জুলাইয়ে হত্যাচেষ্টা মামলায় বরিশালের সাবেক এমপি জেবুন্নেসা গ্রেপ্তার

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ৫:৩০ অপরাহ্ন, ০১ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১:৪৭ পূর্বাহ্ন, ০৭ জুলাই ২০২৬

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্ক এলাকায় রবিউল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যাচেষ্টার মামলায় বরিশাল-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেসা আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই কামাল হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে গত ২৮ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই রিফাত আল আফসানী তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত আজ বুধবার শুনানির দিন ধার্য করেছিলেন।


গ্রেপ্তার আবেদনে বলা হয়, আসামি আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের সঙ্গে উস্কানিমূলক কথাবার্তাসহ অর্থদাতা ও হুকুমদাতা হিসেবে যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামি এই মামলার ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত আছে বলেও তদন্তে সত্যতা পাওয়া যায়।

আবেদনে আরও বলা হয়, এ অবস্থায় এই মামলায় আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেল-হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক থেকে মামলার তদন্তে ব্যাঘাত ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

এ দিন শুনানিকালে জেবুন্নেসা আফরোজকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হওয়ার পর রবিউল ইসলাম ২০২৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ভাটারা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, জুলাই আন্দোলনের সময় সন্দিগ্ধ আসামি মো. আজিজুল ইসলামসহ নামীয় ও অজ্ঞাত আরও অসংখ্যক আসামি পরস্পরের যোগসাজশে উসকানিমূলক বক্তব্য ও নির্দেশনা দিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতিহত এবং দেখামাত্র গুলি করার ঘোষণা দেন।

এজাহারে আরও বলা হয়, ওই বছরের ৫ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে ভাটারা থানার যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে যমুনা টেলিভিশনের প্রধান ফটকের কাছে জেবুন্নেসা আফরোজ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের সশস্ত্র নেতাকর্মীদের উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। পাশাপাশি তিনি তাদের নির্দেশনা দেন এবং আর্থিক সহায়তাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।