নিম পাতার যত গুনাগুন

অনলাইন ডেস্ক | প্রকাশিত: ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, ০৭ জুলাই ২০২১

নিম একটি ঔষধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে নিম খুবই কার্যকর। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার। আসুন জেনে নেওয়া যাক নিমের উপকারিতাগুলো-

চুল : উজ্জ্বল, সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন চুল পেতে নিমপাতার ব্যবহার বেশ কার্যকর। চুলের খুসকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে চুল ম্যাসেজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুসকি দূর হয়ে যাবে। চুলের জন্য নিম পাতার ব্যবহার অদ্বিতীয়। সপ্তাহে ১ দিন নিমপাতা ভালো করে বেটে চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টার মতো রাখুন। এবার ১ ঘণ্টা পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল পড়া কমার সঙ্গে সঙ্গে চুল নরম ও কোমল হবে।

কৃমিনাশক : পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেটে বড় হয়। চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে যায়। বাচ্চাদের পেটের কৃমি নির্মূল করতে নিমের পাতার জুড়ি নেই।

 দাঁতের রোগ : দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে সেই প্রাচীনকাল থেকেই। নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দন্ত রোগ থেকেও।

ত্বক : বহুদিন ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। মাথার ত্বকে অনেকেরই চুলকানি ভাব হয়। নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এই চুলকানি কমে। নিয়মিত নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিন টোন ঠিক হয়।

পরবর্তী খবর

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ৭ লেখক

| প্রকাশিত: ৯:৫৫ অপরাহ্ন, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪ পেলেন সাত লেখক। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এ পুরস্কার তুলে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।

আগেই জানানো হয়েছিল পুরস্কার প্রাপকদের নাম। সেই তালিকা নিয়ে ওঠে বিতর্কও। পুরস্কার ঘোষণা, স্থগিতের পর নতুন তালিকা প্রকাশ আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। আলোচিত সেই বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪ নিলেন সাত লেখক।

এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি নাট্য গবেষক সৈয়দ জামিল আহমেদ, প্রাবন্ধিক সলিমুল্লাহ খানসহ ১০ জনকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। পরে তালিকায় থাকা কারও কারও সম্পর্কে ‘কিছু অভিযোগ’ আসায় ২৫ জানুয়ারি পুরস্কার স্থগিত করা হয়।

এরপর ২৯ জানুয়ারি তিনজনকে বাদ দিয়ে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কথাসাহিত্যে সেলিম মোরশেদ, মুক্তিযুদ্ধে মোহাম্মদ হান্নান এবং শিশুসাহিত্যে ফারুক নওয়াজকে বাদ দিয়ে পুরস্কারের জন্য ৭ জনকে মনোনীত করে বাংলা একাডেমির নির্বাহী পরিষদ। তবে স্থগিত হওয়ার পর কথাসাহিত্যে সেলিম মোরশেদ তা প্রত্যাখ্যান করার কথা বলেছিলেন।

ফলে এবার সাতজনের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন- কবিতায় মাসুদ খান, নাটক ও নাট্যসাহিত্যে শুভাশিস সিনহা, প্রবন্ধ/গদ্যে সলিমুল্লাহ খান, অনুবাদে জি এইচ হাবীব, গবেষণায় মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া, বিজ্ঞানে রেজাউর রহমান, ফোকলোরে সৈয়দ জামিল আহমেদকে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়।

পরবর্তী খবর

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ঢালাও হত্যা মামলা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে

| প্রকাশিত: ১০:২২ অপরাহ্ন, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

সম্পাদক পরিষদের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের মামলা দেয়ার প্রবণতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অন্তর্বর্তী সরকারের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করছে।

সম্পাদক পরিষদের সভাপতি মাহফুজ আনাম ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ বিবৃতিতে বলেন, ঢালাও অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার ঘটনা এখনো অব্যাহত রয়েছে। সম্পাদক পরিষদ দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চায়, এ ধরণের মামলা প্রচলিত আইনের অপব্যবহারের শামিল। একইসঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতিশ্রুতিরও লঙ্ঘন। 

বিবৃতিতে তারা বলেন, সাংবাদিকরা কোনো অপরাধ করে থাকলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ধারা অনুসরণ করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। সম্পাদক পরিষদ আরো জোর দিয়ে বলতে চায় যে পেশাদারিত্ব বাদ দিয়ে নীতিবিবর্জিত ও লেজুড়বৃত্তির সাংবাদিকতা বর্জনীয়। যেসব সাংবাদিক বিগত সরকারের নানা নিপীড়নমূলক কর্মকাণ্ডে সাংবাদিকতার নামে সমর্থন দিয়েছেন, প্রেস কাউন্সিলে একটি কমিটি গঠন করে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও অনুসন্ধান হতে পারে। সেখানে দোষী সাব্যস্ত হলে প্রেস কাউন্সিল আইনে তাদের সাজা হতে পারে। তাদের অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রে প্রেস কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে প্রচলিত আইনে তাদের বিচার চলতে পারে।

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ঢালাও মামলা অন্তর্বর্তী সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করবে মন্তব্য করে তারা বলেন, বিগত সরকারের সময়ে ডিএসএ/সিএসএসহ নিবর্তনমূলক বিভিন্ন আইন ও হয়রানিমূলক আটক-গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের যে প্রয়াস চালানো হয়েছিল, তা বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে অত্যন্ত নিন্দিত ও সমালোচিত হয়েছিল। আর বর্তমানে সাংবাদিকদের নামে এভাবে ক্রমাগত হত্যা মামলা দেয়ার প্রবণতাও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অন্তর্বর্তী সরকারের ভাবমূর্তিকে ক্ষুন্ন করছে। এ অবস্থায় যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করে অভিযুক্ত সাংবাদিকদের কোনো সংশ্লিষ্টতা না পাওয়া গেলে এসব মামলা থেকে দ্রুত তাদের অব্যাহতি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ।

পরবর্তী খবর

সাঈদসহ অন্যদের আত্মত্যাগকে স্মরণ রেখে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলুন : ড. ইউনূস

| প্রকাশিত: ১১:১২ অপরাহ্ন, ১০ অগাস্ট ২০২৪

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আবু সাঈদসহ অন্যান্যদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকে স্মরণ রেখে এগিয়ে যাওয়া সকলের দায়িত্ব।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে তিনি বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব আমাদের।’
ড. ইউনূস বলেন, আবু সাঈদ ও অন্যান্যদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকে স্মরণ রেখে নতুন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আবু সাঈদ শুধু একটি পরিবারের নন, তিনি বাংলাদেশের সব পরিবারের সন্তান।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অধ্যয়নরত তরুণ-তরুণীরা আবু সাঈদকে স্মরণ রাখবে এবং তার মতো হওয়ার অঙ্গীকার করবে।
ড. ইউনূস আরও বলেন, তারা বলবে-আমিও আবু সাঈদের মতো ন্যায় বিচারের জন্য লড়াই করব।
আবু সাঈদ এখন দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সন্তান।’
অধ্যাপক ইউনূস সকলকে যে কোন নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার এবং কেউ যেন কোন ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলতে না পারে, সেদিকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেন, আমরা এই মাটির সন্তান, আমরা সবাই আবু সাঈদ।
তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।
ড. ইউনূস বলেন, ‘আমাদের এটা নিশ্চিত করতে হবে এবং আবু সাঈদের মতো সামনে দাঁড়াতে হবে।’
নোবেল বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে বিভাজন না করার জন্য সকলকে অনুরোধ জানিয়ে আরও বলেন, আমরা সবাই বাংলাদেশি। আমরা বাংলাদেশের সন্তান।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এখন ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ। ‘এই বাংলাদেশ আবু সাঈদের বাংলাদেশ, এই বাংলাদেশে কোনো বৈষম্য নেই, আপনাদের সবার কাছে আমার অনুরোধ- সবাইকে রক্ষা করুন, সেখানে যেন কোনো নৈরাজ্য না হয়।’[

পরবর্তী খবর

ছিন্নমূলদের বিনামূল্যে ভ্যাকসিন রেজিষ্ট্রেশন করাচ্ছে চলো স্বপ্ন ছুঁই

| প্রকাশিত: ১২:২৯ অপরাহ্ন, ১৭ জুলাই ২০২১

গতবছরের ৮ই মার্চ দেশে প্রথমবারের মত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত তিনজনকে সনাক্ত করে রোগতত্ত্ব,রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআর। এরপর স্বাস্থ্যবিধি ও বিধিনিষেধে শেষ হয় পুরো বছর।

চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি দেশে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। ওই দিন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে একজন নার্সকে টিকা দেওয়ার মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২০ লাখ ডোজ টিকা দিয়ে দেশে ভ্যাক্সিন প্রয়োগের কর্মসূচি শুরু হয়। এবং শুরুরদিনে ২৬ জনকে ভ্যাক্সিন প্রয়োগ করা হয়।

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বাংলাদেশে ভ্যাক্সিন কর্মসূচি শুরু হলেও টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু মানুষের মধ্যে অনীহার কথা প্রকাশ পেয়েছে। এরপর নানা আশঙ্কা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচারে ভ্যাক্সিন নিতে আগ্রহ দেখায়নি মানুষ। কিন্ত সব শঙ্কা কাটিয়ে সম্প্রতি ভ্যাক্সিন নিতে আগ্রহ বাড়ছে উত্তরের জেলা রংপুরের মানুষের।

এরই মধ্যে রংপুরে এসে পৌঁছেছে মডার্ণার ভ্যাক্সিন। সমাজের অসহায় দিনমজুর মানুষের মাঝে ভ্যাক্সিন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছে উত্তরবঙ্গের অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন চলো স্বপ্ন ছুঁই। করোনার শুরু থেকে সম্মুখসরে কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটির সদস্যরা। আজ চতুর্থ দিনের মতো দিনমজুর এসব মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিনামূল্যে ভ্যাক্সিন রেজিষ্ট্রেশন করেছে চলো স্বপ্ন ছুঁই।

সমাজের যেসব মানুষের কাছে ভ্যাক্সিন রেজিষ্ট্রেশন ঝামেলা মনে হয়, তাদের ভ্যাক্সিনেশন নিশ্চিত করতে এবার চলো স্বপ্ন ছুঁই উদ্যোগ নিয়েছে এসব দিনমজুর মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিনামূল্যে ভ্যাক্সিন রেজিষ্ট্রেশন করে দেয়ার। সেই সাথে তারা এসব মানুষের ভ্যাক্সিন নিতে উৎসাহিত করছেন, এবং ভ্যাক্সিন গ্রহণ কার্ড প্রিন্ট করে তাদের সব বুঝিয়ে দিচ্ছেন। এখন পর্যন্ত রংপুর নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ৫০০ এর অধিক দিনমজুর মানুষের বিনামূল্যে ভ্যাক্সিন রেজিষ্ট্রেশন করেছে সংগঠনটি।

সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোঃ মুহতাসিম আবশাদ জিসান বলেন, "বিভিন্ন ধরনের ভয় থাকলেও আগের চেয়ে মানুষের ভ্যাক্সিন নেয়ার আগ্রহ বেড়েছে। বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষদের গণটিকাদানের আওতায় আনতে নগরীতে চলো স্বপ্ন ছুঁই এর ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছে। আমাদের লক্ষ দেশটাকে সুস্থ রাখা, দেশের মানুষকে সুস্থ রাখা, অসহায় দিনমজুর এসব মানুষের ভ্যাক্সিনেশনকে সহজ করে তুলার জন্য আমাদের এরকম উদ্যোগ। দু’দিনের মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে এবং রংপুরের অন্যান্য জেলায় আমাদের এই কর্মসূচি শুরু হবে।

আসুন সবাই ভ্যাক্সিন নেই, সুস্থ থাকি। চলো স্বপ্ন ছুঁই এর সহ প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ তানজিম আলম তাসিন বলেন, "করোনা ভাইরাস শুধু মরনঘাতী নয় এটি ব্যয়বহুল রোগ। সম্প্রতি আমার এক বন্ধু করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় তার চিকিৎসাতে মাত্র চার দিনে তিন লক্ষ টাকার উপরে খরচ হয়েছে। যা নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষের কাছে কল্পনা মাত্র। আর আমি মনে করি প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। তাই আমরা দিনমজুর পরিবারের মধ্যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা রেজিষ্ট্রেশন করে দিচ্ছি এবং নিজেদের অর্থায়নে টিকার কার্ড প্রিন্ট করে দিচ্ছি।

আমরা চাই করোনা মুক্ত সোনার বাংলা"। তাদের এই কার্যক্রমে ইতিমধ্যে অনেক সাড়া পড়েছে, মানুষের মাঝে বেড়েছে ভ্যাক্সিন গ্রহণের হার। সচেতন নাগরিকরা বলছেন দেশের এরকম পরিস্থিতিতে চলো স্বপ্ন ছুঁই এর এরকম ব্যতিক্রমী উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তাদের প্রশংসনীয় এই কার্যক্রমে সাড়া দিয়ে এগিয়ে আসছে দেশের আরো অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

পরবর্তী খবর

অবশেষে একসাথে-পর্ব:০৩

| প্রকাশিত: ১০:৩৬ অপরাহ্ন, ১১ জুলাই ২০২১

মুঠোফোন হাতে করে ফারিহা আসে রাতুলের কাছে। গ্যালারিতে ঢুকে ছবি দেখায় ফারিহা।
” এই দেখ ভাইয়া! এই হলো নীলা।
ছবি দেখে রাতুল অবাক হয়। বিস্মিত হয়ে হলে,
” ওহ মাই গড! এ মেয়ে অবশেষে, আমার বাসায় এসে পৌঁছে গেছে।
রাতুল কথা শুনে ফারিহা বলে,
” সবকিছু জেনেও তুই শুধু শুধু ভাব দেখাস কেন ভাই?
রাতুল রেগে যায়! রাগান্বিত কন্ঠে বলে,
” বিশ্বাস করো তোমরা, এ মেয়ের সঙ্গে আমার কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই।
রহমত আলী মুখ খুলেছেন, রাতুলকে উদ্দেশ্য করে বললেন,
” যদি সম্পর্ক না-ই থাকে, তাহলে মেয়েটি কেন নিজের মুখের বলে গেল তুইও ভালোবাসিস।
বাবার কথায় রাতুল চুপ হয়। কোনো কথা আসছে না মুখ দিয়ে।
রেজিয়া খাতুন বললেন,
” কিরে, চুপ করে আছিস কেন? সম্পর্ক যদি থেকে থাকে আমাদের বল! ভালোবাসা কী অন্যায় নাকি? আমরা তো চাই তুই কারো সঙ্গে সম্পর্কে যা।
রাতুল খুব ঠান্ডা মাথায় বলল,
” বাবা দেখ! তুমি কী তোমার ছেলেকে চিন না। ছেলের সম্পর্কে জানো না। আজ পযন্ত কী তোমাদের না জানিয়ে আমি কোনো কাজ করেছি।
রহমত আলী বার বার একই কথা বলছেন,
” দেখ বাবা! তুমি হয়তো ভয়ে আমাদের প্রেম সম্পর্কে কিছু বলোনি। তাই আমি আবারো বলছি নীলাকে আমার বেশ পছন্দ হয়েছে। আমি নীলাকে বউ’মা হিসেবে এই বাসায় দেখতে চাই।
বাবার কথা শুনে রাতুল মায়ের কাছে যায়। মা’কে জড়িয়ে ধরে বলে,
” মা তুমি তো আমাকে বড্ড ভালোবাস। আমি একটা কথা বলি, তোমরা অন্য কোনো মেয়ের সঙ্গে আমার বিয়ে ঠিক করলে আমি চোখ বন্ধ করে বিয়ে করে ফেলব। তবুও নীলাকে বিয়ে করতে পারব না।
রাতুলের কথা শুনে মা রেজিয়া খাতুন সহজ জবাব দিলেন,
” চোখ বন্ধ করে বিয়ে করার প্রয়োজন নেই। তুমি বরং, চোখ খুলেই নীলাকে বিয়ে করো।
বড্ড রাগ হয় রাতুলের। মা’কে বলে,
” মা তুমিও। যাও তোমাদের সঙ্গে আমার কোনো কথা নেই।

পরের দিন সকালে রাতুল রেস্টুরেন্টে যায়। দুপুরের দিকে নীলাও রেস্টুরেন্টে গেল। নীলাকে দেখে রাতুল রেগে যায়। কটকটে মেজাজে নীলার কাছে যায়, জিজ্ঞেস করে,
” এই যে আপনার সমস্যা কী?
নীলা হেসে ফেলল, হাসি দেখে রাগটা আরেকটু বেড়ে যায় রাতুলের। আবার জিজ্ঞেস করে,
” বেহায়ার মতো না হেসে বলুন, আপনার সমস্যা কী?
” আমার আবার কী সমস্যা হবে! আই এম ফাইন।
” কার অনুমতি নিয়ে আমার বাসায় গেছেন?
” কী অবাক কান্ড! কারো বাসায় যেতে হলে কী অনুমতি নিতে হয় নাকি?
” হ্যাঁ অবশ্যই অনুমতি লাগে। কারন এ বাসা ভদ্রলোকের।
” ওরে আমার ভদ্রলোক! শুনেন, বাসার সামনে লিখে রাখবেন, এ বাসা ভদ্রলোকের। দয়া করে ভেতরে কেউ প্রবেশ করবেন না।
” আমার বাসার সামনে আমি কী লেখব না লিখব সেটা আমার নিজের ব্যাক্তিগত ব্যাপার। আপনি বলার কে?
” এভাবে কী কেউ, কোনো যুবতী মেয়ের সঙ্গে কথা বলে?
নীলার প্রতিটি কথায় রাতুলের গা জ্বলে! রাগ হয়, কিন্তু কিছু বলতে পারছে না। রাগ করে রেস্টুরেন্ট থেকে বাসায় চলে যায়।

রাতুলকে বাসায় দেখে রহমান আলী জিজ্ঞেস করেন,
” এত তারাতাড়ি বাসায় চলে আসলে যে?
চুপচাপ উত্তর দেয় রাতুল,
” এমনিতে ভালো লাগছে না।
রহমত আলী লক্ষ্য করে দেখছেন, রাতুলের চেহারায় রাগের চাপ। তিনি বুঝতে পারছেন, রেস্টুরেন্টে কোনো ঝামেলা হয়েছে। এই ব্যাপারে আর কিছু জিজ্ঞেস করেননি। ফোন হাতে নিয়ে ম্যানেজারকে কল করলেন।
কল রিসিভ করে ম্যানেজার সালাম করল, সালামের উত্তর দিয়ে রহমত আলী জিজ্ঞেস করলেন,
” রাতুল দেখলাম বাসায় চলে এসেছে! কোনো সমস্যা বা ঝামেলা হয়েছে নাকি?
” না স্যার কোনো ঝামেলা হয়নি। একটা মেয়ে এসেছিল, তারপর দেখলাম রাতুল স্যার মেয়েটির সঙ্গে অদ্ভুত আচরণ করলেন। দ্যান রেস্টুরেন্ট থেকে বাহির হয়ে গেলেন।
” ওহ আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে।
” ওকে স্যার আসসালামু আলাইকুম।

ফারিহার সঙ্গে বেশ খানেক সময় ধরে আড্ডা দিচ্ছে নীলা। অনেক গল্প-উপন্যাস নিয়ে কথা হচ্ছে। রাতুলের বইগুলো চুরি করে করে ফারিহা পড়ে। লুকিয়ে লুকিয়ে ডায়েরি পড়ে। ল্যাপটপ অপেন করে দেখে কার সঙ্গে চ্যাটিং হয়। কার সঙ্গে ডেটিং হয়। ফারিহার কাছ থেকে এমন অদ্ভুত গল্প শুনে নীলা হাসে। হাসলে নীলার গালে ঢুল পড়ে। বেশ হিংসা হয় ফারিহার। মনে মনে রাগ হয়। নিজেই নিজেকে জিজ্ঞেস করে, কেন আমার ঢুল পড়ে না। ফারিহার কাছ থেকে নীলা খবর নেয়। রাতুল কী খেতে ভালোবাসে, কী কালারের টি শার্ট পছন্দ করে। কেমন মেয়ে তার পছন্দ। কখন কোথায় থাকে। ফারিহা বলতে থাকে,
” আসলে ভাইয়া একটা অদ্ভুত টাইপের মানুষ। খুব অগোছালো। প্রতিদিন আমি ভাইয়ার রুম গুছিয়ে দেই। ভাইয়ার নেশা হচ্ছে বই পড়া। প্রচুর বই পড়ে। গল্প,কবিতা-উপন্যাস, জীবন কাহিনী। আরো কত কী। তুই কী জানিস! ভাইয়া অনেক সুন্দর কবিতা লিখে। আমি রোজ ডায়েরি পড়ি। কবিতাগুলো আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। ইচ্ছে করে ভাইয়ার ভাবনাগুলো চুরি করি। ভাইয়া সবসময় কালো কালারের শার্ট বা গেঞ্জি পড়ে। গত ঈদে আমি একটা পাঞ্জাবী গিফট করেছিলাম। কালার ছিল নীল, ভাইয়ার নীল কালার একদম পছন্দ না! তবুও পাঞ্জাবীটা পড়ে, আমি দিয়েছি বলে। ভাইয়া কফি খেতে ভীষণ পছন্দ করে। আমি রোজ কফি বানিয়ে দেই ভাইয়াকে।
ফারিহার মুখ থেকে রাতুলের ব্যাপারে জেনে নীলার আগ্রহ বাড়ে। ইচ্ছে হয়, রাতুলকে জীবন সঙ্গী করতে। রাতুলের কফি বানানোর জন্য হলেও বিয়ে করতে চায়। কিন্তু আফসোস, রাতুল হয়তো কখনো নীলাকে পছন্দ করবে না। নীলার ইচ্ছে হয় রাতুলের লেখা কবিতা পড়বে। ফারিহাকে বলে একদিন রাতুকের অজান্তে বাসায় যাবে। কবিতা পড়বে।

চলবে..........

পরবর্তী খবর

ঘরে বসেই যেভাবে কমাতে পারবেন আপনার পেটের মেদ

| প্রকাশিত: ১:১৯ পূর্বাহ্ন, ০৫ জুলাই ২০২১

নিজেকে সুন্দর দেখাতে সবাই অতিরিক্ত চর্বি কমিয়ে ফেলতে চান। শহরের জীবনে দৈনন্দিন ফাস্টফুড নির্ভরতা, হাঁটা বা শরীরচর্চার অভাব। এছাড়া ভুল ব্যায়াম বা সঠিক খাবার না খাওয়ার কারণেও কাঙ্খিত সাফল্য আসে না মেদ ঝরানোর ক্ষেত্রে।এই মহামারিকালে সুস্বাস্থ্য বজার রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞরাও পরামর্শ দিচ্ছেন অতিরিক্ত ওজন ঝরিয়ে ফিট থাকার।পুষ্টিবিদদের মতে, ওজন কমানোর মূলমন্ত্র হলো জীবনধারা পরিবর্তন করা ও সঠিক খাবার খাওয়া। সম্প্রতি সেলিব্রিটি পুষ্টিবিদ রুজুতা দিওয়েকর জানিয়েছেন কীভাবে ঘরে বসেই দ্রুত মেদ ঝরানো যায়। পুষ্টিবিদ রুজুতার ডায়েট চার্ট অনুসরণ করেই কারিনা কাপুর, আলিয়া ভাটসহ বলিউড তারকারা ফিট থাকেন।

রুজুতা তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন যাতে তিনি প্রতিদিনের কী খাওয়া উচিত এবং কী খাওয়া উচিত নয় তার উপায় বাতলে দিয়েছেন। করিনার ডায়েটিশিয়ান রুজুতা দিওয়েকর সবসময়ই প্রাকৃতিক ও দেশজ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন৷ যা কেবল ওজন কমবে তা নয়; আপনার অন্যান্য শারীরিক রোগ থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি পাবেন।

সকালের খাবার 

সকালে দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা যাবে না। রুজুতা বলেছেন, সকালে ওঠার ১০ থেকে ১৫ মিনিটের পরে কিছু খাওয়া উচিত। এটি আপনার বিপাককে আরও বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করবে। আপনি যদি সকালে চা বা কফি খান; তাহলে আর এই ভুল করবেন না। এতে পেটে জ্বালা-পোড়া ভাব হতে পারে। এ ছাড়াও সকালে বেশি মশলাদার জিনিস খালি পেটে মোটেই খাওয়া উচিত নয়। বরং সকালে ওঠার ১৫ মিনিট পরে আপনি ফল বা শুকনো ফল খেতে পারেন।

ফলের ক্ষেত্রে আপনি কলা, আপেল ইত্যাদি খেতে পারেন। শুকনো ফল জলে ভেজানো বাদাম ও আখরোট খাওয়া যেতে পারে। সকালের খাবার যেন হয় স্বাস্থ্যসম্মত। এ সময় অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত নয়, মৌসুমী ফল, ডাবের পানি বা ঘরে তৈরি সিরাপ খেতে পারেন। মনে রাখবেন, সকালে চা বা কফি পান করবেন না।

দুপুরের খাবার

মধ্যাহ্নভোজ শেষ করুন দুপুর ১টার মধ্যে। আপনি যদি সত্যিই সুস্থ থাকতে চান তবে আপনি কী খাচ্ছেন সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। খাদ্যতালিকায় শাক-সবজি, মাছ বা মুরগির মাংস ও সালাদ রাখতে ভুলবেন না।

সন্ধ্যার স্ন্যাকস

রজুতার পরামর্শ অনুযায়ী, বিকেল ৪-৬টার মধ্যে বাদাম, ঘরে তৈরি খাবার, স্প্রাউট, চিনাবাদাম বা দুধ খেতে পারেন। যেকোনো রকমের নোনতা বা মিষ্টি খাবারও নয়। এ ছাড়াও বিকেল ৪টার পর চা-কফি পান করবেন না। রাতের খাবার অনেকেই গভীর রাতে খাবার খেয়ে থাকেন। যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। রাতে ঘুমানোর অন্তত ২ ঘণ্টা আগে ডিনার শেষ করা উচিত। সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে রাতের খাবার শেষ করবেন।

রাতের খাবারে খিচুড়ি বা ডাল ভাত খেতে পারেন। রাতে ভাত খেলে আপনার হজম সমস্যা হবে না। সঙ্গে শাক-সবজি, সালাদ রাখতে ভুলবেন না।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে








পরবর্তী খবর

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে যে নির্দেশনাগুলো মেনে চলা উচিৎ

| প্রকাশিত: ১০:৫২ অপরাহ্ন, ০৪ জুলাই ২০২১
বজ্রপাত থেকে বাঁচতে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর ২০টি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে।
নির্দেশনাগুলো হলো-
১. বজ্রপাতের ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির ধাতব রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না।
২. প্রতিটি বিল্ডিংয়ে বজ্র নিরোধক দণ্ড স্থাপন নিশ্চিত করুন।
৩. খোলাস্থানে অনেকে একত্রে থাকাকালীন বজ্রপাত শুরু হলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে দূরে সরে যান।
৪. কোনো বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা কক্ষে যান।
৫. খোলা জায়গায় কোনো বড় গাছের নিচে আশ্রয় নেয়া যাবে না। গাছ থেকে চার মিটার দূরে থাকতে হবে।
৬. ছেঁড়া বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকতে হবে। বৈদ্যুতিক তারের নিচ থেকে নিরাপদ দূতত্বে থাকতে হবে।
৭. ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির প্লাগগুলো লাইন থেকে বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে।
৮. বজ্রপাতে আহতদের বৈদ্যুতিক শকে মতো করেই চিকিৎসা দিতে হবে।
৯. এপ্রিল-জুন মাসে বজ্রপাত বেশি হয়। এই সময়ে আকাশে মেঘ দেখা গেলে ঘরে অবস্থান করুন।
১০. যত দ্রুত সম্ভব দালান বা কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।
১১. বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি বা বারান্দায় থাকবেন না এবং ঘরের ভেতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকুন।
১২. ঘন-কালো মেঘ দেখা গেলে অতি জরুরি প্রয়োজনে রাবারের জুতা পরে বাইরে বের হতে পারেন।
১৩. উঁচু গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, তার, ধাতব খুঁটি ও মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন।
১৪. বজ্রপাতের সময় জরুরি প্রয়োজনে প্লাস্টিক বা কাঠের হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার করুন।
১৫. বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, মাঠ বা উঁচু স্থানে থাকবেন না।
১৬. কালো মেঘ দেখা দিলে নদী, পুকুর, ডোবা, জলাশয় থেকে দূরে থাকুন।
১৭. বজ্রপাতের সময় শিশুদের খোলা মাঠে খেলাধুলা থেকে বিরত রাখুন এবং নিজেরাও বিরত থাকুন।
১৮. বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে থাকলে পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে এবং কানে আঙুল দিয়ে মাথা নিচু করে বসে পড়ুন।
১৯. বজ্রপাতের সময় গাড়ির মধ্যে অবস্থান করলে, গাড়ির থাতব অংশের সঙ্গে শরীরের সংযোগ ঘটাবেন না। সম্ভব হলে গাড়িটিকে নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।
২০. বজ্রপাতের সময় মাছ ধরা বন্ধ রেখে নৌকার ছাউনির নিচে অবস্থান করুন (কপি)।
আল্লাহ আমাদের সকল প্রকার বিপদ থেকে হেফাজত করুণ।
পরবর্তী খবর

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধার একটি খামারে শিয়ালকে মারতে গিয়ে নিজেই মারা পড়লো এক খামারী

| প্রকাশিত: ৪:১৮ অপরাহ্ন, ০৪ জুলাই ২০২১

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী এলাকায় মুরগির খামার শেয়াল ও চুরি  থেকে মুরগী রক্ষা করতে  প্রতিদিন রাতে খামারের  চারিদিকে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে রাখে আজ সে তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিজে বীরেন চন্দ্র (৪০) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।বীরেন চন্দ্র হাতীবান্ধা উপজেলার দক্ষিন গোতামারী এলাকার মনোরঞ্জন বমর্নের পুত্র।

রোববার (৪ জুলাই) সকালে লেয়ারের খামারে কাজ করতে গিয়ে বীরেন চন্দ্র বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। এসময় পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজন তাকে ছাড়ানোর পর স্থানীয় ডাক্তারকে দেখালে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

গোতামারী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র বর্মন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বীরেন চন্দ্র লেয়ার মুরগির খামারে কাজ করতেন। আজ অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক শক পেয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।

এবিষয়ে হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, বৈদ্যুতিক শকে একজনের মৃত্যুর খবরটি শুনেছি, ঘটনা বিস্তারিত জানার পর একটি অপমৃত্যু মামলা হবে।

পরবর্তী খবর

লকডাউনের কারনে রংপুরে আম বিক্রি নিয়ে বিপাকে পড়েছে ব্যবসায়ীরা

| প্রকাশিত: ১১:১০ অপরাহ্ন, ০২ জুলাই ২০২১

রংপুরে করোনার বিস্তাররোধে সরকার কর্তৃক ঘোষিত বিধি নিষেধ পালনে লকডাউনে আম বিক্রি নিয়ে বিপাকে পড়েছে ব্যবসায়ীরা।  জনসাধারণের অযথা বাড়ির বাইরে চলাচল ঠেকাতে আইন শৃংখলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা কাল হয়ে দাড়িয়েছে মৌসুমি ফল আম ব্যবসায়ীদের। রংপুর নগরীর বিভিন্ন রাস্তাঘাট সেনাবাহিনী, বিজিবি, আনসার ও পুলিশের দখলে থাকায় লোকজন ইচ্ছামত বাড়ির বাহিরে এবং হাট বাজারে নির্বিঘেœ চলাচল করতে না পারায় পুর্বের মতো আম বিক্রি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন রংপুর নগরীর লালবাগ রেলগেটে উন্মুক্ত স্থানের আম বিক্রেতারা। 

বিক্রেতারা জানায় স্বাভাবিক সময়ে তারা প্রতিদিন এক একজন বিক্রেতা ১৫ থেকে ২০ মণ আম বিক্রি করত। কিন্তু লকডাউনের ফলে লোকজন রাস্তায় বের হতে পারছে বলে তাদের বেচা বিক্রি কমে গেছে, ফলে প্রতিদিন তাদের ক্রয়কৃত কিছু আম পচে যাচ্ছে। অন্যদিকে যারা আম কেনার উদ্দেশ্যে বাজারে আসে তারাও বাজারে আমের চাহিদার চেয়ে যোগান বেশি দেখে কম দাম দিচ্ছে।

ফলে লোকসান দিয়ে বাজারে টিকে থাকতে হচ্ছে এই আম ব্যবসায়ীদের। তবে ব্যবসায়ীরা সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছে রংপুরে আম সংরক্ষনের  জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের। 

পরবর্তী খবর

১০ টাকায় ইফতারসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে যে সংগঠন

| প্রকাশিত: ৬:০৬ পূর্বাহ্ন, ১০ জুন ২০২১