হামজা-সুনীল টক্করের ম্যাচ ঘিরে শিলংজুড়ে ফুটবল জ্বর

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ১১:২৮ অপরাহ্ন, ২৫ মার্চ ২০২৫ | আপডেট: ১২:২৮ অপরাহ্ন, ২৬ মার্চ ২০২৫

এখন বাংলাদেশী মায়ের সূত্রে তার বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলার সিদ্ধান্ত দলটার প্রোফাইল যে এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। বাংলাদেশে এসে নামার পর থেকেই তাকে ঘিরে চলছে প্রবল মাতামাতি।

গত ২০ মার্চ ভারতের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে বাংলাদেশের ক্যাপ্টেন জামাল ভূঁইয়া এই কারণেই সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘মনে হচ্ছে যেন আমাদের মেসি এসে গেছে!’

জামাল ভূঁইয়া নিজে বাংলাদেশে এসেছেন ডেনমার্ক থেকে, কিন্তু তার বলতে কোনো দ্বিধা নেই, ‘আমি যখন প্রথম এসেছিলাম, তার চেয়ে উৎসাহটা এখন পাঁচ গুণ বেশি! হাজার হোক হামজা প্রিমিয়ার লিগ প্লেয়ার, এটা আমাদের মনোবল অনেক বাড়িয়ে দেবে।’

তবে একজন ফুটবলার পুরো দলের খেলার মান কতটা উন্নত করতে পারবেন, তা নিয়ে তর্ক আছে যথারীতি।

বাংলাদেশ ফুটবলকে হাতের তালুর মতোন চেনেন অস্কার ব্রুজন, যিনি এখন কলকাতার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে কোচিং করান। ব্রুজন আগে বাংলাদেশের জাতীয় দলের কোচ ছিলেন, বসুন্ধরা কিংস ক্লাবেও কোচিং করিয়েছেন বহুদিন।

তিনি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছেন, ‘প্রিমিয়ার লিগের একজন তারকা যখন আপনার দলে খেলে, দলের বাকিরাও কিন্তু নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিতে উদ্বুদ্ধ হয়। তাই আমি বলব, এখানে বাংলাদেশের অ্যাডভান্টেজটা হলো মনস্তাত্ত্বিক।’

হামজা চৌধুরী সেন্টার ব্যাক বা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ড পোজিশনে খেলতে পারেন। তবে অস্কার ব্রুজনের ধারণা, বাংলাদেশ তাকে বেশি করে সামনে এগিয়ে (ফরোয়ার্ড) খেলাতে চাইবে।

ব্রুজন জানান, ‘বাংলাদেশ দলে কিন্তু শারীরিকভাবে শক্তসমর্থ বেশ কয়েকজন ফুটবলার আছে। তবে ওদের মাঝমাঠে কিছুটা সৃষ্টিশীলতার অভাব লক্ষ্য করা যায়। এখন হামজা খেলাতে ওকে ঘিরে খেলার প্যাটার্নটা বদলানোর চেষ্টা হবে ধারণা করছি।’

হামজা চৌধুরী নিজে অবশ্য এর আগে বাংলাদেশে থাকতেই ভারতকে হারানোর হুমকি দিয়েছেন। তিনি সিলেটে ভক্তদের কাছে কথা দিয়েছেন, ‘টু উইনস, টু ডার্বিজ। ইনশাল্লাহ্ উই উইল উইন, অ্যান্ড উই উইল প্রোগ্রেস!’