সৌদি পৌঁছেছেন ২৭ হাজার ৩২৫ হজযাত্রী

Shahinur Rahman Uzzol | প্রকাশিত: ৪:৪৪ অপরাহ্ন, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
পবিত্র হজ পালনের জন্য বাংলাদেশ থেকে সরকারি-বেসরকারি মোট ৬৮টি ফ্লাইটে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ২৭ হাজার ৩২৫ হজযাত্রী।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ হজ অফিস থেকে পাঠানো সবশেষ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ২৬টি ফ্লাইটে সৌদি আরব পৌঁছান ১০ হাজার ৭৪৭ জন হজযাত্রী, সৌদি এয়ারলাইনসের ২৫টি ফ্লাইটে ৯ হাজার ৭৮২ জন ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ১৭টি ফ্লাইটে ৬ হাজার ৭৯৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছান।

বাংলাদেশ থেকে এ বছরের প্রথম হজ ফ্লাইটটি যাত্রা করে ১৮ এপ্রিল। ওই দিন ৪১৮ জন হজযাত্রী নিয়ে ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের জেদ্দার বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

এবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ করতে যাবেন ৫ হাজার ৫৬৫ জন হজযাত্রী। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে এবং তা শেষ হবে ১ জুলাই।
পরবর্তী খবর

বছরের শেষেই চালু হবে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল

| প্রকাশিত: ৪:৪৭ অপরাহ্ন, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

চলতি বছরের শেষের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী জানান, বিমানের দুর্নীতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে, বিমান আর লস করবে না। বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি যাত্রী ভোগান্তি নিরসনে পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কক্সবাজার, সুন্দরবন ও কুয়াকাটাকে আকর্ষণীয় পর্যটন নগরীতে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। পিপিপি মডেলে এগুলো করতে চাই, যাতে দার্জিলিং না গিয়ে মানুষ বাংলাদেশে আসে। পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে লাভজনক করতে পিপিপি মডেলে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা ভাবছে সরকার।

পরবর্তী খবর

বিদ্যুতের ভোগান্তি থাকবে আরও পাঁচ দিন : যুগ্ম সচিব

| প্রকাশিত: ৪:৪৫ অপরাহ্ন, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

দেশজুড়ে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে গেছে। চাহিদার অর্ধেকের কম বিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে চলতি মাসের আরও পাঁচ দিন দেশে বিদ্যুৎ নিয়ে ভোগান্তি থাকবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব উম্মে রেহেনা।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।

উম্মে রেহেনা বলেন, গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন ঘাটতি তৈরি হয়েছে। চলতি মাসের ২৮ তারিখ পর্যন্ত দেশে বিদ্যুৎ নিয়ে ভোগান্তি থাকবে। তবে মে মাসের শুরুতে পরিস্থিতির উন্নতির আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রয়োজনীয় জ্বালানি আমদানি করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরবরাহ করা যাচ্ছে না। যে কারণে চাহিদামতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না।

দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের ১২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হলেও গ্যাসের অভাবে উৎপাদন হচ্ছে অর্ধেকের মতো উল্লেখ করে তিনি বলেন, বুধবার দেশে বিদ্যুৎ চাহিদা ছিল ১৫৭৬৭ মেগাওয়াট। সরবরাহ হয়েছে ১৩ হাজার মেগাওয়াটের মতো। ঘাটতি ছিল ২ হাজার মেগাওয়াট।

জ্বালানি সংকট অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে মন্তব্য করে বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব আরও বলেন, আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র ২৮ এপ্রিলের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে। বন্ধ হওয়া ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।

এসময় অপ্রয়োজনে লাইট, ফ্যান ও এসি ব্যবহার না করার আহ্বান জানান যুগ্মসচিব উম্মে রেহানা। তিনি বলেন, এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখার জন্য সবাইকে আহ্বান জানানো হচ্ছে।

পরবর্তী খবর

এপ্রিল মাসেই বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কিনছে সরকার

| প্রকাশিত: ২:৫৯ অপরাহ্ন, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর শক্তিশালী করতে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বুধবার (২২ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। 

তিনি জানান, এপ্রিল মাসের মধ্যেই এই সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৫০ বিলিয়ন টাকা বা ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বার্তা সংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তটি মূলত পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা, যারা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের এয়ারবাস থেকে বিমান কেনার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বোয়িংয়ের দিকে ঝুঁকেছিল। 

প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের তীব্র উড়োজাহাজ সংকট কাটাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিমানের বহরে আন্তর্জাতিক রুটের জন্য ১৯টি উড়োজাহাজ থাকলেও ক্রমবর্ধমান যাত্রী চাহিদা মেটাতে অন্তত ৩০ থেকে ৩৫টি উড়োজাহাজ প্রয়োজন। ২০৩৪-৩৫ অর্থ বছরের মধ্যে বিমানের বহরে মোট উড়োজাহাজের সংখ্যা ৪৭টিতে উন্নীত করার একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে।

বোয়িংয়ের পাশাপাশি ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের সঙ্গেও সরকারের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে একটি ‘মিশ্র বহর’ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে যাতে করে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হতে না হয়। 

এ ছাড়া স্বল্পমেয়াদে বিমানের বহর বাড়াতে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে লিজ বা ভাড়ার ভিত্তিতে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বহর সম্প্রসারণের এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী জুন মাসে জাপানের টোকিওতে সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, যা বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় স্থগিত করা হয়েছিল।

বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, বোয়িং থেকে এই ১৪টি উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা করার ক্ষমতা বাড়বে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

পরবর্তী খবর

বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

| প্রকাশিত: ২:৫৭ অপরাহ্ন, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে বেড়েছে ১১ পয়সা বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে পরিবহন ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে শ্রমিক মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।

ভাড়া বাড়নোর সিদ্ধান্ত আজ থেকেই কার্যকর হবে উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, ডিজেলচালিত বাসের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত  কার্যকর হবে। সিএনজিচালিত বাসের ক্ষেত্রে ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচিত হবে না। 

সেতুমন্ত্রী বলেন, জনস্বার্থ বিবেচনা করে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে প্রতি ভাড়া কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়বে। আন্তঃজেলায় ৫২ সিটের গাড়ির ভাড়াও প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়বে। এছাড়া ডিটিসি এবং মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়িয়ে সমন্বয় করার সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি।

আন্তর্জাতিক সংকট সৃষ্টি হওয়ার পর সরকার প্রায় দেড় মাসের মতো চেষ্টা করেছে জ্বালানি তেলের দাম না বাড়াতে মন্তব্য করে সড়কমন্ত্রী বলেন, পরবর্তীতে ন্যূনতম রেটে এটা বাড়ানো হয়েছে। প্রতি লিটারে ১৫ টাকার মতো। যার ফলে পরিবহন খাতে ভাড়া বাড়ানোর একটা দাবি উত্থাপিত হয়েছে। সেটা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।

তিনি বলেন, আমরা এটাকে সমন্বয় করতে চেয়েছি মাত্র, ভাড়া বৃদ্ধি হিসেবে আমরা এটা দেখতে চাচ্ছি না। সমন্বয়ের একটা দাবিও আছে, যেহেতু জ্বালানির দাম বেড়েছে। সেটা বিবেচনায় নিয়ে তৃতীয়বার দীর্ঘ সময় বৈঠক করেছি। 

এর আগে, গত ২২ এপ্রিল সচিবালয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে নতুন বাস ভাড়া নির্ধারণ সংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, সভায় পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ হয়নি। বাস-ট্রাকসহ পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে আজ সিদ্ধান্ত হবে। 

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক

| প্রকাশিত: ২:৫০ অপরাহ্ন, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ও প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও ডাঃ জাহেদ উর রহমান।


আজ ২৩ এপ্রিল ২০২৬, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।


বৈঠকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়। এতে সিদ্ধান্ত হয়, শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে সরকারের সঙ্গে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র একসঙ্গে কাজ করবে। 


বৈঠকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তী খবর

বিজ্ঞাপনচিত্রে অনন্ত-বর্ষা

| প্রকাশিত: ১২:১৪ অপরাহ্ন, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
হিরু খানের পরিচালনায় নতুন বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হলেন আলোচিত তারকা জুটি অনন্ত-বর্ষা। 
সম্প্রতি ঢাকা এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন লোকেশনে বিজ্ঞাপনচিত্রটির শুটিং হয়েছে। 

এই বিজ্ঞাপনচিত্রে অনন্ত-বর্ষার রিল লাইফ ও বাস্তব জীবনের গল্প দেখা যাবে। 

অনন্ত জলিল বলেন, ‘অনেক দিন পর ভালো একটি কাজ করলাম। নির্মাতাসহ সবার আন্তরিকতা ছিল কাজটি ভালো করার। প্রচারে আসলে দর্শকেরও ভালো লাগবে।’ 

বর্ষার ভাষ্য, ‘খুবই ভালো একটি টিমের সাথে কাজ করলাম। কসটিউম, লাইট, ক্যামেরা, মেকআপ গেটআপে বেশ যত্ন নিয়েছেন নির্মাতা। আমাদের লাইফটা দেখা যাবে এখানে।’ 

নির্মাতা হিরু খান বলেন, ‘আমার ক্লাইন্ট সেবা হোল্ডিংস লিমিটেডের পরামর্শ ছিল এমন একটি তারকা জুটিকে কাজটিতে মডেল বানানো যারা ব্যক্তি জীবন এবং শোবিজেও সফল। আমি চেষ্টা করেছি বিজ্ঞাপনটিতে এই জুটিকে নতুন করে উপস্থাপন করতে।’  

গোলাম রাব্বানীর চিত্রনাট্যে এই বিজ্ঞাপনচিত্রে আরও মডেল হয়েছে দ্বীন ইসলাম, প্রিয়াঙ্কা পিউ, তন্ময় সূর্য, শোভব, পারভেজ আনোয়ার, শুভ ও  ফয়সাল।
পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

| প্রকাশিত: ১২:০৯ অপরাহ্ন, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ ও অভ্যন্তরীণ বিশাল ভোক্তাবাজারের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী।

সরকারি এক হ্যান্ডআউটে জানানো হয়, বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গ এক মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানানো হয়। এতে জাপানের ৩০ জন শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতা অংশ নেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী।

রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জিডিপি প্রবৃদ্ধিসহ ঈর্ষণীয় অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা তুলে ধরে বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকারের অধীনে বাংলাদেশে যে সুসংহত গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সৃষ্টি হয়েছে, তা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য এক অনন্য সুযোগ ও আস্থার পরিবেশ তৈরি করেছে।

রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, প্রকৃতপক্ষে, বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য এখনই সুবর্ণ সময়।

বিনিয়োগকারীদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উদ্ভাবনী এবং কার্যকরী পদক্ষেপের কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। বিশেষত, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, ভিসা সহজীকরণ, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে শতভাগ বিদেশি মালিকানা, ৫-১০ বছর-মেয়াদী টেক্স হলিডে, মুনাফা প্রত্যাবাসন, অবকাঠামোগত সুবিধা, রপ্তানি বহুমুখীকরণে প্রণোদনা ইত্যাদি।

বাংলাদেশকে একটি তরুণ জনগোষ্ঠীর দেশ উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, জাপানের বিভিন্ন শিল্পে এই দক্ষ জনবলকে নিয়োগ করলে উভয় দেশ লাভবান হবে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে কয়েকটি জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করছে।

জাপানি ব্যবসায়ী নেতারা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগ সুরক্ষার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বিনিয়োগে আগ্রহ ব্যক্ত করেন। তাদের অনেকেই শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করে সরেজমিনে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চান বলে জানান।

বর্তমানে ৩৩০টিরও বেশি জাপানি কোম্পানির বাংলাদেশে সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা এবং মেগা প্রজেক্টসমূহে লাভজনক বিনিয়োগ তাদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে বলে ব্যবসায়ীরা অভিমত ব্যক্ত করেন।

সভায় অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের মধ্যে রয়েছেন ইকুহিকো আকাবোরি, নানা শিমুরা, হিরোয়াকি ইশিকাওয়া, আতসুহিরো কাতসুমাতা ও মো. এমদাদুল ইসলাম প্রমুখ।

পরবর্তী খবর

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

| প্রকাশিত: ১২:০৪ অপরাহ্ন, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে বিএনপির দাখিল করা ৩৬ প্রার্থীর সবার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে মনোনয়নপত্র বাছাই করে এই ঘোষণা দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

বৈধ প্রার্থীরা হলেন- সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা, রেজেকা সুলতানা।

তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আগামী ২৬ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনে আপিল করা যাবে। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল। আর নির্বাচন হবে ১২ এপ্রিল।

পরবর্তী খবর

ট্যাক্স-ফ্রি নয়, সরকারি মালিকানাধীন গাড়ি চেয়েছি : হাসনাত আবদুল্লাহ

| প্রকাশিত: ৬:২৪ অপরাহ্ন, ২২ এপ্রিল ২০২৬
ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি নয়, সংসদ সদস্যদের জন্য সরকারি মালিকানাধীন গাড়ি চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। 

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৯তম দিনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এ কথা জানান হাসনাত আবদুল্লাহ। 

তিনি বলেছেন, ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি আমরা নেব না। প্লট সুবিধাটি আমরা নেব না। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এসিল্যান্ডসহ অন্যান্য সরকারি অফিসার সরকারি কার্য পরিচালনা করার জন্য যেভাবে সরকারি একটি গাড়ি পেয়ে থাকেন, ঠিক একই প্রক্রিয়ায় আমাদের যারা সংসদ সদস্য আছেন তাদের একটি গাড়ি ব্যবহার করার জন্য দেওয়া যায় কি না সেটি আমি এই সংসদে জানিয়েছিলাম। 

তিনি বলেন, সরকারি মালিকানাধীন একটি গাড়ি যতদিন পর্যন্ত এমপি থাকবেন ঠিক ততদিন ব্যবহার করবেন এবং সেটির জন্য এক্সট্রা খরচও লাগবে না। আমাদের এই সংসদ সদস্যদের ইতিমধ্যে ৭০ হাজার টাকা গাড়ি মেনটেনেন্স করার জন্য দেওয়া হয়। কিন্তু আমাদের গাড়ি নেই।

তিনি আরও বলেন, এখন আমার যে বক্তব্যটা সেটি হচ্ছে গতকালের বক্তব্যে আমি কোনো ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি চাইনি এবং ট্যাক্স-ফ্রি যে প্লট এবং গাড়ির বিষয়টি রয়েছে সেটি অলরেডি এই সংসদের পুরো হাউজ ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা এটি নেবে না। এই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রত্যেক এমপি সেটির জন্য একটি অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। 
পরবর্তী খবর

স্মার্ট কৃষি গড়তে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

| প্রকাশিত: ৬:২২ অপরাহ্ন, ২২ এপ্রিল ২০২৬
কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষিপণ্য বহুমুখীকরণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ‘স্মার্ট কৃষি’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে একগুচ্ছ মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত ১৪ এপ্রিল ‘কৃষক কার্ড’-এর উদ্বোধন করা হয়।

এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ১০টি ভিন্ন ধরনের সেবা সরাসরি পাবেন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. রবিউল আউয়ালের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে জলবায়ু পরিবর্তন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, জমির পরিমাণ হ্রাস এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে কৃষিখাত নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে কৃষি উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষিকে টেকসই ও লাভজনক খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যে কৃষক কার্ড উদ্বোধন করা হয়। ওই কার্ডের মাধ্যমে ১০টি সেবা, যথা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা প্রদান, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ, কৃষি বিমা সুবিধা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয়ের সুবিধা, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আবহাওয়া ও বাজার তথ্য প্রাপ্তিসহ ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ প্রদান ইত্যাদি কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল কৃষককে এ কার্ড প্রদান করা হবে। এছাড়াও কৃষির উন্নয়নে বর্তমান সরকার বিভিন্ন সময়োপযোগী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে যা নিম্নরূপ:-

প্রথমত, কৃষি উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য সরকার উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল বীজ, সুষম সার ব্যবহারের পাশাপাশি আধুনিক সেচ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এজন্য ইতোমধ্যে ২০ হাজার কি. মি. খাল খননের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। কৃষি যান্ত্রিকীকরণে ভর্তুকি প্রদান করে ট্রাক্টর, হারভেস্টার, রিপারসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কৃষকদের কাছে সহজলভ্য করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, পতিত জমি আবাদের আওতায় আনা এবং জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য ‘ক্রপ জোনিং’ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট অঞ্চলের মাটি, আবহাওয়া ও পরিবেশের উপযোগী ফসল নির্ধারণ করা হয়। ফলে জমির অপচয় কমে এবং উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। একই সাথে পতিত জমি চিহ্নিত করে সেগুলো আবাদের আওতায় আনার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, যেমন খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে পতিত জমি কৃষির আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া, সিলেট অঞ্চলে পতিত জমিসহ চরাঞ্চলের পতিত জমি চাষাবাদের আওতায় আনার জন্য বিশেষ প্রকল্পের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

তৃতীয়ত, কৃষিপণ্যের বহুমুখীকরণে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এক সময় ধান নির্ভর কৃষি ব্যবস্থা এখন ধীরে ধীরে ফল, সবজি, ডাল, তেলবীজ, মসলা, ফুল চাষ খাতে সম্প্রসারণ করার জন্য সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

চতুর্থত, কৃষকদের জন্য প্রণোদনা ও সহায়তা কার্যক্রম স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার জন্য কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের বীজ, সার, কৃষিযন্ত্র ক্রয়সহ বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি প্রদান করা হবে। তাছাড়া, কৃষকদের জন্য স্বল্প সুদের কৃষিঋণ এবং ফসল বীমা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের জন্যও বিশেষ সহায়তা কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে। দেশের ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষিদের কল্যাণে প্রতি অর্থবছর কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাজেটের ‘কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা’ খাতে অর্থ বরাদ্দ প্রদান করা হয়। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাতে ৭ শত কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। উক্ত বরাদ্দ হতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ, সার ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণ বাবদ ৪ শত ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ছাড় করা হয়েছে। এতে ২৫ লাখ ২২ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক উপকৃত হয়েছেন।

পঞ্চমত, কৃষিপণ্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ ও গুদাম নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া ফল ও সবজি সংরক্ষণের জন্য মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন এবং পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষিপণ্য রপ্তানির লক্ষ্যে, উত্তরাঞ্চলে কৃষিপণ্য রপ্তানি অঞ্চল প্রতিষ্ঠা এবং ক্রয়কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

ষষ্ঠত, কৃষি গবেষণা ও উদ্ভাবনে সরকার ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান যেমন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) এর মাধ্যমে অধিক ফলনশীল, রোগ প্রতিরোধী এবং স্বল্পমেয়াদি নতুন জাতের ফসল উদ্ভাবনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে জলবায়ু সহনশীল ফসল উদ্ভাবনে জোর দেওয়া হচ্ছে, যাতে পরিবর্তিত পরিবেশেও কৃষি উৎপাদন বজায় থাকে।

সপ্তমত, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ‘ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি’ বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। লবণাক্ততা, খরা ও বন্যা সহনশীল ফসল চাষ, পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং টেকসই কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষিকে পরিবেশবান্ধব করা; কম সেচ, কম রাসায়নিক সার ও কম কীটনাশক প্রয়োগের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন; প্রি-পেইড মিটার স্থাপন এবং সেচের Alternate Wetting and Drying (AWD) পদ্ধতি প্রয়োগ করে খরাপ্রবণ অঞ্চলে ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা; মোবাইল অ্যাপ যেমন: খামারি এ্যাপস ব্যবহার করে স্থানভিত্তিক উপযুক্ত ফসল চাষ করে সেচ, সারসহ অন্যান্য উপকরণের সর্বোত্তম ব্যবহার; প্রিসিশন এগ্রিকালচার ইত্যাদির জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।