মুন্সি আলাউদ্দিন আল আজাদ, বেসামরিক বিমান চলাচল সচিব ফাহমিদা আখতার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী রাতে ১০টা ৫০ মিনিটে আশকোনা হজ ক্যাম্পে যান, সেখানে তিনি হজযাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরে সেখানে একটি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধন করেন তিনি।

রাত ১২টা ২০ মিনিটে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা।

পরবর্তী খবর

নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অসহায় ও ভূমিহীনদের উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

| প্রকাশিত: ১২:০০ অপরাহ্ন, ১৭ এপ্রিল ২০২৬


বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা:

নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অসহায়, দরিদ্র ও ভূমিহীন মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ভূমি ও গৃহহীন হাউজিং লিমিটেডের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাব ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউজ ক্লাবের আয়োজনে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ, তোপখানা সড়কে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা প্রেসক্লাব ও আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, “দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন না হলে কখনোই একটি সুন্দর ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়।” তিনি আরও বলেন, নতুন বাংলা বছরের শুরুতেই সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং দৈনিক মাতৃ জগত পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক খান সেলিম রহমান। তিনি বলেন, “আমরা শুধু সাংবাদিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না, বরং দেশের দরিদ্র মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে চাই। সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”

প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার প্রেসক্লাবের সভাপতি ও জাতীয় দৈনিক ‘মানবাধিকার প্রতিদিন’ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ আবুল হাসান। তিনি বলেন, “ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতির নেতৃত্বে আমরা সমাজের বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে কাজ করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন দক্ষিণাঞ্চল সাংবাদিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা ও দৈনিক খবরের সময় পত্রিকার প্রকাশক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া। তিনি বলেন, “আমাদের সামান্য সহযোগিতাও সমাজের দরিদ্র মানুষের জন্য বড় উপকার বয়ে আনতে পারে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অল মিডিয়া প্রেসক্লাবের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জনতার দলিল পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া। তিনি বলেন, “সরকারের পাশাপাশি যদি আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়াই, তাহলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ এ. মান্নান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সম্মিলিত প্রেসক্লাবের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহিনুর রহমান মিলু, বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউজ ক্লাবের যুগ্ম মহাসচিব  কবি শাহ কামাল সবুজ, লালমোহন প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাংবাদিক আমজাদ হোসেন, নিরাপদ ঢাকা উন্নয়নের চেয়ারম্যান সাংবাদিক আতাউর রহমান, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম রাজু, দৈনিক সময়ের অর্থনীতি পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক সাংবাদিক জিল্লুর রহমান এবং সাংবাদিক রফিক মাহমুদ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউজ ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রফিকুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ভূমিহীন ও গৃহহীন হাউজিং লিমিটেডের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজহার আলী।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের অর্থ সম্পাদক মোঃ ইউনুছ আলী, প্রচার সম্পাদক মো: জুয়েল, মিসেস কহিনুর বেগম, মাহমুদ আক্তার, শারমিন আক্তার, মিসেস মমতাজ মহল, মোঃ সানাউল্লাহসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয় এবং উপস্থিত অতিথিদের মাঝে তাবারুক বিতরণ করা হয়।

পরবর্তী খবর

২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করতে চায় সরকার

| প্রকাশিত: ১১:২১ পূর্বাহ্ন, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে শুধু সৌরবিদ্যুৎ খাতেই ১০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি জৈবগ্যাস ও বায়ুশক্তি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতে চার থেকে আট টাকা প্রতি ইউনিট উৎপাদন ব্যয় হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে শেষে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদসচিব ড. নাসিমুল গনি।


এ সময় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণ, দুটি নতুন জাতীয় দিবস ঘোষণা ও বিভিন্ন নীতিমালা সহজ করা নিয়ে একাধিক সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। 

তিনি জানান , সরকারি মালিকানাধীন জমি ব্যবহার করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন খাতে বড় আকারের উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে বেসরকারি উদ্যোক্তারা অংশ নিতে পারবেন। এ লক্ষ্যে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

চূড়ান্ত অনুমোদনের পর কয়েক দিনের মধ্যেই এটি কাজ শুরু করবে। প্রয়োজনে নীতিমালা সংশোধন ও নতুন আইন প্রণয়ন করে দ্রুত কার্যক্রম চালু করা হবে।

নীতিমালা প্রসঙ্গে নাসিমুল গনি বলেন, ‘বিদ্যমান নীতিমালা সহজ করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সরকারি জমি, বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল-সংলগ্ন জায়গা ব্যবহার করে ছোট ও বড় আকারের বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।’

তবে আগের কিছু সৌর প্রকল্প কাঙ্ক্ষিতভাবে কার্যকর না হওয়ায় নতুন করে নীতিমালা ও বাস্তবায়ন কাঠামো পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সচিব জানান, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৬ জুলাইকে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এটি ‘খ শ্রেণিভুক্ত’ দিবস হবে। ছুটি থাকবে না এবং প্রতিবছর উদ্‌যাপন করা হবে। এ ছাড়া ৭ নভেম্বরকে আগের মতোই জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ের জ্বালানি সংকট ও যানজট পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে নাসিমুল গনি বলেন, ‘সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাজ করছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে বাজারে অস্থিরতা ও ব্যাবসায়িক প্রবণতার কারণে জ্বালানি বিতরণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।’

সচিব জানান, বিদ্যুৎ খাতের বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতকে আরো বেশি যুক্ত করা হবে এবং সরকারি সহায়তায় বিনিয়োগ পরিবেশ সহজ করা হবে।

তিনি বলেন, ‘আলোচিত বিষয়গুলো নিয়ে গঠিত কমিটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে দ্রুতই কাজ শুরু করবে।’