কানাডায় এমপি পদে লড়ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জেনিফা গমেজ

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ৪:৫৫ অপরাহ্ন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৫:০০ পূর্বাহ্ন, ০১ অক্টোবর ২০২৬
কানাডার কুইবেক প্রদেশের নির্বাচনে এমএনএ প্রার্থী হয়ে লড়ছেন নির্বাচনে লড়ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সংগীতশিল্পী জেনিফা গমেজ।

তিনি কানাডার কুইবেক প্রাদেশিক নির্বাচনে Laurier-Dorion আসন থেকে Canadian Party of Quebec (CaPQ) এর প্রার্থী হিসেবে প্রাদেশিক সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আগামী ৫ অক্টোবর ২০২৬ কুইবেক প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

Montreal এর সামাজিক, পেশাগত ও কমিউনিটি পরিসরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা, প্রশাসন, জনসংযোগ, ফান্ডরেইজিং, কমিউনিটি কার্যক্রম এবং নির্বাচনী কার্যক্রমে তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে।

বাংলাদেশি কমিউনিটিসহ Montreal এর বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগে তাঁর অংশগ্রহণ রয়েছে। বাংলাদেশ সোসাইটি অব মন্ট্রিয়লের বিভিন্ন কার্যক্রমের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কমিউনিটি প্রোগ্রাম, ফান্ডরেইজিং ও অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

Elections Canada এর Returning Officer হিসেবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রশাসন ও ভোটগ্রহণ কার্যক্রমের সঙ্গেও তাঁর পেশাগত সম্পৃক্ততা রয়েছে। এছাড়া McGill University Health Centre এ স্বাস্থ্যসেবা খাতে কাজের অভিজ্ঞতা তাঁর পেশাগত জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ।

বাংলা, ইংরেজি, ফরাসি, উর্দু ও হিন্দি ভাষায় যোগাযোগের সক্ষমতার কারণে Montreal এর বিভিন্ন ভাষাভাষী ও সাংস্কৃতিক সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের সুযোগ রয়েছে।

কমিউনিটি অংশগ্রহণ, বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি, নাগরিক সম্পৃক্ততা এবং নারীর নেতৃত্ব এসব ক্ষেত্রে তাঁর আগ্রহ ও অভিজ্ঞতার কথাও তিনি তুলে ধরেছেন।

উল্লেখ্য,কানাডার অন্টারিওতে বাংলাদেশি ফেডারেল এমপি এবং  প্রাদেশিক এমএনএ বা ডেপুটি থাকলেও কুইবেকে প্রথম বারের মত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত 

জেনিফা গমেজ ছাড়াও আরো তিনজন প্রাদেশিক নির্বাচনে অংশগ্রহণ করাতে বাংলাদেশ তথা দক্ষিন এশিয়ার কমিউনিটির মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। যেখানে অতীতে একজন প্রার্থী হবার নজির নাই সেখানে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কারনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। রীতিমতো গমগম করছে তাদের নির্বাচনী অফিস গুলো। কোনদিন বাংলাদেশী নির্বাচন না করাকে তাদের নিজের মানুষ হিসেবে তারা কাজ শেষ করে অনেকে কাজ ফেলে চলে আসছেন দেশের প্রার্থীর সমর্থনে।