তুরস্কের ’ফিনিশিং ব্যর্থতায়’ অস্ট্রেলিয়ার জয়
২৪ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা তুরস্ক বল দখল থেকে আক্রমণ—প্রায় সব পরিসংখ্যানেই আধিপত্য দেখালেও শেষ পর্যন্ত জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ফিনিশিং ব্যর্থতায় ভোগা তুরস্ককে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে সকারুজরা।
কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ৭২ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল তুরস্ক। গোলমুখে তাদের শট ছিল আটটি। বিপরীতে মাত্র দুটি শট নিয়েই দুই গোল আদায় করে নেয় অস্ট্রেলিয়া। দলের জয়ে গোল করেন ২০ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড নেস্টরি ইরানকুন্ডা ও কনর মেটকাফ।
তুরস্কের একের পর এক আক্রমণ রুখে দেওয়ার নায়ক ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ। পুরো ম্যাচে তিনি আটটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন। কোচ টনি পপোভিচের সিদ্ধান্তে অভিজ্ঞ ম্যাথিউ রায়ানের পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পেয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেন তিনি।
ম্যাচের ২৭তম মিনিটে ইরানকুন্ডার গোলে এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। তিন ডিফেন্ডারের চাপের মধ্যেও নিচু শটে বল জালে পাঠান তরুণ এই ফরোয়ার্ড। বিশ্বকাপ ইতিহাসে গোল করা অস্ট্রেলিয়ার সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলারও হয়ে যান তিনি।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে আবদুলকেরিম বারদাকচির জোরালো শট ঠেকিয়ে দেন বিচ। দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামেন তুরস্কের তরুণ তারকা কেনান ইলদিজ। ৫৭তম মিনিটে আরদা গুলারের নেওয়া বিপজ্জনক ফ্রি-কিকও প্রতিহত করেন অস্ট্রেলিয়ান গোলরক্ষক।
ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে ইসমাইল ইউকসেকের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কনর মেটকাফ। এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি তুরস্ক।
এটি অস্ট্রেলিয়ার টানা ষষ্ঠ ও সব মিলিয়ে সপ্তম বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ। অন্যদিকে ২০০২ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরেও কাঙ্ক্ষিত শুরু করতে পারল না তুরস্ক। প্লে-অফে কসোভোকে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছিল তারা।