সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলায় চাঁদাবাজির কোনো ঘটনাই নেই: পুলিশ

Shahinur Rahman Uzzol
Shahinur Rahman Uzzol Shahinur Rahman Uzzol
প্রকাশিত: ৪:১৪ অপরাহ্ন, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) গিয়াস উদ্দিন ইত্তেফাক ডিজিটালকে জানিয়েছেন, সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়নি। নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। সেখানে চাঁদাবাজির কোনো ঘটনাও ঘটেনি বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে সালমান মুক্তাদিরের কাছে চাঁদা চাওয়ার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এমনকি কোনো রাজনৈতিক যোগসুত্রও নেই। ঘটনার পুরোটাই নিউ গিনি প্রপার্টিজের মালিক পক্ষের ব্যক্তিগত ঝামেলা। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও এই প্রপার্টিজের মাঝে পরায় সেখানেও ভাঙচুর হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। 

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউ গিনি প্রপার্টিজে অবস্থিত সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে রাতেই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্টুডিওর ভাঙচুরের ভিডিও প্রকাশ করেন সালমান।

ভিডিওতে স্টুডিওর চেয়ার, টেবিল, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন আসবাব ও সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখা যায়। স্টুডিওর কয়েকজন কর্মীকেও কান্নারত অবস্থায় দেখা যায়। ভিডিওতে সালমান বলেন, ‘একটু আগে এখানে অ্যাটাক হয়েছিল…এই পুরা অ্যাটাকে আমাদের স্টুডিও ডেস্ট্রয়েড হয়ে গেছে।’

এর আগে সালমান অভিযোগ করেছিলেন, চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে হামলা চালানো হয়েছে। তার স্টুডিওর সিসি ক্যামেরা, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও আসবাব ভাঙচুর এবং কিছু মালামাল লুটের অভিযোগও ওঠে।

তবে পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনার মূল কারণ স্টুডিও নয়; নিউ গিনি প্রপার্টিজের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের বিরোধ। পুলিশ বলছে, ওই বিরোধের জেরেই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে এবং চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। আটক তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত এবং হামলার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।