বিক্ষোভকারী সোলতানির মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করল ইরান

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১:১৪ পূর্বাহ্ন, ৩১ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রবল উদ্বেগ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মাথায় মৃত্যুদণ্ড থেকে সাময়িক মুক্তি পেলেন ইরানি তরুণ এরফান সোলতানি। ২৬ বছর বয়সী এই দোকান ব্যবসায়ীকে মাত্র তিন দিনের সংক্ষিপ্ত বিচারে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছিল, যা বুধবার কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।

নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হেনগাও এবং সোলতানির পরিবারের বরাত দিয়ে সিএনএন নিশ্চিত করেছে, আপাতত তার দণ্ড স্থগিত রাখা হয়েছে। হোয়াইট হাউস থেকে ইরানের দমন-পীড়ন বন্ধের দাবি আসার পরপরই সোলতানির এই দণ্ড স্থগিতের খবরটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


এরফান সোলায়মানি পেশায় দোকানব্যবসায়ী। রাজধানী তেহরানের শহরতলী এলাকা কারাজে তার বাসা। সরকারবিরোধী বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার অভিযোগে গত ৮ জানুয়ারি কারাজে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন তিনি। তারপর মাত্র তিন দিনের বিচারের ভিত্তিতে তাকে ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয়।

আদালতের বিচারপ্রক্রিয়ায় সোলতানির পরিবারের কোনো স্বজন কিংবা বন্ধুকে উপস্থিত থাকতে দেওয়া হয়নি। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের বরাতে জানা গেছে, সোলতানির বোন একজন নিবন্ধিত ও পেশাদার আইনজীবী। তিনিও থাকতে পারেননি। গতকাল বুধবার তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা ছিল।


সোলতানির আত্মীয় সোমায়েহ নামের এক নারী সিএনএনকে বলেছেন, “তারা খবর পেয়েছি যে সোলতানির দণ্ড কার্যকর হয়নি। তবে তার দণ্ড এখন পর্যন্ত বাতিলও হয়নি। আমরা আরও তথ্যের অপেক্ষায় আছি।”

পরে মানবাধিকার সংস্থা হেনগাও এক প্রতিবেদনে জানায় যে সোলতানির মৃত্যুদন্ড স্থগিত করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে এক মত বিনিময়সভায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি যে ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা বন্ধ হয়েছে এবং আটক কিংবা গ্রেপ্তার কারো মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরিকল্পনাও স্থগিত রেখেছে ইরান। আমরা নির্ভরযোগ্য কর্তৃপক্ষ থেকে এ তথ্যের নিশ্চয়তা পেয়েছি।”

তিনি এই মন্তব্য করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সোলতানির মৃত্যুদন্ড স্থগিতের সংবাদ আসে।