শহিদুল আলমদের জাহাজের ওপর ‘ইসরায়েলি’ সামরিক বিমানের মহড়া
খ্যাতিমান আলোকচিত্রী শহিদুল আলমসহ বিভিন্ন দেশের সাংবাদিক, চিকিৎসক ও অধিকার কর্মীরা যে জাহাজে চড়ে গাজার দিকে যাচ্ছেন, তার ওপর একটি সামরিক বিমানকে চক্কর দিতে দেখা গেছে। বিমানটিকে ইসরায়েলের বলে ধারণা করছেন জাহাজে থাকা স্বেচ্ছাসেবকরা। এর মাধ্যমে তাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার সব জাহাজ ও সেগুলোতে থাকা অধিকার কর্মীদের আটকের পর ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে গাজা অভিমুখে নতুন করে রওনা হয়েছে আরও ১১টি জাহাজ। থাউজান্ড ম্যাডলিনস টু গাজা (টিএমটিজি) নামে নৌ বহরটির একটি জাহাজ ‘কনশেন্স’, যে জাহাজে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন শহিদুল আলম।
ইসরাইলি হামলার আশঙ্কার মধ্যে গাজার উদ্দেশে দুঃসাহসিক এই যাত্রাটি লাইভ সম্প্রচার করা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেই সঙ্গে প্রতি মুহূর্তের আপডেট জানাচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবকরা।
রোববার (৫ অক্টোবর) বিকেলে শহিদুল ইসলামের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মিডল ইস্ট আইয়ের একটি ভিডিও প্রতিবেদন শেয়ার করা হয়। ভিডিওতে জাহাজের ওপর একটি সামরিক বিমান উড়তে দেখা যায়।
ভিডিওতে জাহাজের অন্যতম অধিকার কর্মী উইলিয়াম আলেকজান্ডার বলছিলেন, একটি বড় সামরিক বিমান আমাদের চারপাশে কয়েকবার চক্কর দেওয়ার পর এইমাত্র আমাদের মাথার ওপর দিয়ে উড়ে গেল। এটা নিঃসন্দেহে একটা অপ্রয়োজনীয় কর্মকাণ্ড। তারা আমাদের ওপর একটি চক্কর দিয়েই সম্ভবত সব তথ্য সংগ্রহ করতে পারত। এরপর তারা থাউজান্ড ম্যাডলিনস ফ্লিটের দিকে গেছে, সম্ভবত আরও কিছু তথ্য নেওয়ার জন্য।
আলেকজান্ডার আরও বলেন, আমি শতভাগ নিশ্চিত, এটি ইসরায়েলের বিমান। আমাদের মাথার ওপর দিয়ে আর কে এভাবে সামরিক বিমান ওড়াতে পারে, তা আমার জানা নেই। আমার ধারণা, তারা আমাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সবকিছু ভালো।