গরমে ঘি যেভাবে শরীর ঠান্ডা রাখে

ছামির মাহমুদ/এসএস | প্রকাশিত: ৬:০৭ পূর্বাহ্ন, ১০ জুন ২০২১
পরবর্তী খবর

বসন্তের ছোঁয়ায় প্রাণোচ্ছল প্রকৃতি

| প্রকাশিত: ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত। আজ ১লা ফাল্গুন মানে আজ থেকে শুরু ঋতু বসন্ত। আর বসন্ত মানেই পূর্ণতা, বসন্ত মানেই নতুন প্রাণের কলরব। পাতা ঝরা দিন মনে করিয়ে দিচ্ছে, বসন্ত এসে গেছে। এসেছে বাঙালির ঋতুরাজ। রূপ লাবণ্যে জেগে উঠেছে প্রকৃতি, রঙিন চারপাশ।

প্রকৃতির বুকে বসন্তের আগমনে ঋতুর পালাবদলের সুর ধরা দিয়েছে, আর বাঙালির হৃদয়ে জেগেছে উৎসবের উচ্ছ্বাস। মাধবী ও বোগেনভিলিয়ার বাহারি শোভা, কোকিলের কুহু ধ্বনি আর দখিনা বাতাসে দোল খাওয়া কৃষ্ণচূড়া জানান দিচ্ছে বসন্তের আনুষ্ঠানিক আগমন।

বসন্ত মানেই প্রাণের স্পন্দন, রঙের ছটা, আর উৎসবের আনন্দ। গ্রাম হোক কিংবা শহর, বসন্ত বরণে বাঙালি যেন মেতে ওঠে নিজস্ব ঐতিহ্যের সৌন্দর্যে। ঐতিহ্যবাহী বাসন্তী শাড়ি ও পাঞ্জাবির পাশাপাশি এখন আধুনিক ফ্যাশনের ছোঁয়ায় বসন্ত উৎসবে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। তরুণ-তরুণীদের পোশাকে লাল, হলুদ আর বাসন্তী রঙের প্রাধান্য ফুটিয়ে তোলে ঋতুর রঙিন আবেদন।

শুধু ফ্যাশন নয়, বসন্তের সঙ্গে মিশে আছে বাঙালির প্রাণের বইমেলাও। একুশে বইমেলা ও বসন্ত যেন সমান্তরালে বাঙালির আবেগকে গভীর কাব্যিকতায় ছুঁয়ে যায়। নগরজীবনের ব্যস্ততার মাঝেও বসন্তের রঙে রাঙিয়ে নিতে চায় সবাই নিজেদের। ঢাকার পাশাপাশি মফস্বল শহরগুলোর আকাশেও বসন্তের রঙ ছড়িয়ে পড়ছে উৎসবের আমেজে।

বসন্ত এসেছে, প্রকৃতিতে এনেছে প্রাণের জাগরণ, হৃদয়ে তুলেছে নতুন আবেগের ঢেউ। তাই প্রাণ খুলে বরণ করে নেওয়া হোক ঋতুরাজ বসন্তকে!

পরবর্তী খবর

গণি ভাইয়ের গ্যাং-এর সক্রিয় সদস্য ডানহাত রোমিও

| প্রকাশিত: ১:১৩ অপরাহ্ন, ১৬ জুলাই ২০২১

ঢাকায় এসে চাকরি না পেয়ে গণি ভাই হয়ে গেছে গ্যাংস্টার। তার নামে কাঁপে এখন পুরো শহর। চাঁদাবাজি হোক কি কিডন্যাপ.. কী করে না গণি ভাইয়ের গ্যাং! গণি ভাইয়ের গ্যাং-এর সক্রিয় সদস্য ডানহাত রোমিও, বামহাত মজনু আর অজুহাত হীরামন। মানুষ যা ভাবেও না, কখনো কখনো তা হয়ে যায়। 

আর তাই তো গ্যাংবাড়িতে এসে উপস্থিত হয় গণি ভাইয়ের বউ মিতালি আর ছোট্ট কন্যা পাখি, যার ফলে সমূহ বিপদে পড়ে পুরো গ্যাং। বন্ধ হয়ে যায় তাদের কাজ। খারাপ মানুষগুলো নিজেদের ভালো হিসেবে উপস্থাপন করতে গিয়ে পড়তে থাকে মজার মজার বিপদে।

অজুহাতের মন পেতে তুমুল দুশ্চিন্তা ডান আর বামের! আর ওদিকে দুশ্চিন্তা গণি ভাইয়ের অন্য আরেক রকম- গ্রামে থাকা তার বউ আর মেয়ে যদি জেনে যায় তার গ্যাংস্টার হয়ে যাওয়ার কথা? যদি কোনোদিন ধরা পড়ে যায় সে?

এই রকম একটি গল্পকে উপজীব্য করে দীপ্ত টেলিভিশন মাল্টি ক্যামেরায় নির্মাণ ৭ পর্বের ধারাবাহিক নাটক। 'গ্যাংস্টার গণিভাই' এর চিত্রনাট্য করেছেন আহমেদ খান হীরক এবং এর সংলাপ লিখেছেন কলিন রড্রিক। মোস্তফা মনন ও ফিরোজ কবির ডলার পরিচালিত এই নাটকে অভিনয় করেছেন মীর সাব্বির, তানজিকা আমিন, সুজাত শিমুল, তানভীর, মাসুদ, রোদেলা মির্জা, আনন্দ খালেদ, শিশু শিল্পী মৌমিতা ও আরো অনেকে। 

প্রচারিত হবে ঈদের ৭ম দিন বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে দীপ্ত টিভিতে।

পরবর্তী খবর

বার বার মুখ শুকিয়ে গেলে যে বিপদ হতে পারে!

| প্রকাশিত: ১২:৫৮ অপরাহ্ন, ১৬ জুলাই ২০২১
অনেকেই বলে থাকেন মুখ শুকিয়ে যায়। পর্যাপ্ত পানি পানের পরও এই সমস্যা অনেকের দেখা দেয়। অনেকে এটি ডায়াবেটিসের লক্ষণ বলে ধরে নেন। ডায়াবেটিসের চেয়েও বড় সমস্যার কারণে এমনটি হতে পারে। তাই মুখ শুষ্ক হয়ে গেলে বিষয়টি গুরুত্ব না দেওয়ার কোনো কারণ নেই। এই সমস্যা দীর্ঘদিন জিইয়ে রাখতে মারাত্মক বিপদও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমোনের তারতম্যের কারণে মুখে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। থাইরয়েড হরমোন বেশি হওয়ার কারণে বার্নিং মাউথ সিনড্রোম অর্থাৎ মুখে জ্বালাপোড়া হতে পারে। যাদের থাইরয়েড হরমোনের পরিমাণ কম থাকে তাদের ক্ষত বা আলসার দেরিতে শুকায়।

হাইপোথাইরয়ডিজমে রোগীরা জিহ্বার মেটালিক স্বাদ পেতে পারে। মাঝে মাঝে হাইপোথাইরয়ডিজমে জগ্রেন্স সিনড্রোম দেখা দিয়ে থাকে, যার কারণে শুষ্ক মুখের সৃষ্টি হয়ে থাকে। 

মুখ শুকিয়ে থাকার কারণ ও প্রতিকার নিয়ে যুগান্তরকে পরামর্শ দিয়েছেন মুখ ও দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. ফারুক হোসেন।

শুষ্ক মুখের প্রভাবে দন্তক্ষয়ের পরিমাণ বেড়ে যায়। হাইপোথাইরয়ডিজমে প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে ম্যাক্রোগ্লসিয়া বা জিহ্বা বড় হতে পারে। ঠোঁট বড় হয়ে যেতে পারে। এটি হতে পারে পানি এবং প্রোটিন জমা হওয়ার কারণে। ম্যান্ডিবল আন্ডার ডেভেলপড্ বা সঠিকভাবে গঠন হয় না অথবা পুরোপুরি গঠন হয় না। তাছাড়া পেরিওডন্টাল রোগের ঝুঁকি থাকে। 

থাইরয়েড হরমোন কম বা বেশি হলে পেরিওডন্টাল রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। হাইপারথাইরয়ডিজমে পেরিওডন্টাল রোগ, ম্যাক্সিলারি বা ম্যান্ডিবুলার অস্টিওপরোসিস এবং দাঁত তাড়াতাড়ি ওঠে। 

হাইপোথাইরয়ডিজমের রোগীদের ঘা বা ক্ষত যেহেতু দেরিতে শুকায় সে কারণে অস্ত্রোপচারের পর সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই দাঁত তোলা অথবা সার্জারির সময় সতর্ক থাকতে হবে। বয়ঃসন্ধিকালে ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেসটেরন হরমোন বেশি নিঃসরণ হওয়ার কারণে মাড়ি রোগ দেখা দিতে পারে।  দাঁতে পাথর থাকলে স্কেলিং করিয়ে নিতে হবে।  জিনজাইভাল হাইপারপ্লাসিয়া হতে পারে। মনে রাখতে হবে কিছু ওষুধের কারণেও জিনজাইভাল হাইপারপ্লাসিয়া হতে পারে। মাসিকের সময় প্রজেসটেরন হরমোন বেশি হওয়ার কারণে মাড়িতে আলসারসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে এসব ক্ষেত্রে তেমন কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন নাই। 

গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস ইস্ট্রোজেন লেভেল দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এতে বমি বমি ভাব হতে পারে। এ সময় গর্ভবতীর মুখের অধিকতর যত্ন নিতে হবে। শুধু ইস্ট্রোজেন নয় বরং প্রজেসটেরন লেভেলও বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। দুটি হরমোন বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে মাড়িতে রক্ত সঞ্চালনও বেশি হয়। সে কারণে মাড়ি অধিকতর সংবেদনশীল হয়ে থাকে। মাড়ি ফুলে যেতে পারে। এ সময় জেল জাতীয় টুথপেস্ট ব্যবহার করবেন না। 

গর্ভাবস্থায় তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে মুখ ও দাঁতের চিকিৎসা করে নিতে হবে। জরুরি চিকিৎসা যে কোনো সময় ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী করবেন।  মেনোপজ অর্থাৎ মাসিক যখন বন্ধ হয়ে যায় তখন হরমোনের তারতম্যের কারণে বার্নিং মাউথ সিনড্রোম বা মুখের জ্বালাপোড়া দেখা দিতে পারে। 

হরমোনের তারতম্যের কারণে অনেক সময় মেয়েদের মেজাজ খিটখিটে থাকে। তাই মুখের কোনো সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই মুখের ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। মেনোপজের সময় বা মেনোপজ পরবর্তীকালে বিষণ্নতায় আক্রান্ত হলে মুখে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। তাই এসব বিষয়ে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। 
মেনোপজ পরবর্তীকালে নারীর মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। মেনোপজের সময় হরমোনের তারতম্যের কারণে শুষ্ক মুখ হতে পারে। শুষ্ক মুখের কারণে মুখে তেতো স্বাদ হতে পারে। জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন করলে শুষ্ক মুখ হতে পারে। মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হতে পারে। 

মনে রাখতে হবে অন্যান্য অনেক কারণে একই ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়। ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেসটেরন হরমোন মাড়িতে রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি করে। মাড়ি ফুলে যেতে পারে। মাড়ি থেকে রক্তপাত হতে পারে। মাড়ি রোগসহ মাড়ি এবং দাঁত অধিক সংবেদনশীল হতে পারে। এ বিষয়গুলো অবশ্যই চিকিৎসার সময় গুরুত্ব দিতে হবে। মেয়েদের মধ্যে যারা নিয়মিত জন্ম নিরোধক ওষুধ বা পিল সেবন করেন তাদের ক্ষেত্রে মাড়ি রোগ দেখা দিতে পারে। 

দাঁত তোলার পর ড্রাই সকেট বা অ্যালভিওলার অস্টাইটিস দেখা দিতে পারে। যারা নিয়মিত জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন করেন তাদের ক্ষেত্রে মাসিকের শেষ সপ্তাহে ২৩-২৮ দিনের মধ্যে দাঁত তোলা ভালো। কারণ এ সময় ইস্ট্রোজেন লেভেল কম থাকে, অথবা কার্যকর থাকে না। ইস্ট্রোজেন প্রণোদনা দেয় ফিব্রিনোলাইসিসের ক্ষেত্রে। ফলে রক্ত জমাট বাঁধা প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া ইস্ট্রোজেন ক্ষতস্থান শুকানোর প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। শরীরে স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য গ্রোথ হরমোন আবশ্যক। কিন্তু যখন কোনো কারণে মাত্রাতিরিক্ত গ্রোথ হরমোন নিঃসরিত হয় তখন মানবদেহের নিচের চোয়াল বা ম্যান্ডিবল বড় হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দাঁত ফাঁকা হয়ে যায়। 

উপরের দাঁত এবং নিচের দাঁতের স্বাভাবিক রিলেশন নষ্ট হয়ে যায় বলে এ অবস্থায় দাঁতের চিকিৎসা করতে হলে আগে চোয়াল ঠিক করতে হবে। অর্থাৎ অর্থোগন্যাথিক সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে। অতএব বুঝতেই পারছেন একটি হরমোন বেশি নিঃসরণ হওয়ার কারণে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। 

ক্রমাগত দুশ্চিন্তা করলে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল নিঃসরিত হয়ে থাকে। এ  ধরনের রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগীর ওষুধের ইতিহাসসহ পূর্ণ ইতিহাস গ্রহণ করতে হবে। সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করার পরেই রোগীর মুখের চিকিৎসা প্রয়োজন হলে করতে হবে। অক্সিটোসিন হরমোন বা লাভ হরমোন মুখের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে থাকে। অতিরিক্ত মানসিক চাপে দাঁত কামড়ানো, ক্যানকার সোর বা ক্ষত, মাড়ি রোগ এবং টেম্পেরোম্যান্ডিবুলার জয়েন্টের অচলাবস্থা দেখা দিতে পারে। 

এডরেনালিন হার্ট রেট বৃদ্ধি করে, রক্তচাপ বৃদ্ধি করে। দাঁতের চিকিৎসার সময় রোগী অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করলে চিকিৎসা শুরু করার আধা ঘণ্টা আগে ট্রাংকুলাইজার জাতীয় ওষুধ প্রয়োগ করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে রোগীর আগের ইতিহাস অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে। হরমোন শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। 

আবার হরমোনের কম-বেশি হওয়ার কারণে আমাদের শরীরে এবং মুখে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়ে থাকে। তাই হরমোন সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।

পরবর্তী খবর

নিম পাতার যত গুনাগুন

| প্রকাশিত: ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, ০৭ জুলাই ২০২১

নিম একটি ঔষধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে নিম খুবই কার্যকর। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার। আসুন জেনে নেওয়া যাক নিমের উপকারিতাগুলো-

চুল : উজ্জ্বল, সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন চুল পেতে নিমপাতার ব্যবহার বেশ কার্যকর। চুলের খুসকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে চুল ম্যাসেজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুসকি দূর হয়ে যাবে। চুলের জন্য নিম পাতার ব্যবহার অদ্বিতীয়। সপ্তাহে ১ দিন নিমপাতা ভালো করে বেটে চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টার মতো রাখুন। এবার ১ ঘণ্টা পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল পড়া কমার সঙ্গে সঙ্গে চুল নরম ও কোমল হবে।

কৃমিনাশক : পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেটে বড় হয়। চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে যায়। বাচ্চাদের পেটের কৃমি নির্মূল করতে নিমের পাতার জুড়ি নেই।

 দাঁতের রোগ : দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে সেই প্রাচীনকাল থেকেই। নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দন্ত রোগ থেকেও।

ত্বক : বহুদিন ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। মাথার ত্বকে অনেকেরই চুলকানি ভাব হয়। নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এই চুলকানি কমে। নিয়মিত নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিন টোন ঠিক হয়।

পরবর্তী খবর

ত্বকের পরিচর্যায় সবার আগে আপনার খাবার তালিকায় ফল রাখুন

| প্রকাশিত: ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, ০৭ জুলাই ২০২১

 চিকিৎসকেরা বলছেন, খাদ্যাভ্যাস ঠিক করলেই ত্বক সুন্দর হবে। আপনি কী খাবেন তার উপর নির্ভর করে আপনার ত্বক কেমন হবে। কারণ ভেতর থেকে ত্বক যেভাবে সুস্থ হয় তার সমপরিমাণ ক্রিম মেখে সম্ভব না। ত্বকের পরিচর্যায় সবার আগে আপনার খাবার তালিকায় ফল রাখুন।

কোন ফল খাবেন?

১) ব্লুবেরি, স্ট্রবেরির মতো ফলে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যে দাগ ছোপ থেকে ত্বককে রক্ষা করে ফল।

২) ত্বকের যত্নে কলার গুরুত্বও অনেক। ভিটামিন এ, বি, ই সব থাকে কলাতে। বয়সের সঙ্গে ত্বকে যে ক্লান্তির ছাপ দেখা দেয়, তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম এই ফল।

৩) পাকা পেঁপে পেট পরিষ্কার রাখে। তার প্রভাব গিয়ে পড়ে ত্বকে। ঝলমলে উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার জন্য পাকা পেঁপের বিকল্প নেই।

এছাড়া যেকোনো ফলই কোন না কোনভাবে আপনার ত্বকের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে। সেসঙ্গে খাবার তালিকায় রাখুন আলু বাদে যেকোনো প্রকার সবজি।

পরবর্তী খবর

ঘরে বসেই যেভাবে কমাতে পারবেন আপনার পেটের মেদ

| প্রকাশিত: ১:১৯ পূর্বাহ্ন, ০৫ জুলাই ২০২১

নিজেকে সুন্দর দেখাতে সবাই অতিরিক্ত চর্বি কমিয়ে ফেলতে চান। শহরের জীবনে দৈনন্দিন ফাস্টফুড নির্ভরতা, হাঁটা বা শরীরচর্চার অভাব। এছাড়া ভুল ব্যায়াম বা সঠিক খাবার না খাওয়ার কারণেও কাঙ্খিত সাফল্য আসে না মেদ ঝরানোর ক্ষেত্রে।এই মহামারিকালে সুস্বাস্থ্য বজার রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞরাও পরামর্শ দিচ্ছেন অতিরিক্ত ওজন ঝরিয়ে ফিট থাকার।পুষ্টিবিদদের মতে, ওজন কমানোর মূলমন্ত্র হলো জীবনধারা পরিবর্তন করা ও সঠিক খাবার খাওয়া। সম্প্রতি সেলিব্রিটি পুষ্টিবিদ রুজুতা দিওয়েকর জানিয়েছেন কীভাবে ঘরে বসেই দ্রুত মেদ ঝরানো যায়। পুষ্টিবিদ রুজুতার ডায়েট চার্ট অনুসরণ করেই কারিনা কাপুর, আলিয়া ভাটসহ বলিউড তারকারা ফিট থাকেন।

রুজুতা তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন যাতে তিনি প্রতিদিনের কী খাওয়া উচিত এবং কী খাওয়া উচিত নয় তার উপায় বাতলে দিয়েছেন। করিনার ডায়েটিশিয়ান রুজুতা দিওয়েকর সবসময়ই প্রাকৃতিক ও দেশজ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন৷ যা কেবল ওজন কমবে তা নয়; আপনার অন্যান্য শারীরিক রোগ থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি পাবেন।

সকালের খাবার 

সকালে দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা যাবে না। রুজুতা বলেছেন, সকালে ওঠার ১০ থেকে ১৫ মিনিটের পরে কিছু খাওয়া উচিত। এটি আপনার বিপাককে আরও বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করবে। আপনি যদি সকালে চা বা কফি খান; তাহলে আর এই ভুল করবেন না। এতে পেটে জ্বালা-পোড়া ভাব হতে পারে। এ ছাড়াও সকালে বেশি মশলাদার জিনিস খালি পেটে মোটেই খাওয়া উচিত নয়। বরং সকালে ওঠার ১৫ মিনিট পরে আপনি ফল বা শুকনো ফল খেতে পারেন।

ফলের ক্ষেত্রে আপনি কলা, আপেল ইত্যাদি খেতে পারেন। শুকনো ফল জলে ভেজানো বাদাম ও আখরোট খাওয়া যেতে পারে। সকালের খাবার যেন হয় স্বাস্থ্যসম্মত। এ সময় অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত নয়, মৌসুমী ফল, ডাবের পানি বা ঘরে তৈরি সিরাপ খেতে পারেন। মনে রাখবেন, সকালে চা বা কফি পান করবেন না।

দুপুরের খাবার

মধ্যাহ্নভোজ শেষ করুন দুপুর ১টার মধ্যে। আপনি যদি সত্যিই সুস্থ থাকতে চান তবে আপনি কী খাচ্ছেন সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। খাদ্যতালিকায় শাক-সবজি, মাছ বা মুরগির মাংস ও সালাদ রাখতে ভুলবেন না।

সন্ধ্যার স্ন্যাকস

রজুতার পরামর্শ অনুযায়ী, বিকেল ৪-৬টার মধ্যে বাদাম, ঘরে তৈরি খাবার, স্প্রাউট, চিনাবাদাম বা দুধ খেতে পারেন। যেকোনো রকমের নোনতা বা মিষ্টি খাবারও নয়। এ ছাড়াও বিকেল ৪টার পর চা-কফি পান করবেন না। রাতের খাবার অনেকেই গভীর রাতে খাবার খেয়ে থাকেন। যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। রাতে ঘুমানোর অন্তত ২ ঘণ্টা আগে ডিনার শেষ করা উচিত। সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে রাতের খাবার শেষ করবেন।

রাতের খাবারে খিচুড়ি বা ডাল ভাত খেতে পারেন। রাতে ভাত খেলে আপনার হজম সমস্যা হবে না। সঙ্গে শাক-সবজি, সালাদ রাখতে ভুলবেন না।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে