মধ্যরাতে গ্রিল কেটে প্রবেশ, লুটপাটের পর যৌন সহিংসতা

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ৫:৩৮ অপরাহ্ন, ১১ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, ১২ জুন ২০২৬


চকরিয়ায় সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫, পলাতক আরও কয়েকজন


কক্সবাজার প্রতিনিধি 


কক্সবাজারের চকরিয়ায় গভীর রাতে একটি বসতবাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাতির পর এক নারী ও তার অপ্রাপ্তবয়স্ক কন্যার ওপর যৌন সহিংসতার অভিযোগ উঠেছে। আলোচিত এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত থাকায় তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ জুন দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিট থেকে ৩টা ৪০ মিনিটের মধ্যে উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ডলনীঘোনা এলাকার একটি পাকা বসতবাড়িতে হামলা চালায় ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল। অভিযোগ অনুযায়ী, গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে তারা পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করে।এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, লুটপাটের একপর্যায়ে ওই পরিবারের এক নারী ও তার অপ্রাপ্তবয়স্ক কন্যা যৌন সহিংসতার শিকার হন। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।সংবাদ পেয়ে কক্সবাজার জেলা পুলিশের নির্দেশনায় চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে এবং চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে চকরিয়া থানা পুলিশ ও মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা অংশ নেন।পুলিশ জানায়, অভিযানের একপর্যায়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— তারেক (২৫), তোফাজ্জল হোসেন ওরফে বাবু (২৩), মেহেদী (২৪), তানজীদ (২৫) এবং কেফায়েত হোসেন (২৫)। তারা সবাই চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।এ ঘটনায় চকরিয়া থানায় পেনাল কোডের ৩৯৫ ও ৩৯৭ ধারাসহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী-২০২৫)-এর ৯(৩)/৩০ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।