সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: প্রতিমন্ত্রী

Shahinur Rahman Uzzol
Shahinur Rahman Uzzol Shahinur Rahman Uzzol
প্রকাশিত: ৫:২৫ অপরাহ্ন, ১৯ মে ২০২৬ | আপডেট: ৭:০১ অপরাহ্ন, ১৯ মে ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী এক বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন এই পাঁচ ধরনের নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এরইমধ্যে সংসদে সিটি করপোরেশন সংশোধন আইন পাস হয়েছে। নতুন আইনে দলীয় প্রতীক ছাড়া সাধারণ প্রতীকে মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি জানান, বগুড়া সিটি করপোরেশনের তফসিল অন্য ১২টি সিটি করপোরেশনের সঙ্গে একযোগে ঘোষণা করা হবে।

নতুন সিটি করপোরেশনগুলোর কার্যক্রম গতিশীল করতে চলতি অর্থবছরেই প্রাথমিকভাবে ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে বগুড়া সিটি করপোরেশনের জন্যও দ্রুত বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়ের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, ‌‘বাংলাদেশের নির্বাচন সাধারণত উৎসবমুখর পরিবেশে হয়। তাই বর্ষা শেষে শুষ্ক মৌসুমে নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনাই বেশি। আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে ধাপে ধাপে নির্বাচন শুরু হতে পারে বলে আমার ধারণা।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কবে থেকে শরু হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সবচেয়ে বড় পরিসরের হওয়ায় এতে ব্যয়ও বেশি হবে। প্রায় সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন করতে বিপুলসংখ্যক ব্যালট পেপার ছাপানোসহ নানা প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। শুধু ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেই কমপক্ষে ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আগামী বাজেটে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখতে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। কমিশন ব্যয়ের হিসাব পাঠানোর পর অর্থবিভাগ, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন যৌথভাবে নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করবে।

এদিকে, বগুড়া সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, বগুড়াকে পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবেন তিনি। প্রাথমিক বরাদ্দের অর্থ দিয়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।