অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

Bss
Bss Bss
প্রকাশিত: ১২:৩০ অপরাহ্ন, ১১ মে ২০২৬ | আপডেট: ২:৪০ পূর্বাহ্ন, ১২ মে ২০২৬

অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি আগামী ২ জুন নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও অগ্রগতির বিষয়ে সার্বিক প্রতিবেদন পেশ করতে বলেছেন তিনি। রবিবার এ তথ্য জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং।

প্রেস উইং জানায়, ‘৩২০ কোটি টাকা খরচে ৬ শিশু হাসপাতালের ভবন পড়ে আছে’ শীর্ষক গত ১২ এপ্রিল গণমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়ু রংপুর, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট ও কুমিল্লায় আধুনিক ৬টি হাসপাতাল ভবন নির্মাণ হলেও বছরের পর বছর তা অব্যবহৃত পড়ে আছে। 

প্রেস উইং আরও জানায়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর পড়ার পর প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে উপস্থিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের  দ্রুত এই অব্যবহৃত ৬টি হাসপাতাল পরিদর্শন করে চালু করার জন্য নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ২ জুন নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও অগ্রগতির বিষয়ে সার্বিক প্রতিবেদন পেশ করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে আলোচনা হয়, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি আংশিক চালু রয়েছে। এক্ষেত্রে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি রাজধানী ঢাকার শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালসহ বাকি হাসপাতালগুলো দ্রুত চালুর নির্দেশ দেন তিনি।

এদিকে, ১০০০ শয্যাবিশিষ্ট নীলফামারীতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চীনা দূতাবাসকে সম্পৃক্ত করে দ্রুত কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জানা গেছে, নীলফামারীতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালটি সদর উপজেলায় নির্মাণ করা হবে। এই প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার-প্রতিটি জেলায় আধুনিক সেকেন্ডারি স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট প্রতিষ্ঠা' এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী জানান, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে, বিশেষ করে রংপুর বিভাগে প্রায় ২ কোটি জনগোষ্ঠীর জন্য উচ্চ দারিদ্রের হার, সীমিত স্বাস্থ্য অবকাঠামো এবং দক্ষ মানবসম্পদের অভাবের কারণে জটিল রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল নির্মিত হলে হাসপাতালটি একটি আঞ্চলিক রেফারেল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।'

এছাড়া, উত্তরাঞ্চলে উন্নত চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণ একটি সময়োপযোগী ও কৌশলগত পদক্ষেপ’ বলেও মন্তব্য করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।