প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই বাকি: শিক্ষামন্ত্রী

Shahinur Rahman Uzzol
Shahinur Rahman Uzzol Shahinur Rahman Uzzol
প্রকাশিত: ৩:০১ অপরাহ্ন, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত ৮১৭ জনের তথ্য এখনো যাচাই-বাছাই করা হয়নি। তাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের কাজ আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। যাচাই শেষে কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের অনেকে ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন। আবার কারও কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। এ কারণে নিয়োগপত্র দেওয়ার আগে তাঁদের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা যাচাই শেষে নিয়োগপত্র দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এ প্রক্রিয়ার অগ্রগতি পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করা হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, এখনো ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই বাকি রয়েছে। তাঁদের ঠিকানা বা প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করা হবে। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। এরপর যাচাইয়ের চূড়ান্ত পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কয়েকটি গণমাধ্যমে এমন কিছু প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যাতে প্রার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে আমি মনে করছি। কারণ, গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও পরে তাঁরা নিয়োগপত্র পেয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ধাপে ধাপে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। তাই যারা এখনো নিয়োগপত্র পাননি, তাঁদের তথ্য যাচাই শেষ হওয়ার আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। যাচাই শেষে কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। ১ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।