কিডনি হাসপাতালে চাঁদাবাজি: প্রধান আসামি যুবদল নেতা মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭
ঢাকার শ্যামলীতে অবস্থিত কিডনি চিকিৎসক কামরুল ইসলামের হাসপাতালে চাঁদাবাজি ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র্যাব)। তার সহযোগী হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরও ছয়জনকে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব এ তথ্য জানিয়েছে।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, মঈন নড়াইলের কালিয়ার দাদনতলা গ্রামে ফুপুর বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন। সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় আনা হচ্ছে। তাকে শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বাকি ছয়জনকে বিভিন্ন জায়গা থেকে আলাদা আলাদা অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান র্যাব কর্মকর্তা ইন্তেখাব চৌধুরী।
অধ্যাপক কামরুল তার সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে (সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতাল) স্বল্প খরচে কিডনি চিকিৎসা ও প্রতিস্থাপনের জন্য পরিচিত। গত শুক্রবার গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা যায়, যুবদল নেতা পরিচয়ে তার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন মঈন। চাঁদা না দিলে তুলে নিয়ে যাওয়াসহ নানা হুমকিধমকি দেন তিনি।
গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ একটি প্রতিনিধি দল শ্যামলীর ওই হাসপাতালে গিয়ে অধ্যাপক কামরুলের সঙ্গে দেখা করেন। তারা এ ঘটনার সুরাহা করা হবে বলে আশ্বাস দেন।
এ ঘটনায় সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের ইনচার্জ আবু হানিফ মামলা করেন। মামলায় যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনসহ অজ্ঞাত সাত-আটজনকে আসামি করা হয়।